ওয়াহিদ মামুন

৪ বছর আগে লিখেছেন

চাঁদমুখ

কবিরা যে চাঁদের সৌন্দর্যে এত মূগ্ধ হন, এর মধ্যে প্রিয়ার মুখের প্রতিচ্ছবি দেখতে পান, দূরবীক্ষ্ণণের মধ্য দিয়ে দেখলে সে চাঁদের মধ্যে আকর্ষণীয় কোন সৌন্দর্য কিংবা তাতে প্রিয়ার মুখের কোন প্রতিচ্ছবি দেখতে পাওয়া যায় না! চাঁদকে দেখা যায় ঠিক “চৈত্র মাসের ইঁটার খেতের মত”-তবে ইঁটাগুলো আরও অনেক বড় বড়।কবি আর বৈজ্ঞানিকের দেখার চোখই আলাদা! কবি দেখেন সামগ্রিক রূপটি এবং অনুভব করেন তার বাইরের সৌন্দর্য এবং তাও দূর থেকে।“চাঁদেরে কে চায়? জ্যোৎস্না  সবাই যাচে।”-তারাই কবি।কিন্তু বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ করে দেখলে তার দৈহিক গঠণ এবং সেখানে সে তার কংকাল ছাড়া আর কিছুই পায় না। 
প্রিয়ার যে চাঁদমুখ ও তার অপূর্ব দেহ-বল্লরী তার প্রেমিককে কবি বানায় এবং তাকে দিয়ে কবিতা লেখায়, বৈজ্ঞানিক সেই মুখ ও সেই একই দেহ বল্লরীকে বিশ্লেষণ করে পায় কিছু কংকাল, কিছু মাংসপেশী, শিরা ধমনী ও কিছু রক্ত-স্নায়ু ইত্যাদি আর তা সব তাকে দিয়ে লেখায় এনাটমী।
continue reading
Likes Comments
০ Shares

ওয়াহিদ মামুন

৪ বছর আগে লিখেছেন

ঝরে গেল

না ফুটিতে মোর
প্রথম মনের মুকুল
বৈষয়িক স্বার্থবুদ্ধির তপ্ত নিঃশ্বাসে
ঝরে গেল হায় মনে
মিলনের ক্ষণে
মোর প্রথম প্রেমের মুকুল।
continue reading
Likes Comments
০ Shares

ওয়াহিদ মামুন

৪ বছর আগে লিখেছেন

ঝরিল ধরণীতে

কবি বলেন,
যে ফুল না ফুটিতে ঝরিল ধরণীতে
যে নদী মরু পথে হারালো ধারা
জানি হে জানি তাও হয় নি হারা।
continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (4)

  • - মনজুরুল আলম প্রিন্স

    VEry niceemoticons

       

ওয়াহিদ মামুন

৪ বছর আগে লিখেছেন

প্রেম

তোমার প্রেমকে মুক্ত করে দাও।
সে যদি তোমার থাকে, তবে অবশ্যই তা আবার
তোমার কাছেই ফিরে আসবে। আর যদি ফিরে না
আসে, জানবে, সে তোমার কখনোই ছিল না।
continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (4)

  • - আলমগীর সরকার লিটন

    ভালবাসা শুধু ভালোবাসা

     

    • - টি.আই.সরকার (তৌহিদ)

      ধন্যবাদ দাদা । অনেক দিন আশা হয়নি নক্ষত্রে । ভাল আছেন তো দাদা ?

