"শিশুকিশোর" বিভাগের পোস্ট ক্রমানুসারে দেখাচ্ছে

চারু মান্নান

৫ বছর আগে লিখেছেন

লাল ফড়িং এর ডানায় ভুতু সোনা

ইট সুরকির নগর জুড়ে
ইট সুরকির নগর জুড়ে
মাটির গন্ধ কই?
রৌদ্র তাপে শুকিয়ে যায়
জলের ঘ্রাণ নাই
স্বপ্ন আঁকা পথ বাহারি
গলছে পথের পিচ
নগরজুড়ে থৈ থৈ মানুষ
মাখছে রোদের বিষ
রং মাখানো জল পানে
তরমুজ রসে বিষ
ক্ষুধা তাপে মরছে মানুষ
কলেরা ডায়রিয়া মিক্স
১৪২১@ ১৪ বৈশাখ, গ্রীষ্মকাল।
continue reading

৪৪১

hasan milu

৫ বছর আগে লিখেছেন

শিশুদের যে ১২টি নাম নিষিদ্ধের তালিকায়

কোলজুড়ে ফুটফুটে বাচ্চাটি আসামাত্রই তার সুন্দর একটি নাম খুঁজতে বাবা-মা থেকে শুরু করে নানু-দাদুরা পর্যন্ত ব্যস্ত হয়ে পড়েন। সবার পছন্দে নামের তালিকা নিয়ে তার পর চলে গবেষণা। কিন্তু জার্মানিতে নামের তালিকাটি কিন্তু ইচ্ছেমতো বানানো যায় না। এই দেশটির পাশাপাশি ইতালি এবং সুইডেনসহ বেশ কয়েকটি দেশেই শিশুদের যেমন খুশি তেমন নাম রাখার কোনো উপায় নেই। বেশ কয়েকটি দেশের আবহে শিশুদেরকে নামঘটিত অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে বাঁচাতে এবং তাদের জন্য সুন্দর ও কোমল নামের জন্য এই ধরাবাঁধা নিয়ম দেওয়া হয়েছে। এমন ১২টি নাম রয়েছে যা বিভিন্ন দেশে শিশুদের জন্য রাখা রীতিমতো নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
১. অ্যান্ডারসন
জার্মানিতে কোনো বাচ্চার ডাকনামে অ্যান্ডারসন রাখা যাবে... continue reading

৪৩৬

চারু মান্নান

৫ বছর আগে লিখেছেন

লাল ফড়িং এর ডানায় ভুতু সোনা

বৈশাখের খরা রৌদ্র তাপে জোড়া
বৈশাখের খরা রৌদ্র তাপে জোড়া
নগর জুড়ে পুড়ছে দালান কোঠা,
স্কুল গমনে পুড়ছে ভুতুর সোনার গা
রোদের তেজে রং জুটেছে মাটি ফেঁটে হা।
শ্রমিক ঘামে তেঁতে বৈশাখী রোদে
ফুটপাতের পলির ঘর গাছতলার ফাঁদে,
বৃষ্টি আসুক একপশলা চাইছে মনে প্রাণে
মেঘবালিকা পালিয়ে বেড়ায় রৌদ্রে পোড়ার ভয়ে।
দিগন্তে ঐ মেঘ লুকিয়ে করছে সমনজারি
ঈশান কোণে মেঘ বালিকা অগ্নিমূর্তি ধরে,
আঁধার করে বইল বাতাস মেঘ আসছে ধেয়ে
বাতাস গায়ে স্বস্তি নগর বৃষ্টির ফোটা না পেয়ে।
১৪২১@১৩ বৈশাখ, গ্রীষ্মকাল।
continue reading

৪৩৪

তৌফিক মাসুদ

৫ বছর আগে লিখেছেন

পিঁপড়া বিদ্যা

পট্ট চার বছর বয়সী ছোট্ট একটি ছেলের নাম। মাস কয়েক আগেই সে বুঝতে শিখেছে কিভাবেতার চারপাশের প্রাণী কিংবা বস্তুর সাথে খেলা করতে হয়। বাসায় তার সাথে খেলবার মত বাচ্চা বয়সী কেউ নেই। তার উপরে প্রায় প্রতিদিনই তার বাবা মা ঝগড়া করে। বাবা প্রায়ই মাকে ধরে পেটায়। তাই এই সময়টাকে পট্ট ভয় পেত। প্রথম প্রথম সে মাকে বাঁচানোর চেষ্টা করত। তার আবদার কাজেও দিত। কিন্তু এখন আর সে আবদারে কোন কাজ হয়না।কারণ বাবা আগের মত তাকে আর ভালবাসে না।  তাই সে এই বিরক্তিকর সময়টুকু বারান্দায় বসে কাটাতো। কিন্তু সময় কাটাতে কিছু একটা তো করা চাই। তার কিছু করার প্রচেষ্টা থেকে সে... continue reading

