"ভ্রমণ" বিভাগের পোস্ট ক্রমানুসারে দেখাচ্ছে

শফিক সোহাগ

৩ বছর আগে লিখেছেন

সিবিএ-চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় টু রাঙ্গামাটি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় - সেন্টার ফর বিজনেস এডমিনিস্ট্রেশন (সিবিএ) এর তৃতীয় বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানের সুবাদে সকল ব্যাচের এমবিএ শিক্ষার্থীদের সাথে পারস্পরিক আন্তরিকতাপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলা সম্ভব হয় । ফলে সিবিএ স্টুডেন্টস ফোরাম আয়োজিত স্টাডি ট্যুরটা আমার জন্য ছিল অনেকটা স্পেশাল । সিবিএ ক্যাম্পাস থেকে আমরা সকাল ৯ টায় রাঙ্গামাটির উদ্দেশ্যে রওনা হলাম । বিভিন্ন ব্যাচের এমবিএ শিক্ষার্থীরা ৪ টি বাসে বিভক্ত ।বন্ধু রবি তার ব্যাচমেডদের বাসে থাকায় তাকে খুব মিস করছিলাম । প্রত্যেক বাসেই লাগানো আছে মাইক এবং বাসের ভিতরেও সাউন্ডবক্সে চলছে গান । আমরা মেতে উঠেছি উল্লাসে ! একজনের গান শেষ হতেই আরেকজন শুরু করছেন আর সবাই মিলে সুর মিলিয়ে... continue reading

৬৩৭

শফিক সোহাগ

৩ বছর আগে লিখেছেন

মিনি বাংলাদেশে কিছু সময়

শুক্রবার বন্ধের দিন হওয়ায় ছোট ভাইয়েরা বায়না ধরলো বিকাল বেলায় বেড়াতে নিয়ে যেতে হবে । কাছের মধ্যেই সুন্দর স্থান হিসেবে মিনি বাংলাদেশে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম ।  বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর মিনি ভার্সন নিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে মিনি বাংলাদেশ । জাতীয় সংসদ ভবন, স্মৃতি সৌধ, সুপ্রিমকোর্ট, লালবাগকেল্লা, আহসান মঞ্জিলসহ বহু ঐতিহাসিক স্থাপনা এখানে রয়েছে । একই স্থানে সারা বাংলাদেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনার স্বপ্নপুরী এই মিনি বাংলাদেশ ।
 

চট্টগ্রামের বহদ্দারহাট টার্মিনালের নিকটে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র সংলগ্ন মিনি বাংলাদেশ সর্বপ্রথম ‘শহীদ জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স’নামকরণ করা হয় । পরে নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় “স্বাধীনতা কমপ্লেক্স” । এর পরিচালনার দায়িত্ব পায়... continue reading

৯৩২

কামাল উদ্দিন

৩ বছর আগে লিখেছেন

পুনাখা জং

পুনাখা জং (পুংতাং ডিছেন ফোটরাং জং হিসেবেও পরিচিত) যার অর্থ পরম সুখময় প্রাসাদ। জং অর্থাৎ বিভাগের প্রধান সরকারী এবং ধর্মীয় কার্যালয় । প্রাসাদটি ১৭৩৭-৩৮ সালে যাবদ্রারং রিনপোছে দ্বারা নির্মিত হয়েছিল যার স্থপতি ছিলেন নাগাওয়াং নামগিয়াল। এটি জং স্থাপত্যশিল্পের দ্বিতীয় পুরাতনতম এবং দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রাসাদ এবং তাদের নির্মিত রাজকীয় প্রাসাদগুলো অন্যতম একটি। জং এর এই প্রাসাদে তিব্বতীয় বৌদ্ধধর্মের কাগ্যু গোত্রের দক্ষিণ দ্রুকপা বংশীয়সহ রাংজুং কাসারপানি বংশীয় সাধকদের দেহাবশেষ রয়েছে।
১৯৯৫ পর্যন্ত, যখন থিম্পুতে রাজধানী সরে আসে, পুনাখা জং ভূটান সরকারের প্রশাসনিক কেন্দ্র ছিল। এটাকে ভুটানের ঐতিহ্য হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করেছে ইউনেস্কো।

(২) রাজধানী থিম্পু থেকে এই ছোট্ট টেক্সিতে চড়ে... continue reading

৩২৬

এই মেঘ এই রোদ্দুর

৩ বছর আগে লিখেছেন

কদম রসূল দরগাতে ভ্রমণ (প্রতিযোগিতা/২০১৬, পর্ব-৪ ক্যাটাগরি-৩)

 
নারায়নগঞ্জ কেল্লা পরিদর্শন শেষে আমরা ফিরে আসি রিক্সা করে তারপর অন্য একটি রিক্সা নেই কদম রসূল দরগাহতে যাওয়ার জন্য। দশ মিনিটের মধ্যে আমরা পৌঁছে গেলাম শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ে।

