তাপস কিরণ রায়

৪ বছর আগে লিখেছেন

দূরের আলেয়া (শিশু-কিশোর গল্প)

চারদিকে ঘুটঘুটে অন্ধকার। লোডশেডিং চলছিল। গ্রাম-গঞ্জ জাগায় এমনি হয় ! লাইট চলে যাবার ঠিকানা থাকে না–কখন থাকবে আর কখন যাবে, কেউ বলতে পারে না।
তিন বন্ধুতে বসে গল্প জমিয়ে ছিলাম। খেলার গল্প, ঘোরা বেড়ানোর গল্প, আগামী পিকনিক কবে হবে তার গল্প। এমনি সময় লাইট গোল ! চারদিক ঘুটঘুটে অন্ধকার হয়ে গেলো। আমি তাড়াতাড়ি মোম বাতি জ্বালিয়ে সেন্টার টেবিলে রাখলাম। মোমের আলো ঘন অন্ধকারকে তত পরিষ্কার করতে পার ছিল না–শিখা থেকে থেকে কেঁপে উঠছিল। আমাদের গল্পের মোড় ঘুরে গেলো। মনে হয় পরিবেশকে ঘিরে, আসরে এবার ভূতের গল্পের উত্থাপন হল।
ভূত আছে কি নেই এ নিয়ে কথা চলছিল। টপিক বড় জব্বর ! আধ গাঁ, আধ শহরের ছেলে আমরা। ভূতকে বিশ্বাস না করার কথা না। তবু মহান, গলায় জোর নিয়ে বলে উঠলো, না, না, ভূত বলে কিছু নেই !
–কি করে জানলি ? ভোলা সঙ্গে সঙ্গে পাল্টা প্রশ্ন করে উঠলো।
–শুধু গল্প শুনলাম, চোখে তো কোনও দিন দেখতে পেলাম না!
–যে দিন দেখবি সে দিন তোর কি অবস্থা হবে ভেবে দেখেছিস ? আমি মহানের কথায় জবাবে বলে উঠলাম।
–ও সব দেখে কাজ নেই, মহান কেন যেন শান্ত হয়ে গেলো। আসলে ওই আমাদের মধ্যে সবচে ভীতুরাম ! ভূত দেখে নি কথা ঠিক, কিন্তু ভূতের গল্প শুরু হলে বেচারা ভীষণ ভয় পেয়ে যায়। একা রাস্তায় চলতে সাহস পায় না। অনেক সময় আমাদেরই ওকে ঘর পর্যন্ত পৌঁছে দিয়ে আসতে হয়। এমনি সময় হঠাৎ এক দমকা হাওয়া এসে ঘরের মোমবাতি কাঁপতে কাঁপতে নিভে গেলো।
মহান, এই রে, বলে আমার কাছ ঘেঁষে এসে বসলো।
আমি বললাম, বাইরে হাওয়া দিচ্ছে, ওই খোলা জানলা দিয়ে হাওয়া ঢুকে... continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (5)

  • - মনজুরুল আলম প্রিন্স

    আশেপাশের হেঁটে যাওয়া-
    মেয়েদের শরীর হতে ভেসে আসে গন্ধ;
    মাতলামি বাড়ে
    গান ওঠে গলায়,

     

    খুব ভালemoticons

    • - সুমন সাহা

      অনেক ভালোলাগা মন্তব্যে প্রিয়।

      অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানবেন।emoticons

      ভালো থাকবেন।

    - সুমন দে

    খুব সুন্দর । শুভেচ্ছা ।

    • - সুমন সাহা

      ভালো লাগলো জেনে প্রিয়।

      শুভেচ্ছা আপনাকেও।emoticons

    - পিয়ালী দত্ত

    khub valo

    • - সুমন সাহা

      ভালো লাগলো খুব, জেনে সত্যিই আপ্লুত হলাম অনেক।

      সুন্দর অনুভূতির জন্ম হলো।

      শুভেচ্ছা জানবেন।emoticons

      ভালো থাকবেন। সবসময়। অনেক।

    Load more comments...

