চুলের যত্নে ঘরোয়া কন্ডিশনার

*সব ধরণের চুলের জন্য ভিনেগার একটি ভালো কন্ডিশনার। চুল শ্যাম্পু করার পরে ভিনেগার মিশ্রিত পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেললে চুল বেশ নরম ও উজ্জ্বল হয়। এক টেবিল চামচ ভিনেগার এক কাপ পানিতে মিশিয়ে নিন। এরপর শ্যাম্পু করার পর এই পানি দিয়ে চুল ধুয়ে নিন। ভিনেগার পানি দেয়ার পর চুল আবার পানি দিয়ে না ধুলেও চলে। এই পদ্ধতিতে মাত্র একবার ব্যবহার করলেই তফাৎটা বুঝে যাবেন।
*মধু ও তেল ব্যবহার করার পদ্ধতিটি হলো চুলের জন্য সবচেয়ে ভালো ও উপকারী কন্ডিশনার। ২ টেবিল চামচ অলিভ ওয়েল ও ২ টেবিল চামচ মধুর সাথে ১ চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে নিন। এবার মিশ্রণটি পুরো মাথায় ভালো করে ম্যাসাজ করে লাগিয়ে নিন। ২০ মিনিট রেখে এর পর চুল ধুয়ে ফেলুন ভালো কোনো শ্যাম্পু দিয়ে। নিয়মিত ব্যবহারে চুল হয়ে উঠবে ঝরঝরে ও উজ্জ্বল।
*কলা ও মধুর কন্ডিশনার ব্যবহার চুল সামলানো খুব সহজ হয়ে যায় এবং যেভাবে চুল স্টাইল করা হয় সেভাবেই চুল থাকে। একটা বেশি পাকা বড় কলার সাথে ২ টেবিল চামচ মধু, ৪ টেবিল চামচ অলিভ ওয়েল ও এক টেবিল চামচ ভেজিটেবল গ্লিসারিন মিশিয়ে পুরো মাথায় লাগিয়ে নিন। মাথায় একটি শাওয়ার ক্যাপ পড়ে ৪০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর চুল শ্যাম্পু করে নিন। ব্যস, আপনার চুল যে কোনো চুলের স্টাইলের জন্য প্রস্তুত হয়ে গেলো।
*মেয়োনেজ স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হলেও চুলের জন্য খুবই উপকারী। মেয়োনেজ চুলকে কোমল ও উজ্জ্বল করে। এটা ব্যবহার করাও খুব সোজা। কিছুটা মেয়োনেজ নিয়ে পুরো মাথায় ভালো করে ম্যাসাজ করুন। এরপর গরম পানিতে টাওয়েল ভিজিয়ে পুরো মাথায় ৩০ মিনিট পেঁচিয়ে রাখুন। তারপর ভালো কোনো শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।
...চুল যখন রুক্ষ হয়ে যায় এবং...

