"জীবনচর্চা" বিভাগের পোস্ট ক্রমানুসারে দেখাচ্ছে

ওমর ফারুক কোমল

৪ বছর আগে লিখেছেন

আমি মুসলিম, সন্ত্রাসী নই!

"আমি একজন অমুসলিম, তাই আমার বাঁচার অধিকার নাই।
আমি একজন ধর্ম নিরপেক্ষ লোক, তাই আমার বাঁচার অধিকার নাই।
আমি একজন নাস্তিক, তাই আমার বাঁচার অধিকার নাই।"
বর্তমানে কিছু সংখ্যক তথা-কথিত মুসলিমদের থিউরিটা এমনি।

 কিছু অন্ধ-মূর্খ মুসলিমদের কারনে আজ পুরো মুসলিম জাতি লজ্জার সম্মুখীন ।

বাংলাদেশ একটি ধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃত, তবে আসলেই কি তাই? এদেশে কি সকল হিন্দু-খ্রিস্টান-বৌদ্ধ নিরাপদ? আপনার কাছে মনে হলেও প্রকৃত পক্ষে না।

জিহাদের নামে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন যে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে তাকি ইসলামের আইন? নিশ্চয়ই না। তাহলে কেন এই হত্যাযজ্ঞ?

আচ্ছা,... continue reading

৪৮৮

ম. গ. রেজওয়ান

৪ বছর আগে লিখেছেন

মেয়েরা জিন্স পরলে উলঙ্গ লাশ পড়ে থাকবে

মেয়েরা যদি জিন্স পরিধান করে তবে রাস্তায় তাদের নগ্ন মৃতদেহ মিলবে। এক তরুণীকে অজ্ঞান অবস্থায় পাওয়া যায়। সে সময় তরুণীর উলঙ্গ ছিলো। তরুণীর দেহের পাশে একটি বেনামী চিঠিতে স্পষ্ট ভাষায় লেখা, “মেয়েদের জিন্সের শার্ট-প্যান্ট পরা ভারতীয় সংস্কৃতির পরিপন্থী। তাই মেয়েদের জিন্স পরা বন্ধ করতে হবে। না হলে এরপর মেয়েদের উলঙ্গ মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখা যাবে। এখন থেকে দ্বারভাঙ্গায় মেয়েরা আর জিন্সের প্যান্ট-শার্ট পরতে পারবে না।” 
এই তরুণীকে বেহুঁশ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা দ্রুত থানায় খবর দেয়। পুলিশ তরুণীকে দ্বারভাঙা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেছে।
সংগৃহীত:খবরিট ভারেতর/http://www.somoyerkonthosor.com/news/181455
continue reading

৯৭১

রাজীব নূর খান

৪ বছর আগে লিখেছেন

প্রেমের বংশীয়াল

নাম মোহাম্মদ মোস্তফা। বয়স পঞ্চাশ। মুখে খোঁচা খোঁচা দাড়ি। হাস্যমুখী এবং আলাপী। গ্রামের বাড়ি বরিশাল। চার ভাই তিন বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়। সব সম্পত্তি ভাই-বোনদের বিলিয়ে দিয়ে তিনি নিঃস্ব অবস্থায় ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন। এখন কারো সঙ্গে যোগাযোগ নেই। সব কিছু মিলিয়ে আলাভোলা ধরনের একজন মানুষ। সারা ঢাকা শহর ঘুরে বাঁশি বাজান। বাঁশি দিয়ে তিনি যেকোনো সুর তুলতে পারেন। পথচারীরা তার বাঁশি শুনে মুগ্ধ হয়, কেউ কেউ খুশি হয়ে কিছু টাকা দেয় কিংবা চা-দোকান থেকে রুটি-কলা খাওয়ায়।
মোস্তফা এক সময় বাঁশি শেখার জন্য অনেকের কাছে ছুটে গিয়েছেন, কিন্তু টাকা ছাড়া কেউ তাকে বাঁশি বাজানো শেখাতে রাজি হয়নি। দীর্ঘ দুই... continue reading

