"সাহিত্য" বিভাগের পোস্ট ক্রমানুসারে দেখাচ্ছে

রাজীব নূর খান

২ বছর আগে লিখেছেন

মানব জীবনে সেক্স কতটা প্রয়োজন

কি আছে একজন নারীর শরীরে? একজন নারী যখন রাস্তা দিয়ে হেঁটে যায়- সব শ্রেনীর মানুষ খুব কুৎসিত ভাবে তাকায়। ছাত্র, শিক্ষক, চাচা, মামা,খালু, রিকশাওয়ালা, হকার, এমন কি মাত্র নামাজ শেষ করে মসজিদ থেকে বের হওয়া একজন মুরুব্বী পর্যন্ত। যারা এই কুৎসিত ভাবে তাকায়, তখন আমি তাকাই তাদের দিকে- তাদের দিকে তাকিয়ে তখন আমার মনে হয় দুনিয়ার সবচেয়ে নোংরা কিছু তাদের চোখে মুখে খেলা করে। একদিন আমার খুব রাগ হলো- আমি একজনকে প্রশ্ন করলাম- ভাই এইভাবে তাকিয়ে আছেন কেন? মেয়েটিকে কি আপনারে পরিচিত? কুৎসিত ভাবে তাকানোর কি আছে? এখন কেউ যদি আপনার মা, বোন অথবা আপনার স্ত্রী'র দিকে এভাবে তাকায়!... continue reading

৬৫২

রাজীব নূর খান

২ বছর আগে লিখেছেন

বদরুল এবং হিমু

সকালে ঘুম ভাঙতেই হিমু নিজেকে সরকারি হাসপাতালে আবিস্কার করলো। কে বা কারা তাকে হাসপাতালে নিয়ে এসেছে কিছুই সে জানে না। তার শুধু মনে আছে, সে দুই দিন ধরে না খেয়ে ছিল। হঠাৎ সে রাস্তায় অজ্ঞান হয়ে পড়ে যায়। যারা তাকে হাসপাতালে নিয়ে এসেছে, তাদের প্রতি এক আকাশ কৃতজ্ঞতা বোধ করল। জানালা দিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে, হিমু মনে মনে ভাবলো এই নিষ্ঠুর পৃথিবীতে এখনও মানুষের মধ্যে মায়া-মমতা ভালোবাসা আছে। একজন নার্স এর কাছে চাইতেই পাওয়া গেল- খবরের কাগজ। হিমু খবরের কাগজের প্রথম পাতার শিরোনাম দেখে অবাক। প্রচন্ড অবাক! হেড লাইনটি এই রকম- ''নিষ্ঠুর পৃথিবীর মানুষগুলোর কাছে আমি সবিনয়ে ক্ষমাপ্রার্থী। প্রকৃতপক্ষে... continue reading

২৩৫

সাইয়িদ রফিকুল হক

২ বছর আগে লিখেছেন

এরই নাম বুঝি প্রেম

এরই নাম বুঝি প্রেম
সাইয়িদ রফিকুল হক
আশফাক ভাবছিলো: এবার ঈদের ছুটিতে সে গ্রামের বাড়িতে যাবে না। আর সে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে চুপচাপ বসে থাকেনি। তাই, ভার্সিটি বন্ধের কয়েকদিন আগেই সে ইশরাতকে তার মনের কথা সব জানিয়ে দিলো। আর ভাবলো: ইশরাত এতে খুব খুশি হবে।
আশফাক খুব হাসিখুশি-ভাব নিয়ে সেদিন বললো, “ভাবছি, এবার ঈদে আর গ্রামের বাড়িতে যাবো না। তোমার সঙ্গে ঢাকায় ঈদ করবো। জীবনে কখনও তো ঢাকায় ঈদ করিনি, তাই!”
কথাটা শুনে ইশরাত কেমন যেন চুপচাপ হয়ে গেল। আর সে ভীষণ মনমরা হয়ে বললো, “না-না, তা কেন করবে তুমি! এটা ঠিক নয়। তুমি গ্রামে যাও। সেখানে তোমার মা-বাবা আছে। তারা কী... continue reading

