"শিশুকিশোর" বিভাগের পোস্ট ক্রমানুসারে দেখাচ্ছে

আসাদুস জামান বাবু

৫ বছর আগে লিখেছেন

কথা হয়েছিল জ্বিনের সাথে

আমার বড় বোন খুলনায় থাকতো, আমার দুলাভাই সেখানে চাকুরী করে। একদিন আমার বড় বোন একাই খুলনাতে যাচ্ছিল। কারণ আমার দুলাভাই তখন খুলনাতেই ছিল। আমাকে আমার বাবা বলল , তোমার আপাকে পার্বতীপুর পর্যন্ত এগিয়ে দিয়ে আস। আমি তখন কাস এইটে  পড়ি। আমার এটাই ছিল জীবনের প্রথম একা একাই ভ্রমণ।
যা হউক, আমার আপুকে পার্বতীপুরে   খুলনার ট্রেনে উঠিয়ে দিলাম রাত ৮টায় ।  আর আমি রাত ১ টার দিকে এক লোকাল ট্রেনে উঠে রওয়ানা হলাম নিজ বাড়ি অভিমুখে । লোকাল ট্রেনতো চলছে তো চলছেই ! ট্রেনের জানালা দিয়ে বাইরের হাওয়া শনশন করে গায়ে লাগছিল । বারবার মনে পড়ছিল আপুকে বিদায় জানিয়ে বাড়ি ফিরবার... continue reading

৯৪১

সি এম সাইয়েদুল আবরার

৫ বছর আগে লিখেছেন

আমার বাচ্চাবেলা.........(বিরল প্রজাতির ব্যাডমিন্টন প্লেয়ার)

প্রথমবারের মত র‍্যাকেট হাতে নিয়েছিলাম কোন কোর্টে দাড়িয়ে নয় বিছানায় শুয়ে শুয়ে। আজকে সেই গল্পটাই বলব।
 
 
২০০৫ সালের কোন এক সময়ের কথা। চট্টগ্রামের ইস্পাহানী পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজে ক্লাস ওয়ানে পড়তাম তখন। চতুর্থবারে মত ডাক্তারের ছুড়ি কাঁচির নিচে  শুয়েছিলাম অপারেশন থিয়েটারের বেড। হার্নিয়ার অপারেশন।[আগের তিনবার ছিল রেক্টাল পলিভের।খুবই অদ্ভুটরোগ]
অপারশন থিয়েটারের সব ডাক্তারের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল বেশ কয়েকবার ঐ ঘরে যাওয়ার ফলে। তাই খুব একটা ভীতি কাজ করেনি তখন।
সফল অস্ত্রপচারের পর একমাসের বেড রেস্ট দিল। পুরাই শুয়ে শুয়ে এতদিন কাটান আমার জন্য ছিল যন্ত্রনাদায়ক। প্রথম কয়েকদিন বেশ খুশিই ছিলাম স্কুলে যাওয়া লাগবে না... continue reading

৭৩৬

তাপস কিরণ রায়

৫ বছর আগে লিখেছেন

মধু,আমাদের বাঁদর

ছোটবেলার কথা। মধুকে আমি দেখেছি। মধু আমাদের পোষা বাঁদরের নাম। ওর কথা আমার ভাল ভাবে মনে নেই। তবু যেটুকু মনে আছে আর ঠাকুমা,মা,বাবা,কাকাদের কাছে যেটুকু গল্প শুনেছি সব মিলিয়ে আজ মধুর কথা লিখতে পারলাম। 
সেবার ঢাকার খিদিরপুর গ্রামে গিয়ে ছিলাম। আমাদের পৈত্রিক বাড়ি। মধু সেখানেই থাকত। মধুকে কি ভাবে কোথায় পাওয়া গিয়ে ছিল তা আজ আর মনে নেই। 
মধু আমাদের পোষমানা বাঁদর। বাঁধা থাকলে কারু কোন ক্ষতি করে না। তবে জাতে বান্দর তো ! কখনোসখনো খোলা থাকলে কেউ ভয়ে তার কাছে যেতে চায় না। কখন কি করে বসবে তার ঠিক আছে ?
তবে দেখেছি যে আমার ঠাকুমা আর আমাদের... continue reading

৬৩৯

সি এম সাইয়েদুল আবরার

৫ বছর আগে লিখেছেন

আমার বাচ্চাবেলা......