তাপস কিরণ রায়

৪ বছর আগে লিখেছেন

রমাকান্ত নামা—জীবন ধারাপাত

জীবনে কটা ফাগুন দেখেছেন রমাকান্ত ? তাঁর বয়েস যদি ষাটের কাছাকাছি হয়, তবে বলতে হয় ষাটের কাছাকাছি হবে তাঁর ফাগুন দর্শন। তবে চোখে দেখা আর মনে উপভোগ করা অন্য কথা। মনের ফাগুনের কোন গোনাগুনতি নেই, নেই তার ধরে রাখার ক্ষণ মুহূর্ত। যখন তখন মন পারে রং ধরতে--বয়সের সীমানা সেখানে নেই...
রমাকান্ত অকসর দুপুর বেলায় জানলার ধারের চেয়ারটায় এসে বসেন। পথ চলতি মানুষদের দেখেন। তার মাঝেই মানবীর আনাগোনাও তাঁর চোখে পড়ে। এটা চরিত্রের খুঁত নয়, একটা পুরুষালী ধর্ম বলা যেতে পারে--মনের ধর্মও বটে। মানব-মানবীর পরস্পরের প্রতি টান হল আত্মগত টান। 
রমাকান্ত মাঝে মাঝে ভাবেন, কত বড় চতুর আমাদের এই সৃষ্টি কর্তা ! এই দেহ দিয়েছেন, সঙ্গে মন নামক একটা বস্তুও বেঁধে দিয়েছেন। ভাবতে গেলে দাঁড়ানো থেকে মাথায় দু হাত রেখে মাটিতে লেপটি মেরে বসে পড়তে হয় ! মন নামক বস্তু কত ওয়াটের তেজস্বীতা ধরে থাকে তা কেউ বলতে পারে না—তা একে বারে মাপজোপের বাইরে। মন সবচে দ্রুতগামী শুধু নয় আশ্চর্যতমও বটে। মনের লীলা খেলার এক বিন্দুও নাকি এক মানব জন্মে খরচ হতে পারে না!  
ধুস তর ভাবনা--ওই যে এক মানবী পথ হাঁটছেন। ধীর গতি তাঁর, মাথার মধ্যে বদ বুদ্ধি নিয়ে চলছেন না তো ? তা না হলে একা একা মুখ টিপে কেউ হাসতে পারে ? জানলার একেবারে পাশটিতে এসে সে মহিলা দাঁড়িয়ে গেলেন। কি ব্যাপার, এমনটা কেন ? রমাকান্ত মাথাটা সামান্য নিচু করে নিলেন। দুরের জিনিস কাছের জিনিস ইদানীং তিনি একটু ঝাপসা দেখেন। এ সময় চশমা লাগানো থাকে না তাঁর। তবে সামনের মহিলার তো চোখ খারাপ হবে এমন কোন কথা নেই ! মাথা নিচু করে গেলেন তিনি, এমন তো নয় মহিলা... continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (0)

  • - মামুন

    তবে কি সুন্দরের আশা করাটাই ভুল?
    মিথ্যের বেসাতি এত বেড়ে গেছে, সত্যরা গেছে নির্বাসনে।
    আমার স্বপ্নগুলো স্বপ্নই রয়ে যায়। সত্যি হয় না কোনোদিনই। ... চমৎকার লাগল! তবে আপনি সত্য লিখেছেন। কিন্তু মিথ্যেদের সাথে নিরন্তর সংগ্রাম করে যেতে হবে আমাদের। আহসাকে জিইয়ে রাখতে হবে ভাই।

    শুভেচ্ছা রইলো...emoticons

    • - আহমেদ রব্বানী

      আজ আমরা বৃত্তবন্দী। এই চক্র থেকে বেরুবার পথ যেন রুদ্ধ। তবু আশাহত হলে চলবে না।

    - মনজুরুল আলম প্রিন্স

    অনেক সুন্দর দাদা

    • - আহমেদ রব্বানী

      ধন্যবাদ প্রিন্স ভাই।

    - আলমগীর সরকার লিটন

    প্রাণের উচ্ছ্বস বেশ লাগল রব্বানী দাদা

    • - আহমেদ রব্বানী

      ধন্যবাদ বাউল ভাই।

    Load more comments...