৪২২

ইফ্ফাত রুপন

২ বছর আগে লিখেছেন

নবনীতা

খালামণি ও খালামণি, আমাকে কার্টুন এনে দাও না।
কিভাবে এনে দেব মামণি? কারেন্ট তো চলে গেছে। এক ঘণ্টার আগে তো আসবে না।
কিন্তু আমার কার্টুন দেখতে ইচ্ছে করছে। কালও দেখতে পারি নি, আম্মু তার অনুষ্ঠান দেখেছে আমাকে দেখতে দেয় নি। আমি আজো দেখতে পারবো না।
এই বলে নবনীতা কাঁদতে শুরু করলো। কারেন্ট চলে যাওয়াতে নবনীতার যতটা না মন খারাপ হয়েছে তার চেয়েও বেশি মন খারাপ লাগছে স্বর্ণার। নবনীতা স্বর্ণার বড় বোনের মেয়ে। নিজের মেয়ে না হলেও ছোট বেলা থেকে নবনীতাকে কোলে পিঠে করে স্বর্ণাই মানুষ করেছে। তার বোন আর বোনের হাসবেন্ড দুজনেই চাকরিজীবী হওয়াতে ছোটবেলা থেকে নবনীতা... continue reading

৩৬৭

রাজীব নূর খান

২ বছর আগে লিখেছেন

আঙ্কেল টম'স কেবিন

প্রত্যেক উপন্যাস আসলে সত্তাময়। উপন্যাস সৃষ্টি মানে একটা সত্ত্বা সৃষ্টি করা। সেই সত্তাটি হবে স্বতন্ত্র। নতুন এক জীবনের আজ্ঞাবহ। জ্ঞানই হল উপন্যাসের একমাত্র নৈতিকতা। এ জ্ঞান মর্ত্যের জ্ঞান নয় মোটেও, এ জ্ঞান হল মানুষের মননের জ্ঞান। একজন লেখক- শুধুমাত্র একজন লেখকই নন, সামাজিক পরিবর্তনের সে একজন বিশেষ প্রতিনিধি। আমাদের শিক্ষকেরা প্রায়ই বলে থাকেন, অমুক জাতিকে জানতে হলে অমুক উপন্যাসটি পড়ো। একটি পার্টিকুলার উপন্যাস কখনই একটি জাতির সার্বিক চিত্র উঠিয়ে আনতে পারে না। লেখালেখিটা একজন লেখকের কাছে বিশ্বাসের মতো। লিখতে লিখতে একজন লেখক তার ‘সত্য’কে আবিষ্কার করেন। পড়তে পড়তে একজন পাঠকও তাই করেন।
রবীন্দ্রনাথ যদি ভাষা দিয়ে থাকেন, মাইকেল মধুসূদন দিয়েছেন ঢং বা... continue reading

২৭৬

কল্পদেহী সুমন

৩ বছর আগে লিখেছেন

ভালোবাসি

কখনো সম্পর্কগুলো হয়তো বোঝা হয়ে উঠেনা কোনদিকে গড়াচ্ছে। হয়তো ভালোবাসা, গুরুত্ব, অনুভূতি এসব কিছুর কোন ঘাটতি নেই। তবুও কোন এক অজানা কারণে, অজানা ভয়ের কারণে হয়তো বলা হয়ে উঠেনা তখন অনেক কথাই। অথচ বুঝতে পারে তারা অনেক কিছুই তার। শুধু বলা হয়েই উঠেনা কেউ কাউকে। এই না বলাটাই কখনো কখনো সম্পর্কগুলোকে টিকিয়ে রাখে নতুবা হারানোর সেই আশংকা থেকে মুক্তি দেয়।
মাঝ রাতে মোবাইলের রিং বাজছিল। হিমেল ঘুমিয়ে ছিলো তাই বুঝতেছিলো না। দুই/তিন বার রিং বাজার পর হিমেলের বোঝে আসলো কেউ রিং দিচ্ছে। তবুও রিসিভ করতে পারলোনা। অপরপ্রান্তে অহনার তাই খুব রাগ উঠছিল। হিমেল মেসেজ দেখলো। "এই কি হলো? কথা... continue reading

৫৪০

চারু মান্নান

৩ বছর আগে লিখেছেন

যদি বলি, ভালোবাসা তুমি

যদি বলি, ভালোবাসা তুমি 
যদি বলি, ভালোবাসা তুমি 
সন্ধ্যা আবিরে ফুটপাত ধরে, 
খোসা ছাড়িয়ে বাদাম চিবানোর আবেশ। 
যদি বলি, ভালোবাসা তুমি 
সাঁঝ আঁধারে ধুঁয়া তোলা চায়ের কাপে 
আড্ডা গল্পে ঠোঁট ছুঁয়ে ছুঁয়ে আলতো চুমুক। 
যদি বলি, ভালোবাসা তুমি 
সাদা কাগজে মড়ানো কৌশর 
রঙিন কাগজে মড়ানো স্বপ্নময় যৌবন। 
যদি বলি, ভালোবাসা তুমি 
আচমকা বৃষ্টিতে ভিজে দিলে সব 
খানিক জলের ফোটা জলে যে জলছবি ভাসে। 
যদি বলি, ভালোবাসা তুমি 
মেঘে মেঘে এমনি বিন্দুর ভাব 
মেঘ জটলা শ্রাবণ বাদলে অবিরাম ঝর ঝর ঝর। 
১৪২৩/৩০, শ্রাবণ/ বর্ষাকাল। continue reading

