Site maintenance is running; thus you cannot login or sign up! We'll be back soon.

"সংগীত" বিভাগের পোস্ট ক্রমানুসারে দেখাচ্ছে

রাতের আলো

৫ বছর আগে লিখেছেন

বরবাদ সিনেমার গান

ভাল্লাগে হাঁটতে তোর হাত ধরে ভাবনা তোর আসছে দিন রাত ধরে
এলোমেলো মন টা কে কি করে কে আর রাখে
 কেন আমি এত করে তোকে চাই
পারব না আমি ছাড়তে তোকে পারব না আমি ভুলতে তোকে
পারব না ছেড়ে বাঁচতে তোকে হয়ে যা না রাজি একবার

ভাল্লাগে চাইলে তুই আড়চোখে চাইছি তোর ঐ দুচোখ আর তোকে
এলোমেলো দিস করে সারাটা দুপুর ধরে
বসে বসে উড়ে চলি কল্পনায়
পারব না আমি ছাড়তে তোকে পারব না আমি ভুলতে তোকে
পারব না ছেড়ে বাঁচতে তোকে হয়ে যা না রাজি একবার
  দেখা দিয়ে তুই চলে চলে যাস কি... continue reading

১০২৩

আলমগীর সরকার লিটন

৫ বছর আগে লিখেছেন

কার্তিক মেঘে যৌবন

===================
<><><><><>><><><><>
সবাই তো প্রেম পাগল; পাগল এ মনটা
বসন্ত ফাল্গুনে পাই গলা ভাঙ্গা শ্রাবণটা
রাগ অনুরাগ কাটা না বিরহ ক্ষণটা
বাহু ঢোরে খুঁজিফিরি ঐই ভালোবাসা
এই-কখন বুঝি বাজে জীবনের ১২টা ।।
 
আহা সময় কাটার কতো না দ্বন্দ্বতা
হু কখনো করা যায় না তার পূর্ণতা;
প্রেমময় বোধের হয় যদি কোন আঁধার
বন্ধ করো না গো সোনালী অন্তদ্বার
রাখে মনে তুলশির ধুয়া স্মৃতি মতো-
যৌবন ভরা কার্তিকের পূর্ণিমা নিশি যত
করো না শুধু ঘুর্ণিপাকের হুদহুদের মত
এই-কখন বুঝি বাজে জীবনের ১২টা।।
 
লেখার তারিখঃ ১৪/১০/২০১৪
<><><><><><><><>
continue reading

৪১৮

দিলারা জামান

৫ বছর আগে লিখেছেন

লিরিক্স

একটুসখানি দেখ একখান কথা রাখ
ভালবাইসা একবার তুমি বউ কইয়া ডাক
বউ কইয়া ডাক  
একটুসখানি দেখ একখান কথা রাখ
ভালবাইসা একবার তুমি বউ কইয়া ডাক
তুমি বউ কইয়া ডাক
 আঞ্চল পাইতা আসন দিয়া কমু যে কত কথা
আমি তোমার আসমানি চাঁদ বৃক্ষে যেমন লতা
ও মোর রসিয়া ও ও ও ও ও ও ও
ফুলের যেমন গন্ধ থাকে নদীর যেমন পানি 
চখার যেমন চখি ওগো তেমনি তোমার আমি
সইন্ধা সকাল চিরটাকাল আমার হইয়া থাক
একটুসখানি......
 তোমার হাতে তুমি কবে নোলক পরাইয়া দিবা
হাচাই কও তোমার জীবন সাথী কইরা নিবা
ও মোর দরদী ও ও ও ও ও ও ও
 সাগরেতে মুক্তা যেমন পাখির যেমন বাসা
তুমি আমার পরানের... continue reading

