"অনুবাদ" বিভাগের পোস্ট ক্রমানুসারে দেখাচ্ছে

নূর মোহাম্মদ নূরু

৫ বছর আগে লিখেছেন

বাংলাদেশের প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও লেখক অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের ৭৭তম জন্মদিনে শুভেচ্ছা

বাংলাদেশের প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও লেখক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাঙলা ভাষা ও সাহিত্যের ইমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। ১৯৭১ সালে তিনি প্রত্যক্ষভাবে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের সঙ্গে ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দ থেকে তাঁর পরিচয় ও ঘনিষ্ঠতা। মুজিবনগরে তিনি তাজউদ্দীনের বিচক্ষণ কর্মকাণ্ড সরেজমিনে কাছ থেকে দেখেছেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সঙ্গেও তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। ভাষা আন্দোলন, রবীন্দ্র উচ্ছেদবিরোধী আন্দোলন এবং ঐতিহাসিক অসহযোগ আন্দোলনে তিনি সম্পৃক্ত ছিলেন। ১৯৬১ খ্রিস্টাব্দে রবীন্দ্র জন্মশতবর্ষ অনুষ্ঠানে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। বর্তমানে তিনি শিল্পকলা বিষয়ক ত্রৈমাসিক পত্রিকা যামিনী এবং বাংলা মাসিকপত্র কালি ও কলম-এর সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। অধ্যাপক আনিসুজ্জামান এ বছর সাহিত্যের জন্য ভারতের তৃতীয় সর্বোচ্চ... continue reading

৫২৬

রাজীব নূর খান

৫ বছর আগে লিখেছেন

বিদেশী মানব মানবী’র ভালোবাসা

'জন মাইক্যাল' মার্কিন যুক্তরাষ্টে একটি নামকরা স্কুলে তখন দশম শ্রেনীর ছাএ।একদিন ইংরেজী ক্লাশ চলাকালে জন মুগ্ধ নয়নে তাকিয়ে ছিল পাশে বসা 'রোজ এন' মেয়েটির দিকে।
এই রোজ এন'ই ছিল জন মাইক্যালের খুব ভালো বন্ধু।জন মাইক্যাল,রোজ এন এর দীর্ঘ এবং সিল্কী চুলের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে ভাবতো এ মেয়েটি আমার।কিন্তু রোজ এন এমন ভাবতো না তা জন মাইক্যাল'র ভালোই জানা ছিল।ক্লাশ শেষে রোজ এন,জন মাইক্যালের দিকে এগিয়ে এসে একটু মিষ্টি হেসে আগের দিনের নোট চাইলো।সেদিন রোজ এন ক্লাশে অনুপস্থিত ছিলো।জন মাইক্যাল তাকে নোট গুলো দিয়ে দিলো।রোজ এন তাকে ধন্যবাদ জানালো আর কপোলে চুমু খেলো।জন মাইক্যাল তাকে বারবার বলতে চাইলো-"আমি তোমাকে... continue reading

৪৯৯

নূর মোহাম্মদ নূরু

৫ বছর আগে লিখেছেন

অসাম্প্রদায়িক চেতনা সম্পন্ন উদার এবং মুক্তমনা মানুষ জাতীয় অধ্যাপক কবীর চৌধুরী ৯১তম জন্মদিনে শুভেচ্ছা

বাংলাদেশের প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ, প্রাবন্ধিক ও অনুবাদক কবীর চৌধুরী। তিনি জীবন, শিল্প, সমাজ, সংস্কৃতি, রাজনীতিসহ নানা বিষয় নিয়ে ভাবেন ও লিখেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় তাঁর সাহসী ভূমিকা তাঁকে বিশেষ গৌরব দান করে ৷ ১৯৭৫ পরবর্তী স্বাধীনতা ইতিহাস বিকৃতির কালেও তিনি তাঁর লেখায়, সভা-সমিতিতে, বক্তৃতা-ভাষণে তাঁর প্রগতিশীল কার্যাবলী অক্ষুন্ন রাখেন৷ বিশ্বসাহিত্যের অসংখ্য নাটক কাব্য ও গবেষণাগ্রন্থ অনুবাদ করেছেন তিনি। ১৯৯৮ সালে কবীর চৌধুরী সরকার কর্তৃক দেশের জাতীয় অধ্যাপক নির্বাচিত হয়েছেন। একজন সত্যিকার অসাম্প্রদায়িক চেতনা সম্পন্ন উদার এবং মুক্তমনা মানুষ ছিলেন তিনি। প্রয়াত এই কর্মী-পুরুষ গত কয়েক দশক ধরে জাতির মননশীলতার বিকাশ এবং কুসংস্কার ও মতান্ধতার বিরুদ্ধে সংগ্রামে নিয়োজিত রেখেছিলেন তার কর্মপ্রচেষ্টা।... continue reading

