পাশা নূর

৫ বছর আগে

বাংলাদেশের ভ্রমণ গাইড

রাজশাহী বিভাগ

ইতিহাস, ঐতিহ্য আর পুরাকীর্তির নিদর্শনের জন্য রাজশাহী স্মরণীয়। রাজশাহীর অঙ্গসৌষ্টবে খেলা করে সবুজশ্যামল শোভা। 
রাজশাহীর দর্শনীয় স্থান
পদ্মা তীরে নির্মিত শাহ মখদুমের স্মরণে মাজার। তিন গম্বুজ বিশিষ্ট দরগাটির স্থাপত্যশৈলী অতুলনীয়। গোদাগাড়িতে রয়েছে নবাব আলীবর্দী খানের তৈরি একটি দুর্গ। পুঠিয়ায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ঐতিহাসিক অনেক কীর্তির বিশালায়তনের পুঠিয়া রাজবাড়ি, শিবমন্দির, বড়কুঠি, গোবিন্দমন্দির, গোপালমন্দির, দোলমঞ্চ ইত্যাদি। এছাড়াও রাজশাহীতে দেখা যাবে লালকুঠি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, শিরোইল মন্দির, বরেন্দ্র জাদুঘর, বাঘমারা রাজবাড়ি, ভুবনেশ্বর মন্দির, রাধাকৃষ্ণের ঝুলন মন্দির ইত্যাদি। 
বিখ্যাত খাবারের নাম  রাজশাহীর রসকদম,বিরেন দার সিঙ্গারা (অলকার মোড়, রাজশাহী),তিলের জিলাপি। ঠিকানা- বর্ণালীর মোড়, রাজশাহী।, বারভাজা। ঠিকানা- বাটার মোড়, রাজশাহী।
নদী সমূহ পদ্মা 
কীভাবে যাবেন : সড়ক যোগাযোগ ভালো হওয়ায় রাজশাহী যেতে বেগ পেতে হয় না। ট্রেনেও যেতে পরেন।
কোথায় থাকবেন : উলেখযোগ্য আবাসিক হোটেলগুলো হচ্ছে রজনীগন্ধা, গুলশান, মুক্তা, বসুন্ধরা, নাইস, ওয়ে হোম ইত্যাদি। 

চাপাইনবাবগঞ্জের দর্শনীয় স্থান
দেখতে পাবেন নুসরাত শাহ্ নির্মিত সোনা মসজিদ, ঐতিহাসিক কানসাট। এছাড়াও মহানন্দা নদী পার হওয়ার পরই পথের দু’ধারে তরুণ বাহারি আমের বৃরে সারি আপনার মনে নাড়া দেবে। 
বিখ্যাত খাবারের নামচাঁপাইনবাবগঞ্জের কলাইএর রুটি,চাপাই নবাব গঞ্জের শিবগঞ্জের চমচম,শিবগঞ্জের (চাঁপাই নবাবগঞ্জ) চমচম, প‌্যারা সন্দেশ।
নদী সমূহ মহানন্দা
কিভাবে যাবেন : দেশের যে কোনও প্রান্ত থেকে খুব সহজেই আসতে পারেন এখানে। যেমনÑহানিফ ন্যাশনাল, এনপি, মডার্ন, গ্রিন লাইন বাসে করে আসতে পারেন । 

