মোঃ ফাহাদ খন্দকার

৪ বছর আগে লিখেছেন

কল্পনা

হঠাৎ রাস্থায় দেখলাম আর্মি পেট্রল কনভয়। চারিদিকে আর্মি পারসনেল'রা অবস্থান নিয়েছে। মানুষ জন খেলা দেখার মত ভান করে চায়ের দোকান গুলোতে হুমড়ি খেয়ে টিভির নিউজ দেখছে ।
মানুষজন যাদের কখন জনগন হিসেবে গন্য করা হত না, তারা সস্থির নিঃশ্বাস নিচ্ছে। পরবর্তীতে তাদের কাছ থেকে জানতে পারলাম দেশের ২ নেত্রীকে একজনকে পাপুয়া নিউগিনি আর আরেকজনকে প্রস্পার উতসেয়া (জিম্বাবুয়ে) এর দেশে  নির্দলীয় সেনা প্রধান তাদের পছন্দের ২ টি জায়গায় ১০০ বছরের জন্য নির্বাসন দিয়েছেন।
নির্বাসন কথাটি শুনেই আমার ঘুম ভেঙে গেলো।
*** সম্ভবত কল্পনার জন্য এই দেশে শাস্তি বা জেল দিবেন না পুলিশ ভায়েরা ???!!!! নাকি আবার বাসায় কল্পনার জন্য পুলিশ পাঠাবেন !!!   
    continue reading
Likes Comments
০ Shares

মোঃ ফাহাদ খন্দকার

৫ বছর আগে লিখেছেন

তোমাকেও টা,টা বাই-বাই

 
 
অনেক কষ্ট করে তোমাকে বোঝাতে পেরেছিলাম যে আমিও ফার্স্ট সাইট অভ লাভে পরেছি তোমার। খেলা আর দেখবো কি!!! তোমার দিকেই বারবার তাকাচ্ছিলাম আর তুমিও হাসছিলে। অগণিত বার তোমার চোখে চোখ পরেছিল। আমি হাসি নি তুমিই হেসেছিলে।কত সাহস সঞ্চয় করে গিয়েছিলাম তোমার পিছু পিছু কিন্তু তোমার টাউট বাপ্টাই সব মাটি করে দিলো। আমি ১০০% ভাগ নিশ্চিত ছিলাম তুমি কিছু আশা করেছিলে আমার কাছ থেকে। আর আমি বেকুব ভয় পেয়েই থায় দাঁড়িয়ে রইলাম। কে বলে আমার সাহস আছে!!!???
সাথে থাকা ছোট ভাইটাও আফসোস করলো।
-ভাই আপনে কি? এমনে সব মাটি কইরা দিলেন!!!
 
*রিক্সা থেকে আমাকে টাটা দেয়ার পদ্ধতি টা বেশ লাগলো। এমন করে টাটা আগে কখনো পাই নি। এই টাটা কি বিদায়ের টাটা নাকি অন্য কিছুর!!???
 
*মনে রেখ। আমাকে আবার মানুষ ভুলে যায়। এমনও হতে পারে মিরপুরের কোন এক রাস্তায় হঠাৎই আবার দেখা হয়ে যাবে। সেদিন আর ভয় পাবো না। কারন সেই মাথা ঘুড়িয়ে টাটা’র মর্মার্থ বুঝে ফেলেছি।
*আমি এতুউ ছাগল ক্যারে!!! আমি কিনুউ তার সাতে কত্যা বললাম নায়া!!? ৭ ওবার মিচ করেচি তো কি অয়েছে!!!? এমুন মোমেন্টের জন্য পুরা কেলা মিচ দিতাম রাজি আচি।           
  
continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (0)

  • - আলমগীর সরকার লিটন

    বা সুন্দর কথা

    শুভ কামনা দাদা-------

    • - সোহেল শিকদার রনি

      ধন্যবাদ ভাই

    - আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম

    একমত। তবে কথাটা উল্টো দিক থেকেও সত্য।

    - ব্লগার ভাই

মোঃ ফাহাদ খন্দকার

৫ বছর আগে লিখেছেন

গতকালের খেলা

ফারহাদ রেজা একজন টি২০ স্পেশালিষ্ট!!! 
অরে উচিত বিশ্বের এক নাম্বার অলরাউন্ডার ঘোষণ করা।
অরে ফিফা'র  গোল্ডেন বুট ও দেয়া উচিত।
 
আবার ওয়ার্ল্ড রাগবি টুর্নামেন্টও পাঠানো উচিত।
 
রেস্লিং এও পাঠানো যায়।
 
 সে কুতকুত ও খেলতে পারে।
 
 
এক কথায় সে সব পারে।
continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (2)

  • - আলমগীর সরকার লিটন

    দাদা

    আপনার প্রবন্ধ বেশ ভাল লাগে

    • - দেওয়ান কামরুল হাসান রথি

      ধন্যবাদ দাদা।

    - লুৎফুর রহমান পাশা

    মুখবন্ধ ভাল লেগেছে।

    গ্রন্থ কোথায় পাওয়া যাবে। বা সেই সম্পর্কে বিস্তারিত আশা করছি।

    • - দেওয়ান কামরুল হাসান রথি

      পাশা ভাই আমার কাছে আছে লাগলে নিতে পারেন পড়ে ফটোকপি করে ফেরত দিয়েন।

মোঃ ফাহাদ খন্দকার

৫ বছর আগে লিখেছেন

ফারহাদ রেজা একজন টি২০ স্পেশালিস্ট!!! অরে উচিত, বিশ্বের ১নং অলরাউডার প্লেয়ার ঘোষণা করা।

