"রাজনীতি" বিভাগের পোস্ট ক্রমানুসারে দেখাচ্ছে

মোঃ মাহবুবুল আলম

৪ বছর আগে লিখেছেন

থামাও তোমার মানুষ পুড়িয়ে হত্যার পৈশাচিকতা

সর্বশেষ বিএনপি-জামায়াতের পেট্রোল বোমার আগুনে পুড়ে কয়লা হয়ে প্রাণ হারালো আরও ৭জন নিরীহ সাধারণ মানুষ। পুড়ে দগ্ধ হয়ে হাসপাতালের বিছানায় মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে আরো বেশ ক’জন হতভাগ্য বাসযাত্রি। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ থেকে জানা গেছে, গতকাল ৪ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লায় আইকন পরিবহনের যাত্রীবাহী একটিনৈশকোচে পেট্রোবোমা হামলায় ৭ যাত্রী নিহত হয়েছে। এতে দগ্ধ ও আহত হয়েছেকমপক্ষে ৩০ জন। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ থেকে জানা গেছে, কক্সবাজার থেকে ছেড়ে আসাঢাকাগামী আইকন পরিবহনের একটি নৈশ কোচ (ঢাকা মেট্রো-ব-১৪-৪০৮০) মঙ্গলবার ভোরসাড়ে ৩টার দিকে চৌদ্দগ্রামের মিয়াবাজারসংলগ্ন জগমোহনপুর নামকস্থানেপৌঁছলে বিএনপি-জামায়াতের মানুষখেকো পিশাচরা বাসটি লক্ষ্য করে পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করে। এতে বাসটিরভেতরে-বাইরে দাউদাউ করে আগুন জ্বলে ওঠে।... continue reading

৩৮১

রাজু আহমেদ

৪ বছর আগে লিখেছেন

দু’দলের লড়াইয়ে পিষ্ট সাধারণ মানুষ

কাগজে-কলমে বাংলাদেশে বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থা বিদ্যমান । তবে বাস্তবতায় দ্বি-দলীয় ব্যবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়া এখনও সম্ভব হয়নি । স্বাধীনতার পর থেকেই দেশের রাজনৈতিক দলগুলো আঁকাবাঁকা পথ পাড়ি দিলেও মূলত সব দলগুলো ভাগ হয়ে দেশের দু’টো বৃহত্তর রাজনৈতিক দলে মিলিত হয়েছে । সাধারণ শ্রেণীর সমর্থনও দু’টো বৃহৎ দলের বাইরে খুব বেশি যায়নি । উত্তরাধিকার সূত্রেই আওয়ামীলীগ এবং বিএনপি নির্দিষ্ট সংখ্যক এবং স্থায়ী জনসমর্থন পেয়েছে । যা সময়ের বিবর্তনে দু’টো দলকেই ক্ষমতায় তুলতে অনবদ্য ভূমিকা পালন করেছে । আওয়ামীলীগ এবং বিএনপি ছাড়া দেশের নিবন্ধিত ৪০টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে সাবেক স্বৈরশাসক এইচ এম এরশাদ সৃষ্ট বর্তমান সংসদের বিরোধীদল জাতীয় পার্টি এবং বাংলাদেশ জামাআত... continue reading

৩২৫

ইমরুল কাওসার ইমন

৪ বছর আগে লিখেছেন

বাংলাদেশ পারেনি ৩৪ বছরেও থাইল্যান্ডে মেট্রোরেল হয়েছে মাত্র ৯ বছরে

ব্যাংকক, থাইল্যান্ড থেকে ফিরে ইমরুল কাওসার ইমন : পৃথিবীর সব বড় বড় শহরে নাগরিক সুবিধার কথা বিবেচনা করে নির্মাণ করা হয়েছে স্কাইট্রেন। থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে স্কাইট্রেন নির্মাণ শুরু হয় নব্বই দশকে। ন’বছর দীর্ঘ নির্মানযজ্ঞ শেষে ৫ ডিসেম্বর ১৯৯৯ সালে প্রথম থাই রানী মাহা চাকরি শ্রীধরন স্কাইট্রেনের উদ্বোধন করেন। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের ৪৩ বছর পার হয়ে গেলেও আমাদের মোট্রোরেল নির্মাণের পরিকল্পনার পরী উড়ে গেছে আর কল্পনা রয়ে গেছে। আশির দশকে প্রেসিডেন্ট এরশাদের সময় সর্বপ্রথম এর উদ্যোগ নেওয়া হয় কিন্তু বার বার রাজনৈতিক কারণে এটি আর বাস্তবায়নের মুখ দেখেনি।    এবিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বললে... continue reading