Read more

17 February, 2015

চুল ভাঙা প্রতিরোধ

*ডিম ও মেয়োনিযের হেয়ার মাস্ক-
• বাটিতে দুটি ডিম ভেঙ্গে ভালো করে ফেটিয়ে নিন। এরপর এতে আধ কাপ মেয়োনিয মিশিয়ে চামচ দিয়ে ভালোভাবে নাড়ুন যেন দুটি উপকরণ একেবারে মিশে যায়।
• এরপর এই ক্রিমের মতো মাস্কটি চুলের আগা-গোড়ায় ভালোভাবে লাগান। খেয়াল রাখবেন যেন প্রতিটি চুলে মাস্কটি পৌঁছায়। আগে মোটা দাঁতের চিরুনী দিয়ে চুল আঁচড়ে নিন, এতে মাস্কটি ভালোভাবে চুলে লেগে যাবে।
• চুলে প্রসেসিং ক্যাপ পড়ে নিন। তোয়ালে গরম পানিতে ভিজিয়ে ক্যাপের চারপাশে পেঁচিয়ে নিয়ে এক ঘন্টা রাখুন। তোয়ালে ঠান্ডা হয়ে গেলে আবার গরম পানিতে ভিজিয়ে নেবেন।
• এবার শ্যাম্পু দিয়ে চুল ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। মনে রাখবেন, গরম পানি ব্যবহার করবেন না।
এই মাস্কটি মাসে দু বার ব্যবহার করুন। এটি চুল ভাঙা প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকর। চুল ভাঙা প্রতিরোধে মেয়োনিয চমৎকার কাজ করে। এটি আপনার চুলকে পুষ্টি যোগায়, সাথে সাথে চুলে নরম ও উজ্জ্বল ভাবও নিয়ে আসে। আর ডিমে থাকা প্রোটিন চুলকে শক্তিশালী করে।
*ডিম ও মধুর তৈরি হেয়ার মাস্ক-
• একটি ডিমের কুসুম, দুই টেবিল চামচ অলিভ অয়েল, এক টেবিল চামচ মধু একসাথে মিশিয়ে চুলে লাগান।
• ৩০ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করে ফেলুন।
এই মাস্কটি সপ্তাহে অন্তত একদিন ব্যবহার করুন। চুল ভাঙা চলে যাবে। ডিম প্রোটিনের একটি উল্লেখযোগ্য উৎস। আমাদের চুল মূলত প্রোটিনের তৈরি, তাই ডিমের ব্যবহার চুলের ফলিকলগুলোকে শক্তিশালী করে। এছাড়াও ডিম চুলকে করে নরম এবং সুন্দর, জট ছাড়াতে এবং ভাঙন প্রতিরোধে সহায়তা করে।
*দই-আমলকী হেয়ার মাস্ক-
• ৩ টেবিল চামচ টকদই, ২ টেবিল চামচ আমলা হেয়ার প্যাক, পরিমাণ মত পানি সব একসাথে মিশিয়ে নিয়ে চুল ও চুলের গোড়ায় লাগিয়ে নিয়ে ৩০ মিনিট রাখুন।
• এরপর হারবাল কন্ডিশনিং...

Read more

18 February, 2015

ত্বক ফর্সা মসৃন করুন

*মিষ্টি আলুতে আছে প্রচুর পরিমান ভিটামিন এ। ভিটামিন এ ত্বককে সুস্থ ও উজ্জ্বল রাখতে সহায়তা করে। নিয়মিত মিষ্টি আলু খেলে ত্বকের লালচে ভাব কমে এবং উজ্জ্বল হলুদ আভা বৃদ্ধি পায়। ফলে ত্বক দেখায় উজ্জ্বল ও সতেজ।
*বাদামে আছে ভরপুর ভিটামিন ই, ফাইবার ও প্রোটিন। এই তিনটি উপাদান ত্বককে সজীব ও উজ্জ্বল দেখাতে সহায়তা করে এবং ত্বকের মৃত কোষ দূর করে ত্বককে রাখে উজ্জ্বল ও প্রানবন্ত। এছাড়াও ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকর আলোর প্রভাব থেকে মুক্ত করে বাদাম। ফলে ত্বক উজ্জ্বল দেখায়।
*সূর্যমূখীর বীজে আছে প্রচুর ভিটামিন ই। ভিটামিন ই ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মুক্ত রাখে এবং ত্বকের পুরনো কোষ পরিষ্কার করে নতুন কোষ তৈরি করতে দরুণ কার্যকরি। এছাড়াও প্রকৃতির ক্ষতিকর নানান উপাদান থেকে ত্বককে রক্ষা করে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে সূর্যমূখীর বীজ।
*কমলার রসে আছে প্রচুর পরিমান ভিটামিন সি। এছাড়াও এতে আছে প্রচুর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট যা ত্বককে রক্ষা করে সূর্যের ক্ষতিকর প্রভাব ও পরিবেশের নানান ক্ষতিকর উপাদান থেকে। অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ত্বকের কোষ গুলোকে সজীব রাখে। ফলে ত্বক দেখায় উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত।
...ত্বক ফর্সা কিংবা উজ্জ্বল দেখানোর জন্য কেউ কেউ দামী প্রসাধনী ব্যবহার করেন আবার কেউ নিয়মিত পার্লারে গিয়ে ত্বকের যত্ন নেন। কিন্তু সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক কিছু খাবার খেয়েই বাড়ানো সম্ভব ত্বকের উজ্জ্বলতা। সেই সঙ্গে ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকর প্রভাব ও পরিবেশ দূষন থেকেও রক্ষা করা সম্ভব।