সে নদী পার হয়েই যেতে হয় কদম রসূল দরগাতে। শীতলক্ষ্যা নদীল কূল ঘেঁষেই কদম রসূল দরগাহের অবস্থান।

নদীতে গিয়ে অইপাড়ে যাবার জন্য নৌকায় চড়ে বসি। কিন্তু পানি সেই বুড়িগঙ্গার মতই কালো আর গন্ধযুক্ত। দেখেই মন খারাপ হয়ে গেলো। আমাদের নদীলগুলোর আসলেই খুব খারাপ অবস্থা। সেদিকে কোন সরকারই নজর দেয় না।
 

 

যাই হোক নৌকায় চড়ে বসলাম আমি আর আপা। কি সুন্দর... continue reading

৬৮০

কামাল উদ্দিন

৩ বছর আগে লিখেছেন

কাশ্মীরি আপেল (ছবি ব্লগ)


আপেল কাশ্মীর উপত্যকার অন্যতম অর্থকরী ফল। কাশ্মীরের নিচু পাহাড়গুলোর ভাঁজে ভাঁজে রোদ-ছায়ার খেলা লাল সবুজ আপেলের মিতালি দেখতে সত্যিই মনোরম। কাশ্মীরি ভাষায় আপেলকে বলা হয় ‘চুঁওট’। শীতল আবহাওয়ায় এর ফলন হয় বলে একে বলা হয় টেম্পরেচার ফ্রুটস । আগস্টের শুরুতেই দু’একটা গাছে আপেল পাকা শরু হয় । আগস্ট থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত গাছ পাকা তাজা আপেল কেনা যায় কাশ্মীরের বাজারগুলোতে। কাশ্মীরের বাজারে আপেলর দাম প্রতি কেজি ১০-২০ রুপি । শ্রীনগর থেকে জম্মু-শ্রীনগর হাইওয়ে ধরে ৬০ কিলোমিটার দক্ষিণে দুটি জেলার নাম অনন্তনাগ (স্থানীয়রা বলে ইসলামাবাদ) আর কুলগাঁও। এই দুই জেলায়ই উৎপন্ন হয় সবচেয়ে বেশি এবং উন্নত জাতের আপেল। পাহাড়ি এলাকার... continue reading

১১৮২

এই মেঘ এই রোদ্দুর

৩ বছর আগে লিখেছেন

নারায়নগঞ্জ, হাজীগঞ্জ দুর্গ বা কেল্লা ভ্রমণ (প্রতিযোগিতা/২০১৬, পর্ব-৩, ক্যাটাগরি-৩)

ডিসেম্বরের চার তারিখ গিয়েছিলাম নারায়ণগঞ্জ। আমি আর আমার কলিগ অফিসিয়াল ট্যুরে। সেদিন ছিল শুক্রবার। গুলিস্তান থেকে বিআরটিসি বাস যোগে নারায়নগঞ্জ চাষাড়া স্টেশনে নামি। আমরা আগে থেকেই প্লান করি। নারায়নগঞ্জে ঐতিহাসিক যা কিছু আছে এক নজরে কম সময়ের মধ্যেই দেখে ফেলব। তাই দেরী না করে  অফিসিয়াল কাজ সেড়ে ফেলি বেলা বারোটার মধ্যেই। অফিসিয়াল কাজে যে জায়গায় গিয়েছিলাম সেখানকার মানুষজনের সাথে আলোচনা করে জায়গা ঠিক করি কোথায় কোথায় যাব । কারণ আমরা দুইজন মহিলা সেখানকার কিছুই জানিনা এবং আগে থেকে নেট ঘেটে দেখে যেতেও পারিনি।
 
তো সেদিন আমরা প্রথমে হাজীগঞ্জ দুর্গ দেখতে যাই তারপর শীতলক্ষ্যা নদী পার হয়ে কদম... continue reading

৫৬৬

কামাল উদ্দিন

৩ বছর আগে লিখেছেন

জাদিপাই-পাহাড়ের কোলে ঘুমিয়ে থাকা একটি ছোট্ট গ্রাম

পাহাড়ি গ্রামগুলো বরাবরই খুব চমৎকার, পাহাড়ের ভাজে ভাজে অপরূপ সবুজ, আর সেই সবুজের ফাঁকে ফাঁকে পাহাড়িদের ছোট ছোট কুড়ে এবং তাহাদের পরিশ্রমী ও অকৃত্রিম জীবন আমাকে খুব টানে, তাইতো সুযুগ পেলেই আমি ছুটতে চাই পাহাড়ের পাণে। আজ আপনাদের নিয়ে যাবো তেমনি একটি পাহাড়ি গ্রামে যার নাম জাদিপাই পাড়া।
বাংলাদেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ চুড়া কেওকারাডাং পর্বত থেকে পূর্ব দিকের ঢাল বেয়ে ১০/১৫ মিনিটের পথ বাংলাদেশের সর্বোচ্চ গ্রাম পাসিং পাড়া, যার উচ্চতা ৩০৬৫ ফুট। পাসিং পাড়ার পুর্বদিকের শেষ মাথায় গিয়ে উকি দিলেই নিচের দিকে দেখা যায় চারিদিকে পাহাড় আর সবুজ বন বেষ্টিত ছবির মতো লম্বা এক টুকরো অসমতল ভুমি, এটাই হলো বম... continue reading

