শেহজাদ আমান

৪ বছর আগে লিখেছেন

জ্বলে অপরাজেয় (৩য় পর্ব , ক্যাটাগরি ১ )

গিলোটিন আমাদের থামাতে পারেনি
গ্যাস চেম্বারে আমরা মরিনি
জার্মান বোমায় ভয় পাইনি
তালিবানকে তোয়াক্কা করিনি !
আমরাই বাস্তিল ভেঙ্গেছি
বার্লিন ওয়াল আমরাই গুড়িয়েছি
দেখিয়েছি তিয়েনআনমেনের দানবীয় ট্যাঙ্ককে বৃদ্ধাঙ্গুলি !!
আমরাই ছিলাম ল্যাটিন আমেরিকার জঙ্গলে চের সাথী
দক্ষিণ আফ্রিকার আনাচে-কানাচে ম্যন্ডেলার সহযোগী
আর ঢাকায় রুমি,বদি,জুয়েলের ক্র্যাক সহযোদ্ধা !!!
আমরাই ওয়াল স্ট্রীটে তাবু গড়ি
আমরা তকসিমে স্লোগান দেই
তাহরীর স্কয়ার প্রকম্পিত করি !
আজ অবধি আমাদের কেউ থামাতে পারেনি
আপনি কি করে পারবেন, হে মহামান্য ?
continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (5)

  • - টোকাই

    ভালো লাগলো ।

শেহজাদ আমান

৪ বছর আগে লিখেছেন

শহীদ ডাঃ মিলন আর শহীদ নূর হোসেন –এর ‘দল’ আওয়ামী লীগের হাতে আজ গণতন্ত্রের শবযাত্রা

"রক্ত আমার এখন পথে মুছে যায় নি
জনতার স্রোত মন্থর হয়ে থেমে থাকেনি
রক্ত আমার জ্বলছে বিষের আগুনে
চারিদিক আজ প্রতিহিংসার আগুনে
আমি প্রতিশোধ নেব এবার।
ও গো মা তুমি কেদো না
মিলনের রক্তে আমি
হটিয়েছি স্বৈরাচারী
উড়িয়েছি স্বাধীনতার পতাকা"
উপরের গানের কলিগুলো প্রমিথিউস ব্যান্ডের ‘মিলনের রক্ত’ গান থেকে নেয়া। খুব ছোট থাকতে আমাদেরই এক বড় ভাইয়ের কাছ থেকে প্রমিথিউস ব্যান্ডের এলবাম নিয়ে যে গানগুলো শুনেছিলাম, তার মধ্যে এই গানটি নিঃসন্দেহে আমার হৃদয় ছুয়ে গিয়েছিল। শহীদ ডাঃ মিলনের আত্মোৎসর্গতা নিয়ে রচিত গানটি আজও আমি যখন শুনি, তখনও আমার রক্তেই এক অন্যরকম শিহরণ অনুভব করি।
http://www.youtube.com/watch?v=VMsldGhjLK8&feature=player_embedded
আসলে, শহীদ ডা: মিলন, শহীদ নূর হোসেন বা শহীদ রাউফুন বসুনিয়াকে নিয়ে গান, সাহিত্য, বা ভিডিও যাই তৈরি করা হোকনা কেন, সেটা আমাদের রক্তে আলোড়ন তোলে। আমরা বুঝতে পারি ১৯৯০-এর দশকে গণতন্ত্রের জন্য দেশের মানুষকে কতটা সংগ্রাম করতে হয়েছে, কতটা আত্মত্যাগ তাদের ছিল। আমরা বুঝতে পারি সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের বিনিময়ে যে গণতন্ত্রকে আমরা পেয়েছি, তার মূল্য কতখানি! তাদের আত্মত্যাগ আমাদের অনুপ্রাণিত করে রাস্ট্রকতৃক জনগণের উপর আরোপিত যে কোন অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে।
কিছুদিন আগেই ১০ই নভেম্বর ছিল শহীদ নূর হোসেনের প্রয়াণ দিবস। গতকাল ২৭ শে নভেম্বর ডাঃ মিলনের শহীদ দিবস। কিন্তু,  শহীদ ডা: শামসুল আলম খান মিলনের ২৪ তম শহীদ দিবসে আজ আমরা কি দেখছি...?
৯০-এর দশক গেল, ২০০০-এর দশক গেল, ২০১০-এর দশকও আসলো। গণতন্ত্রের অভিযাত্রা ব্যহত হয়ে গেলেও তা হারিয়ে যায়নি বা তার অস্তিত্ব হুমকীর সম্মুখীন এতদিন হয়নি।
কিন্তু, ২০১৩ পেরিয়ে আজ ২০১৪; আর আজ কিনা গণতন্ত্রের অস্তিত্ব হুমকীর মুখে, গণতন্ত্র আজ হয়ে উঠেছে ‘গণতান্ত্রিক... continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (0)

