"শিশুকিশোর" বিভাগের পোস্ট ক্রমানুসারে দেখাচ্ছে

রোদের ছায়া

৫ বছর আগে লিখেছেন

দেশি ফলে বেশি মজা

পরীক্ষাতে কি ফল হল
ব্যাগের ভিতর থাক
বাংলাদেশের ফলের কথা
এবার বলা যাক
 
গ্রীষ্ম হল ফলের ঝুড়ি
মধুমাস তার নাম
আম পাবে কাঁঠাল লিচু
আরও পাবে জাম
 
বেল, তরমুজ,বাঙ্গি, ফুঁটি
পাকা পেঁপের ভার
গ্রীষ্ম বেজায় কাবু থাকে
কুঁজো থাকে ঘাড়
 
বর্ষা হল রসে ভরা
আনারসের কাল
পেয়ারা আর আমড়া
ছাড়াও পাবে কচি তাল
 
শীতকালটাও ফলের মেলা
কমলা ,ডালিম, আপেল
নানা রকম কুলের সাথে
জলপাই,  কতবেল ।
 
দেশি ফলে আছে নানা
রোগ প্রতিরোধ গুণ
মজার এসব ফল খেয়ে
কাটুক জীবন ।
continue reading

২৩ ৪২৮

আসাদুস জামান বাবু

৫ বছর আগে লিখেছেন

কালো ভূত

 
এই রতন .........রতন, কি হয়েছে তোর। এভাবে কেন জানালার পাশে বসে মাথায় হাত দিয়ে কি চিন্তা করছিস? রতনকে এভাবেই ডাকছিল তার সব থেকে প্রিয়বন্ধু রকি। রতন ও রকি খুব কোজ বন্ধু। তারা দুইজনে কাস সেভেনে পড়ে। তাদের চাল চলন, উঠন বসন সব একই। তাই দুজনের মধ্যে খুব মিল।
রকি বার বার ডাকা শর্তেও রতন কোন জবাব দিচ্ছিল না। সে ভাবছে কয়েকদিন ধরে দেখছি। কারো সাথে কথা বলছে না। সব সময় একা একাই থাকছে। আমাকেও কিছু বলছেনা। স্কুলের টিফিনের ফাকে সবাই মাঠে খেলা করছে। আর সে কিনা বসে বসে চিন্তা করছে।
রকি রতনের কাছে গেল। কি হয়েছে দোস্ত তোর?... continue reading

৫০২

আসাদুস জামান বাবু

৫ বছর আগে লিখেছেন

পেত্নী

 
ছোট বেলায় গ্রীষ্মের ছুটিতে নানার বাড়িতে বেড়াতে গেলাম। আমার নানা বাড়ি সেতাবগঞ্জের চাপাইতোরে। সে অনেকদিন হল । চারদিক শুধু বন  জঙ্গল । বনে দেখা যেত বন মুরগি , খরগোশ , শিয়াল , খেঁক শিয়াল , ডাহুক আর হুতুম পেঁচা ! আরও কত কি ! রাতে শিয়ালের  “হুক্কা হুয়া ” ডাক শুনলেই নানী বলতেন এই তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড় । সকাল হলে আবার শিয়াল “ হুক্কা হুয়া ” বলে তোদের ঘুম থেকে ডেকে দিবে । নানীর কথা শুনে আর শিয়ালের “ হুক্কা হুয়া”  ডাক শুনতে শুনতে ঘুমিয়ে পড়তাম । তখন ছিল জ্যৈষ্ঠ মাসের শেষের দিকে। নানাবাড়িতে মধুমাসের আম, কাঁঠাল ও লিচু খেতে যে কি আনন্দ... continue reading

১৭ ৭৯৩

জাবেদ ভুঁইয়া

৫ বছর আগে লিখেছেন

তেনারা

 
 
স্কুলে ছুটি পড়ায় ফুকলো দাদুর ঘরে রোজ টুকলোরা গল্প শুনতে যায়। দাদুর একটা দাঁতও নেই। কথাও কেমন ফুকফুকে ফুস !ফুস ! করে বেরোয়। তাই দাদু যখন রাজকুমার আর রাজকন্যার গল্প বলতে থাকেন ,তখন টুকলো মন সেখানে বসে না। তাও ও রোজ ছেলেদের সাথে দলবেঁধে আসে। আসারও কারণ আছে। দাদুর ঘরে রাজ্যের যত পুরনো জিনিস ! কারুকাজ করা জমিদারী খাট, পুরনো ইয়া পুরু নানা রঙের কাঁচের শিশি আর একটা মস্ত আলমারি ঘরে একপাশটায় কাই হয়ে দাড়িয়ে আছে। কালো কুচকুচে ,তেল চিটচিটে আলমারিটায় কি আছে কে জানে ? প্রায়ই খুকু কোমরে দু হাত দিয়ে আলমারিটায় সামনে গিয়ে দাড়ায়। আবছা... continue reading

