"ভ্রমণ" বিভাগের পোস্ট ক্রমানুসারে দেখাচ্ছে

শিখা চিরন্তন

৫ বছর আগে লিখেছেন

আমার কুষ্টিয়া ভ্রমণ।

মাস খানেক আগে আমি আমার এক বন্ধুর সাথে কুষ্টিয়া বেড়াতে গেয়াসেলাম। অনেক সুন্দর কুষ্টিয়া। কুষ্টিয়ায়ের যারা অধিবাসী আছেন, তাদের বলতে চাই যে আপনাদের কুষ্টিয়া দ্যাখের মত প্লেস।
 
continue reading

১০১৭

কামাল উদ্দিন

৫ বছর আগে লিখেছেন

ভালো মানুষদের দেশে ( ভুটান ভ্রমণ ) -- ৩


ভালো মানুষদের দেশে বলার কারণ একটাই ভুটানের মানুষরা এতো বেশী হেল্পফুল ওদেরকে ভালোমানুষ উপাধী না দিলে রীতিমতো অন্যায় হবে । ইন্ডিয়ার কাছে ট্রানজিট ভিসা নিয়াছিলাম, একবার ইন্ডিয়ার উপর দিয়া ভুটানে প্রবেশ করবো আরেকবার বের হয়ে বাংলাদেশে ফিরবো । কিন্তু ফেরার পথে বিমানে চলে আসায় আর ইন্ডিয়াতে দ্বিতীয়বার প্রবেশ করা হয়নি । আমার এই পোষ্ট মূলত ফটোব্লগ তাই ছবির মাধ্যমেই আমি যতটুকু সম্ভব তুলে ধরার চেষ্টা করবো, বিস্তারিত বিশ্লেষণে আমি যাবো না ।
ভুটানের আরো কিছু নাম আছে, স্থানীয় নাম ড্রুক গিয়ালখাপ, সংক্ষেপে ড্রুক ইয়ুল। এছাড়া বজ্র ড্রাগনের দেশ নামেও পরিচিত। ঐতিহাসিক ভাবে এই দেশটি লো মন (দক্ষিণের অন্ধকারাচ্ছন্ন দেশ), লো সেনডেঞ্জং (দক্ষিণের চন্দন কাঠের দেশ), বা লো মেন জং (দক্ষিণের ঔষধি হার্ব-এর দেশ) ইত্যাদি নামে ও পরিচিত ।
ভুটান কখনো কারও উপনিবেশ ছিল না। শত শত বছর ধরে বিশ্বসম্প্রদায় থেকে বিচ্ছিন্ন থেকেছে তারা। এটি তারা স্বেচ্ছায়ই করেছে। এখনো দেশটির শাসক ও জনতা বাইরের এবং বিশ্বায়নের প্রভাব থেকে মুক্ত থাকতে সচেষ্ট। ভুটানই বিশ্বের একমাত্র দেশ, যেখানে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চেয়ে সামগ্রিক জাতীয় সুখকেই বড় করে দেখা হয়।
ওয়াংদি থেকে সকাল সকাল রওয়ানা হলাম পারোর উদ্যেশ্যে, পারোতেই ভুটানের একমাত্র বিমান বন্দর, পরদিন সকাল ১১টায় আমাদের ফ্লাইট । তবে পারো যেতে হলে আবারো থিম্পু হয়ে যেতে হবে, আর আমরা থিম্পু থেকে কিছু কেনাকাটাও সেরে নিলাম ।
পুনাখা থেকে থিম্পু যাওয়ার পথে আমরা যাত্রাবিরতি করি দোচুলায়। দোচুলা ভুটানিদের পূণ্য ভূমি। দোচুলায় মূল আকর্ষণ এখানকার বৌদ্ধমঠ। খাড়া পাহাড়ের উপর বিশাল বৌদ্ধমঠ; বৌদ্ধমঠটি স্থাপত্যশৈলী আর শিল্পশৈলীর নজরকারা স্থাপনা। ভ্রমণার্থী আর পূণ্যার্থীদের ভিড়ে বৌদ্ধমঠটি বেশ জনসমাগম। দোচুলায় সৌন্দর্য্য আরো বাড়িয়ে দেয় ১০৮টি বৌদ্ধ স্তূপ । ২০০৪ সালে ভুটানের জ্যোষ্টতম রাণীমাতা আশী দরযী ওয়াংমো ওয়াংচুক দক্ষিণ ভুটানে আসাম বিদ্রোহে মারা যাওয়া শহীদের স্মরণে এই ১০৮টি বৌদ্ধ স্তূপ তৈরী করেন। কাঠের তৈরী এই স্তূপ গুলোতে বৌদ্ধ ধর্মীয় বিশ্বাস, ভুটানের সংস্কৃতি, ঐতিহ্যের পরম স্পর্শ।