  • - মাইদুল আলম সিদ্দিকী

    emoticonsemoticons

    • - Azimul Haque

      ওগুলো দিতে পারিনা জনাব মাইদুল ইসলাম সিদ্দিকী ভাইয়া। 

      ধন্যবাদ আপনাকে।

শেহজাদ আমান

৪ বছর আগে লিখেছেন

তসলিমা নাসরীনের দেশে ফেরা না ফেরাঃ প্রত্যাশা, বাস্তবতা ও একজন দ্বাদশ ব্যক্তি ’র কিছু বক্তব্য

( ১)
সেদিন ছিল ২৫ শে আগস্ট। আজ থেকে মাস দুয়েক আগের ঘটনা। তসলিমা নাসরীনকে দেশে ফেরার অনুমতি দেয়া ও তার নাগরিক অধিকার আদায়ের জন্য শাহবাগে এক মানববন্ধনের আয়োজন করেছিল ‘তসলিমা পক্ষ’। মানববন্ধন শেষ করে তসলিমা পক্ষের কর্মী ও তসলিমার সমর্থকেরা পরীবাগের সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্রে গিয়ে তসলিমা নাসরীনের জন্মদিন উদযাপন করেছিল। যেহেতু, তসলিমাকে দেশে আসতে দেয়ার দাবির প্রতি আমার সমর্থন আছে, তাই এই প্রোগ্রামে আমিও ছিলাম তাদের সাথে।
সেখানে কন্ঠশিল্পি শতাব্দী ভবও উপস্থিত ছিলেন। কেক কেটে জন্মদিন উদযাপনের পর সবাই ভব’দার কাছ থেকে গান শোনার আবদার করলো; তিনিও সবার পছন্দমত নিজের কিছু গান গেয়ে শোনালেন। সবার শেষে গাইলেন তার জনপ্রিয় গান ‘দ্বাদশ ব্যক্তি’।
গানটা শোনার সময় বিভিন্ন কারণে আমার নিজেকেই দ্বাদশ ব্যক্তি বলে মনে হচ্ছিল। আমার মনে হচ্ছিল এদের এই আয়োজনগুলোতে কেমন যেন একটা 'হলিস্টিক এপ্রোচের অভাব'। আর তার সাথে সাথে বাংলাদেশে তসলিমা নাসরীনের অনুসারী বা সমর্থকদের লাইফস্টাইলের সাথে আমার লাইফস্টাইলের পার্থক্যও আমার নিজেকে একজন দ্বাদশ ব্যাক্তি হিসেবে উপলব্ধি করাচ্ছিল। আমার মনে হচ্ছিল, এদের সাথে আর হয়তো এভাবে আমার সময় কাটানো নাও হতে পারে। তাই সঙ্গত কারনেই আমার নিজেকেই দ্বাদশ ব্যক্তির মত আউটসাইডার মনে হচ্ছিল; দ্বাদশ ব্যক্তি গানটা শুনতে শুনতে আমি যেন আরও বেশি আনমনা হয়ে উঠলাম।
তার কিছুদিন আগে তসলিমা নাসরীন আর আসিফ মহিউদ্দিনের একটা ভিডিও ছাড়া হয়েছিল; সেখানে দেখা যাচ্ছিল দুইজন নানান বিষয়ে কথা বলছিলেন। এক পর্যায়ে তারা টেবিলের উপর কিছু বইয়ের উপর চায়ের কাপ রেখে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
পরে দেখা গেল, ওই বই আর কিছু নয় – মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কোরান।
লাইফস্টাইলের বা আদর্শের পার্থক্য মানুষে মানুষে থাকতেই পারে। কিন্তু, তারপরও তসলিমা নাসরীনের... continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (0)

