inকলিসয়াম

৫ বছর আগে লিখেছেন

১৪ ই এপ্রিল , তাই পহেলা বৈশাখ

আমি যে বাঙালি,
* একটা সিস্টেম আসল , যেকোনো ধরেণর সিস্টেম । আমি বুঝি না , সেই ক্ষেত্রে মনোভাব 'এই সিস্টেম টিকবে না , যেহেতু আমি পারি না তাই এটা ভালো না '
* মুখে সবাই পাক্কা ইসলামী , তবে কিবলার দিকে ফিরে সিজদা সপ্তায় চারটার বেশি পরে না একটা ব্যপক অংশের।
*দাড়ি - টুপি পড়া হুজুর যা বলছে তাই ধর্ম , তাতেই আমল। ধার্মিক , আমি শুনে শুনে। কার কাছে শুনা ? যে হুজুরের শিক্ষা খুবই সামন্য, বেতন যার খুবই নগন্য তার কাছে। জাগতিক স্বার্থ রক্ষায় যে হুজুরের উপদেশ পাত্তাও দেই না, তার শিক্ষায় ওপারের অসীম জীবনে পারি দেয়ার জন্যে বসে আছি !!!
*শিক্ষক এর সাথে তর্ক করা যাবে না , তর্ক করলেই জীবন ছারখার হয়ে যাবে ? শিক্ষা তাই নিম্নমুখী। মানসিক ভাবে খুবই অনৈতিক ভদ্রলোক আজকাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হয়ে বসে আছেন।
*" যাহা রটে , তা কিছুটা হলেও বটে " - এই বাক্যে বিশ্বাসী। জাতিকে যেকোনো কিছুই খাওয়ানো যায় । যেকোনো ধরণের রটনায়-ই তারা বট গাছ খুঁজে। আলোচনা করে , টিভি শো করে।
-------------------------------------------------------------
- এই কদম , কি লিখিস ?
-কিছুনা মকসুদ ভাই , কিবোর্ড নিয়ে খেলি আর একটা প্রশ্নের উত্তর খুজি
-কি
-পাঠার মাংস আমরা মুসলমানরা খাই না কেন আর ছাগল কে কেন অন্ডকোষ মুক্ত করে বড় করা হয় ?
-চাচাজীরে জিগ্যেস কর।
-পাগল !!! এমনিতেই মুখে ব্যথা। তার উপর এই ধরনের প্রশ্ন করলে মুখ-ই খুঁজে পাওয়া যাবে না। তুমি জানো ?
-না , আমিও জানি না , বাদ দে ,পরে খুজবো। এখন বল ১৪-ই এপ্রিল এ কি প্ল্যান।
-১৪-ই এপ্রিল এ... continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (2)

  • - শুভ

    এক কথায় দুর্দান্ত।

    • - মোঃসরোয়ার জাহান

      অনেক ধন্যবাদ 

    - বাধন আহমেদ

    valo laglo.

    • - মোঃসরোয়ার জাহান

      ধন্যবাদ

    - বাঙলা বেলায়েত

    বিস্মৃতির পথে যেতে যেতে

     

    ইন্দ্রধনুর মতো কতো বুদ্ বুদ্ আমার হৃদয়ের অরণ্যে!

     

    পথ চিনে নিতে চায় যাযাবর ইতিহাসসহ

     

    ঘুরে প্রাণ অমেয় গোলকধাঁধায় বৃত্তের বাইরে

     

    বাতাসে ভাসে প্রিয় নাম প্রিয় কন্ঠস্বর তখনও!

     

    • - মোঃসরোয়ার জাহান

      ধন্যবাদ 

    Load more comments...

inকলিসয়াম

৫ বছর আগে লিখেছেন

হারলেই ক্ষেপে যাচ্ছেন ???

-কিরে কদমা , তুই এত হারার পরও তালি বাজাজ কেন ?
- আছে তালি দেয়ার কারণ আছে। হেরে যাওয়ার পরও কেন উত্সাহ দেই বা সবাইও কেন দিবে ? কারণ দুইটা :
এক: যারা খেলছে তারা যেন অনুপ্রেরণা পায় পরের বারের জন্য 
দুই: যারা খেলোয়াড় হওয়ার স্বপ্ন দেখে বা যাদের বাবারা তাদের সন্তানদের ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার না বানিয়ে খেলোয়াড় বানানোর স্বপ্ন দেখেন তারা যেন পিছিয়ে না যায়। inspire the coming generation .
যেভাবে আপনারা গালা-গালি করেন , তাতে বর্তমান খেলোয়াড়রা যেমন মর্মাহত হন তেমনি উঠতিরা ভয় পায় একে ক্যরিয়ার হিসেবে নেয়ার !
মকসুদ ভাই আপনার হয়তো বিশ্বকাপ এ বাংলাদেশের জয় দেখে যাওয়ার ইচ্ছা তাই তারা হুড়া করছেন। হারলেই ক্ষেপে যাচ্ছেন। সময় দেন সময় লাগবে , এরা পারে নাই পরের জেনারেশন পারবে। আপনি থাকবেন না আপানর পরের প্রজন্ম থাকবে। তারা দেখবে।
আপনি যদি মনে করেন 'কেয়ামত'-ও দেখে যাবেন তাহলে ভাবেন কি অবস্থা হবে  ? সবাই সব কিছু দেখবে তারতো প্রয়োজন নেই। এক প্রজন্ম ভাববে , এক প্রজন্ম গড়বে , এক প্রজন্ম তুলে ধরবে। তাই আসুন , Cheer for them .
continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (2)

  • - আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম

    তথ্যসমৃদ্ধ ও বিশ্লেষণধর্মী চমৎকার প্রবন্ধ। খুব ভালো লাগলো। ধন্যবাদ, ভাই এম জহির।

    • - ব্লগার বাঙ্গাল

      কষ্ট করে লেখাটি পড়ায় আপনাকেও ধন্যবাদ ‘জাযাকাল্লাহ’

inকলিসয়াম

৫ বছর আগে লিখেছেন

চার , ছক্কা হই হই, ব্লাড গড়াইয়া গেল কই

-ধেত, এটা কি ফিল্ডিং দিল নাসিরইয়্যা , ধূর মুশফিক কি বেকুব হয়ে গেলো ওই জায়গায় শামসু রে কেন দিল । আরে এই ক্যাচটা তো আমাদের মধু ই নিতে পারতো , ব্যাটা মিস করে দিছে । হইলো এইটা?
-আদালত ভাই, আপনি কোন পজিশনে এ খেলতেন ?
- কদম অমি তো কোনো দিন ক্রিকেট খেলি নাই। 
-ও আচ্ছা , আপনি তাহলে যোদ্ধা ছিলেন না। তাহলেতো আপনি অবশ্যই বোদ্ধা মানে খেলাটা খুব ভাল বুঝেন। 
-তা একটু আধটু তো বুঝি। 
-আমি উত্পল শুভ্র বা Harsha Bhogle টাইপ বুঝার কথা বলছি। 
-এনারা আবার কারা। কোন দলে খেলেন। নাম শুনেত ইন্ডিয়ান দলের মনে হচ্ছে। 
- ও আচ্ছা , তাহলে এই অবস্হা , আপনার সাথে আধা ঘন্টা ধরে খেলা দেখছি আর আপনার কমেন্ট্রি শুনছি। ভাবলাম আপনি বোধহয় খুব ভালো খেলোয়াড় অথবা খুব ভালো বুঝেন। আপনি যেহেতু আমার মত সাধারণ দর্শক আসেন খেলা দেখি চুপ চাপ আর উত্সাহ দেই , এতে আপনার ও দেশের সবার ফায়দা হবে। যেভাবে উত্তেজিত হয়ে খেলা দেখছেন বা খেলার পর যেভাবে উত্তেজিত হচ্ছেন তাতে আপনার 'ব্লাড' তার প্রেসার স্ট্যাবল রাখবে না। হয় উপরে বা নিচে করে দিবে। তখন দেখবেন ডাক্তাররা আপনার বুক কে ক্রিকেট পিচ্ বানিয়ে "চার , ছক্কা হই হই, ব্লাড গড়াইয়া গেল কই " করছে।
*সকল আ-যোদ্ধা আর আ-বোদ্ধারা আসেন খেলা দেখি, খেলাইতো অন্য কিছু না। আপনার আর আমার সমালাচনা ক্রিকেটারদের মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত করে দেয়। তা জিয়ার পক্ষে হউক বা রেজার বিপক্ষেই হউক। খেলোয়াড়রা জানেন, খারাপ করলেই ,আজ রেজাকে নিয়ে হলে কাল নাসির কে নিয়ে হতে পারে ।
For you all :
Flash Mob - Satire Version :)
http://www.youtube.com/watch?v=3KX6_U2lCPw
continue reading
Likes Comments
০ Shares

