"জীবনচর্চা" বিভাগের পোস্ট ক্রমানুসারে দেখাচ্ছে

রাজীব নূর খান

৩ বছর আগে লিখেছেন

আমাদের মানসিকতা এমন একটা পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, অন্যের কষ্ট দেখে, অন্যের অসহায়ত্ব দেখে আমরা মজা নিতেও কার্পণ্য করি না...

আপনার ছেলে-মেয়ে কোথায় যায়? কি করে? কার সাথে মিশে? ক্লাসের কথা বলে কি ক্লাসে যায় নাকি বন্ধুদের সাথে আড্ডায়?
ছেলে-মেয়ের এমন খবর অনেক মা-বাবাই রাখেন না, ভাবেন 'আমার ছেলে-মেয়ে কখনও খারাপ কিছু করবে না। নো নেভার। ছেলে বা মেয়েটা বড় হয়েছে, সে তার মত চলুক। ভালো মন্দ তো সে বুঝে। কিন্তু সে তার মত চলতে গিয়ে কখনো কখনো খারাপ মানুষের সাথে চলা শুরু করে, একসময় তাদের দলেই যোগ দেয়।
স্কুল-কলেজের সময় গুলোতে পার্কে, লেকে এবং বড় বড় শপিং মলের ফাস্টফুডের দোকান গুলোতে গেলেই দেখতে পাবেন- ছেলে-মেয়েরা কিভাবে বসে আছে। প্রশ্ন হচ্ছে এই ছেলে-মেয়ে গুলো কাদের? তাদের বাবা-মা কারা? সারারাত... continue reading

৩৩৪

শাহআজিজ

৩ বছর আগে লিখেছেন

কিডনি চিকিৎসায় ডাঃ দেবী শেঠী ও তার গ্রুপ

গত দুদফায় দেবী শেঠীর নতুন স্থাপনা নারায়ানা হেলথ , বেঙ্গালুরু ওয়েবিনারের { ওয়েব সেমিনার) মাধ্যমে লক্ষ্য দর্শককে হার্ট ও ক্যান্সার সম্পর্কিত প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন। ভারতের দলিতদের ভগবান দেবী শেঠীর এই উদ্যোগ প্রশংসনীয় । অনেক জটিল রোগের চিকিৎসা হবে নতুন এই হাসপাতালে। এবারের আয়োজন কিডনি। নিচের ছবিতে ওয়েব ঠিকানায় প্রশ্ন রাখুন এবং খেয়াল রাখুন ১০ মার্চ সকাল সাড়ে ১১ টায়। continue reading

৫২৬

এই মেঘ এই রোদ্দুর

৩ বছর আগে লিখেছেন

নীলখামের সেই চিঠি-[অভ্র] (প্রতিযোগিতা/২০১৬) ক্যাটাগরী-২ পর্ব-৪

অভ্র, মাঘের সন্ধ্যায় জানাচ্ছি হৃদয় নিংড়ানো অফুরন্ত শুভেচ্ছা। ভাল আছ নিশ্চয়ই!! আশা করছি কিছুদিন আগের বিষন্নতা কাটিয়ে উঠতে পেরেছ!! তবে আমার অবাক লাগে অভ্র তুমি বিষন্ন ছিলে... শুভ্র অভ্র তুমি কালো অভ্রতে পরিণত হয়ে পড়ছিলে। গলে গলে পড়ছিল তোমার কষ্টগুলো আর সেই কষ্টগুলো আমার হৃদয়ে চুয়ে চুয়ে পড়ছিল। অবাক এজন্য যে তোমার কষ্টগুলো অন্য কারো কাছ থেকে পাওয়া!!
 
তোমার হৃদয়বাড়ি সুনামি বয়ে গিয়ে তোমাকে তছনছ করে দিলো অথচ সেই কারণ আমি আজও জানতে পারিনি। অভ্র আমি তোমার কাছের কেউ হতে পারিনি তাইনা?? কেনো অভ্র!! তুমি তো আমার মনের আকাশের শরতের অভ্র ছিলে!! নীলের মাঝে পেঁজাতুলো অভ্র। ভেসে... continue reading