Read more

19 February, 2015

রুপচর্চায় হলুদ

ত্বকে কখনও সরাসরি হলুদ দেওয়া যাবে না। কিছুর সাথে যেমন চন্দন গুঁড়া, চালের গুঁড়া, বেসন ইত্যাদির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে। প্রত্যেক মানুষের ত্বক ভিন্ন। তাই আগে মুখে না দিয়ে, হাতে অথবা ঘাড়ে অ্যালার্জি টেস্ট করে নিতে পারেন। এতে বুঝতে পারবেন প্যাকটি আপনাকে সুট করছে কিনা।
*হলুদের মধ্যে এন্টিসেপ্টিক এবং এন্টিব্যাক্টেরিয়াল উপাদান থাকে যেটি ব্রণ দূর করতে সাহায্য করে। এটি শুধু ব্রণই দূর করে না, তার সাথে ব্রণের দাগ এবং লোমকূপ থেকে তেল বের হওয়ার পরিমাণও কমিয়ে দেয়।
কাঁচা হলুদ বাটা, চন্দন গুঁড়া, লেবুর রস মিশিয়ে একটি মাস্ক বানিয়ে মুখে লাগিয়ে রাখুন ১৫ মিনিট। শুকিয়ে গেলে কুসুম গরম পানিতে মুখ ধুয়ে ফেলুন। তাছাড়া ব্রণের উপর কাঁচা হলুদ বাটা এবং পানি মিশিয়ে দিয়ে ১৫ মিনিটের জন্য রাখুন। ব্রণ তাড়াতাড়ি চলে যাবে।
*হলুদ তৈলাক্ত ত্বকের জন্য অনেক ভালো। আগেই বলেছি লোমকূপের তেল কমাতে হলুদ অনেক ভালো কাজ করে। তাছাড়া চন্দন গুঁড়া এস্ট্রিঞ্জেন্ট এর কাজ করে এবং কমলার রস ত্বকের দাগ দূর করে, ত্বক কে পরিষ্কার রাখে।
৩/৪ চিমটি হলুদের গুঁড়া, ১ চামচ চন্দন গুঁড়া এবং ৪/৫ চামচ কমলার রস মিশিয়ে মাস্ক তৈরি করে মুখে লাগান। তৈলাক্ত ত্বকের যেকোনো সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।
*যদি আপনার ত্বক শুষ্ক থাকে, ত্বক কে উজ্জ্বল এবং লাবণ্যময়ী করতে চান তাহলে-
কাঁচা হলুদ বাটা সামান্য, ১ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল, ২/৩ ফোঁটা লেবুর রস, একটা ডিমের সাদা অংশ, গোলাপ জল মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে মুখে লাগান। তাছাড়া শরীরে যেসব জায়গা শুষ্ক সেসব জায়গায়ও লাগাতে পারেন।
*হলুদ ত্বকের বলিরেখা দূর করতে সাহায্য করে।
২/৩ চিমটি হলুদ গুঁড়া, চালের গুঁড়া, টমেটো রস, কাঁচা দুধের সাথে মিশিয়ে মুখে মাস্ক হিসাবে লাগিয়ে...

