"গল্প" বিভাগের পোস্ট ক্রমানুসারে দেখাচ্ছে

হামি্দ

৫ বছর আগে লিখেছেন

ছাত্তার সাহেবের বিভীষিকাময় দুই ঘন্টা অতপর বোধোদয়

এই গল্পটি সম্পূর্ণই একটা কাল্পনিক কাহিনী। বাস্তবের কোনো ঘটনার সাথে এর কোনো মিল পাওয়া গেলে অথবা বাস্তবরে কোনো ব্যক্তি, স্থান, প্রতিষ্ঠান বা পেশার নামের সাথে এই গল্পে উল্লেখিত কোনো ঘটনা অথবা কোনো ব্যক্তি, স্থান, প্রতিষ্ঠান বা পেশার নাম মিলে গেল তা সম্পূর্ণই কাকতালীয়।]
ছাত্তার সাহেব নিপাট ভদ্রলোক এবং কাজ পাগল একজন মানুষ। মধ্য তিরিশের এই ব্যবসায়ী মানুষটিকে সবাই একজন সৌভাগ্যবান মানুষ হিসেবেই জানেন। যে ব্যবসাতে হাত দেন সেখনেই সোনা ফলান। সে জন্য তার বাবাও ছেলের হাতে ব্যবসা ছেড়ে দিয়ে নিশ্চিন্ত আছেন। বাবার ব্যবসার হাল ধরার পর সেটাকে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে অনেক বড় করেছেন। স্ত্রী মুসাম্মৎ রেশমা বেগম এর স্বপ্ন স্বামীকে নিয়ে... continue reading

৩২৬

হামি্দ

৫ বছর আগে লিখেছেন

কে পাগল ?

মাঘ মাসের প্রচন্ড শীত। কনকনে ঠান্ডায় হাত পা জমে যাচ্ছে। আমি দাড়িয়ে আছি ঢাকার সায়দাবাদ এলাকায়। যেখানটায় রাস্তার পাশে রয়েছে সারি সারি বাস কাউন্টার। এখান থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায় নানা কোম্পানির বাস। আমার গন্তব্য ফেনী। আশেপাশে আরও লোকজন আছে। কে কোথায় যাবে কে জানে। প্রচন্ড কুয়াশা আর কনকনে শীতে শরীর গরম করার জন্য লোকজন সিগারেট খাচ্ছে অনবরত। সিগারেটের ধোয়ার গন্ধে আমার মাথা ধরে গেছে। বমি বমি লাগছে। কিন্তু ধোয়া থেকে মুক্তি পাচ্ছি না। যেখানেই গিয়েই দাড়াই সেখানেই কেউ না কেউ সিগারেট ফুকছে। এজিনিসটা মানুষ কীভাবে যে খায় আমি বুঝতে পারি না। 
সকালেই ঢাকা এসেছিলাম একটা জরুরি কাজে।... continue reading

৪৮৩

মো : আশিকুজ্জামান

৫ বছর আগে লিখেছেন

সোহেলীর সংসার

রাস্তাঘাট প্রায় ফাঁকা। দুয়েকটি রিকশা, ভ্যান চলছে। মফিজ ও সেলিম দ্রুত সোহেলীর কাছে পৌঁছাল। সোহেলীর কাছে গিয়ে সেলিম বলল, তোমাকে নিয়ে যেতে হলে অনেক টাকা দিতে হবে। এখন আমার কাছে অতো টাকা নেই। আগামী কাল এসে টাকা দিয়ে তোমাকে নিয়ে যাব।
সোহেলী অবাক হয়ে শুধু সেলিমের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকল। ভাবতে লাগল এমন মানুষও পৃথিবীতে আছে ! কি বিচিত্র এই পৃথিবী। এই নীল আকাশের নিচে কখন কার ভাগ্যে কি ঘটে কে রাখে তার খোঁজ। গতকালও তার ভাগ্যের আকাশে ছিল ঘোর অন্ধকার। এখন তার ভাগ্যাকাশে সোনালী সূর্য উঠার অপেক্ষায়।
পরের দিন।
সূর্যটা কেবল তার তেজ হারিয়ে দিগন্তের কোলে ঢোলে... continue reading