৮১৭

শেফালী সোহেল

৫ বছর আগে লিখেছেন

অবুঝ সন্তান

অবুঝ সন্তান
ব্রাদার্স জিম
অনুবাদ: শেফালী সোহেল          
 
(১)
বিশাল এক বনের ধারে স্ত্রী ও দুই ছেলেমেয়ে নিয়ে এক গরীব কাঠুরিয়ার বাস । ছেলের নাম হ্যানসেল ও মেয়ে গ্রেটেল। সে দিনে একবার খাবার খায়। কখনো এমন হয় যে একবারের খাবারই জোগাড় করতে পারে না।
 
এক রাতে দুশ্চিন্তায় তার ঘুম এল না। গভীর হতাশায় সে তার স্ত্রীকে ডেকে বলল, এখন আমাদের কী হবে? ছেলেমেয়ে দুটোকে কিভাবে পালব?
 
তার স্ত্রী বলল, এর আমি কী বলব? কাল খুব ভোরে বাচ্চা দুটোকে গভীর বনের ভেতরে নিয়ে যাব। সেখানে ওদেরকে আগুন ও একটি রুটি দেব। তারপর আমরা তাদেরকে একা রেখে কাজে চলে... continue reading

৫৬৪

কে এম রাকিব

৫ বছর আগে লিখেছেন

ইয়েটস ও একটি প্রিয় কবিতা

দ্য লেক আইল অফ ইনিস্ফ্রি
 
জেগে উঠে চলে যাব, ইনিস্ফ্রি চলে যাব আমি   
সেখানে বানাবো  এক কাদা আর বেতসের ছোট্ট কুটির;
নয়টি বিনের সারি রবে, এক মধুকোষ রবে মৌমাছির,
মক্ষিকার গুঞ্জনে ভরা একা বসবাস।
 
সেইখানে শান্তি পাব আমি, যেই শান্তি নেমে আসে ধীরে
নেমে আসে ঝিঁ ঝিঁ ডাকা সকালের অবগুন্ঠন ছিঁড়ে
যেখানে মধ্যরাত নিভু নিভু জ্বলে, দুপুর অরুনাভে রাঙা,
সন্ধ্যাকে ভরে দেয়, লিনেটের ডানা।
 
জেগে উঠে চলে যাব আমি দিনে আর রাতে
টের পাই জল ছলচ্ছল মৃদুশব্দে আছড়ে পড়ে হ্রদের কিনারে,
যখন দাঁড়িয়ে থাকি পথে কিংবা ধূসর ফুটপাথে,
পাই টের হৃদয়ের অনেক গভীরে।
 
[The Lake Isle Of Innisfree
I will arise... continue reading

৩৫ ৯২৮

সুমন আহমেদ

৫ বছর আগে লিখেছেন

অনুবাদ

ব্রিটিশ কবিতায় বিশ শতকের একজন অন্যতম শক্তিশালী কবি এডওয়ার্ড জেমস টেড হিউজেস ১৯৩০ সালে ১৭ আগস্ট ইয়র্কশায়ার পশ্চিম রাইডিং জেলার, মাইথোমোরয়েড এ জন্মগ্রহণ করেন। তার শৈশব ছিল শান্ত এবং গ্রামীণ পরিবেশ বেষ্টিত। তাঁর বয়স যখন সাত বছর তখন তার পরিবার পশ্চিম ইয়র্কশায়ারের একটি ছোট্ট শহর ম্যাক্সবোর্গ এ স্থানান্তরিত হয়, যে স্থানের ভূদৃশ্য তার কবিতার মধ্যে গভীর ভাবে প্রতিফলিত হয়।
 
উচ্চবিদ্যালয়ের পাঠ শেষে হিউজেস রয়্যাল এয়ার ফোর্সে যোগদান করেন এবং স্থল বেতার মেকানিক হিসেবে দুই বৎসর সেবা প্রদান করেন। তারপর একটি একাডেমিক স্কলারশিপের মাধ্যমে পেমবোর্ক কলেজে অধ্যয়নের জন্য কেমব্রিজ যান। কলেজে পড়া অবস্থায় কিছু কবিতা প্রকাশ করেন যা মূলত... continue reading

২৭ ১০৮৩

শেফালী সোহেল

৫ বছর আগে লিখেছেন

মহৎ ভালোবাসা

মহৎ ভালোবাসা
অনুবাদ: শেফালী সোহেল
 
 
আমি শুনেছি “মাতাপিতার সবচেয়ে বড় উপহার তাদের সন্তানদের দিতে পারে একে অপরের ভালোবাসা”।
 