Read more

23 February, 2015

রুপচর্চায় আমলকী

*ত্বকের যত্নেঃ
• আমলকীতে থাকা এন্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকে রিংকেল, ফাইন লাইন্স পড়তে দেয় না।
• আমলকি খুব ভালো এক্সফলিয়েটর হিসেবে কাজ করে। এতে থাকা এস্ট্রিনজেন্ট প্রপার্টিজ ত্বকের মৃত কোষ দূর করে ত্বক মসৃণ করে তোলে।
• আমলকীর আরেকটি বিশেষ গুণ হল এটি সব ধরনের ত্বকেই ব্যবহার করা যায়। কোন ত্বকেই এটি কোন ধরনের ইরিটেশন তৈরি করে না।
• ত্বকের পিগমেনটেশন দূর করতে আমলকী খুব ভালো কাজ করে থাকে। নিয়মিত ব্যবহারে এটি ত্বকের নিস্তেজ ভাব দূর করে ত্বক প্রাণবন্ত ও উজ্জ্বল করে।
স্ক্রাব-
• একটি বাটিতে ১ চা চামচ কাঁচা হলুদ বাটা নিন।
• এর সাথে ১ চা চামচ আমলকী পাউডার মেশান।
• এই মিশ্রণটি সারা মুখে সার্কুলার মোশনে মাখিয়ে নিন।
• ১০ মিনিট রেখে মুখ ভালো মতো ধুয়ে নিন।
এই স্ক্রাবটি ত্বকের মরা কোষ দূর করে ত্বককে ভেতর থেকে উজ্জ্বল করে তোলে। আর যেহেতু এতে কাঁচা হলুদ বাটা রয়েছে তাই এই স্ক্রাবটি রাতে ব্যবহার করবেন। দিনের বেলা কাঁচা হলুদ ব্যবহার করলে সূর্যের আলোতে ত্বক পুড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
ফেসিয়াল-
• একটি বাটিতে ২ চা চামচ টক দই নিন।
• এর সাথে ১ চা চামচ মধু এবং ১ চা চামচ আমলকী পেস্ট নিয়ে ভালো মতো মিশিয়ে নিন।
• মিশ্রণটি সারা মুখে ভালো মতো লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
এই ফেসিয়ালটি সপ্তাহে ২ দিন করতে পারেন। এটি ত্বকে সতেজ ভাব নিয়ে আসে এবং সব ধরনের ত্বকের জন্যই এই ফেসিয়ালটি উপযুক্ত।
মাস্ক-
• কয়েক টুকরা পেঁপে একটি বাটিতে নিয়ে পেস্ট তৈরি করুন।
• এর সাথে ১ চা চামচ আমলকী পেস্ট এবং আধা চা চামচ মধু ভালো মতো মিশিয়ে নিন।
• এবার এটি মুখে মাখিয়ে ১৫ মিনিট রেখে হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

Read more

24 February, 2015

ত্বকের যত্নে টোনার

*আধা কাপ দইয়ের সাথে একটি শশা থেতো করেমিশিয়ে মুখে ৫-১০ মিনিট লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন। এই টোনারটি তৈলাক্ত ত্বকের জন্য খুবই উপযোগী। এটি ফ্রিজে রেখে অনেক দিন ব্যবহার করতে পারবেন।
*এক লিটার গরম পানিতে এক কাপ পুদিনা পাতা চুবিয়ে ১০ মিনিট রেখে দিন। ঠান্ড হলে মিশ্রণটিকে ছেকে তুলার সাহায্যে ত্বকে ব্যবহার করুন।
*চার চা চামচ গোলাপজল, এক চা চামচের তিনভাগের এক ভাগ ফিটকিরি এবং ১০০ গ্রাম গ্লিসারিন একসাথে মিশিয়ে তৈরী করুন টোনার। এটি স্বাভাবিক ও মিশ্র ত্বকের জন্য খুবই উপযোগী।
*সমপরিমাণ ভিনেগার ও গোলাপ জল মিশিয়ে তৈরী করতে পারেন টোনার। যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে খুবই উপযোগী।
*ঠান্ডা পানি স্কিন টোনার হিসাবে খুবই উপযোগী। মুখ ধোয়ার পর ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখে ম্যাসাজ করলে ত্বক নমনীয় ও কোমল হয়।
*ব্লেন্ডারে একটি আপেল এর সাথে এক চামচ মধু দিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করুন। এটি টোনার হিসাবে ত্বকে প্রয়োগ করে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলে আবিষ্কার করুন নিজের নতুন উজ্জ্বলতা ।
*তিন চামচ টমেটোর রস এবং এক চামচ মধু মিশিয়ে তৈরী করুন সব ধরনের ত্বকের উপযোগী ন্যাচারাল টোনার।
…সৌন্দর্য চর্চার একটা গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো টোনিং। আপনার ত্বক পরিষ্কার করার পর এর উপর জমে থাকে বাড়তি তেল, কিছু ময়লা এবং পরিষ্কারক উপাদান। যা আপনার ত্বককে আবদ্ধ করে ফেল। এগুলো পরিষ্কার না করলে ত্বকের উজ্জ্বলতা কমে গিয়ে তৈরী হতে পারে ব্ল্যাক হেডস্‌ এবং আরো অনেক জটিলতা।

