মেঘলা আনজুম

৪ বছর আগে লিখেছেন

মত প্রকাশের নীতিমালা নিয়ে আর্টিকেল ১৯

খুব বেশী দিন আগের কথা নয়, যখন ব্লগিং আরম্ভ করি তখন আমাদের দেশে তেমন ভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার আরম্ভ হয়নি।সেই সময় গুটি কয়েক ব্লগার লেখা লেখি শুরু করি কেবল ব্লগের কিছু নীতিমালা মেনে নিয়ে ।তখন পর্যন্ত আমরা জানতাম না ব্লগ আসলে কি,পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ব্লগারদের সম্পর্কেও কোন ধারনাও ছিল না,এমন কি অনলাইনে লেখার উপর যে কোন নীতিমালা থাকতে পারে তাও ধারনের বাইরে ছিল।
সময়ের প্রয়োজনে ইন্টারনেট এখন সবার হাতের নাগালে,ইচ্ছে করলেই যে কেউ যেখানে খুশী বসে লিখে ফেলছে মনের যতো কথা।কেউ হয়তো ফেসবুক স্ট্যাটাস দিচ্ছে,কেউবা টুইট করতে পছন্দ করছে,আবার কেউবা ব্লগে লিখে দিয়েই মনের ভাব প্রকাশ করছে।এমন মুক্ত মনে লিখতে গিয়ে বিপাকে পড়ছে অনেক অনলাইন এক্টিভিস্ট ,তারা জানতেও পারছে না নিজের অজান্তেই কতো বড় একটা ফাঁদে তারা পড়তে পারে।শুধুমাত্র ফেসবুক স্ট্যাটাস দেবার কারনে মামলা হয়েছে কম পক্ষে ২৬ জনের বিরুদ্ধে,এটাতো কেবল আমাদের দেশের চিত্র।বাইরের দেশ গুলোতেও এমন চিত্র চোখে পড়বে,বিশেষ করে একনায়ক তন্ত্র যেখানে গণতন্ত্র বা বাক স্বাধীনতার উপর হস্তক্ষেপ করে।
প্রায় দশ বছর হয়ে গেল ব্লগে লিখছি।এর মধ্যে আমাদের দেশে পর পর কয়েকটি অনাকাংখিত ঘটনা ঘটে গেছে আমাদের দেশে যার সঠিক পরিসংখ্যান আমাদের জানা নেই।তবে একদম চোখে আঙুল দিয়ে বিবেকের কাছে প্রশ্ন বিদ্ধ করেছে লেখক হুমায়ূন আজাদ স্যারকে হত্যা , ব্লগার রাজীব হত্যা, ডঃ অভিজিত রায়কে নৃশংসভাবে খুব , আর সব শেষে ব্লগার ওয়াশিকুরকে কুপিয়ে নিজ বাড়ীর সামনে খুন করা।স্বভাবতই  প্রশ্ন জাগে –তাহলে কোথায় আছি আমরা ? কি করছে প্রশাসন?এমন অনেক প্রশ্ন উঁকি ঝুঁকি মাড়ে নিজের অজান্তেই।
যারা দীর্ঘদিন ব্লগে লিখে আসছি নিজেদেরকে তুলে ধরতে পারছি মাত্র কিছু দিন।কি সরকারী ,কি বেসরকারী কোন সংগঠনই আমাদের পাশে এসে দাঁড়ায়নি।খুব কাছাকাছি... continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (2)

  • - জাকিয়া জেসমিন যূথী

    লাল কাফনের অন্তরালে হাসবো আমি! ... ভালো লাগলো কবিতা। 

    • - সোহেল আহমেদ পরান

      ধন্যবাদ আপনাকে বোন কবিতা ভালো লাগায়। লক্ষ্য করুন - কবিতাটি  রচনার তারিখ- ০৫/০২/১৯৮৯। আমার বাল্যকালে। এরকম আরো অনেক লেখা খুঁজে পাচ্ছি পুরনো নথি ঘেঁটে।