৬৮০

জাবেদ ভুঁইয়া

৫ বছর আগে লিখেছেন

ক্ষুদ্র গল্পঃ বাবুর স্বপ্নসমূহ

 
 
বাবু পিচ্চি হলেও তার এক একটা স্বপ্ন ইয়া বড় বড়। একবার তার খুব জ্বর হয়েছিলো আর ডাক্তার তাকে দিয়ে গেলো বিদঘুটে তেতো এক ঔষুধ। সেই থেকে তার স্বপ্ন দাড়ায় সে বড় হয়ে সব ঔষুধকে দই বানিয়ে ফেলবে। কারণ বাবুর কাছে দইটাই হচ্ছে প্রিয় খাবার।
আরেকবার স্কুলে বজলুর রহমান স্যার ওকে পড়া না পাড়ায় পুরো ক্লাস কানে ধরিয়ে হাইবেঞ্চে দাড় করিয়ে রেখেছিলো। সেদিন বাবু ভাবে সে বড় হয়ে প্রধানমন্ত্রী হয়ে এমন নিয়ম চালু করবে যে , ছাত্ররা পড়া না পারলে স্যারেরা কান ধরে হাইবেঞ্চে দাড়িয়ে থাকবে। তখন দেখবে মজা।
সামনের রোববার উত্তরপাড়ার স্কুলের সাথে বাবুদের স্কুলের... continue reading

১২ ৫৯৭

আসাদুস জামান বাবু

৫ বছর আগে লিখেছেন

ভূতুরে গোরস্থান

গ্রামের সরল মনা ছেলে নাজমুল, সে বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান। কাস নাইনে লেখাপাড়া করে। তার বাবা কৃষির পাশাপাশি ছোটখাটো ব্যবসা করেন। তার বাবার নাম কলিমুলাহ। অভাবের সংসার। একদিন নাজমুল স্কুল  থেকে ফিরল বিকেল ৪ টার দিকে। বাড়ীতে ফিরেই  বই খাতা রেখে খেলতে বের হলো। তাদের বাড়ীর কাছেই একটি মাঠ আছে, সে মাঠে এপাড়ার ওপাড়ারসব ছেলেরা ফুটবল খেলে। সে দিনটি ছিল বৃহস্পতিবার হাটের দিন। তাই নাজমুলের বাবা ধান কেনা বেচা নিয়ে বাজারে খুব ব্যস্ত ছিল। নাজমুলের বাবা বাজার শেষে বাড়ী ফিরল । বাড়ীতে গিয়ে তার স্ত্রী আখলেমাকে বলল নাজমুলকে ওই ধান কাটা শ্রমিকের বাড়ীতে মজুরীর টাকা দিয়ে আসার জন্য পাঠাতে বলেছিলাম।
-... continue reading

১১ ৫৬১

তাপস কিরণ রায়

৫ বছর আগে লিখেছেন

তোতন ও প্রজাপতি (শিশুকিশোর কবিতা)

তোতন কি জানে,ফুলের বাগানে
ফুলের কি হয় শোভা !
ফুলের সে মেলা, রঙের সে খেলা,
দেখে হতবাক,বোবা !
 
চামেলি,গোলাপ,জুঁইয়ের ঝাঁপ,
রজনীগন্ধা,গন্ধরাজ,
গেঁদা,দোপাটি,সব পরিপাটী !
মধুপেরা সেজেছে সাজ। 
 
দেখে মুগ্ধ তোতন,জুড়ায় প্রাণ মন,
ছুটে ছুটে দেখে সে বাগান,
মৌমাছি,প্রজাপতি,বড় দুষ্ট মতিগতি,
মুখে লাগা গুন গুন গান !
 
তোতনের ইচ্ছে, বলো তো কি হচ্ছে ?
ধরবে সে প্রজাপতি,
বারবার ছোটে,পারে না কো মোটে--
ও যে ওড়ে এতিউতি।
 
পাখনায় তার,কত রং বাহার!
সাত রঙা রামধনু,
লাল,নীল,সবুজ,কত যে অবুঝ !
তার সুকোমল তনু ।
 
সে গেলো জিতে,ধরল ও মুঠিতে
সেই প্রজাপতিটিকে ,
সে কি তার আনন্দ,পায়ে নিয়ে ছন্দ,
ছোটে বন্ধুদের দিকে।
 
বন্ধুরা উচ্ছলে,তোতনকে বলে,
মরে গেছে প্রজাপতি,
তোরই এ কাজ,মেরে দিলি আজ,
ও কি করে ছিল ক্ষতি ?
 