৪৬৭

দিলারা জামান

৫ বছর আগে লিখেছেন

লিরিক্স

ও আমার রসিয়া বন্ধুরে তুমি কেন কোমরের বিছা হইলা না। ছড়াইয়া রাখিতাম কাছে কাছে থাকিতাম পালিয়ে যেতে দিতাম না, না রে।।   রঙ্গিন সুতা হইতা যদি রসিক চাদের ঘরে জংলি ছাপার শাড়ি পড়ে রাখিতাম অঙ্গে ধরে।   ভিজাইতাম আর শুকাইতাম যতন করে রাখিতাম কোনদিনও ছিড়ে যেতে দিতাম না, না রে।।   মতির মালা হইতা যদি মনিকারের ঘরে লম্বা চুলে বেনী করে রাখিতাম তোমায় ঘরে।   হাসিতাম আর খেলিতাম মনের মত সাজিতাম কোন চোরে চুরি করতে দিতাম না, না রে   ও আমার রসিয়া বন্ধুরে তুমি কেন সোহাগমতির মালা হইলা না তুমি কেন সোহাগমতির মালা হইলা না।। continue reading

৪১২

দিলারা জামান

৫ বছর আগে লিখেছেন

লিরিক্স

তুমি আজ কথা দিয়েছ বলেছ ও দুটি মন ঘর বাধবে।। একাকী জীবনে তুমি আসবে।।   পান্থ পাখি নীড়ে আসবে বুঝি ফিরে শান্ত পৃথিবীতে থাকবে তুমি সাথে গোধূলির মায়াতে দুটি প্রান ভালবেসে আলো জ্বালবে।।   স্বপ্ন আশাগুলো পাপড়ি মেলে দিল স্বর্গ হাতে এলো সুখ যে সাথী হল। জীবনের সাজানো খেলাঘর হাসি গানে ভরে উঠবে।। continue reading

৩৬৫

দিলারা জামান

৫ বছর আগে লিখেছেন

লিরিক্স

ও শ্যাম রে তোমার সনে একেলা পাইয়াছি রে শ্যাম এই নিঠুর বনে আইজ পাশা খেলবো রে শ্যাম   একেলা পাইয়াছি হেতা পলাইয়া যাবে কোথায় ।। চৌদিকে ঘিরিয়ারে রাখবো ।। সব সখি সনে আইজ পাশা খেলবো রে শ্যাম   আতর গোলাপ চন্দন মারো বন্ধের গায় ।। ছিটাইয়া দাও ছোয়া চন্দন ।। ঐ রাঙ্গা চরণে আইজ পাশা খেলবো রে শ্যাম   দীনহীন আর যাবে কোথায় বন্ধের চরণ বিহনে ।। রাঙ্গা চরণ মাথায় নিয়া দীন হীন কান্দে ।। আইজ পাশা খেলবো রে শ্যাম   ও শ্যাম রে তোমার সনে একেলা পাইয়াছি রে শ্যাম এই নিঠুর বনে আইজ পাশা খেলবো রে শ্যাম continue reading

৩৭৮

দিলারা জামান

৫ বছর আগে লিখেছেন

লিরিক্স

যাবি যদি উড়ে দুরে নীল অজানাতে
মনে করে আমায় মনে রেখে
কখনো ফুরাবে না সে গতিহীন পথে
একটু কেঁদে শুধু পিছু ফিরে
হায় ভালোবেসে রেখে যা
এই মনের গহীন বাসনা
যা আছে তোর দেয়া
জোনাকির প্রদ্বীপ থাকবে না
সেখানে তোর মন বসবে না
ও হায়রে শেষে হায় সব কিছু
ফিরাবার আর কিছু থাকবে না
হায় ভালোবেসে রেখে যা
এই মনের গহীন বাসনা
যা আছে তোর দেয়া
বহুদুর হয়েছে যাওয়া
ফিরে আয় বলি এই চাওয়া
ও কিছুক্ষন বসে বলে যা
নিয়ে যা কিছু কল্পনা
হায় ভালোবেসে রেখে যা
এই মনের গহীন বাসনা
যা আছে তোর দেয়া
continue reading

