Site maintenance is running; thus you cannot login or sign up! We'll be back soon.

মামুন ম. আজিজ

৬ বছর আগে লিখেছেন

ঐচ্ছিক?

অতটুক একসাথে
হাত ধরে  নিভৃতে,
কিছুক্ষণ কাছাকাছি
হাসাহাসি সুখি ভাব...
তারপর চিৎকার,
অাবিষ্কার...
অর্ধবোজা ফুলের ভেতর পোকা,   
ধোঁকা!
কচি ডগা পুঁই লতায়
তরতর করে বাড়ে চিৎকার
জোরাজুরি... বাধ সাধা শিৎকার।
ধর্ষন কিংবা ধোঁকা
অথবা মেয়েটা বোকা।
 
 
continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (6)

  • - মোঃসরোয়ার জাহান

    besh laglo

    • - দেওয়ান কামরুল হাসান রথি

      ধন্যবাদ জাহান ভাই।

    - বাংলা আমার প্রাণ

    আগে জানতাম না ।

    - ব্লগার ভাই

    শেয়ারকরারজন্যঅনেকধন্যবাদ

     

    প্রযুক্তি বিষয়ক বাংলা ব্লগঃ আইডিয়া বাজ

মামুন ম. আজিজ

৬ বছর আগে লিখেছেন

‘বসন্ত’-বাংলার কবি এবং কবিতা

বসন্ত নিয়ে কিছু কথা বলার প্রারম্ভে স্বভাবতই লক্ষ্য করলে দেখা যাবে বসন্তকে বিশেষায়িত করার অতি অভিলাষ ‌‌‌'ঋতুরাজ' জুড়ে দেয়া হয়, তারপর বন্দনা কীর্তন এগিয়ে যায়, এখানে আমার কিঞ্চিৎ আপত্তি, আমি বসন্তকে ঋতুরাজ বলতে রাজী নই। যুগ থেকে শাতব্দী পেরিয়ে পেছনের ইতিহাসে আমরা যত রাজাদের দেখি, শুনি, পড়ি তারা ফাগুনের রক্ত রাঙা সবুজ পত্র কাননের মাঝে ঝিরি ঝিরি বসন্ত বাতাসের হিমেল পরশের মত মাধুরীময় রূপে আমাদের কাছে ধরা পড়ে না, রাজা স্বভাবতই কাঠিন্যেরা আবরণ বরন করেন, তা না হলে রাজত্ব টিকিয়ে রাখা কঠিন, প্রজার কাছে কেবল দয়ালু সাধু হলেই হয় না রাজাকে হতে হয় কঠোর, সত্য নিষ্টার পরাকাষ্টা, একটু উল্টো ভাবলে সেতো আরও কঠিন, আমি উল্টো ভাবনায় নিষ্ঠুর অত্যাচারী রাজাগণের কথাই বলছি, সেও ইতিহাসে ভরপুর। প্রিয় মিষ্টি মধুর পাখির কলকাকলী উচ্চকিত বসন্ত কেনো পুরুষ হবে, কেনো রাজা হবে, সেতো রানী হতে পারে, সৌন্দর্যের নিগুঢ় আলোড়ন হতে পারে, আমি তাই বসন্তকে বলব 'ঋতু শ্রেষ্ঠ'।

আমার ঋতুশ্রেষ্ট বসন্ত প্রাণে প্রাণে দোলা দেয়। সে এক নীরব নিবিড় দোলা, সে যার প্রাণ আছে সেই বোঝে। কবিরা প্রাণের নিগুড়তম আঁধার। বসন্ত আসবে আর কবিরা দুলবে না, তা কি হয়! বসন্ত আসবে আর কবিরা লিখবে না দু’কলম কিংবা আধুনিক যুগে কবিরা টিপপে না কিবোর্ডের বাটন, তা হয় না। কবিরা না লিখতে চাইলেও তাকে লিখতে হয়, মনে মনে আউড়াতে হয় কবিতার চরণ। সাধে কি কবি সুফিয়া কামাল বলেছেন,
'হে কবি নীরব কেন, ফাগুন যে এসেছে ধরায়, বসন্তে বরিয়া তুমি ল’বে নাকি তব বন্দনায়? '
বসন্ত এলে পরে নিসর্গে যেমন নির্মেঘ রোদ্দুর জেগে ওঠে, সিন্ধ বাতাসের পরশে সকাল সন্ধ্যা দেহে দেহে হিল্লোলে লাগে মিষ্টি দোলা, তেমনি... continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (5)

  • - মামুন ম. আজিজ

    আমার জন্য একটি পাাতা রেখো....একটি চমকৃত কবিতার অচমকৃত অনুবাদ দেবো....

