Site maintenance is running; thus you cannot login or sign up! We'll be back soon.

মেঘলা আনজুম

৫ বছর আগে

শিশুর ঈদ ঃ

ঈদ মানেই তো শিশুর খুশি। সেই ছোটবেলায় হিম হিম শীতের মাঝে উঁকি দিত ঈদ। কাকভোরে কাঁপতে কাঁপতে পুকুরে নেমে হাপুস-হুপুস গোসল। নইলে ঈদের জামা পড়তে দেবে না মা। নতুন জামা হাতে নিয়ে তবেই স্বস্তি। জামা মেলে ধরতেই যেন শুরু হয়ে গেল ঝরকা কাটা ঈদ।

ঈদের দিন যত ঘনিয়ে আসে ছোটদের মনে ঈদের জন্য আকুলতা যেন ততই বাড়তে থাকে। যতক্ষণ পর্যন্ত না ঈদের দিনটি সমাগত হয় ততক্ষণ যেন তাদের সয় না। আর এই আকুলতাটা সবকিছু ছাপিয়ে এসে দানা বেঁধে থাকে নতুন জামা-কাপড়কে কেন্দ্র করে। যেহেতু ঈদের দিনে সবাই নতুন নতুন পোশাক পরিধান করেতাই এর জন্য প্রস্তুতিও চলতে থাকে মহা আয়োজনের মধ্য দিয়ে। ঈদের প্রধান আবেদন যেহেতু নতুন পোশাককে ঘিরে,  তাই এ পোশাকের জন্য শুরু হয় দৌড়ঝাঁপ একটা সময় ছিল যখন শুধু দর্জি দোকান এবং রেডিমেট ড্রেসের ওপর প্রায় সবাই ছিল নির্ভরশীল। কিন্তু সময় পরিক্রমায় আগের ওই ধারায় এসেছে বিপুল পরিবর্তন। যে পরিবর্তনের রেখাটা এঁকেছে দেশের খ্যাতনামা ফ্যাশন হাউসগুলো। বিশেষ করে ঢাকার প্রখ্যাত ফ্যাশন হাউসগুলো বড়দের ড্রেসের সঙ্গে প্রাধান্য দিয়ে বিগত প্রায় দুই দশক ধরে ছোটদের ড্রেসও তৈরি করছে।

রঙের বাহার ছোটদের বেশ পছন্দ। তবে এর সঙ্গে পোশাকটি আরামদায়ক কি না, তাও দেখা চাই। এবার ঈদের জন্য সুতি ও জর্জেট কাপড়ের পোশাক তৈরি করা হয়েছে বেশি। পাশাপাশি কিছু পোশাকে নেটেরও ব্যবহার করা হয়েছে।

এই ঈদে বিশেষ মনোযোগ পাবে আরাম। বর্ষা শুরু হয়ে গেলেও শেষ দিকে বেশ গরম পড়বেএমনটাই ধারণা করছেন সবাই। কনট্রাস্ট কালার খুব চলবে শিশুদের এবারের ঈদ পোশাকে। পিংক, পার্পেল, ফিরোজা, ম্যাজেন্টা, লাল, নীলের সব কালারেই চলছে মিক্সম্যাচের খেলা। প্রিন্টও বেশ পছন্দ করছেন সবাই। তাই স্ক্রিন প্রিন্ট, ব্লক প্রিন্ট থাকছে। তবে সবকিছুই পরিমিত সীমার মাঝে রেখে। কারণ শিশু মানেই জবরজং রঙের খেলা, সেই কনসেপ্ট উঠে গেছে অনেক আগেই।

তাই মোটিফে বেশ ভালো একটি পরিবর্তন আসবে এবার। প্রিন্টেই অনেক রকম কাজ থাকছে। হাতের কাজ, কারচুপি, অ্যাপ্লিক, রিবনের প্রভাব থাকবে কমবেশি। কাপড়ের ফুল, টুনটুনি পাখি, প্রজাপতির ডানা, সবই দেখা যাবে মোটিফ হিসেবে। শিশুর যা কিছু ভালো লাগে তাই প্রাধান্য পাবে এবার। ছোট ছেলেদের পোশাকেও তার ছাপ থাকবে। ছেলেদের শার্ট বা ফতুয়ায় প্রাধান্য পাচ্ছে হাফহাতা এবং হাতাছাড়া কাট। লং প্যান্টের বদলে কোয়ার্টার চলবে। সাদা পাঞ্জাবির পাশাপাশি রঙিন পাঞ্জাবি বেশ পছন্দ করবে ছেলেরা। প্রায় সব শিশুই ঈদের দিন একটু বড়দের মতো করে সাজতে ভালোবাসে।

ছোটদের জন্য ফ্যাশন হাউসগুলোতে যে ড্রেস আসছেতাতে থাকছে আধুনিক ডিজাইন।

একেতো রোযা তার উপর ট্রাফিক জ্যাম ,তাই অনেকেই বাচ্চাদেরকে নিয়ে মার্কেটে যেতে পছন্দ করেন না। ঘরে বসেই যদি মন মতো কাপড় কেনা সম্ভব হয় তাহলে এতো ঝক্কি পোহানোর কি দরকার?তাই দেশে চালু হয়েছে অন লাইন শপিং।এখন পছন্দের পন্যটি ইন্টারনেটের মাধ্যমে সহজেই হাতে পাওয়া সম্ভব।তবে আর দেরী কেন এখনি ক্লিক করুন এখানে-http://www.nokkhotro.com/cloths/category/29

০ Likes ২ Comments ০ Share ৯৯০ Views

Comments (2)

  • - রব্বানী চৌধুরী

    হৃদয় ছোঁয়ানো কথামাল। শুভেচ্ছা জানবেন, ভালো থাকবেন।