kamrul Hasan Masuk

৩ বছর আগে লিখেছেন

প্রিয় বাংলাদেশের সম্ভবনা, সমস্যা ও সমাধান

প্রিয় বাংলাদেশের সম্ভবনা, সমস্যা ও সমাধান কামরুল হাছান মাসুক     সুজলা-সুফলা, শস্য-শ্যামলা, স্বর্গভূমি খ্যাত আমাদের এই প্রিয় বাংলাদেশ। ১,৪৭, ৫৭০বর্গমাইলের এ দেশটিতে আয়তনের তুলনায় জনসংখ্যা বেশি হলেও সম্ভবনা এবং প্রকৃতগত দিক দিয়ে এ দেশের মত অবস্থান বিশ্ব পৃথিবীতে বিরল।  জনসংখ্যা, সম্পদ এবং প্রকৃতিক উপদানাগুলোকে কাজে লাগাতে পারলে এ দেশকে বিশ্ব পৃথিবীতে সম্ভবনাময় একটি ধনী রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া কোন ব্যাপার নয়। প্রিয় এই স্বর্গভূমির যেমন রয়েছে সম্ভবনা তেমনি রয়েছে সমস্যা। আমাদের সম্ভবনাগুলোকে কাজে লাগিয়ে, সমস্যাগুলোকে দূর করে, সমাধানের মাধ্যামে এগিয়ে গেলে এই দেশকে বিশ্ব পৃথিবীতে পরাশক্তি হিসেবে গড়ে তোলা সময়ের ব্যাপার মাত্র।    আমাদের প্রিয় এই বাংলাদেশ হচ্ছে সম্ভবনার আধাঁর। এই দেশে বিপুল পরিমান খনিজ সম্পদ ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। জরিপে পাওয়া যায়, গ্যাসক্ষেত্র ২৫টি( অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০০৯ এর তথ্য মতে ২৩টি)।  ২০০৮ সালে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধ্যানে সারা দেশকে ৪৭টি ব¬কে বিভক্ত করা হয়( যার মধ্যে গভীর ও অগভীর সমুদ্রে ব¬ক ২৮টি)।  ১৯৮৬ সালের ২২ডিসেম্বর সিলেটের হরিপুরে তেলক্ষেত্র আবি®কৃত হয়। বিজয়পুরে ২৫ লক্ষ ৭ হাজার টন চীনামাটি পাওয়া যায়।  ১৯৫৮ সালে সেন্ট মার্টিন দ্বীপে চুনাপাথর পাওয়া যায়।  পিট ও কয়লা দিনাজপুর জেলার নওয়াবগঞ্জ উপজেলা দীঘিপাড়ায়( এর পরেই নাম আসে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি) পাওয়া যায়। বলা হয়ে থাকে কয়লা খনির নিচেই নাকি স্বর্ণ এবং হীরকের খনি পাওয়া যায়। সুতরাং স্বর্ণ এবং হীরকের খনি আমাদের প্রিয় এই দেশে পাওয়া অবাস্তব কোন ব্যাপার না।  ১৯৭৩ সালে ভূ-তাত্ত্বিক জরিপকালে কঠিন শিলা পাওয়া যায়( এ কঠিন শিলা খনির আয়তন ১.৪৪ বর্গ কিলোমিটার)।  কক্রবাজার সমুদ্র সৈকতে প্রথম কালো সোনা পাওয়া যায় যা বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন কর্মকর্তা এইচ কবির আবিষ্কার করেন। এছাড়া ও বহু খনিজ সম্পদ রয়েছে যা আমরা এখন ও আবিষ্কার... continue reading
Likes Comments
০ Shares