    • - তাহমিদুর রহমান

    - সুমন আহমেদ

    ধন্যবাদ তাহমিদুর রহমান। ভাল উদ্যোগ। লিংক দিলাম। শুভেচ্ছা জানুন।

    http://nokkhotro.com/post/139088-638952-e73df5-031171-.56537-092

    - তাহমিদুর রহমান

    ধন্যবাদ সুমন ভাই। ভাল থাকবেন।  

    Load more comments...

মামুন ম. আজিজ

৬ বছর আগে লিখেছেন

যেদিন বাবা চলে গেলেন

তখন আমার সরকারী চাকুরীর প্রথম পোষ্টিং। অবস্থান হলো কক্সবাজার; সাবমেরিন কেবল ল্যান্ডিং ষ্টেশন (বর্তমানে বিএসসিসিএল)। সময়টা ২০০৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাস। প্রায়  এক বছর ধরে কক্সবাজারে আছি। এক নিঃসঙ্গ জীবন অথচ স্বেচ্ছায় বেছে নেয়া; অনেকটা অনুভূতির তাড়নায়। একাকী অবসরের কিছুটা কাটত চৌদ্দ ইঞ্চি টিভি দেখে, সন্ধ্যায় জিম কসরত করে  আর বাকীটা  সামহয়্যারইনব্লগ.নেট এ ব্লগীং করে। যদিও ইন্টারনেটের জন্য  ল্যান্ড ফোনের ডায়ালাপের ধীর গতির উপরেই ছিল কেবল নির্ভরশীলতা। তবুও রোজ ধৈর্য্য ধরে পোষ্ট আপলোড করে ব্লগীং করেই চলেছিলাম। এখনও সামহয়্যারে আমার সেই সব পোষ্টগুলোর অধিকাংশই রয়েছে (আইডিটির নাম পথিক!!!!!!!)। রোজকার দিনপঞ্জি নিয়ে কোন ব্লগীং করলে তার ট্যাগে লিখে দিতাম ‘নির্বাসনের দিনকাল’। সেই নির্বাসনের দিনকালে ঝিলংজার নিদারুণ নির্জনতার উদ্দেশ্যে ঢাকা ছেড়ে রওয়ানা হয়েছিলাম এক রাতে আর অন্য সকল যাত্রার মতই। বাস ঢাকা ছেড়েছিল ১০ই ফেব্রুয়ারী দিবাগত রাতে। ঢাকা পেরিয়ে কুমিল্লা যাবার আগেই হয়তো দিন পেরিয়ে ১১ই ফেব্রুয়ারিতে পড়েছিল। দীর্ঘ জার্নি। ঘুম আমার ভালোই হতো। মাঝে মাঝে ভাঙতোও। বাসা থেকে গভীর রাতেই এক ঘুম ভাঙানি  মোবাইল কলে জানালো আমাকে-আব্বু খুব অসুস্থ। ঠিক কি বলেছিলাম সে সব শব্দ আজ স্মৃতিতে নেই। তবে হাসপাতালে সকালে নেয়া হবে এতটুকু মনে আছে। সকালে ডরমেটরিতে ফ্রেস হয়ে অফিসেও চলে গেলাম। অফিসটা শ খানেক গজ দূরে পুকুরের অপারেই। মন উতলা হচ্ছিল, আব্বুকে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নেয়া হচ্ছে সে খোঁজ পেলাম। ল্যাপটপ খুলে বসে বসে উচাটন মনে সামহয়্যারইনব্লগ.নেট এ ঢুকে কয়েক ছত্র লিখে ফেললাম উৎকণ্ঠার প্যাচাল-
 
আজকে সকালে /// আব্বুর জন্যে ভীষণ মন খারাপ
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ |
জানালার কাচ দিয়ে প্রভাতের রাগী সূর্যের আলো এসে পড়ছিল চোখে। ঘুম ভাঙছিল , ভাঙছিল কিন্তু চোখ মেলতে চাইছিল না মন পুরোপুরি।... continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (9)

  • - মোঃসরোয়ার জাহান

    যদি আমার কবিতা না মনে আসে
    জাগিয়োনা এই রাতে,
    যদি এই রাত কখনো না আসে
    জাগিয়োনা এই রাতে,
    যদি আর কখনো ফুল না ফোটে

    ---------------------চমৎকার হয়েছে, ভালো লাগলো  

    • - আসাদুস জামান বাবু

      ধন্যবাদ ভাই

    - মাসুম বাদল

    কবিতায় ভালোবাসা...