গতকালের এই সিরিজের স্ট্যাটাস এ আমার “ফিডার প্রেম”এর কথা বলেছিলাম। শিশুখাদ্যের প্রতি আমার এমন বিটলামি আরও আছে পরে বলা যাবে আরেকদিন। আজকে যে ঘটনা বলব সেটা নানান কারনেই তাৎপর্যপূর্ণ।
সেসময় বয়স কত ঠিক মনে নেই আমরা থাকতাম কোথায় সেটাও ঠিক মনে করতে পারছি না। খুব সম্ভবত চট্টগ্রাম শহরে কিংবা রাঙ্গামাটিতে। ঈদে গিয়েছিলাম গ্রামে। আমার প্রতি গ্রামের সবার এক ধরণের আকর্ষণ আছে[ উনাদের মাথায় সিরিয়াস ক্যাড়া আছে]। তো আমি গেলেই পাড়ার চাচা,চাচী দাদা দাদীদের টানাটানিতে নিঃশ্বাস নেওয়া দায়। আর তখন আরও অনেক ছোট ছিলাম বলে আদরও পেতাম বেশি। গ্রামে গেলে আমাকে ঘরে খুঁজে পাওয়া দায়। সারাদিন চড়ে বেড়ানো। সেবার আব্বুর সাথে... continue reading

৬৮৩

সি এম সাইয়েদুল আবরার

৫ বছর আগে লিখেছেন

আমার বাচ্চাবেলা

আমি যখন সাড়ে ৭ বছর বয়সে কেজি ২ এর ছাত্র ছিলাম চট্টগ্রামের ইস্পাহানী পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজে তখন আমি আর আম্মা নানা নানুর সাথে থাকতাম। আব্বা চাকরি সুত্রে ছিলেন টেকনাফে, আমার ছোট ভাই তখনও পয়দা হয়নি। 
 
তখন আমার খালার ছেলে হল, আমার ছোট ভাই টাই তখন ছিল না বলে ওকে খুব আদর করতাম[ আরে ওই সময় বুঝতে পারি নাই যে ছোটরা কত্ত ভয়ানক]।
ত  তাইছির[আমার খালাত ভাই] এর জন্মের পর পুরা বাসা জুড়ে এক রমরমা অবস্থা। আত্মীয়স্বজন, পাড়াপ্রতিবেশী সবাই ওকে দেখতে আসছে আর আসলেই কিছু না কিছু সঙ্গে আনছে। আমার কাছে সেগুল ছিল নতুন অভিজ্ঞতা।
 
কিছুদিন পর... continue reading

৭১০

ফেরদৌসা রুহি

৫ বছর আগে লিখেছেন

জাদুর কাঁচি (অনুবাদ )

অনেক অনেক বছর আগের কথা। তিনদিকে উঁচু উঁচু পাহাড়ে ঘেরা আর একপাশে নীল রঙের একটা হ্রদ, সেখানে একটি ছোট্ট চায়না ছেলে ছিল, তার নাম ছিল ‘’লিউ চিউ’’। সে তার বাবা মায়ের সাথে বাঁশের তৈরি একটা ছোট ঘরে থাকতো। তারা ছিল অনেক সুখি। সারাদিন লিউ চিউ বালি নিয়ে খেলা করত, সূর্যের নিচে বসেথাকত ,পাখি এবং ফুলের দিকে তাকিয়ে থাকত। আর তার যখন খিদা লাগত তখন তার মা বড় একটা বাটিতে তাকে ভাত খেতে দিত।সে হাত দিয়েই তার খাবার খেত, কাঠি ব্যবহার করত না, কিন্তু কেউ কিছুই মনে করত না।
একদিন তার মা বলল ‘’লিউ চিউ, ঘরে যথেষ্ট চাল নেই। যাও হ্রদ থেকে... continue reading

২৮ ৮৩০

আসাদুস জামান বাবু

৫ বছর আগে লিখেছেন

খেতি ডাইনী

 
আজ হাসানের বিয়ে। বাড়ীতে অনেক লোকের সমাগম। হাসান বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান। তাই বাবা হামিদের ইচ্ছা অনুযায়ী জাঁকজমক করে বিয়ে দিবে। সে ভাবেই হাসানের বিয়ে হচ্ছে। বহুদনি আগের ঘটনা। দিনটি শবিবার ছিল। নতুন বউ আনা হলো বাড়ীতে। সবাই বাড়ীতে ব্যস্ত নতুন বউকে নিয়ে। নতুন বউয়ের সাথে কথা বলার মজাই আলাদা।
এদিকে হাসানের বাবা মা খুবই চিন্তায় পড়ে গেল। ছেলে ঘুম যাওয়ার পূর্বে একাকি অন্ধকারের মধ্যে হাঁটার অভ্যাস আছে। না জানি আজ রাতে কি ঘটে ! হাসানকে বহুবার জিজ্ঞেস করেছে সে ঘুমাবার পূর্বে হাঁটতে হাঁটতে কোথায় যায় ? কিন্তু সে ব্যাপারটি এড়িয়ে চলে সব সময়। তাই হাসানের মা... continue reading

