পাশা নূর

৫ বছর আগে

বাংলাদেশের ভ্রমণ গাইড

রংপুর বিভাগ
বাংলাদেশের প্রাচীন জনপদ রংপুর। প্রাচীন জনপদের বরেন্দ্র অঞ্চলের অংশ এটি। সময়ের বিবর্তনে এ অঞ্চল প্রাচীন ঘোড়াঘাট, মোগল, ব্রিটিশ শাসনামলে আসে। 
রংপুরের দর্শনীয় স্থান
রংপুরে রয়েছে শতাব্দী প্রাচীন নামকরা শিা প্রতিষ্ঠান কারমাইকেল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ। অপরূপ কারুকার্যখচিত এ কলেজে একটি গম্বুজও রয়েছে। আছে রাজপ্রাসাদতুল্য তাজহাট জমিদারবাড়ি। মীরগঞ্জে রয়েছে বিশাল একটি দীঘি। এখানে আরও রয়েছে লালবিবির সমাধিসৌধ, ফকিরনেতা মদিনীর কবর ও মোগল আমলের মসজিদ। পায়রাবন্দে আছে মহীয়সী বেগম রোকেয়ার বাড়ির ধ্বংসাবশেষ, বেগম রোকেয়া মেমোরিয়াল উচ্চবিদ্যালয়, বেগম রোকেয়ার স্মৃতিফলক এবং রোকেয়া পরিবারের সদস্যদের ব্যবহƒত একটি শানবাঁধানো দীঘিও রয়েছে। 
পীরগঞ্জের চুতরাহাটের পশ্চিমে রয়েছে নীল দরিয়ার বিল। তারাগঞ্জে গেলে দেখা মিলবে তারাবিবির মসজিদের। গঙ্গাচরার কুঠিপাড়ায় নীলকুঠি। পীরগাছায় দেবী চৌধুরানীর রাজবাড়ি, ইটাকুমরার শিবেন্দ্র রায়ের রাজবাড়িটিও দেখার মতো। এছাড়াও আছে, চিড়িয়াখানা, জাদুঘর, শিরিন পার্ক, টিকলির বিল, খাতুনিয়া লাইব্রেরি, দমদমা ব্রিজ, পরেশনাথ মন্দির, কেরামতিয়া মসজিদ, ভিন্ন জগৎ।

তাজহাট জমিদার বাড়ি
রংপুর শহর থেকে প্রায় ছয় কিলোমিটার দূরে তাজহাট গ্রামে অবস্থিত এ জমিদার বাড়িটি। রত্ন ব্যবসায়ী মান্নালাল ছিলেন তাজহাট জমিদারির প্রতিষ্ঠাতা। ব্যবসায়িক কারণে অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষ দিকে তিনি রংপুরের মাহিগঞ্জে এসে বসবাস শুরু করেন এবং একটি ভবন নির্মাণ করেন। ১৮৯৭ সালের ভূমিকম্পে তার এ ভবনটি ধ্বংস হয়ে যায় এবং তিনি আহত হয়ে পরবর্তীতে মারা যান। তার দত্তক পুত্র গোপাল লাল রায় বাহাদুর জমিদারি দায়িত্ব গ্রহণের পর বর্তমান ভবনটির নির্মাণ শুরু করেন। ১৯১৭ সালে ভবনটি সম্পূর্ণ হয়। ইটালী থেকে আমদানিকৃত শ্বেত পাথর দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল এ বাড়ির সম্মুখের সিঁড়িটি। পুরো ভবনটিতে রয়েছে ২৮টি কক্ষ। ভবনের সামনে মার্বেল পাথরের সুদৃশ্য একটি ফোয়ারা আজও বিদ্যমান। ১৯৫২ সালে জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হওয়ার পরে এ বাড়ি চলে যায় কৃষি বিভাগের অধীনে এবং এখানে গড়ে ওঠে কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট। মুক্তিযুদ্ধের সময় এ বাড়ির প্রচুর মূল্যবান সম্পদ খোয়া যায়। ১৯৮৫ সালে এখানে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ চালু হয়। পরবর্তীতে ১৯৮৭ সালে তাজহাট জমিদার বাড়ি রূপান্তর করা হয় জাদুঘরে। আর এর নাম রংপুর জাদুঘর। এ জাদুঘরের তিনশটি মূল্যবান নিদর্শন রয়েছে। রংপুর জাদুঘরের গ্রীষ্মকালীন সময়সূচি (এপ্রিল-সেপ্টেম্বর) হলো বেলা ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা। মাঝে দুপুর একটা থেকে ত্রিশ মিনিট মধ্যাহ্ন বিরতি আছে। আর শীতকালীন (অক্টোবর-মার্চ) সময়সূচি সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা। ১টা থেকে ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বিরতি। রবিবার পূর্ণ দিবস, সোমবার অর্ধ দিবসসহ সরকারি সব ছুটির দিনে জাদুঘরটি বন্ধ থাকে। এ জাদুঘরে বাংলাদেশি ও বিদেশি পর্যটকদের জন্য প্রবেশ মূল্য যথাক্রমে ১০ ও ২০ টাকা।