    - আলমগীর সরকার লিটন

    দাদা

    বেশ লাগল কবিতা-----

মামুন ম. আজিজ

৬ বছর আগে লিখেছেন

যদি মনে করেন প্রচার, তবে তাই....

গতকাল গিয়েছিলাম অমর একুশে গ্রন্থমেলায়, তবে সে যাওযা যেন ছিল আর্ধেক, মানে মেলার অর্ধেকেই ছিলাম, লিটল ম্যাগ কর্ণারে চেনা অনেকের সাথে আ্ড্ডা, রাতে নজরুল মঞ্চে কথাসাহিত্যিক আনিসুল হক এর উপস্থিতিতে 'এক রঙা এক ঘুড়ি'র যাবতিয় বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান অংশ নেয়া ( এর মধ্যে আমার আর তাহমিদের যৌথ সায়েন্স ফিকশন সংকলন ‌'কল্প এবং...'ও অন্তর্ভূক্ত ছিল) সব মিলিয়ে সন্ধ্যা পর পুরোটাই কেটেছে বাংলা একাডেমী প্রাঙ্গনে, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মাঝে মেলার অন্য বিচ্ছিন্ন অংশটিতে ঢোকা হয়নি। সেখানে ৩৭৯-৩৮০ ষ্টলে ভাষাচিত্র প্রকাশনীতে আমার নতুন একক গল্প সংকলন ‌'সাদাকালো শ্যাওলা' এসেছে কিনা জানা হয়নি। তবে আজ এক কাজিন জানালো তার এক ফ্রেন্ড মেলায় গিয়েছিল , ভাষাচিত্রে খুঁজেছিল আমার নতুন বইটি। শূনে আমি উদ্বেলিত হই, কিন্তু পরক্ষণেই হতাশ... বই আজও আসে নি। বইয়ের  এখনও ডানা গজায়নি। সে এখনও উড়তে শেখেনি। ডানা গজালেই সে উড়ে চলে আসেব ষ্টলে আমি নিশ্চিত।
লেখকের জন্য লেখাটা যত কঠিন কর্ম তার চেয়ে পাঠক পাওয়া অধিক কঠিন কর্ম,  সে এই বর্তমানের বাস্তবতায় এক মহাযজ্ঞই বটে। তারোপর যদি দু'একজন স্বেচ্ছায় বই কিনতে গিয়েও না পায়, তাহলে লেখক হিসেব নিশ্চিত পরাজয়।
তবে ভাষাচিত্র ষ্টল থেকে জানিয়েছে তাকে আগামীকাল থেকে নাকি বইটি মেলায় পাওয়া যাবে। তাহলে ধরে নিচ্ছি ষ্টলম্যানের কথায়, আগামীকাল গ্রন্থ ডানা মেলবে, দ্রুত উড়া শিখবে, চলে আসবে ষ্টলে।
৯টি অনবদ্য ছোট গল্প নিয়ে মাত্র চার ফর্মার বইটির মূল্য আমার এখনও জানা হয়নি। আশা করি বেশী হবে না। এটি আমার পঞ্চম একক গল্প সংকলন, 'কল্প এবং...'কে এই হিসেবে আগে আনলে 'সাদাকালো শ্যওলা' হবে ষষ্ট গল্প সংকলন।
http://1.bp.blogspot.com/-m3MMCO6SZdc/UuVUjlFUHXI/AAAAAAAAAmY/pfoWbS7tMWQ/s1600/sadakalo+shaowla+1.jpg
যদি কেউ ষ্টলে খুঁজেটি পান আর নেড়েচেড়ে দেখেন, চাইলে গাঁটের পয়সা খরচ করে কিনতেও পারেন।সে আপনার ইচ্ছে। যদিও প্রতি... continue reading
Likes ১১ Comments
০ Shares

Comments (11)

  • - আলমগীর সরকার লিটন

    দাদা

    কাব্যব্যাকারণ খুব সুন্দর লাগল

    অনেক অনেক অভিনন্দন--

    ভাল থাকুন-------

    • - তাহমিদুর রহমান

      ধন্যবাদ লিটন ভাই। 

    - মাসুম বাদল

    অপেক্ষায় রইলাম ...

