আসাদুস জামান বাবু

৫ বছর আগে লিখেছেন

আমার লেখা “মুক্তিযুদ্ধে সবহারা এক রশিদের গল্প” যদি আপনাদের ভাললাগে তবে প্লিজ আমাকে ভোট দিন http://www.nokkhotro.com/post/139489-512753-246917-235585-.09557-800

Likes Comments

আসাদুস জামান বাবু

৫ বছর আগে লিখেছেন

মুক্তিযুদ্ধে সবহারা এক রশিদের গল্প ‌‌‌(প্রতিযোগিতার জন্য)

ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি স্বাধীনতা, অর্জন করেছি রক্তে মাখা লাল সবুজের পতাকা, স্বাধীন সমৃদ্ধ বাংলার মানচিত্র।
প্রতি বছরেই স্বাধীনতা দিবস ও বিজয় দিবসে শহীদদেরকে আমরা প্রাণভরে স্মরণ করি, ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করি।
যুদ্ধ আমি দেখিনি, যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করিনি বটে কিন্তু আমি বুক ফুলে গর্ব করে বলতে পারি আমার বাংলাদেশ। ত্রিশ লক্ষ শহীদের বিনিময়ে পেয়েছি এই বাংলাদেশ। কত ভাই রক্ত দিয়েছে, কত মা-বোন তাঁর সম্ভ্রম হারিয়েছে, কত মায়ের বুক খালি হয়েছে তা আমার চোখে দেখা না হলেও সে দিনের সেই ভয়াল কথা গুলো শুনলে শরীর আমার শিউরে উঠে।
আমার সহকর্মী আব্দুর রশিদ ভাই। তার বেশ নামডাক রয়েছে বাবুর্চি হিসেবে। সে পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলার কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের শস্য গুদাম ঋণ কর্মসূচীতে কুক কাম-কেয়ারটেকার হিসেবে কর্মরত। খুব ভালো রান্না করে সে, কারো বিয়ে বাড়ী বা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে রান্নার জন্য তাকে বাবুর্চি হিসেবে নিয়ে যায়। তাঁর রান্না ও ভালো ব্যবহারে বেশ সুনাম রয়েছে। একই প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করায় তাঁর সাথে আমার পরিচয়।
তাঁকে দেখে বোঝাই যায় না যে, এই লোকটির চোখের সামনে মা-বাবা-ভাই-বোনসহ পরিবারের দশ জনকে পাকহানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা নির্মম ভাবে হত্যা করেছে।
রশিদ ভাই’র বাড়ী নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলার বাঁশবাড়ীতে। ৭১’র মুক্তি যুদ্ধকালে খুবই ছোট ছিল সে। সে সময়ে সৈয়দপুরে বেশি ভাগই অবাঙ্গালীরা বসবাস করতো। তৎকালীন তাদের ভীষণ দাপট ছিল। এখানকার বহু অবাঙ্গালী মনে করতো তারাই প্রকৃত পাকিস্তানী। ফলে স্বাধীনতা সংগ্রামে আন্দোলনরত বাঙ্গালী জাতি পরিণত হয় তাদের দুশমন।
৭১’র যুদ্ধের সময় তাদের সহযোগিতায় পাকিস্তানী বর্বর সেনাবাহিনীরা বাঙ্গালীদের হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে। সে সময় যুদ্ধের প্রস্তুতি হিসেবে সৈয়দপুর বিমান বন্দর নির্মাণের কাজ চলছিল। পাকিস্তানী ও তাদের দোসররা গ্রামে গ্রামে... continue reading
Likes ১৫ Comments
০ Shares

Comments (15)

  • - মোকসেদুল ইসলাম

    বাহ্ চমৎকার। ভাল লাগল

    • - মাসুম বাদল

      অশেষ ধন্যবাদ ও শুভকামনা ...

    - আলমগীর সরকার লিটন

    হু বাদল দা

    অসাধারণ বোধময় কবিতা

    শুভ কামনা---------

    • - মাসুম বাদল

      অনেক অনেক শুভকামনা, লিটন ভাই...

    - ওয়াহিদ মামুন

    ভালোবাসা নিতে হলে তো ভালোবাসা দিতেও হয়।

    ভালোবাসা দিলেই বোঝা যায় অপরের ভালোবাসা ফুরিয়ে যায় নি, মৃয়মান অগ্নিতে ঘি ঢালার মতই তা হয়ে ওঠে বেগবান।

    চমৎকার তাৎপর্যপূর্ণ কবিতা।

     

    • - মাসুম বাদল

      সালাম ও শুভকামনা।

      চমৎকার মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ...

    Load more comments...