তাপস কিরণ রায়

৪ বছর আগে লিখেছেন

দুটি কবিতা

(১)
 
কবিতা 
 
যা  লিখি তাই যদি কবিতা হত,
তবে গুলাল আবীরে ভরে দিতাম তোমাদের মন,
নীলাকাশ নিয়ে সাঁঝের পাখিদের ফিরে আসা লিখতাম,
তোমার নীল বিষ বেদনাকে ঢেকে দিতাম লাল গোলাপে,
বিরহ মনে সেই প্রেমিকার কথা মেখে দিতাম। 
 
কবিতায় নাকি কিছু দুঃখ থাকতে হয়, না হলে তো ভুলে যাওয়া।
প্রতিদিন একই এক সেই মুখ যদি হারায় ভালবাসা,
তার চে তো এই ভালো, তুমি দূরত্বে থাক। 
আমি মর্মন্তুদ কিছু কবিতা তোমায় লিখে পাঠাব। 
 
(২)
 
উল্টো  
 
ঠিক উল্টো যদি হত, এতদিনের ছিঁড়ে যাওয়া পালক গুছিয়ে
আবার যদি পাখির প্রাণ দিতে পারি!
জলজ বায়ু-উপাদানে মৃত মানুষের চেহারা যদি আবার ফিরিয়ে দিতে পারি !
জীবনের মালা যদি বৃত্তে গেঁথে নিই,
অমরত্বে ফিরে আসার গান কার না ভালো লাগে !
সেই একই মত উপাদান ঘিরে বৃদ্ধ যদি ক্রমে ক্রমে শৈশব শিশুতে এসে 
আবার স্পর্শ করে মাতৃসদন ?
কিন্তু সেই মত মৃত্যু থেকে জন্ম কথা, সুখ দুঃখের সেই গাঁথা ভার বোঝ,
সেই ধারাবহ জীবন কথা !  
তবু বন্ধন তুমি নিজেই বেঁধে নিয়েছ ! 
continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (2)

  • - সুমন সাহা

    //

    এই বাংলার বুকেই উঠেছি বেড়ে, বাংলায়-ই আছি বেশ,

    এই বাংলা নিয়েই গর্ব আমার, বিধি বাংলায় দিও শেষ !//

    খুব সুন্দর আকুতি। খুব সুন্দর একটি কবিতা পাঠ হলো। অনেক অনেক ভালো লাগলো।

    শুভেচ্ছা রইলো প্রিয়।

    • - টি.আই.সরকার (তৌহিদ)

      সুমন ভাই, আপনার  এই ভালো লাগার অনুভূতি আমাকে এই পথে পথ চলতে সাহায্য করবে বলেই বিশ্বাস আমার । শুভেচ্ছা গ্রহন করবেন আপনিও ।

    - টোকাই

    ভালো লাগলো ।

    • - টি.আই.সরকার (তৌহিদ)

      আপনার ভালো লাগার মতো কিছু করতে পেরে ধন্য হলাম ভাই । সবসময় এভাবেই অনুপ্রেরণা দেবেন বলেই প্রত্যাশা রাখি ।

    - এ.টি. নূর শেখ লিটা

    আপনার লেখা বেশ হচ্ছে কিন্তু।

    এই বাংলা নিয়েই গর্ব আমার, বিধি বাংলায় দিও শেষ! 

    অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল emoticons

    • - টি.আই.সরকার (তৌহিদ)

      আপনাদের প্রত্যেকটা কথা আমার কাছে অপূর্ব এক অনুভূতির ছোঁয়া । এই অনুভূতির ছোঁয়ায় ভাসতে চাই সবসময় । পাশে থাকছেন দেখেই অনুপ্রাণিত বোধ করছি ।

তাপস কিরণ রায়

৪ বছর আগে লিখেছেন

ভালবাসার দিনরাত্রি (ছোট গল্প)

ব্যাপারটা ভেবে দেখার মত বটে। ভালবাসা সময়ের ডোরে বাঁধা। সময় ফুরলে সে ফুড়ুৎ--এক ঝাঁক বিরহ নিয়ে নন্দন এখন দিকহারা। এমনটাই হয়, ভালবাসা বিরহ-বাহী। আজ আছে,কাল সে পরবাসী। তবে মনের মাঝে জমে থাকা ধারণাগুলি ? তা কি তবে মিথ্যা ? মনের মাঝে এর যে একটা অনন্য সাধন রূপ পরিগ্রহ করে আছে, তা কি মিথ্যা ?আসলে ভালবাসা ভালবাসার জাগায় স্থায়ী,সুন্দর,অনিন্দ্য,সন্দেহ নেই। কিন্তু প্রেমিক প্রেমিকার মাঝে তার স্থায়িত্বের সময়টুকু খুব বেশী নয়। যেমন নন্দনের কাছ থেকে কুসুম ছুটে গিয়ে ছিল। 
নন্দন শুনেছে ভালবাসার নন্দিত বন্দিত কথা। বয়সের একটা সময় আসে যখন,ফুলের বনে যাকে দেখি তারেই লাগে ভালো'র অবস্থা। নন্দনের ভাবনায় ছেদ পড়ে, কিন্তু ভালবাসা নাকি একজনকে দিতে হয় ! একান্তর লক্ষণটা নাকি ভালবাসার বৈলক্ষণ্য ! তার মানে এখানে এসে ভালবাসা সংসারাঙ্গনে মিশে গেছে। সংসার সমাজকে টিকিয়ে রাখতে গেলে কিন্তু নিয়ম শৃঙ্খলা মেনে চলতে হয়। ঘর বাঁচিয়ে রাখার জন্যে প্রেমিকা বদল করা চলে না। প্রেমিকা এখানে নিজের স্ত্রী,তাকে নিয়েই  ঘর-সংসার, সাজানো ছক,এদিক ওদিক বেশী ঝাঁকাঝাঁকি করলেই বিপত্তি।ঘরে ফাটল ধরা শুরু হয়।
শুরুর জীবনে নন্দনও চেয়ে ছিল শুধু কুসুমই হবে তার একমাত্র ভালবাসার সঙ্গিনী। কিন্তু সময় সবকিছু দূরে ঠেলে দিয়েছিল। 
সময় মানুষকে পরিপক্ব করে তোলে। নন্দন জানে, প্রত্যেক মানুষের মাঝে মৌবনের গোপন কুঠরি রচিত হয়। ভালবাসা,ভাল লাগা সেখানে গোপনে লালিত পালিত হতে থাকে। নন্দনের মনে প্রশ্ন জাগে, গড়পড়তা মানুষের বয়স ধরে সময়ের দৈর্ঘ্য পার করতে শুধু মাত্র একজন প্রেমিকা বা প্রেমিকই কি পর্যাপ্ত ? 
নন্দন তাই দিনের আলোর কুসুমকে ভালবেসে ছিল। কুসুমের চোখ মুখ এমন কি দেহে বিচ্ছুরিত হত ভালবাসার লক্ষণগুলি। আর নন্দনের মাঝেও কি ছিল না তার প্রকাশ ? প্রকাশ থাকতেই... continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (6)

  • - আলমগীর সরকার লিটন

    অনেক মাতৃভাষার শুভেচ্ছা রইল দাদা

    - টি.আই.সরকার (তৌহিদ)

    অনেক ধন্যবাদ ! আপনাদের মন্তব্য আমার অনুপ্রেরণা দাদা !