    • - তাহমিদুর রহমান

      এই খাইছে 

    - নাসরিন চৌধুরী

    আজ দুটো লেখা পড়লাম একটা সুমন ভাইয়ের আরেকটা তাহমিদ ভাইয়ের। বাংলা ভাষাটা এত সুন্দর কিন্তু এর ব্যকরণ এত জটিল ক্যান !!!!! কি জানি, না জেনে না মেনেই লিখি ।তবে পড়লাম এবং বুঝতে চেষ্টা করলাম ।আশা করি আমার মত অনেকের সহায়ক হবে ।চালিয়ে যান তাহমিদ ভাই ।

    • - তাহমিদুর রহমান

      ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন আপু। 

    Load more comments...

মামুন ম. আজিজ

৬ বছর আগে লিখেছেন

প্রাণের বইমেলা, সাহিত্য ও প্রকাশনা-আমি এবং আমার অতীত বর্তমান

তৃতীয় বিশ্বের একটি উন্নয়নশীল দেশ হিসেবেই এই মুহূর্তে বাংলাদেশকে বহিঃবিশ্ব এবং আপন পরিধির ভেতরেও চিহ্ণিত করা হয়, অর্থাৎ আমাদের দেশটির পেছনে হয়তো কোন কোন দেশ আছে তবে সামনেও আছে ভরি ভরি দেশ। এ কথাটুকু আমার এই লেখার জন্য খুব প্রয়োজনীয় না হলেও এ কথাই শুরুতে না বলে পারলাম না এই কারণে যে আমাদের সামনে যারা মানে যেসকল দেশ রয়েছে, যারা জ্ঞান বিজ্ঞান, উন্নয়ন এবং বৈভবে আমাদের থেকে অনেক এগিয়ে তারাও এই আধুনিক উচ্চ প্রযুক্তি নির্ভর বিশ্বেও কাগজে ছাপা অক্ষরে লেখা এবং অতপর বাঁধাই করা যে জ্ঞান, ইতিহাস, তথ্য এবং কলা ও সংস্কৃতির ধারণ, বাহন, সংরক্ষন এবং পাঠের উপযোগী একটি চর্চা রয়েছে যাকে এক কথায় প্রকাশনা শিল্প বলা যায় তা বিন্দু মাত্রও বিস্মৃত হয়নি এবং তার যথাযথ প্রকাশ, রক্ষণ এবং পাঠের পূর্ব ধারাবাহিকতাকে এই ডিজিটাল যুগেও এগিয়ে নিয়ে চলেছে। তারা উন্নত জাতি। আমাদের পাশের দেশ ভারতেও এই পুস্তক প্রকাশ এবং তা পাঠের রীতি এখনও মানুষ বিস্তৃত হয়নি। অথচ আমাদের দেশে এই পুস্তক প্রকাশ এবং পাঠ দুটোই রূপ বদলেছে এবং বদলানোটা খুব একটা ইতিবাচক যে নয় মোটেও তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না, ও সবাই জানে।
একাডেমিক প্রকাশনার বাইরের যে প্রকাশনা তা যখন থেকে বইমেলা কেন্দ্রিক হযে পড়তে শুরু করেছিল সে সময়টা আমার কৈশোরকাল, আমার আর আমার বড় বোনের একটা পাঠাগার ছিল, বিদ্যালয়ে পড়–য়া দুই ভাইবোনের জন্যে সেই সময় হাজার খানেক বই নিয়ে গড়া সেই পাঠাগার ( নাম ছিল কিশোর সাথী গ্রন্থাগার) খুব ছোট কিন্তু বলা যাবে না। আমরা একটু ব্যবসায়িক চিন্তা নিয়ে পাঠাগারটি করেছিলাম। আমরা থাকতাম ব্যাংক কলোনীতে। আবদ্ধ পরিবেশ। আমাদের বই ভাড়া দেয়ার কার্যক্রম ভালোই চলেছিল (গোটা বিশেক বই... continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (5)

  • - শহীদুল ইসলাম প্রামানিক

    সুন্দর পোষ্ট। ধন্যবাদ

    • - নাসরিন চৌধুরী

      শ্রদ্ধা রেখে বলছি প্রামানিক ভাই ,আপনার হাতে সময় না থাকলে আপনি পোষ্ট পড়তে বা মন্তব্য করতে বাধ্য না।পোষ্টটা অনেক মন খারাপের পোষ্ট ।আমি দীপকে পড়ে যখন শুনাচ্ছিলাম তখন আমার চোখে পানি চলে এসেছিল ।আমি আপনার মন্তব্যে সন্তুষ্ট হতে পারিনি তাই এমন বলা । আশা করি কিছু মনে করবেন না ।অনিচ্ছাকৃতভাবে কষ্ট দিয়ে থাকলে দুঃখিত ।