ইমিগ্রেশন চেকপোষ্ট, এখানে আপনাকে থামতেই হবে ।
চলতি পথে ক্ষুধা আর পিপাশা মেটানোর জন্য এমন দোকান পাবেন পথের ধারে,,,,,,,,,,,,,,,,
এমন আপেল বাগান ভুটানে আছে প্রচুর, কিন্তু এমন সময় আমরা ওখানে গিয়েছি যখন আপেলের অফ সিজন । আপেলের সিজনে নাকি ওখানে আপেল বিক্রি হয় ২০ রুপিতে, আর এখন ১৩০ রুপি ।
পাহাড়ী এমন আঁকাবাঁকা পথে আমরা এগিয়ে চলি পারোরদিকে.....
পারোর একটু আগে এটা কোন শহর নাম জানা হলো না, চলন্ত গাড়িতে থেকে ছবিটা উঠিয়েছি ।
দুপুর তিনটার দিকে আমরা পারো শহরে পৌছি, এবং খুব দ্রুত একটা হোটেল বুকিং দিয়েই আমরা ছুটি চীন সীমান্তবর্তী ড্রাকউইল জং দেখার জন্য । এদিকে পেটে প্রচন্ড ক্ষিদে অন্য দিকে সময় স্বল্পতা, হিসেব করে দেখলাম হোটেলে খেতে গেলে ১ ঘন্টার ব্যাপার তাই না খেয়েই আমাদের গন্তব্যের দিকে ছুটলাম । তাছাড়া ভুটানে সন্ধ্যাটা যেন হুট করেই নেমে আসে । আমাদের ড্রাইভার ডাসু ঠিলে প্রচন্ড ভদ্রলোকদের একজন, কখনো বিরক্ত না হয়ে আমাদের দর্শনীয় স্থানগুলো দেখিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল আর আমাদের সব প্রশ্নের উত্তর খুব আন্তরিকতার সাথেই দিচ্ছিল ।
পারোর উপত্যকাটা বিশাল প্রসারিত, এখানে প্রচুর ফসলী জমির দেখা মিলবে ।
এক সময় আমরা পৌছে গেলাম ড্রাকউইল জং এ । পাহাদের উপরের ঐ পোড়া বাড়িটাই জং ।
জং এ উঠার পাথর বিছানো পায়ে হাটা পথ.....
আমরা সামনের পথ না ধরে পিছনের পথে হাটায় কিছুদুর গিয়েই বুঝতে পারলাম আমরা জং এর বিপদজনক পথটাই বেছে নিয়েছি । তবু এগিয়ে গেলাম, এবং এক সময় খুবই খাড়া এবং নুরী পাথরে ভড়া একটা পথে আমাদের উপরে চড়তে হয়েছিল এবং আমি সত্যিই খুব ভীত হয়ে পরেছিলাম তখন ।
পাহাড়ের উপর থেকে তোলা দূরে নীচে ভুটানী গ্রাম আর শস্য ক্ষেত ।
কুয়াশা ঢাকা কিছুটা বরফাচ্ছাদিত পাহাড়টা কিন্তু চীনে অবস্থিত ।
ড্রাকউইল জংটা আসলে পাহাড়ের উপরে একটা পোড়া প্রাচীন ধংসাবশেষ ছাড়া আর কিছুই নয়, কোন একটা যুদ্ধে নাকি এই জংএ বোমা মেরে এটাকে পুড়িয়ে দিয়েছিল ।
জং থেকে ফিরে আসার সময় ওনার সাথে আমাদের সাক্ষাৎ হয়ে যায়, না তিনি আমাদের কোন আপ্যায়ন করেনি
সুতরাং আপনারা কেউ ওখানে গেলে আশা করি সতর্ক থাকবেন ।
আগামী পর্বে সমাপ্ত ।
 
আগের পর্বঃ ভালো মানুষদের দেশে ( ভুটান ভ্রমণ ) -- ১
ভালো মানুষদের দেশে (... continue reading

