"স্বাস্থ্য" বিভাগের পোস্ট ক্রমানুসারে দেখাচ্ছে

ডাক্তার দ্যা বৈজ্ঞানিক

৪ বছর আগে লিখেছেন

অ্যাসিডিটি (গ্যাস্ট্রিক) তাড়ান, সুস্থ বোধ করুন।

  গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি দরকার। আসুন এরকম কিছু উপাদানের কথা জেনে নিইঃ-     # লং   যদি আপনি গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় জর্জরিত হয়ে থাকেন, তবে লং হতে পারে আপনার সঠিক পথ্য। দুইটি লং মুখে নিয়ে চিবাতে থাকুন, যেন রসটা আপনার ভেতরে যায়। দেখবেন এসিডিটি দূর হয়ে গেছে।
  # জিরা   এক চা চামচ জিরা নিয়ে... continue reading

৩১৩৬

কাল বৈশাখী ঝড়

৪ বছর আগে লিখেছেন

কালমেঘ জ্বর, কৃমি, আমাশয়, সাধারণ শারীরিক দুর্বলতা এবং বায়ু আধিক্যে কালমেঘ

 জ্বর, কৃমি, আমাশয়, সাধারণ শারীরিক দুর্বলতা এবং বায়ু আধিক্যে কালমেঘ অত্যন্ত উপকারী।
শিশুদের যকৃৎ রোগে এবং হজমের সমস্যায় কালমেঘ ফলপ্রদ। কালমেঘের পাতা থেকে তৈরী আলুই পশ্চিম বাংলার ঘরোয়া ঔষুধ যা পেটের অসুখে শিশুদের দেওয়া হয়। টাইফয়েড রোগে এবং জীবানুরোধে কালমেঘ কার্য্করী। সাধারণ একটা বিশ্বাস ছিল যে সাপের কামড়ে কালমেঘ খুব উপকারী। পরীক্ষা করে দেখা গেছে যে কথাটা ভুল। কোথাও কোথাও কালমেঘ গাছ বেটে সরষের তেলে চুবিয়ে নিয়ে চুলকানিতে লাগানো হয়। গাছের পাতার রস কোষ্ঠকাঠিন্য ও লিভার রোগের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে।
কালমেঘ গাছের পাতার রস জ্বর, কৃমি, অজীর্ণ, লিভার প্রভৃতি রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। কোষ্ঠকাঠিন্য হলে পাতার রস মধুর সঙ্গে... continue reading

৪৯০

ডাক্তার দ্যা বৈজ্ঞানিক

৪ বছর আগে লিখেছেন

খবরদার! ভাতের পরে না! কিছুতেই না!

কমপক্ষে তিনশ কোটি মানুষের প্রধান খাবার ভাত ৷ স্বাস্থ্যরক্ষায় ভাত খাবার পর কিছু কাজ হতে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। সুস্থ্য থাকার লক্ষ্যে মেনে চলুন ওই পাঁচ পরামর্শ।
১. খাবার শেষের পর পরই তাৎক্ষণিকভাবে কোন ফল খাবেন না। এতে গ্যাসট্রিকের সমস্যা হতে পারে। ভাত খাওয়ার এক থেকে দুই ঘন্টা পর, কিংবা এক ঘন্টা আগে ফল খাবেন।
২. ধুমপান করবেন না। আপনি সারাদিনে অনেকগুলো সিগারেট খেলেও যতটুকু না ক্ষতি হয়, ভাত খাবার পর একটি সিগারেট বা বিড়ি তার চেয়ে অনেক বেশী ক্ষতি করবে আপনার শরীরের। ভাত খাবার পর একটা সিগারেট খাওয়া আর সার্বিকভাবে দশটা সিগারেট খাওয়া ক্ষতির বিবেচনায় সমান বলে মত... continue reading