৬০৭

লুৎফুর রহমান পাশা

৫ বছর আগে লিখেছেন

গন্ধম

বিধাতার নিয়তি উপেক্ষা করার ক্ষমতা কারোর কোন কালে ছিলনা এখনো নেই। তাইতো বিধাতার পাতা বলয়ে আটকে যেতে সময় লাগেনি। বিধাতার এই নিয়তি বড়ই রহস্যময়। তিনিই বিধান লিখেন তিনিই তা পড়ে শোনান। এর পক্ষে বলেন বিপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন। সম্মুখে রঙ্গিন করে সুগন্ধী মাখিয়ে গন্ধম হাজির করেন। আবার কেউ ছুয়ে দিলেই তার হাত চেপে ধরেন, ঘাড় বাকিয়ে দিলেই টুটি চেপে ধরেন। বিধাতা কখনো নিষ্ঠুর কখনো খেয়ালী কখনোবা বিমাতা সুলভ আচরন করেন। রাগ, ক্ষোভ, তৃষ্ণা, গর্ব কিংবা অহং বোধ সবই তিনি নিজ হাতে রেখে দিয়ে আমাকে মুক্তি দিয়েছেন। এখানে বিধাতাকে বলতে ইচ্ছে করে একেমন স্বাধীনতা দিলে তুমি, কেমন করে ঘোষনা দিলে... continue reading

৪৪৪

মো : আশিকুজ্জামান

৫ বছর আগে লিখেছেন

সোহেলীর সংসার

আজ রাতে সোহেলীর বিয়ে। বয়স এখনও বিশ বছর পেরোয়নি। তবুও গরীব মা-বাবা তার বিয়ের আশা ছেড়ে দিয়েছিল। বিয়েটা এনেছে তালেব মুন্সি। আজ তার খুব কদর। গ্রামের কেউ তাকে দেখতে না পারলেও সে এখন তাদের খুব কাছের মানুষ। সোহেলী তার বিয়ের ব্যাপারে কিছুই জানে না।
গরীরেব মেয়ে সুন্দরী হয় না। সবাই বলে দেখতে ভালো। পাড়ার কিছু উঠতি যুবক তাকে কয়েকবার প্রেমের প্রস্তাবও দিয়েছে। কিন্তু সোহেলী কোন সাড়া দেয়নি। সোহেলী জানে সে গরীবের মেয়ে। খাবে কি সেই ভাবনাতে সারাদিন কাটে। সে জন্য তারা সেই সুযোগ নিয়ে তার কাছে আসে বিনোদন পেতে। প্রেম প্রেম খেলা করতে। কেউ তাকে বউ করে তার দায়িত্ব... continue reading

৭৮৯

আশরাফুল কবীর

৫ বছর আগে লিখেছেন

আশ্বিনের শেষ বিকেল

এক.
 
দেখতে দেখতে কিভাবে যেন হলের দিনগুলো পার হয়ে যাচ্ছিল কিন্তু কোনভাবেই কোন কিছু ম্যানেজ হচ্ছিলনা আফজালের, না হচ্ছিল সিমুর সাথে বোঝাপড়ার বিষয়টি, না হচ্ছিল প্রজেক্টের প্রতি পূর্ণ মনযোগ দেয়া। বরাবরই অস্থিরচিত্ত মনের হওয়ায় তার ছটফটানো মনোভাবটি কখনোই কেউ ভালভাবে বুঝতে পারতোনা। এটা ভেবে ভেবে নিজের প্রতি নিজের রাগ আরো বেড়ে যেত আফজালের। অথচ রাব্বির কথা মনে হলেই তার কেমন কেমন লাগতে শুরু শুরু করে, বছরখানেকের মধ্যেই তার প্রিয় বন্ধুটি কিভাবে কিভাবে যেন সবকিছু সামলে সুমলে এখন পুরো কোট-প্যান্ট পড়া ভদ্রলোক সেজে বসেছে। সকালসন্ধ্যা অফিসের কাজ, অফিসের কাজ বলে চারপাশ সরগরম করে রাখা আর সপ্তাহান্তে বেড়াতে যাওয়া,... continue reading

৯৩৬

লুৎফুর রহমান পাশা

৫ বছর আগে লিখেছেন

অনুগল্পঃ গোলাপ কাহিনী

  সে এক অচিন দেশের গল্প। রাজকুমারী বনলতার সাথে বনরাজের দারুন সখ্যতা। যতদুর দৃষ্টি যায়, ঘন সন্নিবেশী দৃষ্টি ভিভ্রম বন। সুঠাম সবুজ সরু কিংবা চিড়ল পাতায় ছেয়ে আছে কোথাওবা হরিন শিকারী লতাগুল্মের দল। সেখানে ছায়া আছে। বৃষ্টি এলে নিরাপদে ধরে রাখার মায়া আছে। এই মায়াতেই ভুলে আছে রাজ কুমারী। মনে তার যত কষ্টই জমা হোক বনরাজের সান্নিধ্যে এলে মন ভালো হয়ে যায়। বনরাজ তাকে নিয়ে দোল খায় বৃক্ষ শাখে, স্বাদ উপভোগে নিমিত্ত করে বনের যত সুস্বাদু ফলের ভান্ডার। রাজকুমারীর স্মৃতির ভান্ডারে নিত্য জমা হয় হাজারো বৃক্ষের হাজারো রকমের ছায়ার মায়া।

বিজন বনের এক মাথে যেখায় জল মিশে গেছে... continue reading

৮৩১