নির্বাচনী সরকারের ফর্মুলা।

বাংলাদেশের মানুষ এখন নির্বাচনী সরকারের ফর্মুলা নিয়ে ব্যস্ত আছে। প্রতিদিনই নতুন নতুন ফর্মুলা আসছে। সরকারী দল তার স্বার্থ পুরোপুরি বজায় রেখেই ফর্মুল দিচ্ছে। আবার বিরোধী দলও একই পন্থায় দিচ্ছে। কিন্তু কাজের কাজ কোনটাই হচ্ছে না। চারদিকে এগুলো নিয়ে চলছে হৈই হুল্লোর। কৃষক, শ্রমিক, মজুর, বুদ্ধিজীবি সবাই আলোচনা-সমালোচনা করছে। কেউ কেউ আবার মাজাও নিচ্ছে। যে- যে দলের সাপোর্ট করে সে সেভাবেই ব্যাখ্যা করছে। প্রত্যেকেই তার নিজের ধান্দা নিয়ে ব্যস্ত। এই সুযোগটা নিশ্চয়ই তৃতীয় পক্ষ নেয়ার চেষ্টা করছে। আমাদের কি উচিত হবে তৃতীয় পক্ষকে সুযোগ দেয়া? নিশ্চয়ই না। আমরা আর কোন 1/11 চাই না। কিংবা কোন স্বৈরাচারও চাই না। গনতান্ত্রিক পদ্ধতিতে দেশ চলুক এটাই এদেশের 16 কোটি মানুষ চায়। তাহলে কি করতে হবে...। সমাধানে আসতে হবে। একটা সুষ্ঠু সমাধান। যা জাতিকে আগামী বিশৃংখলা থেকে দিতে পারে মুক্তি। সবার ফর্মুলা দেখে আমারও একটা ফর্মুলা দেয়ার ইচ্ছা হচ্ছে। ফর্মুলাটা এমন হলে কেমন হয়। প্রধানমন্ত্রী চাচ্ছেন সর্বদলীয় নির্বাচিতদের নিয়ে অন্তবর্তীকালীন সরকার, আবার বিরোধী দলীয় নেত্রী চাচ্ছেন নির্দলীয় ব্যক্তিদের নিয়ে অন্তবর্তীকালীন সরকার। আবার এ সরকারের প্রধান কে হবেন কেহ স্পষ্ট করে বলছেন না। যদি এমন হয় সরকার দল হতে চার জন্, প্রধান বিরোধী দল হতে চার জন্ এবং অন্যান্য দলগুলো হতে দুই জন মোট= দশ জন। এবার আসা যাক অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান কে হবেন। এখানে উল্লেখ্য যে, বর্তমান সংসদের একজন স্বতন্ত্র সদস্য আছেন বিগত পাঁচ বছর যাবৎ তিনি একাই সরকারকে সংসদে মোকাবেলা করছেন। তিনি হলেন জনাব আজিম। উনাকে এ সরকারের প্রধানের দায়িত্ব দেয়া যেতে পারে। তাহলে নির্বাচিত আর অনির্বাচিত নিয়ে আর কোন বিতর্ক থাকবেনা বলে আমার বিশ্বাস।

০ Likes ০ Comments ০ Share ৬৩৩ Views

Comments (0)

  • - নূর মোহাম্মদ নূরু

    মান্নান ভাই চমৎকার কবিতা উপহার দেবার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ,
    পরিচিত অনেক ব্লগারদের এখানে দেখে খুব ভালো লাগছে।

    সাথে থাকবেন আশা
    করি।