লোডিং ...

ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করবে ৭টি সুপার ফুড Nokkhotro Desk

feature-image

আজকাল ডায়াবেটিস খুব সাধারণ একটি রোগে পরিনত হয়েছে। অনেককেই এই রোগটিতে আক্রান্ত হতে দেখা যাচ্ছে। যদিও এই রোগটির কোন প্রতিকার নেই তবে খাবার ও জীবনযাপনের ধারায় পরিবর্তন এনে এবং কিছু সাধারণ ঘরোয়া পদ্ধতির মাধ্যমে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। ডায়াবেটিসের উপর স্থূলতাও প্রভাব সৃষ্টি করে। তাই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজন দেহের ওজনের উপর নিয়ন্ত্রণ এবং কি খাচ্ছেন সেদিকে নজর রাখা। বিশেষজ্ঞরা যেসব খাবারে ওমেগা৩ ফ্যাট এবং বেশি পরিমানে খাদ্যআঁশ আছে সেসব খাবার গ্রহন করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

বেশ কিছু খাবার আছে যেগুলো ব্যাপক ভাবে রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। এখানে কিছু সুপার ফুডের কথা জানাচ্ছি যা ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমানোর সাথে সাথে রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

অ্যাভোকাডো
মনোস্যাচুর‍েটেড ফ্যাট সমৃদ্ধ অ্যাভোকাডো যা হজমক্রিয়াকে ধীর করে এবং রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া অ্যাভোকাডোতে থাকা ভাল ফ্যাট ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য করে।

পেয়ারা
ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এক প্রকার সুপার ফুড হচ্ছে এই পেয়ারা। পেয়ারা উচ্চ মাত্রার ভিটামিন সি এবং খাদ্যআঁশ সমৃদ্ধ রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখে।

তিসিবীজ
উচ্চ মাত্রার অমেগা৩ ফ্যাটি এসিড আছে তিসিবীজে। তাই প্রতিদিনের খাবারে তিসিবীজ যোগ করলে রক্তের সুগারের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে এবং ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়।

পিনাট বাটার
গবেষণায় দেখা যায় পিনাট বাটার ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়। এছাড়া এতে আরো রয়েছে মনোস্যাচুরাটেড ফ্যাট যা হৃদস্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারি।

আপেল
আপেল হচ্ছে খাদ্যআঁশের চমৎকার একটি উৎস যা রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। আপলে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফ্রি রেডিক্যালের প্রভাব থেকে দেহকে রক্ষা করে যা রক্তের সুগার বাড়ায়।

ডিম
গবেষণায় পাওয়া গেছে যে ডিম যদিও উচ্চ কোলেস্টেরল সমৃদ্ধ তবুও এটি রক্তের সুগার কমাতে সাহায্য করে।

মাছ
বিশেষজ্ঞরা সাধারণত ডায়াবেটিসের রোগীদের মাছ খেতে বলেন। মাছ হচ্ছে ওমেগা৩ ফ্যাটি এসিডের চমৎকার উৎস যা ডায়াবেটিসের জন্য খুবই উপকারি।

A A