পায়রাবন্দ
জেলার মিঠাপুকুর থানার পায়রাবন্দে রয়েছে নারী জগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের বসতভিটা। ২০০১ সালে এখানে সরকার প্রতিষ্ঠা করেছে বেগম রোকেয়া স্মৃতি কেন্দ্র। একটি বেদির ওপরে এখানে স্থান পেয়েছে বেগম রোকেয়ার পূর্ণাবয়ব ব্রোঞ্জ নির্মিত প্রতিকৃতি।

ভিন্নজগত
রংপুর শহর থেকে প্রায় চৌদ্দ কিলোমিটার দূরে রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়ক থেকে সামান্য ভেতরে গঞ্জীপুর গ্রামে অবস্থিত একটি পর্যটন কেন্দ্র। দেশের প্রথম প্লানেটোরিয়ামটি এখানেই। এখানকার বিশাল প্রান্তরজুড়ে রয়েছে লেক, বাগান, শিশু পার্ক রিজর্টসহ আরও অনেক কিছু।  
বিখ্যাত খাবারের নাম রংপুরের সিঙ্গারা হাউজের সিঙ্গারা with সস্ 
নদী সমূহ তিস্তা, যমুনেশ্বরী, ঘাঘট ও করতোয়া
কীভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে রংপুর যাওয়ার জন্য সবচেয়ে ভালো পরিবহন হলো গ্রীন লাইন এবং টিআর ট্রাভেলস। এ দুই পরিবহনের এসি বাসের ভাড়া ৮০০-১০০০ টাকা। এ ছাড়া এ রুটে আগমনী পরিবহন, এস আর, শ্যামলী, হানিফ, কেয়া ইত্যাদি পরিবহনের সাধারণ বাস চলাচল করে। ভাড়া ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকা।