৪০৪

রাজীব নূর খান

৩ বছর আগে লিখেছেন

চুমু চুম্বন

 
অনেকদিন থেকে ভাবছি চুমু নিয়ে বিশেষ একটা লেখা লিখব । লিখব লিখব করে আর লেখা হয়নি ।রবীন্দ্রনাথও বলেছেন গোপনে আমাকে একটা চুম্বন দাও । ভালোবাসা ও আদর প্রকাশের অন্যতম মাধ্যম হলো চুমু বিনিময় ।চুমুর মাধ্যমেই আবেগ ভালোবাসার প্রকাশ পায় । চুমুর মাধ্যমেই প্রেম ভালোবাসা ধীরে ধীরে গভীর সম্পর্কে রুপ নেয় । বিদেশে চুমুর মাধ্যমে কুশল বিনিময় হয় । তবে চুমুর কিছু ভালো আর খারাপ দিক আছে । চুমুর আদান-প্রদানে মুখে লালার প্রবাহ বেড়ে যায় ।তাতে, মুখ, মাড়ি এবং দাঁতের স্বাস্থ্য পরোক্ষভাবে ভালো রাখতে সাহায্য করে । তবে লক্ষ্য রাখতে হবে চুমুতে অংশ গ্রহনকারী দু'জনের মুখের স্বাস্থ্য ভালো থাকতে হবে ।... continue reading

৫৮৭

এই মেঘ এই রোদ্দুর

৩ বছর আগে লিখেছেন

তুই আমার তুই..... (চিঠি) (প্রতিযোগিতা/২০১৬, ক্যাটাগরী-২ পর্ব-৩)

প্রিয় দুই দাঁতওয়ালা খরগোশ (তুই আমার তুই....)
তোকে আজ লিখতে বড্ড ইচ্ছে করছে, তোকে লিখা এটা আমার প্রথম চিঠি। তুই কল্পনাই করতে পারছিস না আমি স্বয়ং নিজে তোকে সুন্দর একটা চিঠি উপহার দিতে যাচ্ছি। বনে বাঁদারে থাকিস তো চিঠির মর্ম বুঝতে পারবি কি-না তাতো জানি না। তবু চিঠি লিখতে ইচ্ছে করছে। কারণ আজকাল তো আর কলমের নীল কালির ছোঁয়ায় লিখতে হয় না সাদা কাগজে। আমার প্রিয় পিসিতে বসেই কীবোর্ডে আঙ্গুলের স্পর্শে মনের গীটারের সুর তুলে লিখছি তোকে আজ চিঠি।
 
বাতাসের খামে ভরে ঘুড়ির লেজে বেঁধে দিবো সে চিঠি..... তুই যদি ভালবাসিস তোর বিলাইকে তবে তোর হাতেই পড়বে সে... continue reading

৭০১

মো: সারোয়ার হোসেন ভুঁইয়া

৩ বছর আগে লিখেছেন

" দুনিয়ার সবচেয়ে বড় পাপ চিত্তের দূর্বলতা"।


কথাটি আমার নয়।
কোন এক মহাজ্ঞানীর বাণী।

তখন সবে এইচ.এস.সি তে ১ম বর্ষে " ঢাকা কলেজে" ভর্তি হয়েছি। কলেজের ২য় তলার Grography Department এর পাশের গ্যালারীতে প্রবেশের গেইটের উপরে এ বাণীটি লেখা ছিল। এরকম বাণী সব গ্যালারীর উপরেই ছিল। কিন্তু এই বাণীটি আমাকে খুব নাড়া দিত। যেদিনই Geography ক্লাস থাকত, সেদিন ক্লাস করতে গ্যালারীতে প্রবেশ করার আগে এ লেখাটি একবার করে পড়তাম। কিন্তু এর মর্মার্থ তেমন একটা বুঝতে পারিনি।

আগেই বলে রাখি, কলেজে পড়াকালীন আমার লেজ একটু লম্বা ছিল, তবে খারাপ দিকে নয়। হোস্টেলের দেয়ালিকা " দর্পণ" প্রকাশ করা, পথ নাটক করা, রোভার... continue reading

৪৬১

দিলারা জামান

৩ বছর আগে লিখেছেন

প্রতিযোগিতার তাড়না নায়, ছোটদের ভালোবাসা, সময় ও আত্মবিশ্বাস দিন

বছর বারো বয়স। দু’জনে একই ক্লাসে পড়ে। মেয়েটিকে খুব ভাল লাগত সোহমের। কিন্তু বলার সাহস করে উঠতে পারছিল না। যদি সটান না বলে দেয়...। সেই আশঙ্কাই সত্যি হয়। বন্ধুদের সামনে ‘না’ বলে দেয় মেয়েটি। মেনে নিতে পারেনি সোহম। স্কুলেরই পাঁচ তলার ছাদ থেকে ঝাঁপ দেয়।
রাহুলকে খুব ভাল লাগত সদ্য ষোলোয় পা দেওয়া রিয়ার। কিন্তু রিয়ারই প্রিয় বান্ধবী জাহ্নবীর প্রেমিক রাহুল। অতএব, বন্ধুর সঙ্গে রাহুলের সম্পর্কটা ভাঙতে কিছু একটা করতেই হবে, স্থির করে ফেলে রিয়া। বান্ধবীর নামে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে ভুয়ো প্রোফাইল খুলে ফেলে। আর তার পর তার নামে একের পর এক আপত্তিকর পোস্ট করত থাকে। অজান্তেই জড়িয়ে পড়ে ‘সাইবার... continue reading