  • - আলমগীর সরকার লিটন

    মালালা কি পেনো আর কি পেল না সেটা মাথা ঘামার দরকার নেই বলে মনে করি

    সুন্দর লেখেছেন ------

    • - মেঘ বলেছে যাব যাব

      ধন্যবাদ। পুরোটা নিশ্চয় পড়েছেন।

    - এম. এ. এস. মানিক

    কোথাকার কে শান্তিতে পেল না অশান্তিতে নোবেল সেটা নিয়ে মাথা ব্যথার কোন কারণ আছে কি? আমাদের দেশেরও একজন সম্মানীয় ব্যক্তি ড. মুহম্মদ ইউনুস শান্তিতে নোবেল পেয়েছেন.......তা তিনি কোন শান্তিটা প্রতিষ্ঠা করেছেন? দেশের চেয়ে তিনি বিদেশীদের স্বার্থ বাস্তবায়নেই সচেষ্ট বেশি। তবে যেটুকু করেছেনা তা যে খুব একটা মন্দ সেটা বলা যাবেনা, কিন্তু অনেক কম করেছেন....দেশ প্রেম বলে একটা কথা আছে, সেটার নূন্যতম এখন কি তার মধ্যে আছে?

    =====================

    (((আলোতে থাকুন, ভালোতে থাকুন)))

শেহজাদ আমান

৫ বছর আগে লিখেছেন

সমকামী এবং উভয়কামীদের অজানা ও অন্ধকার অধ্যায়ঃ প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ

(১)
সমকামিতা, উভয়কামিতা এবং বাংলাদেশের সমকামীদের সম্পর্কে আপনি সঠিক ধারণা পাবেননা, যদিও আপনি বাংলাদেশে সমকামিতার উপর সমকামীতার সমর্থকদের বিভিন্ন লেখা পড়েন। তারা আপনাকে সমকামীদের পজিটিভ কিছু সাইড এবং বৈশিষ্ট দেখিয়ে আপনাদের সামনে সমকামীতাকে নারী-পুরুষের স্বাভাবিক সম্পকের মতই প্রাকৃতিক একটা বিষয় হিসেবে উপস্থাপন করে আসেন। এখানে উল্লেখযোগ্য যে তারা শুধু সমকামীতা সম্মন্ধেই বিভিন্ন কথা বলে বা এর পক্ষে যুক্তি দেখায়। উভয়কামীতা – যা কিনা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সমকামীতার সঙ্গে যুক্ত এবং সমকামীতার চেয়েও আরও বেশি মারাত্মক – তার সম্পর্কে এরা বলতে গেলে কোন কথাই বলেন না।
আবার, কিছু মানুষ আছে সমকামিতার বিরুদ্ধে একেবারে খগহস্ত; ধর্মীয় ও সামাজিক কারণে তারা সমকামিতাকে একেবারে শাস্তিযোগ্য অপরাধ মনে করেন। তারাও বুঝতে চাননা যে, সমকামিতাকে একেবারে মুছে ফেলা সমভব নয়। তাদের লেখা বা আলোচনা পড়লেও আপনি এই সম্পর্কে পুরো ধারণা পাবেন না।
তবে কি বাংলাদেশে চলে আসা সমকামিতা, উভয়কামিতাকে সমর্থন দেয়া যায়? এগুলো কি আসলেই ভালো কিছু? বাংলাদেশে যারা সমকামিতা (গেইসম ও লেসবিয়ানিজম) এবং উভয়কামিতাকে সমর্থন করছেন তারা কি সঠিক পথে আছেন?
আসুন আমরা বুঝতে চেষ্টা করি বাংলাদেশের সমকামী ও উভয়কামীদের প্রকৃত অবস্থা, এদের বৈশিষ্ট, জীবনাচারণ ইত্যাদি সম্পর্কে একটা ধারণা দেয়ার চেষ্টা করি সবাইকে। এই কাজে আমার, আমাদের ফ্রেন্ড সার্কেলের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও আমাদের ‘ইয়ুথ ওয়াচ’ সংগঠনের থেকে করা সমকামী ও উভয়কামীদের উপর করা গবেষণা যথেষ্ট সাহায্য করবে।
(২)
মানুষ যে সমকামী হয়, তার পিছনে অনেক কারণ বিদ্যমানঃ
(১) কেউ ভিন্ন স্বাদের সেক্সের জন্য সমকামী হয়
(২) কেউ সাময়িক বিকৃতির জন্য সমকামি হয়
(৩) কোন কোন মানুষ স্বজাতি, নারী বা পুরুষের উপর বিতশ্রুদ্ধ বা হতাশ হয়ে সমকামি হয়ে থাকে
(৪) কেউ কেউ জন্ম থেকেই... continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (0)

  • - আসাদ ইসলাম নয়ন

    হুম । দারুন ।

শেহজাদ আমান

৫ বছর আগে লিখেছেন

পাকিস্তানসহ অন্য ক্রিকেট খেলুড়ে দেশকে সমর্থন দেয়া আসলেই কি অযৌতিক বা অনুচিত?