৩৮৬

নূর মোহাম্মদ নূরু

৫ বছর আগে লিখেছেন

সঙ্গীতের রাজকুমার শচীন দেববর্মণের ১০৮তম জন্মদিনে শুভেচ্ছা

‘শোন গো দখিন হাওয়া প্রেম করেছি আমি’, বাঁশি শুনে আর কাজ নাই, কে যাসরে ভাটি গাঙ বাইয়া, আমার ভাইধনরে কইও নাইওর নিত আইয়া….-এরকম অসংখ্য বিখ্যাত গানের গায়ক ও সুরকার হচ্ছেন শচীনদেব বর্মন। শচীন দেববর্মণ যিঁনি তাঁর শ্রোতাদের কাছে এস, ডি, বর্মণ নামেও বিশেষভাবে পরিচিত। তিনি ছিলেন একজন সুবিখ্যাত গায়ক ও সুরকার এবং চিত্রজগতের প্রখ্যাত সঙ্গীত পরিচালক। অনুরাগী মহলের প্রিয় নাম ‘শচীন কর্তা’। ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দে শচীন দেববর্মন আকাশবাণী কলকাতা কেন্দ্রে প্রথম গান করেন। কলকাতা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রথম গানেই তিনি অসংখ্য শ্রোতার চিত্ত জয় করেছিলেন। ১৯৩০-এর দশকে তিনি রেডিওতে পল্লীগীতি গেয়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। ১৯৩২ সালে শচীনদেবের প্রথম গ্রামোফোন রেকর্ড প্রকাশিত হয়। ১৯৫৮... continue reading

১০৪৪

রাতের আলো

৫ বছর আগে লিখেছেন

তবে বন্ধু নৌকা ভেড়াও/জেমস

তোমাদের মাঝে কি কেউ আছে বন্ধু আমার?
তোমাদের মাঝে কি কেউ আছে পথ ভোলা?
তবে বন্ধু নৌকা ভেড়াও মুছিয়ে দেবো দুঃখ সবার।
তবে বন্ধু নৌকা ভেড়াও মুছিয়ে দেবো দুঃখ জ্বালা।(২)
 
ওরে কে আছে মুক্ত জীবন নিয়ে ছন্নছাড়া-
আপনাকে ভালোবেসে আপনদেশে ঠিকানাহারা?
তবে বন্ধু নৌকা ভেড়াও মুছিয়ে দেবো দুঃখ সবার।
তবে বন্ধু নৌকা ভেড়াও শুনাবো গান আজ সারারাত।

যদি বুঝতে না চাও এই বুকের ভেতর কতো যন্ত্রণা
যদি দেখতে না চাও এই ছলনার ভীড়ে হারানো প্রেম
তবে বন্ধু নৌকা ভেড়াও মুছিয়ে দেবো দুঃখ সবার।
তবে বন্ধু নৌকা ভেড়াও শুনাবো গান আজ সারারাত।
প্রিয়তমা হারা কেউ কি আছো?
মা-হারা বাবা-হারা... continue reading

৩৯৩

নূর মোহাম্মদ নূরু

৫ বছর আগে লিখেছেন

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের অন্যতম সংগঠক ও প্রধান সংগীত পরিচালক সমর দাসের ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি

বাংলা গানের অমর সুরস্রষ্টা, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সুরসৈনিক ও উপমহাদেশের খ্যাতিমান সঙ্গীত পরিচালক সমর দাস। কালের ডামাডোলে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধের রক্তের দাগ মুছে গেছে, কিন্তু আজও তাঁর স্বাধীনতার গান আমাদের স্মৃতিতে সমুজ্জ্বল ও জাজ্বল্যমান। এখনো রক্তে নাড়া দেয়। মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের অন্যতম প্রধান প্রাণপুরুষ ছিলেন সমর দাস। ওই সময় অনেক গানে তিনি সুর করেন।তাঁর সৃষ্ট সুরে বহু গান জনপ্রিয়তা লাভ করে এবং সেসব গান গেয়ে অনেক শিল্পী সঙ্গীত জীবনে প্রতিষ্ঠা লাভ করেন। তার সুর করা গান যুদ্ধকালীন মুক্তিবাহিনী ও সাধারণ মানুষকে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করত। মুক্তিযুদ্ধে তার সুর করা ‘পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে’, ‘নোঙ্গর তোলো তোলো’, ‘চিরদিন আছে মিশে’... continue reading

৮০৬