লোডিং ...
Site maintenance is running; thus you cannot login or sign up! We'll be back soon.

\"স্যাসি ওয়াটার\" পান করে দ্রুত কমান পেটের মেদ ও বাড়তি ওজন Nokkhotro Desk

feature-image

এক ধরনের পানীয় পান করার মাধ্যমে খুব সহজেই পেটের আকৃতি ছোট করা সম্ভব। এই পানীয়টিকে স্যাসি ওয়াটার বলে। সাধারণত পেটের মেদ কমানোর খাদ্য তালিকায় এই পানীয়টি থাকে। শারীরিকভাবে সুস্থ থাকার জন্য প্রতিদিন আমাদের প্রচুর পানি পান করা উচিত। কিন্তু অনেকেই শুধু পানি খেতে পারেন না। সাধারণ খাবার পানিকেই সামান্য একটু পরিবর্তন এনে এক ধরনের আশ্চর্য পানীয়তে পরিনত করা সম্ভব যা আমাদের স্বাস্থ্যের উপর বেশ বিস্ময়কর প্রভাব সৃষ্টি করে। এই পানীয়টি প্রায় ক্যালরি শুন্য এবং এটি হজমক্রিয়াকেও উন্নত করে।
সাধারণত ওজন কমাতে বা পেটের মেদ কমাতে প্রচুর পানি পান করতে বলা হয়ে থাকে। এই পানির পরিমাণ কমপক্ষে ৮ গ্লাস। যদিও এই পরিমাণ প্রতিটি মানুষের পানির চাহিদা জেনেটিক্যালি ও শারীরিক কাজের উপর কম বেশি হতে পারে, তবে ৮ গ্লাস হচ্ছে একটি আদর্শ পরিমাপ। এই পরিমাণ পানি পানের ফলে তা দেহকে আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে। দেহের ইলেক্ট্রলাইট এর ভারসাম্যতা ও পানি ধরে রাখার ক্ষমতা বজায় থাকে। স্যাসি ওয়াটারে থাকে আদা, শশা, লেবু ও পুদিনা পাতা এমন ভাবে আপনাকে ভাল রাখবে যা আপনি হয়তো চিন্তাও করতে পারবেন না।

কী কী লাগবেঃ
পানি- ২ লিটার (বা প্রায় সাড়ে ৮ কাপ)
মিহি কুচি আদা- ১ টেবিল চামচ
শশা- ১টি (মধ্যম আকৃতি)
লেবু- ১টি (মধ্যম আকৃতির)
পুদিনা পাতা- ১২টি (তাজা)

কীভাবে তৈরি করবেন এই পানীয়টি?
শশার খোসা ফেলে দিয়ে স্লাইস করে নিতে হবে। লেবুও চিকন স্লাইস করে নিতে হবে। তারপর একটি জগে ২ লিটার পানি নিয়ে তাতে সবগুলো উপকরণ এক সাথে মিশিয়ে নিয়ে সারারাত ফ্রিজে রেখে দিতে হবে। পরদিন সকালে সেটা আর একটি জগে ছেঁকে নিয়ে সাধারণ পানির পাশাপাশি সারাদিনে এই পানিটা পান করুন।

কখন খাবেন?
দিনের শুরুতেই এই পানি পান করতে পারেন। অর্থাৎ সকালে নাস্তার আগে এই পানি পান করুন ভাল ফল পেতে। পুষ্টিবিদদের মতে নিয়মিত এই পানীয় পান করলে ও কিছু শারীরিক কার্যক্রমের মাধ্যমে পেটের মেদ কমতে শুরু করে। এই পানীয়টি নিয়মিত পান করার মাধ্যমে অবিশ্বাস্য রকম ওজন কমানো সম্ভব তবে পাশাপাশি অবশ্যই একটি সঠিক খাদ্য তালিকা অনুসরনের করতে হবে।

সতর্কতাঃ
তবে এই পানীয়টি গর্ভবতী ও স্তন্যদাত্রী মায়েরা, পেটের সমস্যা আছে এমন ব্যক্তিরা এবং পানীয় তৈরিতে যেসব উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে সেগুলোতে যাদের অ্যালার্জি আছে তারা খাবেন না।
A A