১২ ৮০৮

কামাল উদ্দিন

৫ বছর আগে লিখেছেন

ঢাকা টু চিটাগাং, ( জিনারদী, স্টেশন নং - ১০ )


রেল লাইন ধরে পায়ে হেটে ঢাকার কমলাপুর স্টেশন থেকে চিটাগাং পর্যন্ত যাওয়ার পরিকল্পনার কথা অনেকেই জানেন। ইতিমধ্যেই আমরা হাটা শেষ করে ফেলেছি,,,,,,,, ঢাকা থেকে চিচাগাং যেতে অনেকগুলো ছোট স্টেশন আছে যেগুলোর নাম এবং সংখ্যা অনেকেই জানেন না, আমি ও জানি না । আমি এক স্টেশন থেকে পরবর্তী স্টেশনের মধ্যবর্তী স্থানগুলোর ছবি দিব এবং প্রতি স্টেশনের জন্য একটা করে পোষ্ট । এতে করে স্টেশনের নাম এবং সংখ্যাটা ও হিসেব হয়ে যাবে।
আমাদের হাটার ধরণঃ- সারাদিন রিলাক্স মুডে রেল লাইন ধরে হাটব, সন্ধ্যায় গাড়িতে করে বাড়িতে ফিরে আসব । এই সপ্তায় যেখানে আমার হাটা শেষ হবে আগামী সপ্তায় সেখান থেকে হাটা শুরু করবো এবং আবারো সন্ধ্যায় বাড়িতে ফিরে আসব । এভাবেই পর্যায়ক্রমে আমি চিটাগাংএর দিকে অগ্রসর হব এবং যতদিন না আমি চিটাগাং পৌছতে পারি প্রতি সপ্তাহে আমার হাটা চলতেই থাকবে । বিশেষ সমস্যা না হলে কোন সপ্তাহ'ই আমি হাটা বন্ধ করবো না।
স্টেশনের অবস্থানঃ ইহা নরসিংদী জেলার পলাশ থানার অন্তর্গত একটা স্টেশন।
(২) জিনারদী ষ্টেশনে একটি পাঁচতারা হোটেলে বসে চা পান করে গলাটা ভেজালাম।
 
(৩) শীতের সকালে একটু খানি রোদের আশায় ওরা রেল লাইনে.......
 
(৪) রেল লাইনের নীচে গরু  
 
(৫) সর্ষে ক্ষেতের উপর দিয়া চলছে মালগাড়ি
 
(৬) রাস্তায় এমন গাছ দেখে খেয়ে নিলাম খেজুরের রস, 
 
(৭) আরো একটি ট্রেন
 
(৮/৯) ঢাকা সিলেট মহাসড়কের ভেলানগর এলাকায় রেল লাইনের উপর দিয়া ফ্লাইওভার।
 
(১০) অদূরে দেখা যাচ্ছে নরসিংদী রেল ষ্টেশন
 
(১১) এক সময় পৌছে গেলাম নরসিংদী ষ্টেশনে।
 
পরবর্তি পর্ব হবেঃ ঢাকা টু চিটাগাং, ( নরসিংদী, স্টেশন নং - ১১ )
 
ঢাকা টু চিটাগাং, ( কমলাপুর, স্টেশন নং - ১)
ঢাকা টু চিটাগাং, (তেজগাঁও, স্টেশন নং - ২)
ঢাকা টু চিটাগাং, ( বনানী, স্টেশন নং - ৩) 
ঢাকা টু চিটাগাং, (ক্যান্টনমেন্ট , স্টেশন নং - ৪) 
ঢাকা টু চিটাগাং, (বিমান বন্দর , স্টেশন নং -৫
ঢাকা টু চিটাগাং, (টঙ্গী জংশন, স্টেশন নং -৬)
ঢাকা টু চিটাগাং, (পূবাইল, স্টেশন নং -৭)
ঢাকা টু চিটাগাং, (আড়িখোলা, স্টেশন নং - ৮) 
ঢাকা টু চিটাগাং, ( ঘোড়াশাল, স্টেশন নং - ৯... continue reading