৮৪৭

কামাল উদ্দিন

৩ বছর আগে লিখেছেন

ডেভিস ফল অব পোখারা

 

নিসর্গ ভরা নেপালের পোখারা শহরে অবস্থিত ফেওয়া লেক। ফেওয়া লেক পানি সরবরাহ পায় পাশে দাড়িয়ে থাকা অন্নপূর্ণা রেঞ্জ, ফিশটেইলসহ অন্যন্য সুউচ্চ পাহাড়গুলো থেকে। সেই ফেওয়া লেক যখন কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় তখন কিছু পানি উপচে পড়ে একটা নালার মতো অংশ দিয়ে। ফেওয়ার উপচে পড়া দুধ সাদা পানি যেখানে এসে তীব্র গতিতে নিচে পড়ে একটা গুহায় হারিয়ে যায় সেই জায়গাটাকেই বলে ডেভিস ফল। নেপালি ভাষায় একে ডাকা হয় ‘পাতালে চাংগো’, মানে ‘নরকের প্রপাত’। এক সময় এটি ‘দেবীর প্রপাত’ নামেও প্রচলিত ছিল। মাতা ভগবতী দেবীর একটা মন্দিরও আছে এখানে।
ডেভিস ফল নিয়ে একটা গল্প প্রচলিত আছে “১৯৬১ সালের ৩১ জুলাই... continue reading

৫৭৩

শাহআজিজ

৩ বছর আগে লিখেছেন

তাজমহলে ঘুমিয়ে নিলাম দুপুরবেলাটা

তাজমহলের গেটে দাড়িয়ে মনে হল একটা বিশাল ক্যালেন্ডারের সামনে দাড়িয়ে আমরা। এপ্রিলের শুরুতে ১৯৮২ সালে আমরা দশজন ভারতের বিভিন্ন এলাকা সফর শেষে আগ্রা পৌঁছেছি আজ ভোরে। মুঘলদের নানা কীর্তি গাঁথা দেখে শেষ এই তাজে। ব্যাগ সাথেই ছিল সবার। আমরা পূর্ব প্লাজার ছায়াতে ব্যাগ রেখে ঠিক হল এক বা দুজন থাকবে ব্যাগ পাহারার জন্য , বাকিরা দেখা শেষ করলেই এরা শুরু করবে। অনেক মানুষ আমাদের কাছ দিয়ে যাতায়াত করছে । আমি থেকে গেলাম। শুয়ে পড়লাম একটা ব্যাগ মাথার নিচে দিয়ে। এতো ক্লান্ত লাগছে , সেই ভোর রাত ৪ টায় উঠে দিল্লী রেল স্টেশন । এক্সপ্রেস ট্রেনে আগ্রা। নিশ্চিন্তে ঘুমালাম ।... continue reading

২৭৫

মরুভূমির জলদস্যু

৪ বছর আগে লিখেছেন

মাওয়া ভ্রমণ

ঢাকার যেকোন স্থান থেকে যাত্রাবাড়ী পৌছে ফুটঅভার ব্রীজের দক্ষিণ দিকের পোস্তাগোলাগামী রাস্তা দিয়ে একটু সামনে এগুলেই পাওয়া যাবে মাওয়া বাসষ্ট্যান্ড। এখান থেকে প্রতি ৫ থেকে ১০ মিনিট অন্তর অন্তর বিভিন্ন পরিবহন কোম্পানির বাস ছেড়ে যায় মাওয়ার উদ্দেশ্যে। আনন্দ, ইঁলিশ, গুন-গুন ইত্যাদি পরিবহনে মাওয়া যেতে বাস ভাড়া লাগবে কম-বেশী ৫০ টাকা । ৫০ টাকার বিনিময়ে প্রায় ৩৫ কি.মি. পারি দিয়ে মাওয়া ফেরী ঘাটে পৌছতে সময় লাগবে ঘন্টাখানেক।

নিশ্চিন্তে চড়ে বসুন যে কোন একটা বাসে। ইচ্ছে করলে সকাল কিংবা দুপুরে রওনা হয়ে বিকেলটা মাওয়ার পদ্মা পাড়ে কাটিয়ে সন্ধ্যার পরপরই ফিরে আসা যায় ঢাকাতে। যাত্রাবাড়ি ছাড়া গুলিস্থান থেকেও মাওয়ার সরাসরি... continue reading

৯১২