যে ৫ টি লক্ষণে বুঝে নেবেন আপনার পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব হচ্ছে Nokkhotro Desk

feature-image

ঘুম মানুষের একটি স্বাভাবিক জৈবিক চাহিদা। শিশু থেকে বয়স্ক প্রত্যেকেরই নির্দিষ্ট পরিমাণ ঘুমের প্রয়োজন রয়েছে। ঘুম ঠিকমতো না হলে তার প্রভাব শরীরের ওপর খুব খারাপ ভাবে পড়ে। তাই প্রত্যেকেরই নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুমের প্রয়োজন রয়েছে।

অনেকে মনে করেন তিনি যতোটুকু সময় ঘুমান তা তার জন্য পর্যাপ্ত। কিন্তু আসলে অনেক সময় এই ধারণাটি ভুল হতে দেখা যায়। কিভাবে জানবেন আপনার ঘুম কম হচ্ছে? আপনার ঘুমের সমস্যা আপনার দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডে প্রভাব ফেলবে। জানতে চান কি সেই লক্ষণগুলো যাতে আপনি বুঝবেন আপনার পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব। চলুন তবে দেখে নেয়া যাক।

feature-image
আপনি শোয়ার সাথে সাথেই ঘুমিয়ে পড়েন
অনেকে মনে করেন শোয়ার সাথে সাথে ঘুমিয়ে পড়া খুব ভালো ঘুমের লক্ষণ, যা সম্পূর্ণ ভুল একটি কথা। আপনার যদি শুয়ে পড়ার ৫ মিনিটের মধ্যে ঘুম চলে আসে এবং তা নিয়মিত হয় তবে আপনার ঘুমে সমস্যা বলেই এমনটি হচ্ছে। ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ নিউরোলজিক্যাল ডিজঅর্ডার অ্যান্ড স্ট্রোকের গবেষকগণ বলে পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব হলেই মানুষ শোয়ার সাথে সাথে ঘুমিয়ে পড়েন।

আপনার ভুলে যাওয়ার সংখ্যা বেড়েছে
লক্ষ্য করে দেখুন তো আপনি কি আগের তুলনায় অনেক কিছু বেশি মাত্রায় ভুলে যাচ্ছেন কিনা? ছোটোখাটো অনেক ব্যাপার যা আগে বেশ ভালোই মনে রাখতে পারতেন তা দিন দিন ভুলে যাওয়া হচ্ছে। তাহলে ধরে নেবেন আপনার ঘুমে প্রচণ্ড সমস্যা হচ্ছে। আমরা যখন ঘুমাই তখন আমাদের মস্তিষ্কে নতুন নিউরিনের সৃষ্টি হয় ফলে আমাদের স্মৃতিশক্তি উন্নত হয়। ঘুম না হওয়া বা কম হওয়ার ফলে এই স্বাভাবিক প্রক্রিয়াটি নষ্ট হয়ে যায়। এতে স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে পড়ে।

আপনার ক্ষুধা বেড়ে গিয়েছে
আপনার ঘুমে সমস্যা হচ্ছে এবং ঘুম কম হচ্ছে তা বোঝার অন্যতম লক্ষণ হচ্ছে হঠাৎ করেই ক্ষুধা বেড়ে যাওয়া। লেপ্টিন নামক হরমোন আমাদের মস্তিষ্কে সিগন্যাল দিয়ে থাকে আমাদের পর্যাপ্ত খাবার গ্রহন করা হয়েছে। আর জ্রেলিন নামক হরমোন ক্ষুধার উদ্রেক করে। ঘুমের সমস্যা হলে এবং ঘুম কম হলে এই দুটি হরমোনের স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা ব্যাহত হয় এবং জ্রেলিন বেশি উৎপন্ন হয়। ফলে সব সময়েই ক্ষুধা ভাব থাকে।

feature-image
মনোযোগের অভাব হচ্ছে
কাজে মনোযোগ বসাতে অভাব হচ্ছে কিনা খেয়াল করে দেখুন। একটি জিনিষ দুই তিন বার পড়ার পরেও বুঝতে না পারা কম ঘুম এবং ঘুমের সমস্যার লক্ষণ। ঘুম কম হলে কাজে খুব কম মনোযোগ বসে এবং সিদ্ধান্ত নিতে না পারার মতো লক্ষণও চোখে পড়ে।

হুটহাট রেগে যাওয়ার প্রবণতা
আপনাকে সকলেই বেশ শান্ত সভাবের মানুষ হিসেবেই জানেন। কিন্তু কিছুদিন ধরেই আপনি নিজের রাগকে নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছেন না এবং খুব দ্রুত রেগে যাচ্ছেন। এর অর্থ আপনার ঘুমের সমস্যা এবং পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব।
A A