১৪৩৪

মেঘলা মেয়ে

৪ বছর আগে লিখেছেন

লবঙ্গের যত গুণ

লবঙ্গ সাধারণত রান্নার সময় অনেকে ফোড়নে ব্যবহার করেন। গরম মসলার মধ্যেও লবঙ্গ থাকে। তা রান্নার স্বাদ বাড়ায়। এছাড়া লবঙ্গের আরও বিশেষ কিছু গুণ আছে, যা আমাদের শরীরের ক্ষেত্রে ভীষণ ফলদায়ী। চলুন সেগুলো জেনে নিই।    — লবঙ্গ কফ-কাশি দূর করে।  — পানির পিপাসা পেলে বা বুকে অস্বস্তি হলে লবঙ্গ খাওয়া দরকার। তাতে পিপাসা মেটে। শরীরে ফুর্তি নিয়ে আসে।  — হজমে লবঙ্গ সহায়তা করে।  — খিদে বাড়ায়।  — পেটের কৃমি নাশ করে দেয়।  — লবঙ্গ পিষে মিশ্রি বা মধুর সঙ্গে খাওয়া ভীষণ ভালো। এতে রক্তে শ্বেত রক্তকণিকার পরিমাণ বাড়ায়। — এটা অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধের কাজ করে। হাঁপানির মাত্রা কম করে।  — চন্দনের গুঁড়োর সঙ্গে লবঙ্গ পিষে... continue reading

৪৪২

ডাক্তার দ্যা বৈজ্ঞানিক

৪ বছর আগে লিখেছেন

সুখি হওয়ার ১০ টি টিপস :D

১। সব কিছু স্বাভাবিক ভাবে নিন।
২। নিজের কষ্টকে কখনো বড় করে দেখবে না।
৩। নিজের কষ্টের সাথে অন্যের কষ্ট তুলনা করুন আশা করি কষ্ট থাকবে না।(শেখ সাদির মতো)
৪। অপরকে ভালবাসুন মন থেকে তাহলে তার কাছ থেকে অনেক কিছু জানতে পারবেন এতে করে আপনার কষ্ট কমে যাবে।
৫। নিজেকে কখনো অসুখী ভাববেন না, নিজেকে পৃথিবীর সবচেয়ে সুখি ভাবুন।
৬। নিজেকে কারো সাথে তুলনা করে ছোট করবেন না।
৭। নিজেকে কখনো অসফল ভাববেন না।
৮ । কষ্ট লাগলে নদী, পাহাড় বা নিরিবিলি পার্কে একা একা বা কোন আপনজনকে নিয়া ঘুরতে যান।
৯। প্রয়োজনের বেশী, অর্থের পিছনে ছুটবেন না।  
১০। "আপনিই পৃথিবীর সব থেকে সুখি মানুষ", এই সত্যকে বুকে ধারণ করুন। continue reading

১১২৪

সাবরিন সামিহা অহনা

৪ বছর আগে লিখেছেন

ব্রণের চিকিৎসায় কাঁচা হলুদের জাদু

ব্রণ সারাতে হলুদের মতন চমৎকার প্রাকৃতিক উপাদান খুব কমই আছে। ব্রণের ইনফেকশন কমানো হতে শুরু করে ব্রণের দাগ দূর করা পর্যন্ত হরেক রকম ব্যবহার আছে এর। নিম্নে রইলো সেগুলোর মাঝে কয়েকটি।   ১)ব্রনের প্রচুর ব্রণ ওঠে তাদের জন্য কাঁচা হলুদ জাদুর মতো কাজ দেয়। ব্রনের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে কাঁচা হলুদ বাটা, আঙ্গুরের রস ও গোলাপ জল মিশিয়ে ব্রনের উপরে লাগান। কিছু সময় পর ধুয়ে ফেলুন। ব্রণ মিলিয়ে যাবে ও ইনফেকশন হবে না।   ২)কাঁচা হলুদ বেটে রস করে নিন। এই হলুদের রসের সাথে মুলতানি মাটি ও নিমপাতার রস এক সঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট করে ফেস প্যাকের মতন মুখে লাগান। প্যাক... continue reading

১৫৫৮

ডাক্তার দ্যা বৈজ্ঞানিক

৪ বছর আগে লিখেছেন

জেনে নিন আপনি কোন রোগে আক্রান্ত!

