Beauty Image

চুলের রং মুছে ফেলুন খুব সহজে ঘরে বসেই



খুব শখ করে চুল রং করালেন। কয়েকদিন যেতে না যেতে আর ভাল লাগছে না চুলের রং। এখন কি উপায়? চুলের রং মুছে ফেলার জন্য এখন আবার ছুটতে হবে পার্লারে, করতে হবে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা খরচ! না, এখন থেকে খুব সহজেই ঘরে মুছে ফেলতে পারেন চুলের রং। তাও আবার বেকিং সোডা ব্যবহার করে। অবিশ্বাস্য মনে হলে কথাটি সত্যি। বেকিং সোডা ব্যবহার করে মুছে ফেলতে পারেন চুলের রং। আসুন জেনে নিই, কিভাবে বেকিং সোডা ব্যবহার করে চুলের রং মুছে ফেলতে পারবেন।

উপকরণ:
• অ্যান্টি ড্যান্ড্রাফ শ্যাম্পু
• বেকিং সোডা
• কন্ডিশনার

পদ্ধতি:
• প্রথমে অ্যান্টি ড্যান্ড্রাফ শ্যাম্পু দিয়ে চুল ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। যে শ্যাম্পুতে পিএইচ লেভেল বেশি থাকে সেই ধরণের শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন। এগুলো চুলের রং দূর করতে সাহায্য করে।
• একটি বাটিতে সমপরিমাণে বেকিং সোডা এবং শ্যাম্পু ভাল করে মিশিয়ে পেষ্ট তৈরি করে নিন।
• পেষ্টটি খুব ভাল করে চুলে লাগান। চুলের গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত এমনভাবে লাগান যাতে কোন চুল বাদ না পড়ে।
• শ্যাম্পু এবং বেকিং সোডার পেষ্টটি ৫-১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।
• এরপর আবার অ্যান্টি ড্রান্ডারাফ শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।
• এরপর চুলে ভাল কোন কন্ডিশনার লাগান।
• প্রথম ধোয়াতে দেখবেন আপনার চুলের রং অনেকখানি দূর হয়ে গেছে। বিশেষ করে বেকিং সোডা ব্যবহারের কারণে চুলের রং খুব দ্রুত মুছে ফেলা যায়। এর কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। ফলে যেকোন চুলের অধিকারীরা এটি ব্যবহার করতে পারে।

মনে রাখবেন:
১। প্রথমবার ব্যবহারে চুলের রং সম্পূর্ণভাবে মুছে ফেলা না গেলেও, কয়েকবার এই পদ্ধতিতে চুল ধুলে রং দূর হয়ে যাবে।
২। চুল ধোয়ার সময় গরম পানি ব্যবহার করার চেষ্টা করুন। খুব বেশি নয়, কুসুম গরম পানি ব্যবহার করুন। এটি হয়তো আপানার চুলকে রুক্ষ করে দিবে। কিন্তু কন্ডিশনার ব্যবহারে রুক্ষতা কমে যাবে।
৩। চুল রং করার পর যদি তা পছন্দ না হয় তাহলে দ্রুত রং মুছে ফেলার ব্যবস্থা করতে হবে। কারণ একবার রং স্থায়ীভাবে চুল বসে গেলে তা মুছে ফেলা কঠিন হয়ে যায়।
৪। চুলে বেকিং সোডা ব্যবহার করার পর অব্যশই কন্ডিশনার ব্যবহার করতে হবে। এটি চুল রুক্ষতা দূর করে চুলকে করে তোলে নরম কোমল।
৫। চুলের রং মুছে ফেলার পর অত্যন্ত ৩ দিন অপেক্ষা করুন। ৩ দিন পর চুলে নতুন কোন ট্রিটমেণ্ট করাতে পারবেন।