১৯ ৫৬২

কামাল উদ্দিন

৫ বছর আগে লিখেছেন

ভালো মানুষদের দেশে ( ভুটান ভ্রমণ ) -- ২


ভালো মানুষদের দেশে বলার কারণ একটাই ভুটানের মানুষরা এতো বেশী হেল্পফুল ওদেরকে ভালোমানুষ উপাধী না দিলে রীতিমতো অন্যায় হবে । ইন্ডিয়ার কাছে ট্রানজিট ভিসা নিয়াছিলাম, একবার ইন্ডিয়ার উপর দিয়া ভুটানে প্রবেশ করবো আরেকবার বের হয়ে বাংলাদেশে ফিরবো । কিন্তু ফেরার পথে বিমানে চলে আসায় আর ইন্ডিয়াতে দ্বিতীয়বার প্রবেশ করা হয়নি । আমার এই পোষ্ট মূলত ফটোব্লগ তাই ছবির মাধ্যমেই আমি যতটুকু সম্ভব তুলে ধরার চেষ্টা করবো, বিস্তারিত বিশ্লেষণে আমি যাবো না ।
ভুটানের আরো কিছু নাম আছে, স্থানীয় নাম ড্রুক গিয়ালখাপ, সংক্ষেপে ড্রুক ইয়ুল। এছাড়া বজ্র ড্রাগনের দেশ নামেও পরিচিত। ঐতিহাসিক ভাবে এই দেশটি লো মন (দক্ষিণের অন্ধকারাচ্ছন্ন দেশ), লো সেনডেঞ্জং (দক্ষিণের চন্দন কাঠের দেশ), বা লো মেন জং (দক্ষিণের ঔষধি হার্ব-এর দেশ) ইত্যাদি নামে ও পরিচিত ।
এটা থিম্পুর বাসষ্টেশন, দুই রাত থিম্পুতে থেকে এখান থেকেই ট্যাক্সি নিয়ে আমরা রওয়ানা হলাম পুনাখা'র উদ্দেশ্যে । থিম্পু ও পারোর পরে ভুটানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শহর পুনাখা ভুটানের পূর্বতন রাজধানী। পুনাখা-ভ্রমণের মূল আকর্ষণ হল পুনাখার প্রাকৃতিক দৃশ্য ও সুবিশাল ঐতিহ্যশালী অসাধারণ সুন্দর পুনাখা-জং ।
কিন্তু ওখানে এসে পেয়ে গেলাম ভুটানের একটা নতুন খাবার, নাম থুপ্পা । এটা লাল চাউলের গুড়োর সাথে গরুর মাংসের মিশ্রনে তৈরী অনেকটা বলতে পারেন হালিমের মতো, গ্লাসে পরিবেশন করে চায়ের মতো খাওয়া যায় । বেশ সুস্বাদু ।
এটা থিম্পু ষ্টাডিয়ামের প্রধান গেইট ।
ট্যাক্সিতে বসে ক্যামেরার কিছু কাজ.......
প্রায় ১০হাজার ফুটের ও অধিক উচ্চতার এই গিরিপথ দিয়েই থিম্পু থেকে পুনাখা যেতে হয়, দোচু-লা নামক স্থান থেকে আবার আস্তে আসতে রাস্তা ক্রমশঃ নীচের দিকে নেমে গেছে । দোচু-লার পরে পথ আবার নিম্নমুখী। আর উচ্চতা হ্রাসের সঙ্গে সঙ্গেই খাদের ও পারের পাহাড়ে জেগে উঠছে ছোট ছোট সুন্দর উপত্যকা আর ধাপচাষের নয়নাভিরাম শোভা। পথের পাশে বহু দূরে দূরে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে দু-চারখানা গ্রাম্য কুঁড়ে, আর বাড়ির উঠোনের মতো সংলগ্ন কিছুটা জমিতে বিবিধ শাকসব্জির চাষ। নজর কাড়ে এ পথে গ্রাম্য ভুটানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য।