৪৪২

বাসুদেব খাস্তগীর

৪ বছর আগে লিখেছেন

সমসাময়িক প্রসঙ্গ-পথভ্রষ্ট, নীতিহীন রাজনীতি? (প্রতিযোগিতা ক্যাটাগরী -৩)

মানব কল্যানেই তো রাজনীতি।দেশেদেশে তা আমাদের চোখে দেখা একটি বিষয়। এর মধ্যেই আমাদের বেড়ে উঠা এবং জাতি সত্তার বিকাশ ।কিন্তু সেই রাজনীতি আজ আমাদের কোথায় নিয়ে যাচ্ছে?আমদের ভবিষ্যৎ বংশধরদের কাছে রাজনীতি ক্রমেই হয়ে উঠছে আতংক ও ভীতির বিষয় হিসাবে।
রাজনীতির নিগুঢ় অর্থ বড়ই ব্যপক।রাজনীতি একটি দেশকে গতিময়তা দান করে।রাজনৈতিক কর্মকান্ড দেশের  উন্নয়ন ও সমৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করে।যদি সে রাজনীতি হয় সুস্থ ও সুন্দর ধারার রাজনীতি।আমাদের দেশের বর্তমান রাজনৈতিক সংস্কৃতি দেখে আমরা দিনদিন রাজনীতির প্রতি রীতিমত ভীতিশ্রদ্ধ হয়ে পড়ছি। এই যদি হয় রাজনীতি তাহলে মানুষ এই রাজনীতি নিশ্চয়ই কামনা করেন না।এদেশ স্বাধীন হওয়ার পিছনে ও ছিলো দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের ইতিহাস। স্বাধীন রাষ্ট্র... continue reading

৪২৮

রাজু আহমেদ

৪ বছর আগে লিখেছেন

দক্ষ ও নিরপেক্ষ চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অনুপস্থিতির গচ্ছা দিচ্ছে দেশ

রাজনৈতিক আদর্শের বিবেচনায় দেশের গোটা জনসমষ্টির সমর্থন দু’টো অংশে বিভক্ত । তবে আওয়ামীলীগ এবং বিএনপি সমর্থকের বাইরেও দেশের জনগণের একাংশের সমর্থন রয়েছে গোটা কয়েক ক্ষুদ্র রাজনৈতিক দলের ওপর । তবে সে সকল রাজনৈতিক দলগুলোও বিএনপি কিংবা আওয়ামীলীগের সাথে সরাসরি জোটবদ্ধ কিংবা আদর্শের প্রশ্নে এদের সাথে একতাবদ্ধ হওয়ায় আওয়ামীলীগ এবং বিএনিপিকেই মূল শক্তিশালী রাজনৈতিক দল হিসেবে বিবেচনা করা হয় । দেশের সকল শ্রেণী-পেশার মানুষ এ দু’ই দলের সমর্থনে পরস্পরের সাথে প্রতিযোগীতায় লিপ্ত । রাজনৈতিক এ বিভক্তির যেমন সূফল আছে তেমনি কূফলও অনেক । চরম দলীয়করণের তেমন একটি কূফলের গচ্ছা দিচ্ছে দেশ । গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক সুষ্ঠু বিকাশের স্বার্থেই দেশে কিছু নিরপেক্ষ... continue reading

৩০১

রুদ্র আমিন

৪ বছর আগে লিখেছেন

পাপ ঘৃণা এবং পাপী (প্রতিযোগিতা ২০১৫, পর্ব - ২, ক্যাটাগরি - ৩)

যদি মৃত ব্যক্তিকে চড় মারলে কিংবা লাথি মারলে ব্যথা অনুভব করত তাহলে শাস্তি কামনা অবশ্যই করতাম।  অপরাধির শাস্তি কে না চায় ?  তার জন্য অবশ্যই শাস্তি কামনা করেছি, এমন কি এখনও যারা আছেন তাদের সবার শাস্তি কামনা করি। যারা দেশদ্রোহী রাষ্ট্রদ্রোহী জনগণের শত্রু তাদের শাস্তির জন্য প্রার্থনা করি। শুধু একজন কেনো আনাচে কানাচে এখনও যারা বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়ায় সবার শাস্তি কামনা করি। হাতে গোনা পাচঁ জন কি যুদ্ধাপরাধী বাংলাদেশের.........?
 