(১)
গত কিছুদিন আগে দেশে ক্রিকেট উৎসবের মহোৎসব বসেছিল এশিয়া কাপ আর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সৌজন্যে। তার পাশাপাশি কিছু মানুষ দাবি তুলেছিল যে বাংলাদেশ ছাড়া বাংলাদেশের মানুষের অন্য কোন দলকে সমর্থন করা চলবেনা। এর পাশাপাশি স্টেডিয়ামে অন্য দেশের পতাকা বহন করার এবং তা প্রদর্শন করা তো যাবেনা-ই।
এই ব্যাপারে তারা ব্লগে এবং মিডিয়ায় অনেক লেখালেখি করেছে। প্রথম আলোতে ফারুক ওয়াসিফ এই ব্যাপারে একটা পুরো প্রন্ধই রচনা করে দিয়েছেন, “খেলায় পাকিস্তানকে সমর্থন কেন?”                        
( http://www.prothom-alo.com/opinion/article/166350 )
আমার বক্তব্য হল, ঢালাওভাবে বিষয়টা না দেখে আরও র‍্যাশনালী বা লিবারেলভাবে বিষয়টা দেখা যেতে পারে। আমাদের দেশে স্পষ্টতই আইন আছে দেশের মাটিতে অন্যদেশের পতাকা না উড়ানোর ব্যাপারেঃ
“Except as stated in the above Rules, the flag of a Foreign State shall not be flown on any car or building in Bangladesh without the specific permission of the Government of the People’s Republic of Bangladesh.” (People’s Republic of Bangladesh Flag Rules, article 9.IV)
(http://www.cadetcollegeblog.com/adjutant/43624)
তো, এইখানে দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশের মাটিতে অন্য দেশের পতাকা উড়ানো আসলেই একটা বেআইনি কাজ। বাংলাশের অধিবাসী হয়ে অন্য দেশের পতাকা নিয়ে স্টেডিয়ামে ঢোকা উচিত নয়। সেইক্ষেত্রে সংশয় বা অস্পষ্টতার কিছু নেই।  
কিন্তু, সমস্যা হচ্ছে, কিছু মানুষ অন্য দেশকে সমর্থন দেয়ার বিরুদ্ধে ক্ষোভ আর রাগ প্রকাশ করে ফেসবুক আর ব্লগে বিভিন্ন মতামত দিয়ে যাচ্ছেন। বিশেষ করে , বাংলাদেশের বলতে গেলে ৫০-৬০% লোক যে বাংলাদেশের পর পাকিস্তান ক্রিকেট দলকে সমর্থন করে, সেই ব্যাপারটা নিয়ে খুবই ক্ষুব্ধ। পাকিস্তানকে যে কোনমতেই সমর্থন করা যায়না, সেই ব্যাপারে তারা অনেকেই অনেক অনেক যুক্তির অবতারণা করছেন, এমনকি পাকিস্তানকে যারা সমর্থন করে, তাদের রাজাকার, নব্য রাজাকার, রাজাকারের দোসর, ছাগু, পাকি জারজ ইত্যাদি নানান... continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (0)

  • - চারু মান্নান

    শুভ নববর্ষের শুভেচ্ছা,,,,,,,,,,,,

    • - মোকসেদুল ইসলাম

      ধন্যবাদ কবি

    - লুৎফুর রহমান পাশা

    শুভ কামনা কবি।

    মনের বিশাল গূঢ় জগতে ঢুকবার লাইসেন্স দিয়ে ছিলো অজান্তে এই লাইনে লাইসেন্স শব্দটা কেমন যেন বেখাপ্পা মনে হলো। অন্য কোন শব্দ দিয়ে পরিবর্তন করতে পারলে ভালো হতো।

    • - মোকসেদুল ইসলাম

      ধন্যবাদ পাশা ভাই এমন সুন্দর পরামর্শের জন্য। শব্দটি পরিবর্তন করে নিলাম। এখন কেমন হয়েছে যদি বলতেন

    • Load more relies...
    - রুদ্র আমিন

    ভাল লিখেছেন ভাই। 

    • - মোকসেদুল ইসলাম

      ধন্যবাদ অফুরান

    Load more comments...
Load more writings...