কোথায় থাকবেন
রংপুর শহরে থাকার জন্য বিভিন্ন মানের হোটেল আছে। এ শহরে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের একটি বড় ধরনের মোটেল রয়েছে। এখানে কক্ষভাড়া ১২০০-৩৫০০ টাকা। ফোন :০৫২১-৬৩৬৮১, ৬২৮৯৪। শহরের জেল রোডে বেসরকারি সংস্থা আরডিআরএস'র আবাসন ব্যবস্থা ভালো। ফোন ০৫২১-৬২৫৯৮, ৬২৮৬৩। এ ছাড়া জাহাজ কোম্পানির মোড়ে হোটেল শাহ আমানত, ফোন :০৫২১-৬৫৬৭৩।
দিনাজপুরের দর্শনীয় স্থান 
দিনাজপুরে রয়েছে রাজা রামনাথের অবিস্মরণীয় কীর্তি রামসাগর দীঘি। রয়েছে কান্তজীর মন্দির যা বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর মন্দির। রয়েছে প্রাচীনতম বিহার সীতাকোট, দীর্ঘ ১ মাইল লম্বা দুর্গ ঘোড়াঘাট, গোরা শহীদের মাজার, সীতার কুঠরি, সিংহদুয়ার প্রাসাদ, বারদুয়ারি, শিশুপার্ক।
বিখ্যাত খাবারের নামলিচু, কাটারিভোগ চাল, চিড়া, পাপড়
নদী সমূহ ঢেপা নদী,করতোয়া নদী,নাগর, মহানন্দা, ঘোড়ামারা, টাংগন, তালমা, ডাহুক, কুলিক ও পুনর্ভবা
কীভাবে যাবেন : এসআর, হানিফ, শ্যামলী, কেয়ায় চড়ে দিনাজপুর যাওয়া যায়। 
কোথায় থাকবেন : পর্যটন মোটেল রয়েছে দিনাজপুরে। হোটেলের মধ্যে রয়েছে, আল রশীদ, নবীন, কণিকা, ডায়মন্ড, বিহানা, নিউ হোটেল ইত্যাদি।

[/b]লালমনির হাটের দর্শনীয় স্থান [/b]
তিস্তার পাড় তিস্তা ব্যারাজ: লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার দোয়ানীতে তিস্তা নদীর ওপর গড়ে তোলা হয় বাঁধ। যাকে বলা হয় তিস্তা ব্যারাজ প্রকল্প। দেশের বৃহত্তম ৬১৫ মিটার দীর্ঘ এ ব্যারাজে ৪৫টি গেট রয়েছে। 
তিন বিঘা করিডোর ও দহগ্রাম-আংগরপোতা ছিটমহল
বুড়িমারী স্থল বন্দর
তিস্তা রেল সেতু
বিখ্যাত খাবারের নাম
নদী সমূহ ধরলা নদী ও দক্ষিনে তিস্তা নদী 
কীভাবে যাবেন : এসআর, হানিফ, শ্যামলী, কেয়া এবং রেলে চড়ে লালমনিরহাট যাওয়া যায়। 