      শুভেচ্ছা জানবেন আপুনি emoticons

    - মামুন

    "দেখো, তোমরা দেখে নিও
    কাল প্রভাতে যে সূর্য আসবে
    তার মুখে সত্যি থাকবে হাসি
    বিজয়ের গৌরব
    কণ্ঠ নিঃসৃত হবে- অ, আ, ক, খ।

    সত্যিই অসাধারণ হয়েছে সোহেল ভাই।

    একরাশ ভালো লাগা রেখে সাথেই আছি।

    • - সোহেল আহমেদ পরান

      অনেক ধন্যবাদ মামুন ভাই।

      শুভেচ্ছা অবিরাম

    - সুমন সাহা

    প্রিয়, আবারও অসাধারণ একটি লেখা।

    শুভেচ্ছা রইলো বসন্তের।emoticons

    Load more comments...

মেঘলা আনজুম

৫ বছর আগে লিখেছেন

শিশুর ঈদ ঃ

ঈদ মানেই তো শিশুর খুশি। সেই ছোটবেলায় হিম হিম শীতের মাঝে উঁকি দিত ঈদ। কাকভোরে কাঁপতে কাঁপতে পুকুরে নেমে হাপুস-হুপুস গোসল। নইলে ঈদের জামা পড়তে দেবে না মা। নতুন জামা হাতে নিয়ে তবেই স্বস্তি। জামা মেলে ধরতেই যেন শুরু হয়ে গেল ঝরকা কাটা ঈদ।
ঈদের দিন যত ঘনিয়ে আসে ছোটদের মনে ঈদের জন্য আকুলতা যেন ততই বাড়তে থাকে। যতক্ষণ পর্যন্ত না ঈদের দিনটি সমাগত হয় ততক্ষণ যেন তাদের সয় না। আর এই আকুলতাটা সবকিছু ছাপিয়ে এসে দানা বেঁধে থাকে নতুন জামা-কাপড়কে কেন্দ্র করে। যেহেতু ঈদের দিনে সবাই নতুন নতুন পোশাক পরিধান করে— তাই এর জন্য প্রস্তুতিও চলতে থাকে মহা আয়োজনের মধ্য দিয়ে। ঈদের প্রধান আবেদন যেহেতু নতুন পোশাককে ঘিরে,  তাই এ পোশাকের জন্য শুরু হয় দৌড়ঝাঁপ একটা সময় ছিল যখন শুধু দর্জি দোকান এবং রেডিমেট ড্রেসের ওপর প্রায় সবাই ছিল নির্ভরশীল। কিন্তু সময় পরিক্রমায় আগের ওই ধারায় এসেছে বিপুল পরিবর্তন। যে পরিবর্তনের রেখাটা এঁকেছে দেশের খ্যাতনামা ফ্যাশন হাউসগুলো। বিশেষ করে ঢাকার প্রখ্যাত ফ্যাশন হাউসগুলো বড়দের ড্রেসের সঙ্গে প্রাধান্য দিয়ে বিগত প্রায় দুই দশক ধরে ছোটদের ড্রেসও তৈরি করছে।
রঙের বাহার ছোটদের বেশ পছন্দ। তবে এর সঙ্গে পোশাকটি আরামদায়ক কি না, তাও দেখা চাই। এবার ঈদের জন্য সুতি ও জর্জেট কাপড়ের পোশাক তৈরি করা হয়েছে বেশি। পাশাপাশি কিছু পোশাকে নেটেরও ব্যবহার করা হয়েছে।
এই ঈদে বিশেষ মনোযোগ পাবে আরাম। বর্ষা শুরু হয়ে গেলেও শেষ দিকে বেশ গরম পড়বে, এমনটাই ধারণা করছেন সবাই। কনট্রাস্ট কালার খুব চলবে শিশুদের এবারের ঈদ পোশাকে। পিংক, পার্পেল, ফিরোজা, ম্যাজেন্টা, লাল, নীলের সব কালারেই চলছে মিক্সম্যাচের খেলা। প্রিন্টও বেশ পছন্দ করছেন সবাই। তাই স্ক্রিন প্রিন্ট, ব্লক... continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (2)