Read more

25 February, 2015

পায়ের যত্ন

*বাসায়, বাইরে এবং কাজে যতোটা সম্ভব দাড়িয়ে থাকার অভ্যাস করুন বসে থাকার চাইতে। এতে করে পায়ের পেশি সুগঠিত হবে। পায়ের ত্বক হবে টানটান।
*পায়ের গড়ন সুগঠিত করতে সময় বের করুন ব্যায়ামের। খুব সাধারণ ব্যায়াম যা ঘরেই করে নিতে পারেন, যেমন, স্কোয়াটিং, দড়িলাফ, ভারউত্তোলন ও অ্যারোবিকস ইত্যাদি। যদি এগুলো করার সময়ও না পান তাহলে হাঁটাহাঁটি, দৌড়ানো এবং জগিং করতে পারেন।
*পায়ের লোম তুলে ময়েসচারাইজার ব্যবহার করবেন বেশ ভালো করে। এতে পায়ের ত্বক শুষ্ক থাকবে না। এছাড়াও সপ্তাহে অন্তত ১ দিন হারবাল তেল দিয়ে পায়ের উরু থেকে পায়ের পাতা পর্যন্ত ভালো করে ম্যাসেজ করুন।
*মাসে দুবার পেডিকিউর করে নিন। যদি পার্লারে গিয়ে করাতে না চান তাহলে ঘরেই পেডিকিউর করে নিন। পা প্রথমে শ্যাম্পু মিশ্রিত কুসুম গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন ১০ মিনিট। এরপর ভালো করে ঘষে পায়ের ময়লা তুলে নিন এবং নখ পরিষ্কার করুন। পায়ে লাগান ভালো একটি মাস্ক। ২০ মিনিট পর মাস্কটি ধুয়ে তুলে নিয়ে পা মুছে পায়ের ত্বকে ম্যাসেজ করুন ময়েসচারাইজার।
*অনেকে শুধু হাত ও মুখে সানস্ক্রিন লাগিয়ে থাকেন। কিন্তু পায়ের দিকে নজর না দিয়ে পা তো সুন্দর হবে না। তাই পায়ের ত্বকেও মাখুন সানস্ক্রিন।
*যদি পায়ের ত্বকে কোনো ইনফেকশন থাকে, কিংবা অ্যালার্জির সমস্যা থেকে থাকে অথবা কোনো ধরণের দাগ, ঢিলে চামড়া হয়ে থাকে তাহলে ডারমাটোলজিস্টের শরণাপন্ন হওয়াই ভালো।