inকলিসয়াম

৫ বছর আগে লিখেছেন

১৫-২০-২৫ বছর যাদের বয়স, তাদের জন্য

-দেখি কদম একটা গান বাজা। মন উদাস হইছে। একটা ভালো গান শুনি। 
-কোন 'দলের' গান শুনবেন চাচাজী 
-'দলীয় সঙ্গীত' না, তুই একটা একক গান বাজা।
-না চাচাজী দলীয় সঙ্গীত এর কথা বলছি না , আমি বলছি আপনি কোন মতালম্বির গান শুনবেন।
-মানে ?
-মানে চাচাজী এখন গান শুনার আগে অনেক কিছু চিন্তা করার সময় এসে গেছে।
-যেমন ?
-যেমন গানটা কে লিখল, সুরটা কে দিল এর পর কে গাইল ?
-গান শুনব যখন গানই শুনব, আজি ঝরো ঝরো মুখর বাদরদিনে, এগুলা করতে হবে কেন? 
-করতে হবে , না করলে আপনি দলছুট হয়ে যাবেন। আপনার জাতীয়তাবাদ হারায় যাবে।
"আজি ঝরো ঝরো মুখর বাদরদিনে" যদি শুনেন তবে তাও বাদ দিতে হবে , কারণ যে ভদ্রলোক গান টা লিখেছিলেন উনি ইন্ডিয়ান। আমাদের দেশের এখন নামী দামী শিল্পীরাও ইন্ডিয়ান গান শুনা অফ করে দিছেন। আপনিও অফ করে দেন। না হলে দালাল হবেন !
-তাহলে "আমার সোনার বাংলা কি" করবো ? ঐটাওতো একই ভদ্রলোক এর লিখা ! 
-বদলায় ফেলেন। কিছুদিন পর ঐটারও একটা শতভাগ বাঙালী , থুক্কু ,বাংলাদেশী ভার্সন আসবে । এখন বলেন চাচাজী কি গান শুনবেন ?
-না কিছু শুনবনা না, ভালো লাগছে না। তুই যা কদম, যাওয়ার সময় বাতিটা নিভিয়ে যা।
____________________
আমার সবাই মিলে সুন্দর এক দেশ করছি। সবাই তাতে অল্প, অল্প করে সাহায্য করছি।
এখন কোনো প্রোগ্রাম কে গান গাইবে তা নিয়েও দুটো ভাগ হবে। 
আগে মন হত শুধু নেতা-নেত্রীরা দেশের ক্ষতি করছে। আসলে ব্যপারটা তো তা না। 
ওনারা ধন সম্পত্তি চুরি করছেন, যা রিকভার যোগ্য। কিন্তু আমরা সাধারণ জনতা মূল্য-বোধ চুরি করছি।
যা রিকভার করা অনেক অনেক কঠিন । বিশ্ব-বিদ্যালয়ের শিক্ষক থেকে শুরু করে অনলাইন... continue reading
Likes Comments
০ Shares

inকলিসয়াম

৫ বছর আগে লিখেছেন

রেখেছ চেতনাময়ী করে, তাল গাছটা সরাও নি

ব্রিটেন এর মাঠিতে, বৃটেনের ফ্ল্যাগ পায়ের মোজায়। পরে দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছে ভিনদেশী আর নিজ দেশী জনগণ ।
কোনো ধরণের জাতীয় বাদী প্রতিবাদ উঠছেনা , উঠছেনা ফ্ল্যাগ অবমাননার
বিতর্ক। কারণ , এটা ব্রিটিশ জনগণ বা নীতি নির্ধারক কিংবা সুশীল শ্রেনীর কাছে কোনো ঘটনাই না। এদের জাতীগত মূল্যবোধ
এত দ্রুত উঠা নামা করে না। সহজেই জাতীয় অনুভূতিতে খোঁচা লাগে না। মাথার টুপি দেখে শুরু পায়ের মোজায় কোথায় নেই
ফ্ল্যাগ আঁকা বস্ত্র। এমনকি আছে আন্ডারওয়ারেও। তাতেও তাদের লজ্জা লাগে না। কদমের ভিতর একটা বোধ নাড়া দেয়,
He  respects the people of England for this attitude . তাদের জাতীয় বোধ তাদের আত্মার অনেক ভিতরে। এটা সহজেই কেউ অবমাননা করতে পারে না, পারবেও না।
"কদম বাংলাদেশের ফ্ল্যাগ এর একটা ছোট্ট ছবি নিজেই আঁকে মোজায়। সে মোজা পরে রাস্তায়ও নামে , নেমেই সমস্যা। আদালত ভাই এর চোখে পরে মোজাটা।
-কদম , দেখিত প্যান্ট তা একটু উপরে তুলো
-কেন আদালত ভাই ?
-তুলতে বলছি তুলো।
-অগ্যাত তুলে সে
-তোমার মোজায় আমাদের জাতীয় পতাকার ছবি কেন ?
-ভালো লাগলো তাই।
-তোমার কি জাতীয় পতাকার প্রতি সন্মান নেই, তুমি এভাবে এর অবমাননা করতে পারনা। আজ তোমাদের কারণেই জাতি কলঙ্কিত , তোমাদের কারণেই আজ আমাদের সংস্কৃত বিপর্যস্ত, তোমাকে উচিত পুলিশ এ দেয়া, তোমাকে ইনফ্যাক্ট দেশ হতে বের করে দেয়া উচিত।
আদালত ভাই খুবই উত্তেজিত হয়ে পড়েন , তার চিত্কার আসে পাশে লোক জড়ো হয়ে যায়। সবাই উত্তেজিত , তারা আজ লজ্জিত। তারাও আদালত ভাইয়ের সাথে সুর মিলায়। হঠাত করে একজন খুব জোরে একটা বাড়ি দেয় কদমের পায়ে । কদম প্রচন্ড জোরে চিৎকার করে উঠে। সাথে... continue reading
Likes Comments
০ Shares
Load more writings...