ঠাকুরগাওএর দর্শনীয় স্থান 
জামালপুর জমিদারবাড়ি জামে মসজিদ : ঠাকুরগাঁও শহর থেকে পীরগঞ্জ যাওয়ার পথে বিমান বন্দর পেরিয়ে শিবগঞ্জহাট। হাটের তিন কিলোমিটার পশ্চিমে জামালপুর জমিদারবাড়ি জামে মসজিদ।
রাজা টংকনাথের রাজবাড়ি : রানীশংকৈল উপজেলার পূর্বপ্রান্তে কুলিক নদীর তীরে মালদুয়ার জমিদার রাজা টংকনাথের রাজবাড়ি।
দিঘি : ঠাকুরগাঁও অঞ্চলে প্রাচীনকালে বেশ কিছু নদী ও নিচু জলাভূমি ছিল।
হরিণমারীর আমগাছ :প্রায় দুই বিঘা জায়গাজুড়ে শুয়ে-বসে-দাঁড়িয়ে আছে ২০০ বছরের বেশি বয়সী এক আমগাছ। মাটিতে নেমে এসেছে ১৯টি মোটা মোটা ডাল। গাছটির উচ্চতা আনুমানিক ৮০ ফুট আর ঘের ৩০ ফুট।ঠাকুরগাঁও থেকে বালিয়াডাঙ্গি উপজেলার দূরত্ব ২৫ কিলোমিটার। উপজেলা সদর থেকে ১০ কিলোমিটার ভেতরে হরিণমারী। 
রাউতনগর সাঁওতালপল্লী রানীশংকৈল: ঠাকুরগাঁও সদর থেকে ৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে রাউতনগর গ্রাম।
নেকমরদের মাজার দেখতে গিয়েছিলাম রানীশংকৈল। ঠাকুরগাঁও সদর থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমে ২০ কিলোমিটারের বেশি হবে। সেখানেই জানলাম গোরকুই কূপের কথা। লোকজন বলছিল, 'তাজ্জব হয়া যাবেন, ভাই। আজব কুয়া। এর জল সারা বছর এক মাপে থাকে। শীতে কমে না, বর্ষায় বাড়ে না। তার ওপর আবার পাথরে তৈরি।' কথার জালে মন আটকে গেল। দেখার লোভ সামলাতে পারলাম না। নেকমরদ থেকে আরো আট কিলোমিটার পশ্চিমে গোরকুই। সহজে যাওয়ার জো নেই। প্রথমে নছিমনে চড়ে গেলাম পারকুণ্ডা। এরপর শুরু হলো মেঠো পথ। একটা ভ্যানে চড়ে বসলাম। চালকের নাম মজনু। নাকের নিচে তাঁর কালো রেখা উঁকি দিতে শুরু করেছে সবে। সে গোরকুইয়ের গল্পগাথার ভাঁড়ার খুলে দিল। শ্রোতা বলতে আমি আর দিগন্তবিস্তৃত সবুজ ধানক্ষেত। দিনাজপুরকে শস্যভাণ্ডার বলার কারণ খুঁজে পেলাম এখানে এসে। চোখ যেদিকে যায় সবুজের অবারিত বিপুল বিস্তৃতি। বসতি খুবই কম। অনেক দূরে দূরে দু-তিনটি ঘর। মজনু কিছুক্ষণ পর গাড়ি থামাল একটা টং দোকানের সামনে। তেঁতুলগাছ ছায়া বিছিয়ে রেখেছে চারধারে। চা-বিস্কুট পাওয়া যাবে শুনে খানিক জিরানোর কথা ভাবলাম। চা খেতে খেতে দেখলাম সাঁওতাল শিশু-কিশোরদের উচ্ছল শৈশব। এখানে বেশ কয়েক ঘর সাঁওতাল আাছে। দোকান থেকেই একটা দেয়ালঘেরা স্থাপনার চূড়া দেখতে পেলাম। দোকানদার বলল, এটিই গোরক্ষনাথের মন্দির। এরপর আর তর সইল না, দামটাম মিটিয়ে মন্দিরে রওনা দিলাম।
ঢোকার মুখে একটি ছোট দরজা। এটি পেরোনোর পরই পেলাম সাদা চুনকাম করা ছোট একটি মন্দির। সিমেন্টের একটি শিবলিঙ্গ আছে মন্দিরগৃহের মধ্যখানে। বোঝা গেল, মহাদেবের মন্দির। পূর্ব দিকের দেয়াল ঘেঁষে একই সারিতে আছে আরো তিনটি মন্দির। শিবমন্দিরের পাশেরটি কালীমন্দির। শিবমন্দির থেকে এটি একটু বড়। দক্ষিণেরটি মৎস্যেন্দ্রনাথের সমাধিমন্দির। তিনটি মন্দিরেরই চূড়া গম্বুজ আকৃতির। সাধারণত মন্দিরে গম্বুজ দেখা যায় না, সেদিক থেকে এগুলো ব্যতিক্রম 
বিখ্যাত খাবারের নাম
নদী সমূহ টাঙ্গন নদী,ভুল্লী নদী,নাগর নদী,

পঞ্চগড়ের দর্শনীয় স্থান 

 বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট তেঁতুলিয়া
দেশের সর্ব উত্তরের সীমানা তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট। ওপারে ভারতের ফুলবাড়ী। এটি একটি স্থলবন্দর। বাংলাদেশ, নেপাল ও ভারত_ত্রিদেশীয় বাণিজ্য কার্যক্রম দেখা যায় এখান থেকে। শহর থেকে লোকাল বাসে জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত ভাড়া ৮০ টাকা।

    
  