তোতন দেখে,একি ! ও পড়ে গেল দেখি !
ও চায়নি মারতে ওকে ,
কেন ও উড়ল না !আকাশটা ঘুরলো না !
কেন ঢলে গেল মৃত্যুর বুকে ?
 
সত্যি হোল তাই, প্রজাপতি নাই,
সে যে একেবারে গেছে মরে,
দু হাত ব্যাপে,মুষ্টি ধরে চেপে,
কি ভুল করেছে ওকে ধরে !  
 
কাঁদে তোতন, কাঁদে ওর মন
সে চায় নি মারতে তাকে,
ও তো জানত না,পায় না সান্ত্বনা ,
আবাধ কান্নায় মুখ ঢাকে ।। continue reading

১৮ ৫০৮

ফেরদৌসী বেগম ( শিল্পী )

৫ বছর আগে লিখেছেন

গাছের শিকড়ের মতই যেন মানুষের জীবনটা !!

 
আমার ছোট ছেলে অসি, পাঁচ বছর বয়স তখন, মাত্র প্রি-কিন্ডারগার্টেনে দিয়েছি।  অসি এবং আমার মেঝু ছেলে শাওন দুজনকে স্কুল থেকে নিয়ে এসে সোফায় একটু বসতেই দরজায় কলিং বেল বেজে উঠে। অসি তখন "ভাইয়া এসেছে, ভাইয়া এসেছে" বলতে বলতে দৌড়ে গিয়ে দরজা খুলতেই আমার বড় ছেলে অণি এসে ঢুকলো। অণিকে ঘেমে একাকার অবস্থা দেখে, আমি ওকে জিজ্ঞেস করলাম--
আমিঃ  কিরে বাবা, তোর এই অবস্থা কেন?
অণি-   বাহিরে খুব গরম আম্মু !!      
আমিঃ   কেন, স্কুল বাসে কি এসি ছিলনা?
অণি-   ছিলো তো। বাস থেকে নেমে বাসায় আসতে, এইটুকুতেই এক্কেবারে ঘেমে গিয়েছি। অনেক অনেক গরম বাহিরে।
আমিঃ  এই জন্যইতো আমি গাড়ি দিয়ে নিয়ে আসতে চাই তোকে, কিন্তু তুই... continue reading

২৬ ৯৪৭

আসাদুস জামান বাবু

৫ বছর আগে লিখেছেন

পুকুরপাড়ে ভূত

প্রচন্ড শীত পড়েছে , বাইরে অনেক কুয়াশা। কিছুই দেখা যাচ্ছে না। আর এই শীতে “ কবি গান” শুনতে গিয়েছিল সুমন। সুমন বড়ই দুষ্ট ছেলে। লেখাপড়া বাদ দিয়ে গ্রামের কোথায় গান, বাজনা হচ্ছে, কোথায় জুয়ার আসর বসেছে, এগুলো দেখে শুনে বেড়াতো। আর এদিকে সুমনের মা ফরিদা ভাবছে, ছেলেটার সারাদিন কোন খোঁজ নেই। বাপ মরা ছেলেটি বড্ড অসহায়। তার একমাত্র সম্বল এই ছেলেটা। ছেলেটা ইদানিং খুব বদমাইশ হয়েছে।  মায়ের কথা শুনেনা। পাড়ার মুরব্বীদেরও সম্মান করেনা।
একদিন সুমন রাতে একা একাই “ কবি গান ” শুনতে গিয়েছিল। কবিগান শেষ হতে  রাত ২ টা বেজে গেছে। তাই রাস্তা ঘাটে কোন মানুষ জনও নেই। সুমন কোনদিন... continue reading

৪৫৬

Milan Banik

৫ বছর আগে লিখেছেন

অনাথ রাজা

অনাথ রাজা
মিলন বনিক
আজ রাজার মন খারাপ।
সকাল থেকে গোঁ ধরে বসে আছে। কিছুই বলছে না। তিন নম্বর বেডের রোগী কত করে ডাকছে। কাকুতি মিনতি করছে। বার বার বলছে, আইজ আমাগো রাজার কি হইলো। গোস্ সা করছে ক্যান। অ রাজা, ভাই আমার, আমারে একটু ধইর‌ রইদে বসাইয়া দে। বেলা দশটা বাজে। পোলাডা আইজও আইল না। বয়স হইছে। পোলার সংসার বাড়ছে। অহন আর বুড়া মায়ের খবর কেডা লয়। অ নানু ভাই, আমার রাজা। তরে এখকান আপেল খাইতে দিমু। আমারে একটু ধইর‌ খালি রইদে বসাইয়া দিবি।
 
রাজা তেমনি নিশ্চুপ। দুই নাম্বার ওয়ার্ডের গেইটম্যানের ছোট কাঠের টুলে বসে আছে... continue reading

১৩ ৬৬৭