Read more

26 February, 2015

রুপচর্চায় সবজির ব্যবহার

*টমেটো- অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ টমেটো দাগমুক্ত ত্বকের জন্য বেশ উপকারী। ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখা, উজ্জ্বল ও মসৃণ ত্বকের গোপন রহস্য লুকিয়ে আছে টমেটোতে। এত গুনের কারনে টমেটোকে বলা হয়ে থাকে ‘স্বর্গের ফল’।
*লেবু- লেবুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি যা ত্বকের মৌলিক গঠনে সহায়তা করে। ক্ষতিগ্রস্থ ত্বক সারিয়ে তুলতে ভিটামিন সি তথা লেবুর ভূমিকা অপরিসীম। লেবুতে আছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টি-অক্সিজেন যা ত্বককে ভাঁজ পরা থেকে বিরত রাখে।
*বাদাম- বিশেষ করে কাঠ বাদামে আছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টি-আক্সিজেন যা ত্বকের লাবণ্য ধরে রাখে এবং সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি থেকে ত্বককে সুরক্ষিত রাখে। বাদামের ভিটামিন ই এবং অমেগা ফ্যাট ত্বকের বয়স ধরে রাখতে সহায়তা করে।
*কুমড়া- কুমড়াতে আছে প্রচুর পরিমাণ বেটা-ক্যারোটিন এবং ভিটামিন সি যা ত্বককে মোলায়েম ও তারুণ্য বজায় রাখতে সহায়তা করে।
*গাজর- ফর্সা কোমল ত্বকের গোপন রহস্য লুকিয়ে আছে গাজরের মাঝে। এর হলুদ রং ও ভিটামিন সি ত্বকের গভীরে গিয়ে ত্বকে উজ্জ্বল কোমল করে তোলে। তাই সবজি খেয়ে ফর্সা হওয়ার উপায় আছে গাজরেই।
*বেদানা- বেদানাতে আছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টি-অক্সিজেন যা ত্বকের ভেতর রক্ত প্রবাহ বাড়িয়ে দেয় যা ত্বকে নরম ও কোমল করে এবং ত্বক কুঁচকানো রোধ করে। বেদানার রস কে ‘অ্যান্টি-অক্সিজেন’ ক্রিম বলা হয়।
*লেটুস পাতা- অ্যান্টি-অক্সিজেন, পটাসিয়াম, ক্যারোটিন ও মিনারেল সমৃদ্ধ লেটুস পাতা দৈনন্দিন সালাদ এ ব্যাবহার করলে ত্বকের দূষিত টক্সিন শরীর থেকে নিঃসরিত হয় এবং আপনার দেহ ও ত্বককে রাখে সুস্থ।
*রসুন- রসুন দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে দেহ ও থেকে টক্সিন নিঃসরিত করে দেহ ও ত্বক কে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
...শারীরিক চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বাহ্যিক ত্বকের সুরক্ষায় কাজ করে কিছু সবজি। এ সবজিগুলো আমাদের পরিচিত এবং তা প্রতিনিয়ত...

Read more

27 February, 2015

সঠিক মাসকারা

*ন্যাচারাল ওয়াক্স দিয়ে তৈরি মাসকারা চোখের জন্য ভাল। শুকনো মাসকারা কিনবেন না।
*চোখের পাপড়ি ছোট হলে লেংথেনিং মাসকারা কিনুন। স্লিক ফাইবার, প্রোটিন, ভিটামিন সমৃদ্ধ লং ল্যাশ মাসকারাও ব্যবহার করতে পারেন।
*চোখের পাপড়ি পাতলা হলে লিফিডার্ম মলিকিউল সমৃদ্ধ মাসকারা ব্যবহার করুন। চোখের পাপড়িতে ভলিউম আনবে।
*জোজোবা ওয়েক্স ও প্রো-ভিটামিন-বি ৫ সমৃদ্ধ কার্লিং মাসকারা চোখের পাতার কার্ল করতে সাহায্য করে।
*রোজ লাগানোর জন্য ভাল ক্লিয়ার মাসকারা ব্যবহার করুন। অফিস ওয়্যার হিসেবে লং ওয়্যারিং মাসকারা ভাল।
*কনট্যাক্ট লেন্স পরলে বা সেন্সেটিভ চোখ হলে জেন্টল বা হাইপো অ্যালার্জিনিক মাসকারা লাগান।

Read more

28 February, 2015