আসাদুস জামান বাবু

৫ বছর আগে লিখেছেন

শয়তানের যম

 
খুবই দুষ্টু ছেলে আরিফ, প্রায়ই সে স্কুল ফাঁকি দিয়ে যেখানে সেখানে দুষ্টামি করে বেড়াত। সে গ্রামে এক হাই স্কুলে কাস এইটে লেখা পড়া করে। সে বাবা মায়ের দুই ছেলের সন্তানের মধ্যে ছোট। তার একটা দল আছে। যত রকম বদমাশী, কার বাড়ীতে আম আছে, লিচু আছে এগুলো দেখে বেড়াতো। আর চুরি করে খেত। কাস ফাকি দিয়ে খেলে বেড়াত, মেয়েদেরকে ইভটিজিং করত। গ্রামের লোকজনও তাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ। অনেকে অভিযোগও করেছে তার বাবার কাছে। তার বাবা ওই গ্রামের প্রভাবশালী ব্যক্তি, তার কথায় গ্রামের লোকজন উঠে আর বসে। তাই গ্রামের লোকজন তার ছেলে আরিফের নামে অভিযোগ করলেও কোন লাভ হয় না। কামরান সাহেব শুধু তাদেরকে আশ্বাস দিত যে, সে ব্যাপারটা দেখবে। সে খুবই ব্যস্ত মানুষ। তাই আরিফ কখন বাসায় থাকে আর কখন থাকেনা সেটা দেখার সুযোগ হয় না। এদিকে আরিফের মা ফরিদা বানু ছোট ছেলের জ্বালায় অতিষ্ঠ। প্রায় সে তাকে বোকাবুকি করে মাঝে মধ্যে মারেও তারপরও তার এই বদমাশী কমছেনা।
আরিফের স্কুলের পাশে একটি বিরাট জঙ্গল ছিল। তো আরিফসহ তার বন্ধু শরিফ, খাদেমুল, সাজু ও জয়। এই ৫জন মিলে কাস শেষ করে ওই জঙ্গলের ভিতড়ে যায়। প্রতিদিন তাদের এটা রুটিন মাফিক কাজ, যে তারা এই জঙ্গলে বসে সিগারেট টানবে আর কোন ছেলে মেয়ে গেলে ভয় দেখাবে।
তো তারা একদিন ওই জঙ্গলে সিগারেট টানছিল আর ভাবছিল  আজ কি কি বদমাশী করা যায়। হঠাৎ তাদের কাছে এক বয়স্ক লোক আসলো। তারা কোন দিন এই লোকটিকে আগে এই গ্রামে দেখেনি।
লোকটি তাদেরকে বলল- তোমরাতো ছোট মানুষ, কেন বাবা সিগারেট খাচ্ছো?
আরিফ সাথে সাথে বলল -আমরা কি আপনার টাকা দিয়ে খাচ্ছি?
-এভাবে কেন বলছ বাবা, আমি তো... continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (2)

  • - সুলতানা সাদিয়া

    সাদা মনের মানুষই বোধহয় এতো ঘুরতে পারে!

    • - কামাল উদ্দিন

      আপনি ঠিক ধরেছেন আপু

    - শহীদুল ইসলাম প্রামানিক

    আহারে কি সুন্দর ফুল, কি সুন্দর ছবি, মন ভইরা গেল!