পাবনার দর্শনীয় স্থান
অনেক কারণেই পাবনা খ্যাত। পাবনায় অবস্থিত দেশের একমাত্র মানসিক হাসপাতালটি। পাবনার অন্যান্য দর্শনীয় স্থান হচ্ছেÑ এডওয়ার্ড কলেজ, চাটমোহর শাহী মসজিদ, ভাঁরারা মসজিদ, কাজীপাড়া মসজিদ, জোড়াবাংলা মন্দির, জগন্নাথ মন্দির, ফরিদপুর জমিদার বাড়ি, তাড়াশ জমিদার বাড়ি, দুলাই জমিদার বাড়ি, শিতলাই জমিদার বাড়ি, হার্ডিঞ্জ ব্রিজ, লালন সেতু ইত্যাদি। 
ঈশ্বরদী ইপিজেড, নর্থ বেঙ্গল পেপার মিল এবং ডাল ও আখ গবেষণা কেন্দ্র। আছে ফুরফুরা দরবার শরীফ। পাশেই পাবনা শহর, মাত্র ১৫ মিনিটের পথ। সেখানে দেখতে পাবেন উপমহাদেশের কিংবদন্তি নায়িকা সুচিত্রা সেনের বাড়ি, কোর্ট বিল্ডিং, অনুকুল ঠাকুরের আশ্রাম, জোড়বাংলা, বিখ্যাত মানসিক হাসপাতাল, রায় বাহাদুরের গেট, পাবনা অ্যাডওয়ার্ড কলেজসহ অনেক পুরনো কীর্তি। 
পাকশী রিসোর্ট থেকে লালন শাহের মাজারে যাওয়া যায় ২০ থেকে ২৫ মিনিটে। ইচ্ছা করলে এখান থেকে শিলাইদহে রবীন্দ্রনাথের কুঠি বাড়িতে সড়কপথ বা নদীপথেও যেতে পারেন। ঘুরে আসতে পারেন সাহিত্যিক মীর মশাররফ হোসেনের বসতভিটা থেকে। মুক্তিযুদ্ধকালে দেশের প্রথম স্ব্বাধীন রাজধানী মুজিবনগরেও যেতে পারেন। যেতে পারেন বনলতা সেন খ্যাত নাটোরের রাজবাড়িসহ পুঠিয়া রাজবাড়িতে
শরিফা বাগানঈশ্বরদী, পাবনা 
জেলা সদর থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে ঈশ্বরদী উপজেলার ছলিমপুর ইউনিয়নের বক্তারপুর গ্রামে বাদশার এই শরিফা বাগান। 
মুড়ি গ্রাম, মাহমুদপুর, পাবনা 
মাহমুদপুরের মুড়ি সারা দেশে মশহুর। বহু বছর ধরে মাহমুদপুরের লোকজন মুড়ি দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে। পাবনা শহর থেকে প্রায় ছয় কিলোমিটার দূরে সদর উপজেলার মালঞ্চি ইউনিয়নের ছোট্ট গ্রাম মাহমুদপুর। 
বিখ্যাত খাবারের নাম পাবনার প্যারাডাইসের প্যারা সন্দেশ,পাবনার শ্যামলের দই
নদী সমূহ: 
কিভাবে যাবেন : ঢাকা থেকে বাদল, শ্যামলী, দুলকী, মহানগর ইত্যাদি বাস পাবনায় যায়। 
কোথায় থাকবেন : থাকা-খাওয়ার জন্য ছায়ানীড়, রোহান, প্রবাসী, ইডেন, স্টার ইত্যাদি হোটেল রয়েছে। 