রকস মিউজিয়াম, পঞ্চগড় সদর
পঞ্চগড় সরকারি মহিলা কলেজে আছে দেশের একমাত্র পাথরের জাদুঘর বা রকস মিউজিয়াম। কোনো কোনো পাথরের বয়স হাজার বছরেরও বেশি। ভেতরের গ্যালারিতে বিভিন্ন আকৃতি, রং ও বৈশিষ্ট্যের পাথর আছে। আরো আছে পুরনো ইমারতের ইট, পাথর ও পোড়ামাটির মূর্তি। আদিবাসীদের ব্যবহৃত জিনিসপত্রের সম্ভার আছে জাতিতাত্তি্বক সংগ্রহশালায়। উন্মুক্ত গ্যালারিও আছে। এখানে আছে বড় বড় সব পাথর এবং দুটি নৌকা। একটিমাত্র শালগাছ থেকে তৈরি প্রতিটি নৌকার দৈর্ঘ্য সাড়ে ২২ ফুট। শহরের কোচস্ট্যান্ড থেকে মহিলা কলেজ পর্যন্ত রিকশায় ভাড়া ১০ টাকা।

মির্জাপুর শাহি মসজিদ আটোয়ারী
মুঘল আমলে নির্মিত আয়তাকার মসজিদটি দৈর্ঘ্যে ৪০ ফুট, প্রস্থে ২৪ ফুট। এক সারিতে গম্বুজ আছে তিনটি, প্রবেশপথও তিনটি। মাঝখানের প্রবেশপথের উপরিভাগে একটি কালো ফলকে ফারসি লিপিতে সন-তারিখ লেখা আছে। সামনের পুরোটাই টেরাকোটা প্লাক দিয়ে সুসজ্জিত। প্লাকের ওপর ফুল ও লতাপাতা আঁকা। প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ মসজিদটির দেখভাল করে। সদর থেকে লোকাল বাসে চড়ে মির্জাপুর বাজারে নামতে হবে। ভাড়া ২৫ টাকা। এরপর রিকশায় মসজিদ পর্যন্ত ভাড়া ১৫-২০ টাকা।
  
ভিতরগড়ঃ
পঞ্চগড় শহর থেকে ১০ মাইল উত্তরে বাংলাদেশ- ভারত সীমান্ত বরাবর পঞ্চগড় সদর উপজেলাধীন অমরখানা ইউনিয়নে অবস্থিত এই গড়।
মহারাজার দিঘীঃ পঞ্চগড় শহর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার উত্তরে পঞ্চগড় সদর উপজেলাধীন অমরখানা ইউনিয়নে অবস্থিত একটি বড় পুকুর বর্তমানে যা মহারাজার দিঘী নামে পরিচিতি
সমতল ভূমিতে সম্প্রতি প্রতিষ্ঠিত চা বাগান : পঞ্চগড় জেলার সদর ও তেঁতুলিয়া উপজেলায় সাম্প্রতিকালে সমতল ভূমিতে চা গাছের চাষাবাদ শুরু করা হয়েছে।
০ Likes ১ Comments ০ Share ৭৪০ Views

Comments (1)

  • - আমির ইশতিয়াক

    আমার বাড়ীর সামনে দিয়া কামাল ভাই হাইট্টা যায়, বুকটা ফাইট্টা যায়।

    • - কামাল উদ্দিন

      আপনাকে সাথে নিয়া একদিন হাটবো  আমির ভাইemoticons

    • Load more relies...
    - মুহাম্মাদ আরিফুর রহমান

    ছবিগুলো কোন কারনে মিসিং হয়েছে; টেকনিক্যাল টিম কে জানানো হয়েছে। আশা করছি যত দ্রুত সম্ভব সমাধান হবে।

    - কামাল উদ্দিন

    নিজেই সংশোধন করে দিলাম, টেকনিক্যাল কমিটিকে আর কষ্ট দিলাম না emoticons

    Load more comments...