৬৩১

তৌফিক মাসুদ

৫ বছর আগে লিখেছেন

পিঁপড়া বিদ্যা

পট্ট চার বছর বয়সী ছোট্ট একটি ছেলের নাম। মাস কয়েক আগেই সে বুঝতে শিখেছে কিভাবেতার চারপাশের প্রাণী কিংবা বস্তুর সাথে খেলা করতে হয়। বাসায় তার সাথে খেলবার মত বাচ্চা বয়সী কেউ নেই। তার উপরে প্রায় প্রতিদিনই তার বাবা মা ঝগড়া করে। বাবা প্রায়ই মাকে ধরে পেটায়। তাই এই সময়টাকে পট্ট ভয় পেত। প্রথম প্রথম সে মাকে বাঁচানোর চেষ্টা করত। তার আবদার কাজেও দিত। কিন্তু এখন আর সে আবদারে কোন কাজ হয়না।কারণ বাবা আগের মত তাকে আর ভালবাসে না।  তাই সে এই বিরক্তিকর সময়টুকু বারান্দায় বসে কাটাতো। কিন্তু সময় কাটাতে কিছু একটা তো করা চাই। তার কিছু করার প্রচেষ্টা থেকে সে... continue reading

৫২৫

চারু মান্নান

৫ বছর আগে লিখেছেন

লাল ফড়িং এর ডানায় ভুতু সোনা

কাল বৈশাখী এল
কাঠবিড়ালীর ভরদুপুরে,
ছোটাছুটি
টোনাটুনি নাচে দ্যাখো,
তিড়িংবিড়িং
ভ্রমর গানে ছুটছে পিছে,
হাওয়া।
কাল বৈশাখী এল
তেড়ে,
ধুলায় ঝড় গায়ে
মেখে,
ছুটছে পানে আগন্তক ঐ
বিমর্ষ বদন।
ছিটে ফোটা বৃষ্টির
ঘ্রাণ,
সোদা মাটির গন্ধে
বান,
উঠল ফুঁসে ঈশান
কোণে
ভয়ঙ্কর ঐ দুরন্ত
প্রতাপ।
১৪২১@ ১০ বৈশাখ, গ্রীষ্মকাল।
continue reading

৪৩৭

চারু মান্নান

৫ বছর আগে লিখেছেন

লাল ফড়িং এর ডানায় ভুতু সোনা

বৃষ্টি সখির দেখা কই?
বৈশাখের খরা বিষণ্ন দুপুর
কৈশর জটলা আম তলায়,
সজনে ডালে চিল বসেছে
ধরবে ছানা উঠন তলে।
বাঁশ ঝাড়ের মাথায় বসে
সাদা বক দোল খায়,
চুন মাখা কুমড়ার গা
হাসছে দ্যাখো উনুন চালে।
ঈশান কোণে মেঘ জমেছে
মেঘ বালিকা এলো ঐ
দুপুর গড়িয়ে বিকেল গেল
বৃষ্টি সখির দেখা কই?
১৪২০@৭ বৈশাখ, গ্রীষ্মকাল।
continue reading

৪৩২

চারু মান্নান

৫ বছর আগে লিখেছেন

লাল ফড়িং এর ডানায় ভুতু সোনা

ভুতুর পুষির রাগ গলেছে
মাছ ধরতে নেইনি সাথে
সারা দেয় না রেগে,
ভুতুর পুষি ভুতু সাথে
আঁড়ি দিয়েছে লাজে।
মাছের ডালায় গন্ধ শুকে
চোখ যে ছানাবড়া,
লেজ উঁচিয়ে ডাকে মিউ
মাছ ভাজায় গন্ধহরা।
সাত সতের দেখে ভুতু
আঁড়ি যায়রে টুটে,
ভুতুর পুষির রাগ গলেছে
ভাজা মাছ চেটে।
১৪২১@৬ বৈশাখ, গ্রীষ্মকাল।
continue reading

৪৪৫

mottakin H abdus sattar

৫ বছর আগে লিখেছেন

এক মহিলার চিটি

অল্প পড়োয়া এক মহিলাতার প্রবাসী স্বামিীকে একটা চিটি লিখল। আসলে তার দাড়ি কমার প্রতি কোন ঙ্গান নেই। চিটিটা এ রকম “ওগো সারাটি জীবন তুমি বিদেশেই কাটাইলে এই ছিল। তোমার কপালে আমার পা। আরো ফুলিয়া উটিছে উটানটা। জলে ডুবিয়া গেছে ছোট খোকা। স্কুলে যাইতে চায়না ছাগলটা। শুধু ঘাস খাইয়া ঝিমাইতেছে তোমার বাবা। পেটের অসুখে বুগিতেছে বাগানটা। আমে ভরিয়া গিয়াছে ঘরের ছাদ । স্থানে স্থানে ফুটা হইয়া গিয়াছে গাভীর পেট। দেখে মনে হয় বাচ্চা দিবে করিমের বাপ। রোজ দুই সের করিয়া দুধ দেয় বড় বউ। রান্না করিতে গিয়া হাত পোড়াইয়া ফেলেছে কুকুর ছানা। সারাদিন লেজ নাড়াইয়া খেলা করে বড় খোকা। দাড়ি কাটিতে... continue reading

৬৭৩

চারু মান্নান

৫ বছর আগে লিখেছেন

লাল ফড়িং এর ডানায় ভুতু সোনা

ভুতুর পুষির পণ
ভুতুর পুষি কোমর বেঁধেছে
হাঁটবে বরফ পথে,
হিমালয়ের চূড়ায় উঠবে নাকি?
পণ করেছে বসে।
ভুতুর পুষির বন্ধু নিকি
যাচ্ছে একই দলে,
জোগাড় জানতি দেখে ভুতু
মুচকি মুচকি হাসে।
বলল ভুতু নিবি আমায়
বরফ জয়ের মাঠে,
তোদের পিছে আমি ও না হয়!
ঘুরবো বরফ দেশে।
১৪২১@ ৪ বৈশাখ, গ্রীষ্মকাল।
continue reading

৫১১