যদি ধর্মের কথা বিশ্বাস করি, ধর্মকে ভয় করি তাহলে মৃত ব্যক্তিকে জুতা মারা এই কাজটি আমি ব্যক্তিগত ভাবে মনে করি ঠিক হয়নি......মূর্তিকে কিল ঘুষি মারলে কি প্রতিবাদ করতে... continue reading

২২ ৫১০

রাজু আহমেদ

৪ বছর আগে লিখেছেন

রাজনৈতিক অস্থিরতা কেড়ে নিচ্ছে সকল স্তরের শান্তি-শৃঙ্খলা

মনে শান্তি না থাকলে যেমন দেহের কোন অঙ্গই স্বাভাবিকভাবে পরিচালিত হয়না তেমনি রাষ্ট্রযন্ত্রে শৃঙ্খলা না থাকলে রাষ্ট্রের অন্যান্য অঙ্গগুলোতে শৃঙ্খলা-শান্তি থাকে না । মনের সাথে যেমন দেহের বিভিন্ন অঙ্গ জড়িত তেমনি রাষ্ট্রযন্ত্রের সাথে সমাজ ও পরিবার ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কযুক্ত । দেহের একটি নির্দিষ্ট অঙ্গ আঘাতপ্রাপ্ত হলে মন নিশ্চল থেকে সে ব্যথা দূরীভূত করতে সচেষ্ট থাকে কিন্তু মনে যদি অশান্তি থাকে তবে দেহের কোন অঙ্গেই সতেজতা থাকেনা । রাষ্ট্রও ঠিক অনুরূপ । রাষ্ট্রযন্ত্রে যদি শান্তি-শৃঙ্খলা বিদ্যমান থাকে তবে সমাজ ও পরিবারে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় থাকতে বাধ্য । কখনো কখনো সামাজিক ও পারিবারিকভাবে অশান্তি ও বিশৃঙ্খলা দেখা দিলেও রাষ্ট্র নির্ভরতার সাথে সকল সমস্যা... continue reading

৩৩৭

Jubayer Suhan

৪ বছর আগে লিখেছেন

একজন সাধারণ মানুষের কথা

সবাইকে রোজ অফিস করতে হয়। শিক্ষক হওয়ার কারণে হরতাল হলে ক্লাস না নেওয়ার একটা অজুহাত পাই। নিজেকে বুঝাই যে আমার ছাত্র-ছাত্রীদের নিরাপত্তা আগে। কিন্তু অবরোধ হলে আবার ক্লাস চলে। বয়সের দিক দিয়ে পরিপক্ব হওয়া সত্ত্বেও রাজনীতির এই কূটনৈতিক শব্দগুলো বুঝতে শিখলামনা। 'হরতাল' ও'অবরোধ' কিসেরজন্য! এদের ভিতর মৌলিক পার্থক্য কি!! 
 
বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতনদের রোষের কারণে প্রতি দিন আমাকে ক্লাস নিতে ধানমণ্ডি থেকে বারিধারা যেতে হয়। রোষ না থাকলে হয়তো আগের মত কাকরাইলক্যা ¤পাসেই ক্লাস নিতে পারতাম। বাসা থেকে কাছে হত। মানসিক শান্তি থাকত আমার, আমার মায়ের, আমার স্ত্রীর। যেকোনপেশাতেইমানসিকশান্তিযেকিঅমূল্যতাবলেবোঝানোযায়না।নিজেরপেশারসমর্থনেযদিবলি, তাহলেবলতেহয়শিক্ষকদেরযদিছাত্র-ছাত্রীদেরনিজেরপুরোটাদেওয়ারইচ্ছাওথাকেতাহলেমানসিকশান্তিটাওপুরোটাথাকতেহবে।নতুবাকাজেআসবেউদাসীনতা।যারপ্রভাবপড়বেআমাদেরছাত্রছাত্রীদেরওপর।এখানেইহয়তোঅন্যপেশারসাথেআমাদেরপেশারপার্থক্য।আমাদেরউদাসীনতাভবিষ্যৎপ্রজন্মেরওপরপ্রভাবফেলে।
 