৪১৪

সোহেল আহমেদ পরান

৪ বছর আগে লিখেছেন

ফিরে এলাম ভালোবাসায়

এক সপ্তাহ পর বাসায় ফিরলাম। দ্বিখণ্ডিত বাঁ বাহুতে আটটি স্ক্রু যোগে সংযুক্ত করা হয়েছে একে। আমি কৃতজ্ঞ আল্লাহর কাছে – এর চেয়ে বড় কিছু হতে পারতো। আমি কৃতজ্ঞ আমার অফিসের সবার কাছে – তাঁরা প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিয়েছেন তড়িৎ। আমি কৃতজ্ঞ আমার সহব্লগার ও লেখকবন্ধুগণকে – অনেকেই খোঁজ নিয়েছেন, অনেক উপকার করেছেন । আমি এখানে একটা নূতন পরিবারের সান্নিধ্য পেয়েছি।
আমার বাঁ হাত এখনো অচল। তাই বিস্তারিত জানাতে পারছি না। আমি কৃতজ্ঞ সেই রিকশাওয়ালা ভাইটির কাছে- যিনি রাস্তায় কাতরানো আমাকে নিকটের ক্লিনিকে নিয়ে গেছেন প্রথম। আমার কোনো কষ্ট নেই – যে ভদ্রলোক পেছন থেকে আমাকে গত বৃহঃবার সন্ধ্যায় তার... continue reading

১৬ ৫৩৬

রাজীব নূর খান

৪ বছর আগে লিখেছেন

বই পড়ারও কিছু নিয়ম আছে

নিজের পছন্দের উপর ভিত্তি করেই বই পড়া উচিত। অন্যের পছন্দ বা ভাললাগার মূল্য না দিয়ে নিজের পছন্দ অনুসারে বই বাছাই করুন। অনেকের কাছে ভাল লেগেছে, এমন বই আপনার পছন্দ নাও হতে পারে। এছাড়া কোন বই অনেকেই পড়েছে বলে আপনাকেও পড়তে হবে এমন কোন কথা নেই। অন্যের পছন্দের বই আপনাকেও পড়তে হবে, এমন মনে করাটা বোকামী। প্রত্যেকের নিজস্ব একটি ভাললাগার জগৎ থাকে। কারো ভূতের গল্প পছন্দ, কারো ফুটবল আবার কারো বা ভ্রমণকাহিনী। কারো পছন্দ বা প্ররোচনায় বই বাছাই না করে নিজের দিকে তাকান। নিজে যা চান তাই করুন, অন্যের চাপে নয়।
আপনি যা পড়ছেন, তা কল্পনা করতে চেষ্টা করুন। যদি... continue reading

৪৮০

ম. গ. রেজওয়ান

৪ বছর আগে লিখেছেন

মৃত্যু শয্যায় আলেকজান্ডার তার সেনাপতিদের যা বলেছিলেন

 আলেকজান্ডাের নাম ানেকে্ শুনেছেন। মৃত্যু শয্যায় মহাবীর আলেকজান্ডার তার সেনাপতিদের ডেকে বলেছিলেন,
'আমার মৃত্যুর পর আমার তিনটা ইচ্ছা তোমরা পূরণ করবে। আমার প্রথম অভিপ্রায় হচ্ছে,শুধু আমার চিকিৎসকরাই আমার কফিন বহন করবেন।আমার ২য় অভিপ্রায় হচ্ছে, আমার কফিন যে পথ দিয়ে গোরস্থানে যাবে সেই পথে আমার অর্জিত সোনা ও রুপা ছড়িয়ে থাকবে আর শেষ অভিপ্রায় হচ্ছে, কফিন বহনের সময় আমার দুইহাত কফিনের বাইরে ঝুলিয়ে থাকবে।'
তার সেনাপতি তখন তাঁকে এই বিচিত্র অভিপ্রায় কেন করছেন প্রশ্ন করলেন। দীর্ঘ শ্বাস গ্রহণ করে আলেকজান্ডার বললেন, 'আমি দুনিয়ার সামনে তিনটি শিক্ষা রেখে যেতে চাই।
*আমার চিকিত্সকদের কফিন বহন করতে এই কারনে বলেছি যে যাতে লোকে অনুধাবন করতে পারে যে চিকিত্সকেরা কোন মানুষকে... continue reading