৩২০

চারু মান্নান

২ বছর আগে লিখেছেন

তোমার বন্দকি প্রেম

তোমার বন্দকি প্রেম 
তোমার বন্দকি প্রেম 
আগলে রাখা জীবন ভর 
কি দায়? কার দায়? 
কিসে এর বইবার ভার? 
যেন বেনামি দলিল দস্তাবেজ 
একই নামে রইল সারাটি জীবন। 
ভাললাগার এ কোন রশিকতা? 
তার মাশুল গুনতে হয় 
বংশ পরম্পপরা। 
চাঁদ বিনে রাতের খড়া 
আঁধার ক্ষণ যায় চলে নিরবে 
এ যে পুন:পার্বণ স্বপ্ন ভোর। 
তাই যদি হয; 
বন্দকি প্রেম, আজন্মের লাল ফিতায় আঁটা 
ধুলা ঝেঁড়ে স্মৃতির আগল খোলা 
উদাস আকাশ বন্ধুর বেশ 
চঞ্চল হাওয়া কয় কানে কানে 
বিরহ অনলে পুড়ে বাঁচার সাধ কেন জাগে? 
তৃঞ্চার আরধ্য প্রেম স্মৃতির আঁধারে বাঁচে। 
১৪২৩/০১, ভাদ্র/শরৎকাল। continue reading

২৬৭

চারু মান্নান

২ বছর আগে লিখেছেন

যাতনা মাখা বর্ষা সাজ

যাতনা মাখা বর্ষা সাজ 
মাখো মাখো বানের কাদা জলে 
পা ফেলেছে ঝাঁক ঝাঁক পাখি, 
সদ্য আগছার ঝাড়ে ডাহুক ডাহুকি 
প্রেম আলাপনে ছুটে করছে ডাকা ডাকি। 
বানে ভেসে আসা নলখাগড়ার বাদারটি 
ভেসে ভেসে ভাটির পলির চরে ঠেকেছে, 
বানে দিশেহারা দলছুট পোষা হাসেরা 
সেথায় প্যক প্যক ডাকে হাসের ঝাঁক বেঁধেছে। 
সাদা বক শালিকের ঝাঁক সদ্য জেগে উঠা পলির চরে 
কিচির মিচির ডাকে উদাস আকাশ চেয়ে থাকে, 
যে দিকে চাই শুধু জলে ভাসা জলে থৈ থৈ 
ঐ দূরে মেঘের শূর নামে ঝর ঝর বৃষ্টিতে সন্ধ্যা নেমে আসে। 
ঝাঁক ঝাঁক পাখিরা যায় উড়ে 
কোথায় তাদের ঠাঁই মিলেছে কে বা তাহা জানে? 
মানুষ মানুষেরা ভেসে ভেসে যায়রে উজান ঠেলে 
সব হারিয়ে ঠাঁই মিলেছে একটু উঁচু মাঠে।  continue reading

২৫৩

চারু মান্নান

২ বছর আগে লিখেছেন

স্বপ্নভ্রম নাকের ডগায় পিছুটানের রেখা টানে

স্বপ্নভ্রম নাকের ডগায় পিছুটানের রেখা টানে 
এমনি কত মায়ার টান? 
ছিঁড়েছে কত এমনি এমনি হেলায় ফেলায়? 
সময় কেন তার গান শুধু বাজায়? 
বাজায় পুনঃ পুনঃবার! 
ফিরে আসে নতুন কালে ছদ্মবেশে। 
সেই ছদ্মবেশ এখন আর আনকোড়া নেই 
ময়লা যাপন, ধুলার গাত্র দাহ অঙ্গজুড়ে 
কেই বা ঠোঁটে বিদ্রুপ ঠুকে একলহমায় 
কেই বা অবাক চোখে তাকিয়ে রয় বোকা বুনে। 
ঝরনার জল, 
পথার গায়ে আঘাত হেনে 
মিইয়ে যায় নিত্য দিন; এমনি করে 
কাকতালীয় কত মায়া ম্যাজিক বুনে হাওয়া! 
হাওয়ার কথাই যদি শোন? 
শুনতে কি পাওয়া আদি অন্ত? কোথায় সেই মায়ার টান? 
ধরছে টেনে পিছু টান; চোখখুলে যেই তাকালে 
স্বপ্নভ্রম নাকের ডগায় পিছুটানের রেখা টানে। 
১৪২৩/৫, ভাদ্র/শরৎকাল। continue reading

২৯৭