    - Sadat Chowdhury

    চমতকার

    • - টি.আই.সরকার (তৌহিদ)

      ধন্যবাদ সাদাত ভাই । শুভেচ্ছা জানবেন ।

ওয়াহিদ মামুন

৪ বছর আগে লিখেছেন

ইটের বৃত্ত

সকালে বাসা থেকে বের হওয়ার সময় বুয়া জানালো যে তার স্বামীর মানসিক অসুখটা বেড়েছে, ঔষধ কিনতে হবে। তাই তার স্বামীর জন্য ঔষধ কেনার টাকা দিলাম। কৃতজ্ঞতায় তার চোখে পানি এসে গেল।
অসুস্থ স্বামী এবং ছোট তিন ছেলেমেয়েকে নিয়ে তার অভাবের সংসার। কিছুদিন আগে সে আমাকে বলেছিল, “আমার আর বাঁচতে ইচ্ছা করে না।”
শুনে আমি চমকে উঠেছিলাম।
মিরপুর বারো নাম্বার বাস স্ট্যান্ডে গিয়ে ম্যাক্সি-তে চড়লাম। একটা গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রিজ-এ চাকরি করি। তেজগাঁও শিল্প এলাকায় ট্রাক স্ট্যান্ডের উত্তরে অফিস। সকাল আটটায় অফিসে গিয়ে বাসায় ফিরতে রাত প্রায় দশটা বেজে যায়।
স্কুল জীবনের বন্ধু জাহাঙ্গীর এবং শফিকের সঙ্গে মেসে থাকি। এতো ব্যস্ততার মধ্যেও রাতে ব্রিজ খেলি। এতে সারাদিনের কর্মব্যস্ততার ক্লান্তি দূর হয়ে মনে আসে আনন্দ।
ছাত্র ও বেকার জীবনের মুক্ত অবস্থার ইতি টেনে চাকরিতে জয়েন করার পর প্রথম দিকে বাঁধাধরা নিয়মে চলতে খুব কষ্ট হতো। সকালে ঘুমটা অসম্পূর্ণ রেখেই বিছানা ছাড়তাম। তাই গাড়িতে ওঠার পর ঘুমে চোখ বুঁজে আসতো।
একদিন গাড়িতে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। হঠাৎ চেঁচামেচির শব্দে ঘুম ভাঙতেই দেখি ফার্মগেইট পার হয়ে অনেক দূর মতিঝিল বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে চলে এসেছি। আঁতকে উঠে তাড়াতাড়ি রিক্সা নিয়ে অফিসে যখন পৌঁছালাম তখন অনেক বিলম্ব হয়ে গিয়েছিল। আরেকদিন এভাবে চলে গিয়েছিলাম শাহবাগ। এখন এই জীবনেই অভ্যস্ত হয়ে গেছি।
একদিন হেঁটে যাওয়ার সময় কে যেন “ভাইয়া” সম্বোধন করে সময় জানতে চাইলো। দেখলাম, লাল পোশাক পরা, লম্বা মতো ফর্শা একজন মেয়ে। বললাম, “আমার ঘড়ি নেই।”
মেয়েটার চোখ খুব সুন্দর। সে হাসতে হাসতে বললো, “একটা ঘড়ি কিনলে সমস্যা কি!”
এক ইঞ্চি উঁচু হিলওয়ালা কালো স্যানডাল পরেছিল সে। সুন্দর পায়ে চমৎকার মানিয়েছিল। আমি আর কোন কথা না বলে এগিয়ে গেলাম।
... continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (0)

  • - সোহেল আহমেদ পরান

    পোক্ত একটা মনো-দৈহিক ঝড় 
    মন
    মন 
    দেহ আর মন 
    মন আর দেহ 
    দেহ- দেহ -দেহ 
    দেহই শুধু 
    না
    শধুই মন 
    হোঁচট খাওয়া 
    শুধুই ঝড়ো-ধ্বস্ত ক্লান্ত 
    অথচ- 
    শান্তি নিয়ে শুধুই 
    দুই টুকরো-
    মন
    না-কি
    দেহ...

     

    দারুণ মনোদৈহিক বিশ্লেষণ।

    খুব ভালো লাগলো emoticons

    - মামুন

    মুগ্ধ হলাম কবি!

    ভালো লিখেছেন।emoticons

    • - মোঃ মাহবুবুল আলম

      ধন্যবাদ।

       

    - আলমগীর সরকার লিটন

    হ্যা - হ্যা সুখটা চাই হ্যা- হ্যা

    শুভ কামনা বাদল দা

    Load more comments...
Load more writings...