সেযাইহোক!!! বারিধারাযেতেহলেবাসেকরেইযাই।অনেকঅফিসগামীলোকেরসাথেবাসেউঠি।তাঁদেরউৎকণ্ঠাউদ্বেগশুনি।মিলাই।আমারস্ত্রী, আমারমায়েরওএদেরমতইউদ্বেগ।নিজেরসন্তান, নিজেরমানুষদেরনিয়েআমাদেরকিঅদ্ভুতপক্ষপাতদুষ্টতা।মাঝেমাঝেআমিভাবিযেমানুষেরএই'স্বার্থপরতা' কিমানুষেরস্বাভাবিকপ্রবণতা!! নাকিআমরাএটাদিনকেদিনঅর্জনকরেচলেছি।এইযেআমি, ক্লাসনেই,... continue reading

৫৩৫

রাজু আহমেদ

৪ বছর আগে লিখেছেন

আওয়ামীলীগের যে কথাগুলো ভূলে যাওয়া উচিত নয়

স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হতনা যদি শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম না হত । শেখ মুজিবুর রহমানও জাতীয় নেতা হতে পারত না যদি আওয়ামীলীগ নামের একটি রাজনৈতিক দল না থাকত । বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে দেশের প্রতিটি অর্জনে আওয়ামীলীগেরে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে । আওয়ামীলীগ ছাড়া বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস কল্পনাই করা যায়না । গণমানুষের হৃদয়ে বিশাল অংশ জুড়ে আওয়ামীলীগের অবস্থান যুগ-যুগান্তর জুড়ে । জাতীয় আশা-আকাঙ্খার প্রতিফলনে যে রাজনৈতিক দলটি স্বাধীনতার পর দীর্ঘ কয়েকবছর একছত্রভাবে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে সেটিও আওয়ামীলীগ । পাকিস্তান আমলে বাঙালীদের পক্ষে স্বার্থ আদায়ের সংগ্রামে আওয়ামীলীগ নেতা-কর্মীদের চরম অত্যাচার-নিপীড়ন সহ্য করতে হয়েছে । তবুও দেশের স্বার্থ রক্ষায়... continue reading

২৯৮

নূর মোহাম্মদ নূরু

৪ বছর আগে লিখেছেন

২৪ জানুয়ারি, ৬৯’র গণ-অভ্যুত্থান দিবসঃ ঐতিহাসিক এই দিনটিকে স্মরণ করছি গভীর শ্রদ্ধায়

আজ ২৪ জানুয়ারি, ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থান দিবস। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের এক তাৎপর্যপূর্ণ মাইলফলক। ১৯৬৬ সালে পাকিস্তানের শাসন, শোষণ ও বঞ্চনা থেকে বাঙালি জাতিকে মুক্ত করতে ঐতিহাসিক ছয় দফা ঘোষণা করেন বঙ্গবন্ধু। এতে স্বাধিকার আন্দোলনের গতি তীব্র হলে পাকিস্তানিরা একে নস্যাৎ করতে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা করে। পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠী বাঙ্গালীর স্বাধিকার আন্দোলনকে নস্যাত করার হীন উদ্দেশ্যে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে বঙ্গবন্ধুকে বন্দি করে। এ মামলার বিরুদ্ধে দেশব্যাপী ছাত্র-শ্রমিক-জনতা দুর্বার ও স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন গড়ে তোলে। কিন্তু ভীত সন্ত্রস্ত সরকার এর আগেই সভাস্থলের চারপাশে ১৪৪ ধারা জারি করে। ছাত্ররা ১৪৪ ধারা ভেঙ্গে বিক্ষোভ মিছিল সহ রাজপথে নেমে আসে। পাকিস্তানী সামরিক... continue reading

৪৩৩