kamrul Hasan Masuk

৩ বছর আগে লিখেছেন

রক্তাক্ত নারী NOBEL COMPETITION BLOGING 2016

    পার্ট ১   আমরা পাঁচ বোন। বাবা মা বাড়ীতে থাকেন। আমি ঢাকায় থাকি। থাকি বলতে বাধ্য হয়ে থাকি। কেউ কি সহজে ঢাকা থাকতে চায়। আমি ও ঐরকম। আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইনে পড়ি। থাকতে হয় রোকেয়া হলে। পড়ালেখা ও শেষের দিকে। শুরুতেই বলেছি বাবা মা বাড়ীতে থাকেন। অবশ্য একটু বুদ্ধি থাকলে আমরা সবাই একসাথে ঢাকায় থাকতে পারি। আমার বাবা মা বুদ্ধিমান না। বাবার বুদ্ধি মার থেকেও কম। তা না হলে কি আমাদের এত কষ্ট করে জীবন পার করতে হয়। ঘটনাটা খোলেই বলি। আমার বাবার বাবা অর্থাৎ আমার দাদা ছিলেন ছোটখাট জমিদার। উনার অনেক সম্পদ ছিল। জনশ্র“তি আছে উনি সকালে জমি দেখতে বের হলে সারাদিন জমি দেখেও জমি দেখা শেষ করতে পারতেন না। আমার অবশ্য বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়। কারণ আমি জন্মের পর বোঝার বয়সে এর ছিটেফাঁটাও দেখতে পায় নি। আমার বোনদের দেখার কোন প্রশ্নই আসে না। কারণ আমিই সবার বড়। তাহলে দাদার এত সম্পদ বাবা কি করছেন। বাবার কোন ভাই বোন ছিল না। বাবার কোন চাচাও ছিল না। কাছের কোন আত্তীয়-স্বজনও ছিল না। বাবা মদ-গাঁজাও খাননি, জোয়াও খেলেননি এমনকি সিগারেটও খান না। কোন প্রতিষ্ঠানে দান করেছেন বলেও মনে হয় না। কারণ বাবার স্বভাবে হাজী মুহাম্মদ মহসিনের কোন অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া যায় নি। বাবাকে অনেকদিন প্রশ্ন করেছি। উনি কোন উওর দেন না। জিজ্ঞাসা করলে বিরক্ত হন। উনি সম্পদ বিষয়ে কোন কথা বলতে রাজি নন। মাকে জিজ্ঞেস করলে মা যা বলেছেন তার সারমর্ম হচ্ছে, বাবার কাছ থেকে নাকি বিভিন্ন ব্যক্তি নামে বেনামে সম্পত্তি হাতিয়ে নিয়েছেন। দাদা নাকি বলতেন, আমার এই ছেলে আমার সম্পত্তি গুলো দেখে রাখতে পারবে না। দাদার কথাই ঠিক... continue reading
Likes Comments
০ Shares

kamrul Hasan Masuk

৪ বছর আগে লিখেছেন

  ব্লগার নিলয় চৌধুরি এবং আমরা কয়েকজন     ঘটনাটি ২০১২ সালের হলেও আজ মনে হচ্ছে সেই দিনের ঘটনা। তখন টুকটাক লেখালেখি করি। কয়েকটা গল্প, কবিতাও বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল। সেই সুবাদে নিজের ভিতর অন্যরকম একটা আনন্দের পরস প্রবাহিত হতে থাকে। মাথার ভিতর চিন্তা আসে একটা বই প্রকাশ করব। অনলাইনে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে থাকি। একটা পর্যায়ে বুক মেকার পাবলিকেশন নামে নতুন একটা প্রকাশনীর সন্ধান পাই। যারা শুধুমাত্র নতুন লেখকদের নিয়ে কাজ করে। উনাদের উদ্দেশ্য ছিল পেশাদার লেখক তৈরি করা।         

Likes Comments

kamrul Hasan Masuk

৫ বছর আগে লিখেছেন

স্বাধীনতা দিবস লেখা প্রতিযোগীতা ২০১৪ স্বাধীনতার ডাক

 
 
 
স্বাধীনতার ডাক শুনে যে, আসল নাত কেউ 
ওহে যুবক, ওহে তরুন, রইলি তোরা কই।
 
মা বোনদের ইজ্জত যে আজ দুলায় লুন্ঠিত
শিশু কন্যারা আজ যে অনাহারে ক্লিষ্ট।
 
রক্তে রক্তে ভাসসে মানুষ
পঁচা গন্ধে চতুর্দিক বিমুখ 
মরা মানুষ ভাসছে নদীতে।
 
ওহে যুবক ওহে তরুণ
এখনও রইলি তোরা কেমন নিঃশ্চুপ।
মারা মারি কাটাকাটি হচ্ছে নির্বিচারী
ঘুম হত্যা আর রাহাজানি চলছে সমান তালে।
 
বুদ্ধিজীবী, মৎস্যজীবী, চাকুরীজীবীরা মিলে
সমান তালে রুখছে যে আজ অসীম সংগ্রামে।
কুলি-মজুর, নাপিত-তাঁতি দাঁড়ায় একই সাথে
সাদা-কালোর সব বেধাবেধ ভূলে তারা 
লড়ছে মরণ পনে।
 