আমরা এখন অনেক নীচে নেমে গেছি, এখানে পাহাড়ি ধাপে বেশ কিছু কৃষি জমি দেখা যাচ্ছে ।
সামনেই পুনাখা শহর,......
পুনাখার উচ্চতা চার হাজার চারশো তিরিশ ফুট, দশ হাজার ফুট থেকে সারে চার হাজার ফুটে নেমে এলে যা হওয়ার তাই হলো । কানে প্রচন্ড ব্যাথা অনেক সময় বিমান থেকে নামলে যেমন হয়, পরে অবশ্য আস্তে আস্তে শরীর উচ্চতার তারতম্য মেনে নিয়েছে ।
পুনাখাতে লাঞ্চ সেরে বেড়িয়ে পড়লাম, পুনাখা জং দেখতে । জং অর্থাৎ বিভাগের প্রধান সরকারী এবং ধর্মীয় কার্যালয় । আরও ২/৩ কিলোমিটারখানেক পরে পথের ডান দিকেই দু’টি নদীর সঙ্গমস্থল। পুনাখা-জংয়ের পাশ দিয়ে বয়ে আসা নদী পুনামোচু ও জংয়ের পিছন দিক থেকে বয়ে আসা নদী পুনাফোচু (সংক্ষেপে মোচু ও ফোচু)-র মিলিত ধারাই পুনাচু নামে প্রবাহিত হয়েছে ওয়াংদির দিকে । চোখ ধাঁধাঁনো সৌন্দর্য ।
প্রায় দোতলা সমান উঁচু সিমেন্ট আর কাঠের সিঁড়ি চড়েই জংয়ে প্রবেশে করলাম । শুরুতেই অনেকখানি উন্মুক্ত ও সুপরিচ্ছন্ন আঙিনা, সেখানে বড় একটি চোর্তেন ও ধর্মীয় তাৎপর্যবাহী একটি অশ্বত্থগাছ। আরও ভিতরে ধর্মীয় অনুষ্ঠানের জন্য বিরাট হলঘর। সব শেষে সুসজ্জিত এক বুদ্ধমন্দির। মন্দিরের প্রবেশদ্বারের ডান পাশের দেওয়ালে রয়েছে ভুটানি লোকগাথায় ‘জীবনচক্র’-র ছবি। আর ভিতরে বুদ্ধদেবের বিশাল স্বর্ণমূর্তি ও অসীম নীরবতা।
আয়তন, নির্মাণশৈলী ও কাঠের নকশার নিরিখে পুনাখা-জং যেমন এক কথায় অনন্য ও যথেষ্ট সুপরিকল্পিত, তেমনই যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণও বটে। ঐতিহাসিক ভাবেই ভুটানরাজের রাজ্যাভিষেকও হয় এই জংয়েই অবস্থিত প্রধান লামার দফতরে।
ক্যামেরা অটোতে দিয়ে চারবন্ধু জংয়ের ভেতর একটা পোজ ।
জংয়ের পেছনের অংশ ।
ভুটানী কাঠ ঠোকরা ।
জং থেকে একটু সামনে এগিয়ে জংয়ের পেছনের নদী পুনাফোচুর উপর দিটে লোহার এই ঝুলন্ত ব্রিজ ।
অতঃপর আমাদের গন্তব্য ওয়াংদীর বাজু নিউ টাউন ।
বাজু নিউ টাওনে এই হোটেলে রাত্রী যাপন করি ।
পুনাচু নদীর পাশে ওয়াংদি জং টা ও দেখতে খুবই চমৎকার ।
ওয়াংদি জং টাকে নতুন করে সংস্কার করা হচ্ছে,,,,,,,,
ওয়াংদি জং এর ওপর থেকে তোলা নীচের ছবি ।
জং এর পিছন দিকে দিোয়ে পাহাড় থেকে নামার সিড়ি ।
নীচের দিকে নামার পথের দুইপাশে শুধুই ক্যকটাসের ছড়াছড়ি ।
ক্যাকটাসের এমন ফুলগুলো আগে আমি কোথাও দেখিনি । continue reading