অনেক সময় আমাদের অজান্তেই আমাদের দেহে নানা ধরনের রোগ বাসা বাঁধতে পারে। আর প্রতিটি আশংকার জন্যে আলাদা আলাদা করে ডাক্তারের কাছে যাওয়া সব সময় সম্ভব হয়ে ওঠে না প্রায় সময়েই। অনেক সময় আপনি হয়তো টের পাচ্ছেন না, অথচ শরীরের ভেতরেরোগ ছড়িয়ে ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। কিন্তু আপনিই ঘরে বসে অন্য কারো সাহায্য না নিয়েই কিন্তু পরীক্ষা করে ফেলতে পারেন কিছু রোগের লক্ষণ। আর সময়মত ডাক্তারের কাছে যেতে পারলে সেটি কঠিন আকার ধারণের আগেই সেরে যাবার সম্ভাবনা বেশী।
তাই জেনে নিন, ঘরে বসেই কিছু রোগের পরীক্ষা করার সহজ উপায়ঃ
১। চোখের সমস্যাঃ
একটি থেমে থাকা গাড়ির পেছন দিক থেকে সোজাসুজি ২০ পা... continue reading

১২১১

ডাক্তার দ্যা বৈজ্ঞানিক

৪ বছর আগে লিখেছেন

চোখের নিচে পড়া কালো দাগের সমাধান :D

খোসাসহ আলু বেঁটে চোখের নিচে লাগাতে হবে। তিন চার দিন এই পেস্টটি ব্যবহার করুন। চোখের নিচের কালো দাগ দু---র হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ।
তবে সাবধান রান্না ঘরের শিলপাটা দিয়ে বাঁটতে হলে দেখে নিন আগে মরিচ বাটা হয়েছে কি না !!!
আর হ্যাঁ দাগ মুক্ত হয়ে যাবার পর আপনার জন্য রাত্রি জাগরন নিষিদ্ধ!!! continue reading

৬৪৭

ডাক্তার দ্যা বৈজ্ঞানিক

৪ বছর আগে লিখেছেন

চুল পড়া রোধের পাঁচটি প্রাকৃতিক উপায় !!!

চুল পড়া বন্ধে বিউটি পার্লারে চিকিৎসা নেয়ার চেয়ে প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার বেশি কার্যকর। কেননা পার্লারে নেয়া চিকিৎসা পদ্ধতি দ্বারা চুল পড়া সম্পূর্ণ বন্ধ করা সম্ভব নয়। তবে নিচে দেয়া সহজলভ্য কিছু পরামর্শের মাধ্যমে ঘরে বসে চুল পড়া রোধ করা যায়।
১. হালকা গরম তেল ব্যবহার। যে কোন প্রাকৃতিক তেল যেমন-জলপাই, নারিকেল তেল, কেনোলা তেল (বীজ জাতীয় উপাদান দিয়ে তৈরি) হালকা গরম করে নিন। এরপর তেলের সঙ্গে হালকা পানি মিশিয়ে তালুতে ধীরে ধীরে মেসেজ করুন। একঘণ্টা মাথায় রেখে শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।
২. প্রাকৃতিক রস ব্যবহার। চুল পড়া রোধে রসুনের রস, পেয়াজ বা আদার রস মাথার তালুতে মাখুন। রাত্রে তা... continue reading

২০১০

ডাক্তার দ্যা বৈজ্ঞানিক

৪ বছর আগে লিখেছেন

কাটা-ছেড়ায় টক ফল খাওয়া যায় কি ?

কাটা-ছেঁড়ায় টক খাওয়া যাবে না! এ কেমন কথা??? দেহের কোন অংশ কেটে বা ছিঁড়ে গেলে অথবা কারও কোন অপারেশন হলে বলা হয়ে থাকে টক খাওয়া যাবে না।
আসলে টক খাবার বলতে আমরা বুঝি বিভিন্ন ধরনের ফল যেমন- লেবু, কমলা, জাম্বুরা, আম, আমড়া, চালতা, তেঁতুল, কামরাঙা, আমলকী ইত্যাদি। সাইট্রাস ফলসহ সব ধরনের টক ফলেই প্রচুর ভিটামিন ‘সি’ আছে। আর ক্ষত সারার জন্য প্রয়োজন এই ভিটামিন ‘সি’। ভিটামিন ‘সি’ ঘা শুকানোর জন্য প্রয়োজনীয় কোলাজেন টিস্যু তৈরিতে সাহায্য করে। এজন্য এ ধরনের রোগীকে ভিটামিন ‘সি’ ট্যাবলেট খেতে দেয়া হয়। কাজেই আঘাতে কেটে গেলে বা কোন অপারেশন হলে রোগীকে অবশ্যই স্বাভাবিক খাবারের পাশাপাশি ভিটামিন ‘সি’ যুক্ত ফল খেতে... continue reading

১৩৯৮