ওহে যুবক ওহে তরুণ, ডাকছে তোমায় ভীরে
রকত দিবার শ্রেষ্ট সময়, ঢালবে নিঃশেষে।
নিজের জীবন বিলিয়ে দাও, লক্ষ্য প্রাণের দামে
জাতি তোমায় মনে রাখবে সভ্যতা যত দিন থাকে।
 
continue reading
Likes Comments
০ Shares

kamrul Hasan Masuk

৫ বছর আগে লিখেছেন

সৃজনশীল ব্লগিং প্রতিযোগীতা ২০১৪ ক্যাটাগরি ৩( উপন্যাসের খন্ড)

 
 
 
 
 
 
ভালবাসার চাপা কষ্ট
 
 
 
মাহতাবউদ্দীন সাহেব বাসায় আছেন?
ডালিম মাথাটা বাড়িয়ে জিজ্ঞেস করল, কাকে চাচ্ছেন?
লোকটি পুনরায় গম্ভীর মুখ করে বলল, মাহতাবউদ্দীনকে চাচ্ছি। 
ডালিম কিছুটা অবাক হল। মাহতাবউদ্দীন সাহেব বর্তমানে সরকারের একজন প্রভাবশালী এমপি। উনাকে এবারই মন্ত্রি করার কথা ছিল। কি কারণে যেন ফস্তে গেল। সবাই উনাকে স্যার বলে ডাকে। উনার নাম ধরে ডাকার সাহস এই বাড়িতে একজন ছাড়া আর কারো নেই। যে ডাকে সে হচ্ছে উনার ছেলে লিয়ন। এই লোকটি যেহেতু নাম ধরে ডাকছে তাহলে স্যারের চেয়েও আরও বড় কেউ হবে। নয়ত স্যারের আতœীয় কেউ হবে। স্যারের আতœীয় স্যারকে নাম ধরে ডাকে না। উনি কেন যে ডাকছেন? এত ভেবে লাভ নেই। দেখা যাক কি হয়। 
ডালিম আগুন্তুককে ড্রয়িংয়ে বসাল। 
 
মাহতাবউদ্দীন দেখতে নিগ্র“দের মত হলেও শক্তিতে, চেহারায় নিগ্রুদের থেকে জৌলস একশত পার্সেন্ট বেশি হবে। উনাকে অনেকেই নিগ্র“ এমপি ডাকেন। উনি কিছু মনে করেন না। উনি ভাবে জনগণ যেহেতু ডাকে এটা ভাল কিছুই হবে। এমপি মন্ত্রিদের ভালবেসে জনগণ অনেক নাম দেন। নামটা অসুন্দর হলেই ফেলে দিতে হবে এমন না। উনাকে সারা দেশের জনগণ নিগ্র“ এমপি ডাকে। এক নামে সবাই চিনে। এই পদবীর জন্যও উনি আলোচিত।  উনি উনার তারণ্য ধরে রাখার জন্য চশমা পড়েন। চশমা তারণ্য ধরে রাখতে না চাইলেও তিনি ধরে রাখতে চাচ্ছেন। বাধ্যর্কের ছাপটা মাঝে মাঝে বেড়িয়ে আসলেও উনি এটা বুঝতে দেন না। তিনি ও মনে করেন না উনি বৃদ্ধ হয়ে গেছেন। 
 
অতিথী এসেছে শুনে মাহতাবউদ্দীন ড্রয়িং রুমে এলেন। অতিথী আসলে সবসময় ফোন করে আসেন। আজকে কেন আসল না উনার কাছে একটু কৌতুহল লাগল। এ ছাড়াও এ বাড়িতে অতিথী... continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (2)

  • - ঘাস ফুল

    'গয়নার বাক্স' চলচ্চিত্রের দারুণ রিভিউ করেছেন। বেশ খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে রিভিউ যে করেছেন সেটা বুঝা যায় ছবিটির আলোচনা এবং সমালোচনা দুটোই করেছেন দেখে। অনেক ভালো লাগলো। সময় করে দেখে নেয়ার ইচ্ছা থাকেলও কোন উপায় দেখছি না। যদি অনলাইনে পাওয়া যায় তবে হয়তো দেখা হবে। ধন্যবাদ শেরিফ আল সায়ার।  

    - সকাল রয়

    আমার ভালোলাগছে জাতীয় সঙ্গীতটা

    বাঙলাদেশের কোন ছবিতে অত সুন্দর কন্ঠে জাতীয় সঙ্গীত কখনো শুনিনি।

    - তাহমিদুর রহমান

    সুন্দর পোস্ট। 

    Load more comments...
Load more writings...