  • - রব্বানী চৌধুরী

    হৃদয় ছোঁয়ানো কথামাল। শুভেচ্ছা জানবেন, ভালো থাকবেন।  

মেঘলা আনজুম

৫ বছর আগে লিখেছেন

রোদ থেকে চোখ বাঁচাই

বাইরে বের হওয়ার আগে এখন আমরা নানা রকম প্রস্তুতি নিই। সানস্ক্রিন লোশন ব্যবহার, রোদচশমা পরা আরও কত কী! এসব করার একটাই কারণ—সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে নিজেকে বাঁচানো।
রোদচশমা ছাড়া বাইরে যাওয়া যাবে না। তবে সাধারণ রোদচশমা চোখকে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাঁচাতে পারে না। তাই অতিবেগুনি রশ্মিকে প্রতিরোধ করবে, এমন রোদচশমা ব্যবহার করতে হবে। আর অবশ্যই এমন রোদচশমা ব্যবহার করবেন, যেন তা আপনার পুরো চোখকে সুন্দরভাবে ঢেকে রাখে।
নিজের চোখের ব্যাপারে হতে হবে সচেতন। বাইরে কাজ করলেও যেদিকে রোদ বেশি পড়ছে, তার উল্টো দিকে থাকার চেষ্টা করুন। আর সরাসরি রোদের দিকে না তাকানোই ভালো।
এমন দিনে বাইরে বের হওয়ার আগে ছাতা নিতে ভুলবেন না। ছাতা আপনার চোখকে সূর্যের সরাসরি রশ্মি থেকে রক্ষা করবে। তবে আমাদের চারপাশ থেকে প্রতিফলিত হয়ে সূর্যের যেসব রশ্মি চোখের ক্ষতি করে, সেগুলো থেকে বাঁচতে রোদচশমার বিকল্প নেই।
প্রচণ্ড গরম, সেই সাথে যোগ হয়েছে ধুলোবালি। এই গরমে যতই এগুলো থেকে দূরে থাকতে চান না কেন, ঘুরে-ফিরে সেগুলোর মাঝেই থাকতে হয় আমাদের। ত্বকে না হয় সানস্ক্রিন বা লোশনে কাজ চালিয়ে নিতে পারেন, কিন্তু চোখ? এই প্রচণ্ড রোদে সানগ্লাস খুব উপকারী। গরমেই মূলত চোখের নানা ধরনের সমস্যা হয়ে থাকে। আর এর সাথে, কারও যদি মাইগ্রেন বা সাইনাসের সমস্যা থাকে তাহলে তো কথাই নেই! এসব সমস্যা থেকে খুব সহজে রেহাই পাওয়ার একমাত্র উপায় হলো সানগ্লাস ব্যবহার করা।
 
ব্র্যান্ডেড জিনিসের প্রতি প্রায় সবারই একটা বাড়তি আকর্ষণ থাকে। ফুটপাত থেকে শুরু করে বহুতল বিপণী সবখানেই সানগ্লাসের দোকান খুঁজে পাওয়া যায়।
হালের ফ্যাশনে গা না ভাসিয়ে নিজের পছন্দের সাথে মিলিয়ে সানগ্লাস কেনাই বুদ্ধিমানের কাজ।... continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (1)

  • - শহীদুল ইসলাম প্রামানিক

    জোমাদ্দার ভাই এই ছবিটা লালমনির হাটের কোন এক গ্রামের। উভয় পক্ষের গার্ডিয়ান প্রেমে বাদা দেয়ায় এক রসিতে এক গাছে ঝুলে দুই জন এক সাথে আত্মহত্যা করে।