সিরাজগঞ্জের দর্শনীয় স্থান 
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পদচিহ্ন পড়েছে সিরাজগঞ্জে শাহজাদপুরের কাচারিবাড়িতে। সিরাজগঞ্জের বড় আকর্ষণ, যমুনা সেতু। নবগ্রামে রয়েছে প্রাচীন দুটি মসজিদ। এছাড়া রয়েছে বাণীকুঞ্জ, সিরাজীর মাজার, লোহারপুল, মক্কা আউলিয়া মসজিদ, নবরতœ ,মন্দির, শিবমন্দির জয়সাগর, মহাপুকুর আখড়া, এনায়েতপুর পীর সাহেবের মসজিদ। মিল্কভিটা, বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম প্রান্তের ইকোপার্ক, বাঘাবাড়ি বার্জ মাউনন্টেড বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, বাঘাবাড়ি নদী বন্দর
বিখ্যাত খাবারের নাম সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের পানিতোয়া,সিরাজগঞ্জের ধানসিঁড়ির দই।
নদী সমূহ যমুনা, বড়াল, ইছামতি, করতোয়া, হুরাসাগর, গোহালা, বাঙ্গালী, গুমনী এবং ফুলঝুড়ি
কীভাবে যাবেন : সিরাজগঞ্জ যাওয়ার বেশকিছু পরিবহন রয়েছে। তবে বিআরটিসিই সর্বোত্তম। 
কোথায় থাকবেন : আবাসিক হোটেল হচ্ছেÑ পূবালী, মনি, অনীক, মাদারবক্স, সুফিয়া, যমুনা, আজাদ গেস্ট হাউজ ইত্যাদি। 
নওগাঁর দর্শনীয় স্থান
এখানে দেখতে পাবেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিধন্য পতিসর, ১৯২৩ সালে আবিষ্কৃত পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার, গদ্দল মহাবিহার, পতœীতলায় অবস্থিত দিব্যক স্মৃতিস্তম্ভ, নসরত শাহ নির্মিত কুশুম্বা মসজিদ। এছাড়াও রয়েছে করোনেশন থিয়েটার, অনিমেষ লাহিড়ীর বাড়ি, পালবংশের স্মৃতি বহনকারী সাঁওতালপাড়া।
 পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার: নওগাঁ থেকে ৩২ কিলো মিটার উত্তরে বদলগাছী উপজেলায় অবস্থিত ঐতিহাসিক পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার। এর আদি নাম সোমপুর বিহার। ইতিহাসবিদদের মতে, পাল বংশের দ্বিতীয় রাজা ধর্মপাল অষ্টম শতকের শেষের দিকে এ বিহার নির্মাণ করেছিলেন। বিহারের আয়তন উত্তর-দক্ষিণে ৯শ ২২ ফুট ও পূর্ব-পশ্চিমে ৯শ ১৯ ফুট। সমগ্র পৃথিবীতে এ পর্যন্ত জ্যামিতিক নকশার যতগুলো পুরাকীর্তির সন্ধান পাওয়া গেছে বিশেষজ্ঞদের মতে পাহাড়পুর তার মধ্যে অন্যতম সেরা। কারো কারো মতে এখানে একটি জৈন মন্দির ছিল। আর সেই মন্দিরের উপরেই গড়ে তোলা হয়েছে এ বিহার। এ বিহারে মোট ১৭৭টি ঘর রয়েছে। ঘরগুলোতে বৌদ্ধভিক্ষুরা বাস করতেন। বিহারের ঠিক মাঝখানে রয়েছে একটি মন্দির। মন্দিরটি দৈর্ঘ্যে ৪শ ফুট, প্রস্থে প্রায় ৩শ ৫০ ফুট ও উচ্চতায় ৭০ ফুট। কালের বিবর্তনে মন্দিরের সবচেয়ে উপরের অংশ ধসে গেছে। বাইরের দেয়ালে বুদ্ধমূর্তি, হিন্দুদের দেবী মূর্তি ও প্রচুর পোড়ামাটির ফলকচিত্র রয়েছে।

এসব চিত্রে সাধারণ মানুষের বৈচিত্র্যময় জীবনগাথা চিত্রিত হয়েছে। বিহারের মূল বেষ্টনীর দেয়াল প্রায় ২০ ফুট চওড়া। বেষ্টনীর মধ্যে রয়েছে আরেকটি মন্দির। এটি মূল মন্দিরের ধ্বংস স্তূপ বলে ধারণা করা হয়। এ ছাড়াও এ বিহারের চারিপাশে আরো অনেক স্থাপত্যের নিদর্শন পরিলক্ষিত হয়। বিহারের কাছেই রয়েছে ইট ও পাথর দিয়ে বাঁধানো একটি ঘাট। এ ঘাটের পাশ দিয়ে এক সময় একটি নদী ছিল। এ ঘাট নিয়ে এলাকায় অনেক জনশ্রুতি রয়েছে। এ ঘাটে মইদল রাজার কন্যা সন্ধ্যাবতী স্নান করতো বলে এ ঘাটের নাম ছিল সন্ধ্যাবতীর ঘাট। নরওয়ে সরকারের আর্থিক সহায়তায় বাংলাদেশ সরকারের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের তত্ত্বাবধানে ১৯৯৩ সালে এখানে একটি জাদুঘর নির্মাণ করা হয়। এ জাদুঘরে খলিফা হারুন অর রশিদের শাসনামলের রুপার মুদ্রাসহ বিভিন্ন সময়ের প্রাচীন মুদ্রা, কয়েক হাজার পোড়ামাটির ফলকচিত্র, পাথরের মুর্তি, তাম্রলিপি, শিলালিপি ইত্যাদি স্থান পেয়েছে। বিহারের চারপাশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পর্যটকদের মুগ্ধ করে।