৫৮৭

ফারজানা মৌরি

৪ বছর আগে লিখেছেন

চৌষট্টি কলা

চৌষট্টি কলা বলতে বাৎসায়নের কামসূত্র গ্রন্থে বর্ণিত ৬৪ প্রকার কার্যক্রমকে বোঝায়। নর-নারীর দাম্পত্য জীবনকে সুখী, তৃপ্তিকর এবং সন্তোষজনক করার জন্য এসব আচার-বিধির ওপর বাৎসায়ন গুরুত্ব আরোপ করেন। এইগুলো নিম্নরূপ:
কণ্ঠ সঙ্গীত। যন্ত্র সঙ্গীতে পারদর্শিতা। নৃত্য-কলা। চিত্রাঙ্কন। কেশ সজ্জা। পুষ্পশয্যা নির্মাণ। নানাবিধ বর্ণে গৃহ সুসজ্জিতকরণ। নিজ পোষাক-পরিচ্ছদ, কেশ, নখ, দন্ত, প্রত্যক্ষ বর্ণের দ্বারা সুসজ্জিতকরণ। বর্ণাঢ্য প্রস্তর এবং ধাতব পদার্থে ঘর ও শয্যা সুশোভিত করা। ভিন্ন ভিন্ন উৎসবে বা আনন্দে শয্যা নানাভাবে আস্তরণ দেওয়া। সাঁতার ও জলকেলি। প্রিয় লোককে আকর্ষণ করার জন্য মন্ত্র-তন্ত্র অনুশীলন। ফুল নিয়ে মালা গাঁথা ও অঙ্গাদি সুশোভিত করা। ফুল নিয়ে মালার মুকুট ও বেষ্টন। নিজের শোভন বেশভুষা করা-এক উৎসবে এক প্রকার, অন্য উৎসবে অন্য প্রকার। চিত্তহারী প্রথায় কানের দুল পরিধান... continue reading

১২১৫

ফাতেমা সুমিন

৪ বছর আগে লিখেছেন

মাল্টিটাস্কিং স্মৃতির জন্য মোটেই ভালো নয়

মোবাইল ফোনে কথা বলতে বলতে ফেসবুক চ্যাট, হাতে রান্নার খুন্তি – এমন দৃশ্য তেমন বিরল নয়৷ কিন্তু এমন ‘মাল্টিটাস্কিং’ নাকি স্মৃতিভাণ্ডারের জন্য মোটেই ভালো নয়৷
 

 
  continue reading

৪৬৬

রাজ – রাতের পাতা

আবার আসুক ধ্বংস !
এই ধ্বংসের মাঝে ডুবে যাক সৃষ্টির যশগাঁথা ।
যত রাজ আছে,যত রাজ ছিল,সবাই রাতের ঘুম কেড়ে নিলো । 
শুধু রেখে গেলো–এক বুক জ্বালা,আসমানী কামানের গোলা
অথবা হৃদয় বিদারী মাতম,তিলক তিলক সুর ।
তাদের মাঝেতে রাজণ্য ব্যাথারা রক্ত-রাজ করে বহুদূর ।
সেই ব্যাথাদের ভোলা গান গেয়ে সবাই আজ , 
মুকুটহীন কোন রাজ– চোখের সামনে গলায় দেবে ফাঁস ।
হায় ! হায় ! এ কী স্বপ্ন,এ কী খোয়াব !
এরা ফাঁসির মঞ্চে দাড়িয়ে কাঁদে শহীদ হলাম আজ ।
কত ইতিহাস আর কত ঘটনা ,“যোগে যোগে” বহুগুণ
সবাই এবার “সব সব” হবে রাজ হবে রাতে খুন ।
একদল হাতে দড়ি নিয়ে এলো,ফাঁস দিলো নিজ গলায় ।
আরেকটা... continue reading

১০ ৫৪১

রাজু আহমেদ

৪ বছর আগে লিখেছেন

রাস্তায় দাঁড়িয়ে দেখা সিডরের সেই ভয়াল রাত্রি

দিনটা ছিল ২০০৭ সালে ১৫ নভেম্বর । বৃহস্পতিবার । জীবনে এমন কিছু স্মরণীয় দিন কিংবা ঘটনা থাকে যা কোনদিন ভূলবার নয় । এমন একটি দুঃস্মরণীয় দূখের রাত ১৫ নভেম্বর ২০০৭ । যে দিন ঘূর্ণিঝড় সিডর বাংলাদেশেকে তছনছ করে দিয়েছিল । কেড়ে নিয়েছিল হাজার হাজার মানুষের প্রাণ । সেদিনের সে ঘটনার পর আরও কত মানুষের খোঁজ আজও পাওয়া যায়নি । প্রায় প্রতিটি মানুষকে করেছিল সহায় সম্বলহীন নিঃস্ব । বিদ্যুত, খাদ্য এবং আশ্রয়শূণ্য করে দিয়েছিল গোটা জনপদকে ও এর অধিবাসীদেরকে । যোগাযোগ ব্যবস্থাও হয়েছিল বিচ্ছিন্ন । একদিকে দেশে চলছিল স্বৈরশাসন অন্যদিকে প্রকৃতির প্রলয় । সেদিন মানুষ জ্ঞানশূন্য হয়ে দিক-বেদিক ছুটেছিল ।... continue reading

৪৬১