    • - কামাল উদ্দিন

      হে হে হে

    - মোঃসরোয়ার জাহান

    valo laglo

    • - কামাল উদ্দিন

আসাদুস জামান বাবু

৫ বছর আগে লিখেছেন

কালো ভূত

 
এই রতন .........রতন, কি হয়েছে তোর। এভাবে কেন জানালার পাশে বসে মাথায় হাত দিয়ে কি চিন্তা করছিস? রতনকে এভাবেই ডাকছিল তার সব থেকে প্রিয়বন্ধু রকি। রতন ও রকি খুব কোজ বন্ধু। তারা দুইজনে কাস সেভেনে পড়ে। তাদের চাল চলন, উঠন বসন সব একই। তাই দুজনের মধ্যে খুব মিল।
রকি বার বার ডাকা শর্তেও রতন কোন জবাব দিচ্ছিল না। সে ভাবছে কয়েকদিন ধরে দেখছি। কারো সাথে কথা বলছে না। সব সময় একা একাই থাকছে। আমাকেও কিছু বলছেনা। স্কুলের টিফিনের ফাকে সবাই মাঠে খেলা করছে। আর সে কিনা বসে বসে চিন্তা করছে।
রকি রতনের কাছে গেল। কি হয়েছে দোস্ত তোর? এভাবে কি চিন্তা করছিস?
অবশেষে অনেকন পর রতন জবাব দিল-
-আমার মন ভালো নেইরে। আমাকে বিরক্ত করিস না। এখন একাই থাকতে দে।
- দেখ দোস্ত আমি তোমার সব থেকে কোজ বন্ধু, তুমি যদি তোমার কষ্টেরকথা আমাকে না বল, তাহলে কাকে বলবে। আর তোর এমন কি হলো যে, আমাকেও বলা যাবে না, শুধু শুধু এড়িয়ে চলছিস। কাসের পড়াও ঠিকমত করে আসিস না। শুধু শুধু স্যারের হাতে বোকা খাচ্ছিস।
- এখানেই তো আমার সমস্যা রাতে কাসের হোম ওয়ার্ক করি। সকালে স্কুলে এসে দেখি সব উধাও। এমনকি আমার পড়ার টেবিলে কোন দিন কলম হারাচ্ছে। কোন দিন খাতা হারাচ্ছে। আর কেন যেন আমার ডাইরীতে লেখাগুলো কলম দিয়ে কেটে কেটে দিচ্ছে। এই নিয়ে খুব টেনশনে আছি।
-তোর আম্মুকে বলিসনি কে এই কাজগুলো করে।
- আম্মুকে বলেছি কেন এমন হচ্ছে আমার সাথে, আ¤মু বলছে তোর যত ফাজলমি, কে ঢুকবে তোর ঘরে, সারাদিন বাড়ীতে তো কেউ থাকে না।
-ব্যাপারটা খুব জটিল। কিছু একটাতো করতে... continue reading
Likes Comments
০ Shares

আসাদুস জামান বাবু

৫ বছর আগে লিখেছেন

পেত্নী

 
ছোট বেলায় গ্রীষ্মের ছুটিতে নানার বাড়িতে বেড়াতে গেলাম। আমার নানা বাড়ি সেতাবগঞ্জের চাপাইতোরে। সে অনেকদিন হল । চারদিক শুধু বন  জঙ্গল । বনে দেখা যেত বন মুরগি , খরগোশ , শিয়াল , খেঁক শিয়াল , ডাহুক আর হুতুম পেঁচা ! আরও কত কি ! রাতে শিয়ালের  “হুক্কা হুয়া ” ডাক শুনলেই নানী বলতেন এই তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড় । সকাল হলে আবার শিয়াল “ হুক্কা হুয়া ” বলে তোদের ঘুম থেকে ডেকে দিবে । নানীর কথা শুনে আর শিয়ালের “ হুক্কা হুয়া”  ডাক শুনতে শুনতে ঘুমিয়ে পড়তাম । তখন ছিল জ্যৈষ্ঠ মাসের শেষের দিকে। নানাবাড়িতে মধুমাসের আম, কাঁঠাল ও লিচু খেতে যে কি আনন্দ তা ভাষায় প্রকাশ করা মুসকিল । এ  মৌসুম টাই মধুমাসের ভরা যৌবন । এই সুবাদে প্রতি বছরে যেতাম নানা বাড়িতে। সবাই বলাবলি করছিল সে সময় ওই এলাকায় ভূত পেতœীর আনাগোনা ছিল বেশি ! তাই রাতে কেউ ভয়ে বাড়ি থেকে বের হত না। আমি অবশ্য এগুলো বিশ্বাস খুব কম করি । চোখে ঘুম আসছিল না , এমন সময়ে খুব হৈ চৈ শুনতে পেলাম । আমার কৌতুহল একটু বেশি হল । বিছানা ছেড়ে বারান্দায় এসে দাঁড়ালাম । নানা আর নানী হাতে হারিকেন জ্বালিয়ে পাড়ার সবাইকে ডাকছে আর বলছে তোমরা সবাই জেগে থাকো , মতি অজ্ঞান হয়ে গেছে ! মতি অজ্ঞান হয়ে গেছে ! ! আমার মামার চাচাতো বোনের জামাই মানে আমার সম্পর্কে হয় খালু। এই খালুর বাজার থেকে আসতে দেরি হচ্ছিল বলে সারা পাড়াময় হৈ চৈ পড়ে গেল । কোন বাজারে গিয়েছিল তা আমার সঠিক মনে নেই।
বাজার থেকে প্রতিবেশী এক মামা, হ্যাঁ হ্যাঁ ওই রতন মামা সাইকেল নিয়েই  বাজার... continue reading
Likes ১৭ Comments
০ Shares

Comments (17)

  • - ঘাস ফুল

    গোপাল ভাঁড়ের গল্প যতই পড়ি, ততই মজা পাই। এতো পড়েছি, তারপরও হাতের কাছে পেলে আবার পড়ে নেই। শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ ইসমাইল। 

    যদি পারেন মাঝে মাঝে নাসিরউদ্দিন হোজ্জার গল্প আমাদের জন্য পোষ্ট দিতে পারেন।  

Load more writings...