নওগাঁ থেকে যোগাযোগ ব্যবস্থা: নওগাঁ থেকে বাসে ও অটোরিকশা রিজাভ করে পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারে যাওয়া যায়। বাসে জনপ্রতি ভাড়া ৩০ টাকা। নওগাঁ শহর থেকে সিএনজি চালিত অটোরিকশা রিজাভ নিলে ভাড়া নেবে ৫শ টাকা। এতে ৫ জন যাওয়া যায়।

পতিসর কুঠিবাড়ী: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতি বিজড়িত পতিসর কুঠি বাড়ী। নওগাঁ শহর থেকে প্রায় ৩৬ কিলোমিটার দক্ষিণে আত্রাই উপজেলার নাগর নদের তীরে পতিসর কুঠিবাড়ী অবস্থিত। পৈত্রিকসূত্রে প্রাপ্ত কালিগ্রাম পরগনার জমিদারী দেখাশোনার জন্য কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৯১ সালে সর্বপ্রথম পতিসরে আসেন। জমিদারী দেখা-শোনার জন্য এলেও প্রকৃতি ও মানব প্রেমী কবি অবহেলিত পতিসর এলাকার মানুষের জন্য দাতব্য চিকিত্সালয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠাসহ অনেক জনহিতৈষী কাজ করেন। এখানকার কৃষকের কল্যাণে নোবেল পুরস্কারের ১ লাখ ৮ হাজার টাকা দিয়ে তিনি এখানে একটি কৃষি ব্যাংক স্থাপন করেন। কবির সাহিত্য সৃষ্টির একটি বিশাল অংশ জুড়ে রয়েছে পতিসর। পতিসরে বসেই কবি চিত্রা, পূর্ণিমা, সন্ধ্যা, গোরা, ঘরে-বাইরেসহ অসংখ্য গ্রন্থ রচনা করেন। রবীন্দ্রনাথের স্মৃতি বুকে নিয়ে আজও দাঁড়িয়ে আছে পতিসর কুঠিবাড়ী।

নওগাঁ থেকে যোগাযোগ ব্যবস্থা: নওগাঁ থেকে সরাসরি পতিসরে বাস যায় না। আত্রাই অথবা রানীনগরে বাস থেকে নেমে অটোরিকশা অথবা রিকশা-ভ্যানযোগে পতিসর যাওয়া যায়। শহর থেকে মাইক্রোবাস অথবা অটোরিকশা রিজার্ভ নিয়েও প্রতিসর ঘুরে আসা যায়।

ঐতিহাসিক কুশুম্বা মসজিদ: সাড়ে চারশ বছরের ঐতিহ্য ধারণ করে দাঁড়িয়ে আছে ঐতিহাসিক কুশুম্বা মসজিদ। নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলা সদর থেকে ৪ কিলোমিটার দক্ষিণে নওগাঁ রাজশাহী মহাসড়কের পশ্চিম পার্শ্বে অবস্থিত কুশুম্বা গ্রাম। এ গ্রামের বিশাল আকৃতির দীঘির পশ্চিম পাড়ে ধুসর বর্ণের ঐতিহাসিক কুশুম্বা মসজিদ অবস্থিত। বাংলায় নিযুক্ত আফগান শাসক গিয়াস উদ্দীন বাহাদুর শাহেব আমলে জনৈক সোলায়মান ১৫৫৮ খিস্টাব্দে এ মসজিদটি নির্মাণ করেন।