১৬ ১০১৮

মরুভূমির জলদস্যু

৫ বছর আগে লিখেছেন

আবার ইন্ডিয়ায়....

অনেক অনেক বছর পরে যাচ্ছি ইন্ডয়ায়। সর্বশেষ গিয়েছিলাম ২০০৯ সালের নভেম্বরে। সেবার গিয়েছিলাম
ঢাকা > কলকাতা > জয়পুর > আজমির > জয়পুর > আগ্রা > দিল্লী > কলকাতা > ঢাকা।
আর এবারের (ফ্যামেলী গ্রুপের) প্লান
ঢাকা > কলকাতা > দিল্লী >  আজমির > কলকাতা > ঢাকা।

আমার প্লান ঢাকা > কলকাতা > দিল্লী >  আজমির > কলকাতা > দার্জিলিং > কলকাতা > ঢাকা।

ইচ্ছে ছিল দিল্লী থেকে সীমলা, কুল্লু, মানালী যাব, কিন্তু সঙ্গীর অভাবে বাদ দিয়ে দার্জিলিং করলাম।
আগামীকাল রাত ১১টায় রওনা হচ্ছি।
continue reading

৫৫৩

কামাল উদ্দিন

৫ বছর আগে লিখেছেন

বনে বাঁদাড়ে.....৮

প্রকৃতির সৌন্দর্যের সাথে আমার প্রেম । বনে বাঁদাড়ে ঘুরে বেড়াই, পাখি দেখি, ফুল দেখি, আর মাঝে মাঝে ছবি তোলার চেষ্টা করি। ইচ্ছে করে পাহাড়ে হেলান দিয়ে নীল আকাশ দেখি, ইচ্ছে করে ঘাস ফুলদের সাথে চুপি চুপি কথা বলি, ইচ্ছে করে সাগর, নদী খাল-বিলে সাতার কাটি রাজহংসের মতো । ইচ্ছে করে বাংলার প্রতিটি ইঞ্চি মাটির সুবাস নেই ।
ইচ্ছেগুলো কতটা সফল হবে জানিনা, তবে সংসারের যাতাকল থেকে সুযোগ পেলেই আমি হারিয়ে যাই আমার ইচ্ছে ভুবনে । সেই সাথে আমার দেখা সৌন্দর্যকে ধরে রাখার জন্য তুলে রাখি অঢেল ছবি, আর সেই ছবিগুলো নিয়েই আমার বনে বাঁদাড়ে সিরিজটা শুরু করলাম, আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে ।
২ । সুন্দর এই ফুলের নামটা কি কেউ বলতে পারেন ? আমি পারি তবু ধাঁধাঁ দিয়ে রাখলাম
৩ । কর্মী, দৌলতপুর, ছাগল নাইয়া, ফেনী থেকে তোলা ছবি ।
৪ । অতিথী পাখি, বাইক্কা বিল, শ্রীমঙ্গল থেকে তোলা ছবি ।
৫ । মজলিশপুর জামে মসজিদ, হবিগঞ্জ, নবীগঞ্জ থেকে তোলা ছবি ।
৬ । বংশী নদী, ধামরাই থেকে তোলা ছবি ।
৭ । জাতীয় স্মৃতি সৌধ, সাভার থেকে তোলা ছবি ।
৮ । বানীশান্তা পল্লী, দাকোপ, খুলনা ।
৯ । কটকা, সুন্দর বন থেকে তোলা ছবি ।
১০ । সূর্যের এই ছবিটায় অন্য কোন বিশেষত না থাকলেও এটা ২০১২ সালের প্রথম সূর্যোদয় এটা নিশ্চিত ।
১১ । একদিন বারবিকিউ নাইটে তোলা ছবি ।
১২ । কমলা গাছ, জুড়ি, মৌলভী বাজার ।
১৩ । গোসল, শরিয়তপুরের জাজিরা থেকে তোলা ছবি ।
১৪ । পালের নাও, বিশনন্দী ফেরীঘাট থেকে আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ থেকে তোলা ছবি ।
১৫ । এটা একটা চন্দ্রগ্রহণের ছবি, আমার বাড়ির ছাদে দাড়িয়ে তোলা ।
১৬ । খেলারত শিশু, মাওয়া থেকে তোলা ছবি ।
১৭ । এটা ফুল না ফল জানি না, বান্দরবানের দূর্গম পাহাড় সিপ্পি থেকে তোলা ছবি ।
১৮ । মাছ ধরা, ফেনীর কোম্পানী বাজার এলাকা থেকে তোলা ছবি ।
১৯ । পাথরের ফেরিওয়ালা, এই পাথরে দুনিয়ার সবার ভাগ্য পরিবর্তন হয়, পরিবর্তন হয় না শুধু এই পাথর বিক্রেতার ভাগ্য
২০ । সবশেষে কলকাতার হাতে টানা রিক্সায় আমি ও আমার এক বন্ধু
বনে বাঁদাড়ে...... ১ 
বনে বাঁদাড়ে...... ২
বনে বাঁদাড়ে......৩
বনে বাঁদাড়ে...... ৪
বনে বাঁদাড়ে......৫
বনে বাঁদাড়ে.....৬
বনে... continue reading