৪০ বছর যাবৎ এ কথার সত্যতা আমি দেখেছি। পেছনে যতদূর মনে পড়ে আমার মা-বাবা দুজনে সর্বদা একজোট ছিল। মহান জুটি। তারা পার্টনার্শিপের চেয়েও বেশিকিছু । তাদেরকে অভিন্ন একজন মনে হয়।
 
এটা নিশ্চিত যে তাদের মাঝে মতানৈক্য হতো কিন্তু সেটা আমাদের মনে নূন্যতম সন্দেহের জন্ম দেয়নি। সবকিছু সমঝোতায় শেষ হয়। খুবই দারিদ্রতার মধ্য দিয়ে আমার মা-বাবা সংসার জীবন শুরু। তারা বছরের পর বছর কঠোর পরিশ্রম করে ব্যবসায় সফলতা অর্জন করে। তাদের সফলতা-ব্যর্থতা উভয়ই ছিল।... continue reading

৪৪৬

মামুন ম. আজিজ

৫ বছর আগে লিখেছেন

‌'চুমু' এবং 'হারিয়েছি ভালবাসা'....(দুটি অনুবাদ কবিতা)

অনেকদিন আগে অনলাইনে পড়তে ভালো লাগা দুটো কবিতা অনুবাদ করেছিলাম। আজ হঠাৎ সে দুটো আবার  পুরাতন লেখা ঘাটতে গিয়ে নজরে এল, কিছু পরিমার্জন ঘটালাম, আবার তুলে দিলাম পাঠকের সম্মুখে।
(1)
Kissed
Jillia

To live, To die.
To breath, to Cry.
All because I kissed the world goodbye.

I lost the love I use to feel.
Now it just one big empty hole.
I don't understand how this could all just happen.
But the ones I use to love are no more…
I give and give and yet I still get nothing in return.
So as I was saying...

To live, to die
To... continue reading

৯১৫

ফেরদৌসা রুহি

৫ বছর আগে লিখেছেন

জাদুর কাঁচি (অনুবাদ )

অনেক অনেক বছর আগের কথা। তিনদিকে উঁচু উঁচু পাহাড়ে ঘেরা আর একপাশে নীল রঙের একটা হ্রদ, সেখানে একটি ছোট্ট চায়না ছেলে ছিল, তার নাম ছিল ‘’লিউ চিউ’’। সে তার বাবা মায়ের সাথে বাঁশের তৈরি একটা ছোট ঘরে থাকতো। তারা ছিল অনেক সুখি। সারাদিন লিউ চিউ বালি নিয়ে খেলা করত, সূর্যের নিচে বসেথাকত ,পাখি এবং ফুলের দিকে তাকিয়ে থাকত। আর তার যখন খিদা লাগত তখন তার মা বড় একটা বাটিতে তাকে ভাত খেতে দিত।সে হাত দিয়েই তার খাবার খেত, কাঠি ব্যবহার করত না, কিন্তু কেউ কিছুই মনে করত না।
একদিন তার মা বলল ‘’লিউ চিউ, ঘরে যথেষ্ট চাল নেই। যাও হ্রদ থেকে... continue reading

২৮ ৮৩০

সুমন আহমেদ

৫ বছর আগে লিখেছেন

অনুবাদ

(১৯৩২ – ১৯৬৩)
সিলভিয়া প্লাথ ১৯৩২ সালের ২৭ অক্টোবর বোস্টন, ম্যাসাচুসেটস এ জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা ও মায়ের মধ্যে যখন পরিচয় ঘটে তখন মা অরেলিয়া স্কবার বোস্টন ইউনিভার্সিটির মাস্টার্সের ছাত্রী আর বাবা অটো প্লাথ সেই ভার্সিটির অধ্যাপক ছিলেন। ১৯৩২ সালে জানুয়ারিতে তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। বাবা অটো প্লাথ জার্মান ভাষা এবং জীববিদ্যা শেখাতেন এবং মৌমাছি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ছিলেন।
১৯৪০ সালে সিলভিয়া প্লাথের আট বছর বয়সে তার বাবা ডায়াবেটিকস থেকে সৃষ্ট জটিলতার কারণে মারা যান। বাবা ছিলেন একজন কঠোর প্রকৃতির, তার স্বৈরাচারী মনোভাব এবং মৃত্যু উভয়ই তার সম্পর্ক এবং কবিতায় প্রতিফলিত হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল তার শোক... continue reading

৩৮ ১১২৭