    • - মো: মালেক জোমাদ্দার

      প্রামানিক ভাই ধন্যবাদ।

    - মুন জারিন আলম

    আমি আপনার ছবি টা প্রথম আলোতে খেয়াল করে দেখিনি। মর্মান্তক বেদনাদায়ক ছবি

    - আলমগীর সরকার লিটন

    দাদা কবিতার সাথে এরকম ছবি

    বেদনা ছাড়া কিছু নয়-----------

    • - মো: মালেক জোমাদ্দার

      লিটন ভাই আসলেই, পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

মেঘলা আনজুম

৫ বছর আগে লিখেছেন

প্যান্ট ঃ

সময়ের ব্যবধানে পরিবর্তন হচ্ছে ফ্যাশনের। বদলে যাচ্ছে পোশাকের ধরন। দেশীয় ফ্যাশনের পাশাপাশি যোগ হচ্ছে ওয়েস্টার্ন স্টাইল। তবে এই পরিবর্তন মেয়েদের পোশাকে বেশ লক্ষণীয়। যোগ হয়েছে ভিন্নধর্মী কিছু প্যান্ট। রঙ, ডিজাইন, কাট আর প্যাটার্নে চলছে এক্সপেরিমেন্ট। নতুনত্বের তৃষ্ণা, সময়ের সঙ্গে পোশাকের তাল মেলাতে বাজারে মিলবে বাহারি রঙের প্যান্ট।
তারুণ্যের পোশাক মানেই থাকবে বাহারি রঙের ছোঁয়া। শার্ট বা টি-শার্টের পাশাপাশি জায়গা করে নিয়েছে কালারফুল প্যান্ট। তাই বলাই যায়, বদলে যাচ্ছে প্যান্টের জগত। 'হট লুক' নামে এই ট্রেন্ডের জনপ্রিয়তাও বেড়ে চলেছে দিন দিন।
হাল ফ্যাশনের রঙিন প্যান্ট ফ্যাশন সচেতন তরুণ-তরুণীদের পছন্দের তালিকার শীর্ষে। বাংলাদেশে এই প্যান্টের প্রচলন খুব বেশিদিনের না হলেও খুব অল্প সময়েই তরুণ ফ্যাশনে বেশ জায়গা করে নিয়েছে।
জিন্স :জিন্স প্রধানত দুই ধরনের কাপড় দিয়ে তৈরি হয়,  ডেনিম ও ডেনিম স্টিচ। বিদেশি ব্র্যান্ডের মধ্যে জনপ্রিয় হলো লিভাইস, আরমানি, ডিজেল ও ডিঅ্যান্ডজি। এ সব জিন্স চীন ও থাইল্যান্ড থেকেই বেশি আমদানি করা হয়ে থাকে। বাংলাদেশের মধ্যে আউন্স আর সুতার কাউন্টের ওপর নির্ভর করে রঙিন প্যান্টের তারতম্য। তারুণ্যের ফ্যাশন উপযোগী এসব ডেনিম, টুইল বা গ্যাবাডিন কাপড়ের প্যান্ট ন্যারো শেপেই বেশি চলছে।
পালাজ্জো :অন্যদিকে পাশ্চাত্যের অনুকরণে আমাদের দেশের নারীরা পালাজ্জো প্যান্টকে ফ্যাশনের অন্যতম অনুষঙ্গ ভাবতে শুরু করেছেন। লেগিংসের ফ্যাশনকে পেছনে ফেলে নতুনভাবে জায়গা করে নিয়েছে এই পালাজ্জো। বাংলাদেশের আবহাওয়ায় এই প্যান্টগুলো সহজেই মানিয়ে নেওয়া যায়। দেখতে বেলবটমের মতো মনে হলেও ছাঁটে ভিন্নতা রয়েছে। সাধারণত ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত ঢোলা কাটে বানানো হয়। আবার কখনও ওপরের দিকে কিছুটা চাপা রেখে নিচে ঢোলা দেওয়া হয়। মাপের ক্ষেত্রে ঘের দেওয়া হয় ২৭ ইঞ্চি থেকে ৩০ ইঞ্চি। যাদের উচ্চতা কম তারা পায়ে উঁচু হিলের... continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (2)

  • - মুন জারিন আলম

    বাহ অসাধারণ পরান দা। আমি অভিভূত লিমেরিক এর সংজ্ঞায়। অনেক ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা রইল। emoticons