    - সেলিনা ইসলাম

    আমি চাইনা এমন জঘন্য সমাজে নগন্য কীটের ন্যয় বিকশিত হতে। অসুস্থ সমাজে আমিও হয়ত এমন শিক্ষা নিয়েই বড় হতাম। 

     বেশ লিখেছেন সমাজ স্বীকৃত  একটি জঘন্যতম  কাল অধ্যায়! শুভ্কামনা রইল 

    • - নাসরিন চৌধুরী

      ধন্যবাদ আপু এত ব্যস্ততার মাঝেও সময় নিয়ে লিখাটি পড়ার জন্য ।ভাল থাকুন।

       সমাজ স্বীকৃত  একটি জঘন্যতম  কাল অধ্যায়!  

       

    - ঘাস ফুল

    আজ বিপরীত লিঙ্গ হলে হয়ত মা তার সিদ্ধান্ত বদলাতো এমটাই উপলব্দি করেছি। সম লিঙ্গের হয়েও মা আমার লিঙ্গকে সচেতনভাবে ঘৃণা করছে ।আমার লিঙ্গ আজ বড় বেশি লজ্জিত ,বড় বেশি অপমানিত পৃথিবী। 

    তোমার এই পোস্টের বক্তব্যের কোন তুলনা হয় না। তাই আমি বলবো ওপরে তুলে ধরা অংশটা তুমি এডিট করে দিতে পারো। ভ্রূণের লিঙ্গ দেখিয়ে পোস্টের বক্তব্যকে তুমি হালকা করে দিয়েছ। এখানে লিঙ্গ কোন ফ্যাক্ট হলে ফিগার সচেতনতা বা ক্যারিয়ারের দাপট কথাটা বেমানান হয়ে যায়। যেকোনো লিঙ্গের ভ্রূণেরই পৃথিবীর আলো দেখার অধিকার আছে। হোক সেটা ভালোবাসার ফসল কিংবা পাপের ফসল। কারণ তার তো কোন দোষ নাই। তবে সে কেন শাস্তি ভোগ করবে। চিকিৎসা বিদ্যার দোষ দিয়ে কী কোন লাভ আছে, যদি আমাদের মন মানসিকতায় কোন পরিবর্তন না আসে? বরং আমি বলবো আইন করে ভ্রূণ হত্যা বন্ধ করা উচিৎ, যাতে সব সুস্থ ভ্রূণ পৃথিবীর আলো দেখতে পায়। মায়ের গর্ভের অন্ধকারে জন্ম নিয়ে সেখানেই যেন খুন না হতে হয়। জনসচেতনার এই পোস্টের জন্য তোমাকে অশেষ ধন্যবাদ। কবি মানুষ তাই কাব্যিক ঢঙটা যেন এই লেখাতেও এসেছে। তাতে বরং লেখাটা আরও বেশী প্রাণবন্ত এবং আবেগী হয়ে উঠেছে, যা হয়তো মানুষের বিবেককে একটা ধাক্কা দিতে সক্ষম হবে। ভালো থেকো।  

    • - নাসরিন চৌধুরী

      ধন্যবাদ ভাইয়া লিখাটি পড়ার জন্য এবং সুচিন্তিত মতামত তুলে ধরার জন্য।সাম্প্রতিক একটি সত্য ঘটনার আলোকে আমার আজকের পোষ্ট ।মা তার ক্যারিয়ারের জন্য,ফিগারের জন্য বাচ্চা চায়না তার পরও মেনে নিত যদি বিপরীত লিঙ্গ হত।মানে মা সন্তানটিকে পৃথিবী তে আসার সুযোগ দিতো যদি ছেলে হত ।বৈষম্যের চিত্রটা কিন্তু ভ্রুনের শিশুর ক্ষেত্রে ও বিদ্যমান ।এখানে দুটা নেগেটিভ দিক আমি তুলে এনেছি।যে সমস্ত কারনে ভ্রুন হত্যা হয় তার মধ্য দুটো কারনই অন্যতম ।আর চিকিৎসা বিদ্যার কথাটি আক্ষেপ করে বলেছে ।কারন আমরা এর অপব্যবহার করছি।

    • Load more relies...
    Load more comments...
Load more writings...