৫৩৬

আসাদুস জামান বাবু

৫ বছর আগে লিখেছেন

পেতআত্মা

 
 
পেতআত্মা
 
॥ আসাদুস জামান বাবু ॥
 
মানুষের জীবনে প্রতিটি মুহুত্বে কিছু না কিছু অদ্ভূত ঘটনা ঘটে, যা কেউ দেখতে পায় আবার কেউ দেখতে পায়না। মাঝে মাঝে  এই অদ্ভূত ঘটনা ঘটলেও তা বাস্তবিক বলে প্রমাণিত হয় না। তবে বর্তমান অত্যাধুনিক যুগে সচরাচর এসব ঘটনা দেখা যায় না। বহুদিন আগে ভূত, পেতœী, জ্বিনের আর্বিভাব ছিল সেটা সত্য। এখনো কোন না কোন ভাবে আমাদের সামনে এসব আসে কিন্তু আমরা বুঝতে পারিনা।
 
তো যাই হোক আমার এই ভূতের গল্পে মূল নায়িকা হচ্ছে মৌসুমী আক্তার। সে ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজে ইংরেজি বিভাগের ৩য় বর্ষের ছাত্রী। খুবই সুন্দরী... continue reading

৬৪৫

জাবেদ ভুঁইয়া

৫ বছর আগে লিখেছেন

ঘাসফড়িংয়ের দেশে

 
 
কুয়াশা ঢাকা সকালে বারান্দার দুটো সিঁড়ি টপকে যেই খুকু একটা লম্বা লাফ ফেলেছে অমনি যেন সে কুয়াশার মধ্যে হারিয়ে গেল।
ওর মনে হল ও বাতাসে ভাসছে। সামনে কুয়াশা ,পেছনে কুয়াশা , ডানে বায়ে সব দিকে কুয়াশা। সাদা ফকফকে কোন মখমলের চাদরে তাকে জড়িয়ে যেন কোথায় নিয়ে যাচ্ছে ওকে।
খুকু কিন্তু ভয় পেলনা। ও ভারি সাহসী। বাবা , মা রোজ দেড়ি করে অফিস থেকে ফিরে। কোনদিন রাত দশটা আবার কোনদিন এগারোটা। বুয়া হা হয়ে টিভিতে সিরিয়াল দেখে। খুকু তখন রুমে একা বসে পড়ে। পড়া শেষ হলে বাতি নিভিয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। একটুও ভয় পায়না।
মখমলের মত সাদা... continue reading

৪৮০

লুব্ধক রয়

৫ বছর আগে লিখেছেন

সোনাবউ

বাংলাদেশের প্রায় বেশির ভাগ এলাকাতেই এক সময় সোনাবউ নামের এই পাখিদের দেখা যেত। এখন সিলেট এবং চট্টগ্রামের পাহাড়ি এলাকা ছাড়া অন্য কোথাও এদের খুব একটা দেখা যায় না। বেনেবউ-এর সঙ্গে সোনাবউ-এর স্বভাবের ফারাক খুব কম। শুধু রঙ দেখেই এ দুটি পাখিকে আলাদা করা যায়। 
পুরুষ সোনাবউয়ের গায়ের রঙ উজ্জ্বল সোনালি হলুদ। ঠোঁটের গোড়া থেকে একটি টানা কালো দাগ চোখের উপর দিয়ে চলে গেছে কান পর্যন্ত। দেখলে মনে হয়, কাজলটানা দুটি চোখ। ডানার পালক ও লেজ কালো। অন্যদিকে মেয়ে সোনাবউয়ের গায়ের উপরের অংশ সবুজাভ হলুদ। পেটের হলুদ অংশটা একটু ফিকে-হয়ে-আসা। ডানার পালকের ডগায় সবুজাভ হলুদ রং থাকে। আর ঘাড়ে আছে... continue reading

১১৬৪