Likes Comments

মোঃ ফাহাদ খন্দকার

৫ বছর আগে লিখেছেন

নয়া গ্রিলs

 
 
সারভাইবার এক্সপার্ট বেয়ার গ্রিল এর পোকামাকড় অনায়াসে খেলে ফেলাটাকে অনেকেই ঘৃণার চোখে দ্যাখে। আমার কিন্তু ভালই লাগে। বেঁচে থাকাটাই বড় কথা, কি খেয়ে বাঁচলাম সেটা নাথিং। পত্রিকা ঘাটা-ঘাটি করাতে কিছু চমকপ্রদ খবরাখবর আমার ঝুলিতে থাকে।
কাল সারারাত ছিল আমার সারভাইবার ট্রেনিং এর মহরত। ফলাফল যা পাইলাম...
১। এয়ারটেলের ৭ কেবিপিএস(মাঝেমাঝে কানেকশন গায়েব) স্পিড দিয়ে ৭৩ এমবি ফাইল ই-মেইল করার অদ্ভুত ধৈর্যের পরীক্ষা।
২। একটানা হেডফোন দিয়ে কতক্ষন আমি ফুল সাউন্ড দিয়ে গান শুনতে পারি তার পরীক্ষা।
৩। চোখ কানা করার মত ডিসপ্লে’র ব্রাইটনেস বাড়িয়ে একটানা কতক্ষণ তাকাইয়া থাকতে পারি তার পরীক্ষা।
এবং
৪। নিজের রক্ত, মশার জন্য উন্মুক্ত করে দিয়ে উদারতার এক আধুনিক পরীক্ষা। (টিকতে না পাইরা মাঝেমধ্যে এন্টী-উদারতাও দেখাইছি)
 
*** শেষমেশ আসে হল গিয়ে আমি কদ্দুর কামিয়াব হইছি তা পরীক্ষা করা। গতরাতে তাৎক্ষণিক কোন পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া পাইলুম না। তবে বেয়ার গ্রিলের মত রোমাঞ্চ খুঁজতে দিয়ে এখন বারান্দার গ্রিল ধইরা সোজা হইয়া দাঁড়াইতেই জানি কেমুন কেমুন লাগতাছে। চোখ একদম আধুনিক জাপানীদের মত স্থান নিয়ে বসে আছে। কানে মুনে হইতাছে সিডরের হাওয়া বইতাছে। শরীরে মশার নির্যাতনের ছাপ দেইখা নিজের উপর মায়া হইতেছে।চোক্ষে খুয়া খুয়া দেখতে পাইতেছি।
*** এন.বিঃ প্লিজ ডু নট ইমিটেট মি।  
continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (1)

  • - নুসরাত জাহান আজমী

    অপেক্ষা করতেসিলাম কখন চিঠির শেষ অংশ পড়তে পারব। তখনকার সময় এইভাবেই তো ছেলেরে নিয়া দুশ্চিন্তাগ্রস্ত মায়েরা চিঠি লিখত তাই না? প্রতিটা লাইনে থাকত ছেলে দূরে থাকার হাহাকার। কবে ফিরবে তার জন্য চিন্তা। ছেলে  কেমন আছে সেই চিন্তা। আপনার চিঠিটায় সবকিছুই খুব ভালো করে ফুটে উঠসে।
    মায়ের চিঠি ভালো লাগসে আপু।

    • - সেলিনা ইসলাম

         ধন্যবাদ আপু চিঠি পড়ে সুন্দর মন্তব্য দেয়ায়...শুভকামনা সতত  

    - ঘাস ফুল

    দুই পর্বের চিঠিটাতে আবেগ, অনুভূতি, ভালোবাসা, দ্রোহ সবই আছে। মাকে কখনো দেখলাম সন্তানের জন্য আবেগে জর্জরিত হয়ে পড়তে আবার সেই মাকেই দেখলাম বিদ্রোহী হয়ে উঠতে। মায়ের মন তো তাই হয়তো অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়েছিল। এটাই স্বাভাবিক। তাই তিনি যেমন দেশের স্বাধীনতা চাচ্ছেন, ঠিক তেমনি সন্তানকে বুকেও ফেরত চাচ্ছেন। এরই ধারাবাহিকতা যুদ্ধের অনেক কাহিনী উঠে এসেছে চিঠিতে। পুরো চিঠিটা যেন যুদ্ধের সমস্ত ঘটনার একটা উপসংহার। কেনও আমরা যুদ্ধ করেছি আর কীভাবে স্বাধীনতা পেয়েছি তা আপনার এই চিঠি পড়লেও সব জানা না গেলেও একটা স্বচ্ছ ধারণা পাওয়া যাবে। 

    সুন্দর গুছিয়ে লিখেছেন। অনেক ভালো লাগা রইলো সেলিনা আপা। ধন্যবাদ। 

    • - সেলিনা ইসলাম

      অনেক অনেক ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্য দিয়ে লেখাকে মুল্যবান করে তোলার জন্য শুভকামনা অনন্ত 

    - চারু মান্নান

    বাহ দারুন কবি,,,,,,চৈত্র শুভেচ্ছা,,,,,,

    • - সেলিনা ইসলাম

      ধন্যবাদ কবিভাই আপনাকেও চৈত্র শুভেচ্ছা 

Load more writings...