৫৭৩

এই মেঘ এই রোদ্দুর

৩ বছর আগে লিখেছেন

শেষ চিঠির উত্তর এবং রোদ্দুরের জবাব-প্রতিযোগিতা-২য় পর্ব (ক্যাটাগরি-২)

১। শেষ চিঠির উত্তর........
=================
প্রিয় রোদ্দুর!
আমার খুব কষ্ট হচ্ছে। এতটা বেশি যে কখনো কাওকে বলতেও পারব না। তুমি কি জানো,কতটা বর্ষণে কান্নার জল হয় নীল ? আমি বরাবর ই একটা জিনিসকে প্রচন্ড ভয় পেতাম। তাই কখনোই কাওকে ভালোবাসা হয়নি। মুখ ফুটে বলা হয়ে ওঠেনি 'ভালবাসি'!সেই ভয়ের কারনেই এতটা ভালবাসা বুকে নিয়েও আমি আজ সন্ধ্যায় তোমায় জানাতে পারিনি। জানো তো,আমি বড়ই আনাড়ী। এত আবেগ আহ্লাদ বুকে পোষে রাখা সত্বেও আজও প্রকাশ ভঙ্গিটা রপ্ত হয়ে ওঠেনি ! তুমি কত অকপটে বলে দিলে চলে যাচ্ছো আমি যেন না খুঁজি তোমায় !লেই যদি যাবে তবে কেন এমন করে ভাঙ্গলে আমায়? কেন... continue reading

৪৮৯

এই মেঘ এই রোদ্দুর

৩ বছর আগে লিখেছেন

শরতের অভ্র'র কাছে রোদ্দুরের চিঠি (প্রতিযোগিতা/২০১৬) ক্যাটাগরী-২

শরতের অভ্র,
শুরুতে প্রীতি ও শুভেচ্ছা। আশা ও বিশ্বাস ভাল আছো খুব। অনেক আশা নিয়ে উত্তর পাবার আশায় লিখেছিলাম ছোট একটি চিঠি। তোমার মত সুন্দর বা গুছিয়ে লিখতে পারিনি হয়তো। তবে চিঠির শব্দে শব্দে ভরা ছিল আবেগ। বাক্যে বাক্যে ছিল ভালবাসার সুরের অনুরণন। তুমি কি সে সুর অনুভব করতে পারোনি!! অনুভূতি জেগে উঠেনি একবারো!! এতটা তুচ্ছ আমি!! তুমি তো শরত আকাশের নীল অভ্র, রোদ্দুর তোমাকে ছুঁতে পারে না ! তুমি ভেসে বেড়াস রোদ্দুরের মন আকাশে পেঁজাতুলো অভ্র। তাই হয়তো চিঠির উত্তর দাওনি। রাগে অনুরাগে আবারো বসলাম চিঠি লিখতে।
হাড় কাঁপানো শীতের রাতে লিখতে গিয়ে কেঁপে উঠেছি... continue reading

৪৫৩

রাজীব নূর খান

৩ বছর আগে লিখেছেন

সময় সকাল ১১ টা।

সময় সকাল ১১ টা।
অফিসের কাজে গুলশান যাচ্ছিলাম। কড়া রোদ। রাস্তায় জ্যাম। বাস কম, যাত্রী বেশি। প্রতিদিনের মত অনেক হ্যাপা করে বাসে উঠলাম। সাথে আছে আমার ক্যামেরা। বাসে উঠার পরই দুইজনের সাথে কথা কাটাকাটি হলো। একজন তো আমাকে মেরেই বসল। ডান চোখের নিচে কেটে গেল। কাটা জায়গাটা সারা দিনই জ্বলছিল।
এত সহজ সরল জীবন যাপন করি। কত কিছু মুখ বুঝে সহ্য করি। বাসায় এসে আয়নায় তাকাতেই চোখের নিচে দেখি দাগ হয়ে আছে। দাগটা দেখেই মাথাটা গরম হয়ে গেল। এখন মনে হচ্ছে- ওই দুইটা বদমাশকে একটা থাপ্পড় হলেও দেয়া উচিত ছিল। আমি কাউকে কোনোদিন থাপ্পড় মারিনি, এর মানে এই... continue reading

৪৫৯