৬৮০

বদরুল ইসলাম

৫ বছর আগে লিখেছেন

ভ্রমণ ডায়রী-১৩

হোটেল ম্যারিটিমে চলছে বীচ পার্টি।বিভিন্ন দেশ থেকে আগত পযর্টকরা আনন্দে মাতোয়ারা। স্থানীয় 'বুমবুম' শিল্পীগোষ্ঠী গান গেয়ে সবাইকে আনন্দ দিয়ে যাচ্ছে।এই নিঝুম রাতে এখানে অন্য এক ভূবন ভুলানো আনন্দের পরশ। সবাই উপভোগ করছে এই উপভোগ্য আয়োজন।বুফে ডিনারে যে যার পছন্দ অনুযায়ী খাবার নিয়ে টেবিলে বসে যাচ্ছে।সেই সাথে পৃথিবীর সকল নামী-দামী পানীয়ও। আমার টেবিলে বসা মাইক আর তার গার্ল ফ্রেন্ড সিলভিয়া।দু'জনই অমায়ীক, সদা হাসিখুসি।দু'জনেই অষ্ট্রেলিয়ান। মাইক এর বাবা একজন ট্রেম্বার মার্চেন্ড।ছাত্র অবস্থায় প্রেমে পড়েন এক নারীর। সেখানেই সম্পর্ক।তারপর মাইকের আগমন। না, তাদের মধ্যে কোন বিয়ে হয়নি।মাইকের জম্মের পর তাকে দিয়ে দেওয়া হয় বেবী নার্সিং হোমে। সেখানেই বেড়ে ওঠা মাইকের।মা উচ্ছতর ষ্টাডির... continue reading

৫২৫

কামাল উদ্দিন

৫ বছর আগে লিখেছেন

ভালো মানুষদের দেশে ( ভুটান ভ্রমণ ) -- ১

ভালো মানুষদের দেশে বলার কারণ একটাই ভুটানের মানুষরা এতো বেশী হেল্পফুল ওদেরকে ভালোমানুষ উপাধী না দিলে রীতিমতো অন্যায় হবে । ইন্ডিয়ার কাছে ট্রানজিট ভিসা নিয়াছিলাম, একবার ইন্ডিয়ার উপর দিয়া ভুটানে প্রবেশ করবো আরেকবার বের হয়ে বাংলাদেশে ফিরবো । কিন্তু ফেরার পথে বিমানে চলে আসায় আর ইন্ডিয়াতে দ্বিতীয়বার প্রবেশ করা হয়নি । আমার এই পোষ্ট মূলত ফটোব্লগ তাই ছবির মাধ্যমেই আমি যতটুকু সম্ভব তুলে ধরার চেষ্টা করবো, বিস্তারিত বিশ্লেষণে আমি যাবো না ।
এই বাসে করেই আমরা ঢাকা থেকে বুড়িমারী পৌছি খুব ভোরে ।
বুড়ির হোটেলে সকালের নাস্তাটা সারি ভরপেট ভাপ উঠানো ভাত, রুই মাছ , বেগুন ভাজি আর আরো কিছু... continue reading

১৯ ১৫২৯

লুৎফুর রহমান পাশা

৫ বছর আগে লিখেছেন

ভ্রমন

বিগত বেশ কিছুদিন কোথাও যেতে পারছিনা। বাউন্ডুলে মনে এ টান আর কত দিন সহ্য করা যায়। গত কয়েকদিন যাবৎ আর মনকে মানাতে পারছিনা। তাই সব কিছু ফেলে গত বৃহস্পতি বারে ঠিক করলাম শুক্রবারে বের হবোই। কিন্তু বিধি বাম রাতেই মামা ফোন দিয়ে এক নিদের্শনা জারি করলেন। শক্রবারে বের হতে পারলামনা। শনিবার সকালে চিন্তা করলাম আর কোন কথা নেই। এখনই বের হবো। এর মধ্যে এস এম এস করলাম সুমন ভাইকে। সেন্ট নিকোলাস দেখতে যাবো। যাবেন নাকি? উত্তর উনি ফোন দিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন আর কে কে যাবে। আমি বললাম আপনি আর আপনি। আপনি না গেলে আমি একাই যাবো। বললেন ঠিক আছে।... continue reading

২২ ৫৭৯

কামাল উদ্দিন

৫ বছর আগে লিখেছেন

ঢাকা টু চিটাগাং, ( ঘোড়াশাল, স্টেশন নং - ৯ )


