"ধর্ম ও দর্শন" বিভাগের পোস্ট ক্রমানুসারে দেখাচ্ছে

বাংলাভাষায় ইসলামি সাহিত্য এবং একটি ব্যাক্তিগত পর্যালোচনা – প্রথম কথা

প্রথম কথা ।।
১.
বাংলাভাষায় ইসলামি সাহিত্য নিয়ে কথা বলার আগে ইসলামি সাহিত্য বলতে কী বোঝায় তা জানা উচিৎ ?
সবার মনেই একটা বদ্ধমূল ধারনা যে , ইসলামি সাহিত্য মানেই আরব্য রজনীর গল্প (অন্তত উইকিপিডিয়ায় তাই লেখা), আসলে না ।
ইসলামি সাহিত্য যে কোন ভাষাতেই হতে পারে । আর এর মূল ঘোষণা করেছেন আল্লাহ তাআলা নিজেই , যা আল কোরআনের সূরা আশ-শুআ’রা(২৬) – এর শেষ আয়াতসমূহে দেখতে পাওয়া যায় ঠিক এভাবে –
২২৪: এবং কবিদেরকে অনুসরন করে বিভ্রান্তরাই ।
২২৫: তুমি কী দেখনা তারা (কবিরা) উদ্ভ্রান্ত হয়ে প্রত্যেক উপত্যকায় ঘুরে বেড়ায় ?
২২৬: এবং যা তারা করেনা তা বলে ।
২২৭: কিন্তু... continue reading

৪৮৯

বাংলাভাষায় ইসলামি সাহিত্য এবং একটি ব্যাক্তিগত পর্যালোচনা – ইতিহাস

বাংলা ভাষায় ইসলামি সাহিত্য ফারসি ও উর্দু ভাষা হতে অনুপ্রাণিত , সরাসরি আরবি থেকে নয় ।
এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এ অঞ্চলের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ইসলামি সাহিত্যকে নানান ভাবে প্রভাবিত করেছে । তবে এ সম্পর্কে অধিকাংশ ইতিহাসবিদদের আলোচনা বিক্ষিপ্ত অবস্থায় পাওয়া যায় বিধায় নিজে থেকে সকল আলোচনার বিষয়কে একসাথে ও ক্ষুদ্র পরিসরে এনে ইসলামি সাহিত্যের কিছুটা স্বরূপ তুলে ধরার এক প্রয়াস করেছি হল মাত্র ----
 
আনুমানিক ১৪ শতক – ১৭৫৭ সালঃ

বাংলা ভাষার ইসলামি সাহিত্য সম্পর্কে অনুসন্ধানে দেখা যায় , এই ধারার শুরু হয়েছে আনুমানিক ১৪ শতক থেকে অর্থাৎ বাংলা সাহিত্যের প্রেক্ষাপটে মধ্যযুগ থেকে । এ... continue reading

৫৩৭

বাংলাভাষায় ইসলামি সাহিত্য এবং একটি ব্যক্তিগত পর্যালোচনা - ভূমিকা

ভূমিকা ।।
১.
বাংলাভাষায় ইসলামি সাহিত্যের সূচনা স্বাভাবিকভাবেই অনেক আলোচনার বিষয় । এক্ষেত্রে নানান জনের নানান মতামত গ্রহনযোগ্য ।
অনেকেই ইতিহাসের বিচারে ১৩’শ শতাব্দীকেই বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকেন, কারন তখন এই বঙ্গঅঞ্চল “ইখতিয়ার-উদ্দিন-মুহাম্মদ-বিন-বখতিয়ার-খিলজী” র হাত ধরে ইসলামী শাসন ব্যবস্থায়( আনুমানিক ১২০৮ খ্রিস্টাব্দ) প্রবেশ করেছিল ।
আবার কেউবা এই মতের বিরোধী, কারন এখানে ইসলাম প্রবেশ করেছে তারও অনেক আগে, বিভিন্ন দাঈ’ (ইসলাম প্রচারক)-দের মাধ্যমে ।
আর তারই সাথে যদি এইভাষায় ইসলামি সাহিত্য দেখা যায়, তবে এর সমৃদ্ধ ধারায় মুগ্ধ হতে হয় নিমিষেই । সেই “আব্দুল হাকিম” বা “মহাকবি আলাওল” থেকে শুরু করে “কাজী নজরুল ইসলাম” হয়ে বর্তমান পর্যন্ত যে অব্যহত ধারা চলে আসছে;... continue reading