মসজিদের চার কোণায় রয়েছে ৪টি মিনার, মিনারগুলো মসজিদের দেয়াল পর্যন্ত উঁচু ও আট কোণ বিশিষ্ট। ছাদের উপর রয়েছে মোট ৬টি গম্বুজ। মসজিদের উত্তর দিকের মেহরাবের সামনে পাথরের পিলারের ওপর তৈরি করা হয়েছিল একটি দোতলা ঘর। এই ঘরটিকে বলা হতো জেনান গ্যালারী বা মহিলাদের নামাজের ঘর। মসজিদের ভেতরে পশ্চিমের দেয়ালে রয়েছে ৩টি চমত্কার মেহরাবের ওপর ঝুলন্ত শিকল, ফুল ও লতা পাতার কারুকার্য। মসজিদের সম্মুখ ভাগে রয়েছে খোলা প্রাঙ্গণ ও পাথর বসানো সিঁড়ি যা দীঘিতে গিয়ে নেমেছে। বাংলাদেশের ৫ টাকা নোটে এ মসজিদটির ছবি রয়েছে। নওগাঁ থেকে সরাসরি রাজশাহীগামী বাসে কুশুম্বা মসজিদে যাওয়া যায়। জনপ্রতি ভাড়া নেবে ৩০ টাকা।

দিবর দীঘি: নওগাঁ জেলা সদর থেকে প্রায় ৫০ কিঃ মিটার ও পত্নীতলা উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১২ কিঃ মিটার পশ্চিমে সাপাহার-পত্নীতলা সড়কের পাশে হাজার বছরের প্রাচীন এ দীঘিটি অবস্থিত। বৃহত্ এ দীঘি ও দীঘির চারপাশের সবুজ বৃক্ষরাজি মুগ্ধ করবে আপনাকে। নওগাঁ থেকে সাপাহারগামী বাসে দিবস দীঘিতে যাওয়া যায়। জনপ্রতি ভাড়া নেবে ৫০ টাকা।

কোথায় থাকবেনঃ নওগাঁ শহরে থাকার জন্য ভাল মানের বেশকিছু এসি, ননএসি আবাসিক হোটেল ও মোটেল আছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে—

মোটেল চিস্তিয়াঃ মোটেল চিস্তিয়া নওগাঁর ঢাকা বাসস্ট্যান্ডে অবস্থিত। ভাড়া- এসি রুম ১ হাজার ৮শ থেকে ৫ হাজার টাকা। নন এসি রুম ৪শ ৮০ থেকে ১ হাজার। মোবাইল ফোন: ০১৭২০৫৪৪৪৪৫।

হোটেল অবকাশঃ হোটেল অবকাশ পার নওগাঁয় অবস্থিত। ভাড়া- এসি রুম ৪শ, নন এসি ৩শ। মোবাইল ফোন: ০১৭১১৫৮২১৬০।

হোটেল যমুনাঃ হোটেল যমুনা নওগাঁ লিটন ব্রিজের পাশে অবস্থিত। ভাড়া- ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা। মোবাইল ফোন: ০১৭১৬২৮৪০০০।

হোটেল আরিফঃ হোটেল আরিফ নওগাঁর কাপড় পট্টিতে অবস্থিত। ভাড়া- ২শ থেকে ৩শ টাকা। মোবাইল ফোন: ০১৭৫৩৪২৭৬৮৫।

এছাড়া ঐতিহাসিক পাহাড়পুর ও পতিসর কুঠিবাড়ীতে সরকারি ডাক বাংলো রয়েছে। কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে এসব ডাক বাংলোতেও থাকতে পারবেন।

পাহাড়পুর ডাক বাংলোঃ ভাড়া- সিঙ্গেল ৫শ থেকে ৭শ। ডাবল ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৪শ টাকা। মোবাইল ফোন: ০১৭১১৩০১২৭৪ (কাস্টডিয়ান)

০ Likes ০ Comments ০ Share ৭৮৮ Views