    - টোকাই

    সুন্দর ভালো লাগলো । সনেট হতে হতে হয়ে উঠেনি । আরো আসুক কবি । শুভেচ্ছা রইলো অফুরান ।

    • - টি.আই.সরকার (তৌহিদ)

      ভাল লাগাটুকু আমার সৌভাগ্য । ভাল কিছু লিখতে চাই । দোয়া রাখবেন । আর সত্যি বলতে সনেট লিখার চেষ্টাই করেছিলাম, কেন হতে হতে হয়নি জানালে কৃতজ্ঞ হব । আশা করি জানাবেন ।

তাপস কিরণ রায়

৪ বছর আগে লিখেছেন

এইলোক অন্যলোক (ভৌতিক গল্প)

শেষ অংশ... 
আধঘণ্টা পর ওঝা একটু সুস্থ হলেন, বললেন, বাবা সকল, একটা কথা বলি।আমায় দিয়ে এ পেত্নী ছাড়ানো সম্ভব হবে না।আমায় তোমরা বিদায় দাও!
এর পর আর কথা চলে না। এ ওঝাকে বিদায় দেওয়া হল।ওঝা আপন প্রাণ বাঁচাবার জন্যে নিজের ঘরের দিকে রওনা হলেন।
পর দিন সকালে পৌঁছলেন মহারাষ্ট্রের চাঁদা জেলার ওঝা।ইনি বাঙালী উদ্বাস্তু, চাঁদা জিলায় সরকারী পুনর্বাসন পেয়েছেন।
ওঝা তাঁর নিজের আসন পাতলেন । আবার সেই পুজা আর যজ্ঞের আয়োজন হল।
অমরেশ তেমনি তর্জন গর্জন করতে থাকলেন। আগের দিনের মত যজ্ঞের সামনে জোর করে তাঁকে বসানো হল। তেমনি পেত্নীর গলায় ওঝাকে মেরে ফেলার হুমকি দিলেন অমরেশ। এই ভাবে যজ্ঞ পূজা চলতে থাকল। ওঝা এক সময় অমরেশকে জিজ্ঞেস করল, তুই কে ?
ওঝার বেশ কয়েকবার প্রশ্ন করার পর, পেত্নীর মোটা গলার আওয়াজ আসল, তুই বল, তুই কে ? বারবার ওঝার প্রশ্নর পর এক সময় পেত্নীর জড়ানো ভারী গলায় জবাব এলো, আমি অনিমা !
গ্রামের লোকেরা চমকে উঠলো, এক বছর আগেই অনিমা মারা গেছে। এই ক্যাম্পেই সে থাকত। তার স্বামী খুব পিটাত বলে একদিন ফাঁসলটকে সে মারা যায়।অনিমার বয়স চল্লিশ পঁয়তাল্লিশ ছিল।
গ্রামের সবাই জানতে পারল,পেত্নী অন্য কেউ নয়,এই ক্যাপের সেই অনিমা ! এদিকে ওঝার প্রশ্ন চলছে,তুই মাষ্টামশাইকে ছেড়ে দে !
বারবার পেত্নী একই জবাব দিয়ে যাচ্ছে,না,আমি যাবো না।
এমনি ভাবে অনেক সময় কেটে গেল।না,কে,হ্যাঁ,কোন মতেই করানো যাচ্ছে না!
ইতিমধ্যে তৃতীয় ওঝা এসে হাজির হলেন।মধ্যপ্রদেশের ছত্তিসগড়ের ওঝা।ভূতের মন্ত্রতন্ত্র ছাড়াও ইনি তন্ত্রমন্ত্র বিশারদ।
দুই ওঝা এবার এক সাথে তাদের তন্ত্রমন্ত্র সেধে উঠলেন,অমরেশ তখন প্রাণপণে চীৎকার করছেন,না আমি যাবো না,কিছুতেই যাবো না,আমায় মাছ দে,আমায় মাংস দে, বারবার বলে যেতে লাগলেন।
তুমুল মন্ত্রপাঠের ধুম উঠলো,তৃতীয় ওঝা তাদের ছত্তিসগরী ভাষায় উচ্চারণ... continue reading
Likes Comments
০ Shares
Load more writings...