৪২৬

মোঃ মাতীন পাগলা

৫ বছর আগে লিখেছেন

চীনে মুসলিম নির্যাতন

চীনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ জিংজিয়াংয়ের মুসলিম জনগোষ্টীর বিরুদ্ধে চীনা সরকারের নিপীড়নের অভিযোগ বেশ পুরানো। সম্প্রতি চীনা সরকার মুসলমানদের পোষাক পড়ার ওপর বিধি নিষেধ আরোপ করেছে। হিজাব, বোরখা,টুপি বা চাদ তারা প্রতীক আছে এমন পোষাক নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
এর আগে রমজানে রোজা রাখার ক্ষেত্রেও বিধি নিষেধ আরোপ করা হয়েছিলো। উইঘুর মুসলমানদের ওপর চীন সরকারের জাতিগত নিপীড়নমুলক কর্মকান্ড খুব একটা গনমাধ্যমে আসে না। আবার জিনিজিয়াং এর মুসলমানদের একটি অংশ স্বাীধনতার জন্য সশস্ত্র সংগ্রামের পথ বেছে নিয়েছে। এদের দমনের নামে সাধারন উইঘুর মুসলমানদের ওপন চীন সরকার নানা ভাবে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে। পশ্চিমা দেশগুলো এক সময় সশস্ত্র সংগঠনগুলোকে পৃষ্টপোষকতা দিলেও এখন অনেকটা নীরব ভ’মিকা... continue reading

৭১১

নূর মোহাম্মদ নূরু

৫ বছর আগে লিখেছেন

সত্য চিরন্তন এবং সত্য মানুষকে মুক্তি প্রদান করে, আর মিথ্যা মানুষকে ধ্বংস করে

সত্য সুন্দর। সত্য কল্যাণকর। 'সত্য মানুষকে মুক্তি প্রদান করে আর মিথ্যা মানুষকে ধ্বংস করে'। চিরন্তন এই বাণীটি জানেন না এমন মানুষ হয়তো খুঁজেই পাওয়া যাবে না। কিন্তু এই বাণীটিকে জীবন যাপনের ক্ষেত্রে অনুসরণ করেন এমন মানুষের সংখ্যা খবুই কম।
সত্য কথা বলা, সত্যের সঙ্গে থাকা এবং মিথ্যার পরিবর্তে সত্যকে গ্রহণ করাই সত্যবাদিতা। সত্য মানুষকে মুক্তি প্রদান করে, পক্ষান্তরে মিথ্যা বিভ্রান্তিসহ নানা ধরনের সমস্যার সৃষ্টি করে। সত্যবাদিতা কেবল একজন মানুষের ধর্মীয় জীবনের ক্ষেত্রে নয়, ব্যক্তি জীবন থেকে শুরু করে পারিবারিক পরিমণ্ডল, সামাজিক পরিণ্ডল; এমনকি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও একজন ভালো মানুষ হিসেবে পরিচিতি অর্জন করার ক্ষেত্রে সহায়তা করে।সত্যবাদিতা কেবল ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ... continue reading

১১৭৩

মোঃ মাতীন পাগলা

৫ বছর আগে লিখেছেন

বাঙ্গালী মুসলমানদের ইতিহাসে যে ধ্রুবতারা হয়ে থাকবে ভাই গিরিশচন্দ্র সেন

ভাই গিরিশচন্দ্র সেন (জন্ম: ১৮৩৪ - মৃত্যু: ১৯১০)
নামে তিনি অধিক পরিচিত। তাঁর প্রধান পরিচয় ইসলাম ধর্মের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কুরআন- এর প্রথম বাংলা অনুবাদক হিসেবে। তখন প্রায় ধর্মগ্রন্থ সম্পর্কে সাধারণ মানুষের ধারণা ছিল যে, মূলভাষা থেকে অনূদিত হলে গ্রন্থটির পবিত্রতা ক্ষুণ্ন হবে। পবিত্র কুরআন সম্পর্কেও এমন ধারণা ছিল। এ কারণে অনেক মুসলিম মনীষী এর বঙ্গানুবাদ করতে সাহস পাননি। গিরিশচন্দ্র সেনই অন্য ধর্মালম্বী হয়েও এই ভয়কে প্রথম জয় করেন। শুধু কুরআন শরীফের অনুবাদ নয় তিনি ইসলাম ধর্ম বিষয়ক অনেক গ্রন্থ অনুবাদ করেন। তিনি ইসলাম ধর্ম নিয়ে অনেক গবেষণাও করেন।
 
ভাই গিরিশচন্দ্র সেন বর্তমান নরসিংদী জেলার পাঁচদোনা গ্রামে এক বিখ্যাত দেওয়ান বৈদ্যবংশে জন্মগ্রহণ করেন। গিরিশচন্দ্রের পিতা ছিলেন মাধবরাম সেন এবং পিতামহ ছিলেন... continue reading

৫১০

নূর মোহাম্মদ নূরু

৫ বছর আগে লিখেছেন

ইসলামের প্রথম খলিফা হযরত আবুবকর সিদ্দিক (রঃ) মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি

মুসলিম জাহানের প্রথম খলিফা এবং ইসলাম ধর্ম গ্রহণকারী তৃতীয় ব্যক্তি হযরত আবুবকর সিদ্দিক (রাঃ)। নবীদের পর উম্মতকুলে সাহাবায়ে কেরামের মর্যাদা সর্বোচ্চ বলেই বিবেচিত হয়। আর সেই সাহাবিদের মধ্যে যাঁর নাম অগ্রগণ্য, তিনি হজরত আবু বকর সিদ্দিক (রাঃ)। তিনি ছিলেন একাধারে হযরত মোহাম্মদ (সঃ) এর শ্বশুর, তাঁর হিজরতের সংগী এবং তাঁর বয়োজোষ্ঠ্য সাহাবাদের মধ্যে অন্যতম। তাঁর বাল্য নাম আবদুল্লাহ ও ডাকনাম আবু বকর। সিদ্দিক হচ্ছে তাঁর উপাধি। মিরাজের ঘটনাকে সর্বপ্রথম মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেছিলেন বলেই রাসুল (সাঃ) তাঁকে এই উপাধিতে ভূষিত করেন। হযরত আবু বকর (রাঃ) ছিলেন রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ)-এর প্রত্যক্ষ সঙ্গী, রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ) ও উম্মতের মাঝে সেতুবন্ধ রচনাকারী, কোরআনের নির্দেশ পালনে... continue reading

৫৬৫

মোঃ মাতীন পাগলা

৫ বছর আগে লিখেছেন

ইহুদী বংশোদ্ভূত সউদী সরকার ১৯২৫ সালে ক্ষমতায় বসার পর মক্কা ও মদীনা শরীফে কি কি ইসলামী ঐতিহ্য ধ্বংস করেছে:

মসজিদ:
১) সাইয়্যিদুশ শুহাদা হযরত হামজা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু'র ঐতিহাসিক মসজিদ ও মাজার শরীফ।
২) হযরত ফাতিমাতুজ জাহরা রদ্বিয়াল্লাহ তায়ালা আনহা ঐতিহাসিক মসজিদ।
৩) আল মানরাতাইন মসজিদ।
৪) নবী করিম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত বংশধর হযরত জাফর ইবনে ছদ্বিক রহমতুল্লাহি'র পুত্র হযরত আলী আল উরাইদি রহমতুল্লাহি মসজিদ এবং মাজার শরীফের গম্বুজ। ২০০২ সালের ১৩ আগস্ট তা ডিনামাইট দিয়ে ধ্বংস করা হয়।
৫) খন্দকের ময়দানে ৪টি ঐতিহাসিক মসজিদ।
৬) আবু রাশিদ মসজিদ
৭) হযরত সালমান ফারসী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু মসজিদ, মদীনা শরীফ।
৮) রাজত আল শামস মসজিদ, মদীনা শরীফ।
মাজার শরীফ:
১) জান্নাতুল... continue reading

৪৭৪

ম. গ. রেজওয়ান

৫ বছর আগে লিখেছেন

কেন ইসলামের পথে এসেছি

ইমরান খান তার নিজের মতামতে লিখেছেন-জেনারেশন এমন এক সময়ে বড় হয়েছে, যখন উপনিবেশ যুগের জের ছিল তীব্র। আমাদের আগের বযস্ক জেনারেশনটা ক্রীতদাসের মতো আচরণ পেয়েছিল এবং ব্রিটিশদের ব্যাপারে ভুগত হীনম্মন্যতায়। যে স্কুলে পড়তাম, তা পাকিস্তানের অন্য সব এলিট স্কুলের মতোই ছিল। স্বাধীনতা অর্জনের পরও এসব প্রতিষ্ঠান ‘পাকিস্তানি’ নয়, ‘পাবলিক স্কুল বয়’ তৈরি করছে।

আমি স্কুলে শেক্সপিয়রের সাহিত্য পড়েছি, যা চমৎকার। কিন্তু জাতীয় কবি আল্লামা ইকবালের লেখা তো পড়িনি। ইসলামিয়াতের ক্লাসকে তেমন গুরুত্ব দেয়া হতো না। যখন স্কুলজীবন শেষ হলো, আমাকে দেশের এলিটদের একজন বলে গণ্য করা হতো। এর কারণ আমি ইংরেজি বলতে পারতাম আর পাশ্চাত্যের পোশাক পরতাম। আমার নিজস্ব... continue reading

৪২৫

নূর মোহাম্মদ নূরু

৫ বছর আগে লিখেছেন

ইসলামের নির্দেশিত পথে দান খয়রাতের ফযীলত

ইসলামসহ অন্যান্য সকল ধর্মে দান খয়রাত এবং তার মাহাত্ম্যের কথা বলা হয়েছে। ধন সম্পদের প্রকৃত মালিক আল্লাহ তা’আলা। তিনি যাকে ইচ্ছা উহা প্রদান করে থাকেন। এজন্য এ সম্পদ অর্জন ও ব্যয়ের ক্ষেত্রে তাঁর বিধি-নিষেধ মেনে চলা আবশ্যক। সৎ পন্থায় সম্পদ উপার্জন ও সৎ পথে উহা ব্যয় করা হলেই তার হিসাব প্রদান করা সহজ হবে। ইসলামে দান খয়রাত অবস্থাভেদে বিভিন্ন নামে চিহ্নিত করা হয়েছে। দানের ধর্মীয় নির্দেশ নিজ নিজ সামর্থ্যানুযায়ী ধনী-গরিব সবার জন্যেই প্রযোজ্য। সালমান বিন আমের (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, “মিসকিনকে দান করলে তা শুধু একটি দান হিসেবে গণ্য হবে। কিন্তু গরীব নিকটাত্মীয়কে দান করলে... continue reading

৪৫৬