রেল লাইন ধরে পায়ে হেটে ঢাকার কমলাপুর স্টেশন থেকে চিটাগাং পর্যন্ত যাওয়ার পরিকল্পনার কথা অনেকেই জানেন। ইতিমধ্যেই আমরা হাটা শেষ করে ফেলেছি,,,,,,,, ঢাকা থেকে চিচাগাং যেতে অনেকগুলো ছোট স্টেশন আছে যেগুলোর নাম এবং সংখ্যা অনেকেই জানেন না, আমি ও জানি না । আমি এক স্টেশন থেকে পরবর্তী স্টেশনের মধ্যবর্তী স্থানগুলোর ছবি দিব এবং প্রতি স্টেশনের জন্য একটা করে পোষ্ট । এতে করে স্টেশনের নাম এবং সংখ্যাটা ও হিসেব হয়ে যাবে।
আমাদের হাটার ধরণঃ- সারাদিন রিলাক্স মুডে রেল লাইন ধরে হাটব, সন্ধ্যায় গাড়িতে করে বাড়িতে ফিরে আসব । এই সপ্তায় যেখানে আমার হাটা শেষ হবে আগামী সপ্তায় সেখান থেকে হাটা শুরু করবো এবং আবারো সন্ধ্যায় বাড়িতে ফিরে আসব । এভাবেই পর্যায়ক্রমে আমি চিটাগাংএর দিকে অগ্রসর হব এবং যতদিন না আমি চিটাগাং পৌছতে পারি প্রতি সপ্তাহে আমার হাটা চলতেই থাকবে । বিশেষ সমস্যা না হলে কোন সপ্তাহ'ই আমি হাটা বন্ধ করবো না।
স্টেশনের অবস্থানঃ ইহা নরসিংদী জেলার পলাশ থানার অন্তর্গত একটা স্টেশন।
(২) ঘোড়াশাল পার হয়ে এমন সমান্তরাল পথ বেয়ে আবারো শুধুই হেটে চলা ........
 
(৩) রাস্তার ধারে এমন জংলী ফুলের সমারোহ ব্যাপক।
 
(৪) রাস্তার ধারে ফুটে থাকা হলদে ফুল
 
(৫) জিনারদীর কাছাকাছি দেখতে পেলাম এমন বাবুই পাখির বাসা, তবে কোন বাবুই পাখি দেখতে পেলাম না, সম্ভবত পরিত্যক্ত।
 
(৬) রেল লাইন বহে সমান্তরাল..............
 
(৭) ভোরের ঠান্ডা পানিকে উপেক্ষা করে মাছ ধরছেন তিনি।
 
(৮) গ্রীন সিগন্যাল পেয়ে কুয়াশা ভেদ করে ছুটে যাচ্ছে একটি ট্টেন।
 
(৯) দিনের বেলা হেড লাইট জ্বালানোর কারণ হল কুয়াশা।
 
(১০) ধ্যান মগ্ন দুটি বক।
 
(১১) রেল লাইনে অন্য রকম পাথর  
 
(১২/১৩) দুটি মাছরাঙা

 
(১৪) একটি গ্রামীন ছবি
 
(১৫) মাছ ধরার আগে আমাদের ক্যামেরায় ধরা পড়া এক জেলে
 
(১৬) আরো একটি ট্রেন।
 
(১৭) অবশেষে পৌছে গেলাম জিনারদী ষ্টেশনে।
পরবর্তী পর্ব হবেঃ ঢাকা টু চিটাগাং, ( জিনারদী, স্টেশন নং - ১০ )
 
ঢাকা টু চিটাগাং, ( কমলাপুর, স্টেশন নং - ১)
ঢাকা টু চিটাগাং, (তেজগাঁও, স্টেশন নং - ২)
ঢাকা টু চিটাগাং, ( বনানী, স্টেশন নং - ৩) 
ঢাকা টু চিটাগাং, (ক্যান্টনমেন্ট , স্টেশন নং - ৪) 
ঢাকা টু চিটাগাং, (বিমান বন্দর , স্টেশন নং -৫
ঢাকা টু চিটাগাং, (টঙ্গী জংশন, স্টেশন নং -৬)
ঢাকা টু চিটাগাং, (পূবাইল, স্টেশন নং -৭)
ঢাকা টু চিটাগাং, (আড়িখোলা, স্টেশন নং -... continue reading

৬৯১