    - রোদের ছায়া

    িমেরিকের সংজ্ঞা  নিয়ে লিমেরিক---- অপূর্ব হয়েছে। আপনার অনেকগুলো লেখা আমি পড়েছি,এখানে এক সাথে সব গুলো আছে। খুব সুন্দর। শুভেচ্ছা  রইলো। আরও অনেক লিমেরিক লিখুন। 

মেঘলা আনজুম

৫ বছর আগে লিখেছেন

সময়ের উপযোগী স্লিপার ঃ

পোশাকের সাথে সামঞ্জস্য রেখে এখন যে জুতো গুলো চলছে তা পড়তে আরাম, দেখতেও ট্রেন্ডি। এই সময়ের স্লিপারগুলো আপনার স্টাইল স্টেটমেন্টে যোগ করতে পারে নতুন মাত্রা।
রোদ বৃষ্টির এই সময়ে পায়ের ত্বকের পাশাপাশি নজর রাখতে হয় জুতোর ধরনেও।সারাক্ষণ ফরমাল জুতো পড়ে থাকাটা পায়ের জন্য ভালো নয়। তাই বলে স্যান্ডেল পড়ে  বেরিয়ে যাওয়াও মানায় না। সেই ভাবনা থেকেই বাজার ছেয়ে গেছে ফ্যাশনেবলট্রেন্ডি সামার স্লিপারে।ফ্যাশনপ্রেমীদের কাছে এসব স্যান্ডেলের আবেদনপোশাকের চেয়ে কম নয়। সময়ের সঙ্গে বদলে গেছে এর ডিজাইনও। আজকালেরস্লিপারগুলো পড়তে যেমন স্বস্তির, তেমনি দেখতে আধুনিক।
চামড়া, বার্মিজ আরস্পঞ্জ, মূলত এই তিন ধরনের উপাদানে পাওয়া যাচ্ছেআধুনিক স্লিপার। চামড়া বারেকসিনের স্লিপারগুলো সবচেয়ে সুবিধাজনক। এটি পড়ে যে কোনো জায়গায় যেতেপারবেন। ক্লাস, ছোটখাটো উৎসব বা ভ্রমণেও উপযোগী।
রাফইউজের জন্যে বার্মিসের স্লিপার সবচেয়ে উপযোগী। গরমে যেমন দেবে পায়ের আরাম, অন্যদিকে ঝড়-বৃষ্টিতে দেবে স্বস্তি। ছেলেদের ফ্যাশনে বড়সড় জায়গা করে নিয়েছেবার্মিজ স্লিপার। মোবাইল প্যান্ট, গ্যাবার্ডিন বা ডি-জিন্সের সঙ্গেই বেশিমানায় এসব স্যান্ডেল। কিন্তু ফ্যাশনেবল হয়ে ওঠে হাফপ্যান্ট, থ্রি-কোয়ার্টারের সঙ্গে।

 
নক্ষত্র শপিং সাইট টি সাজানো হয়েছে নানা রঙের স্যান্ডেলে, এর মধ্য থেকে আপনিও বেছে নিতে পারেন পছন্দমতো ডিজাইনের স্যান্ডেল, যা আপনাকে এই গরমে দিতে পারে প্রশান্তির পাশাপাশি দারুণ একটা ফ্যাশনের আমেজ। এমনকি গরমের বাইরে ক্ষণিকের বৃষ্টিতেওরক্ষা পাবেন স্লিপারে।
ক্লিক করুন এখানে-http://www.nokkhotro.com/cloths/category/30
             http://www.nokkhotro.com/cloths/category/31
continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (0)

  • - শাহ আলম বাদশা

    হৃদয়ছোঁয়া কবিতা-খুব ভালোলাগলো ভাই  

    • - নাসির আহমেদ কাবুল

      আমার ভালো লাগলো। আপনি বলেছেন বলে। অনেক ধন্যবাদ।

    - মুন জারিন আলম

    তোমরা কেউ দেখোনি তাকে
    তার ঠিকানাও জানো না কেউ
    সে থাকে মধ্যরাতে মাতালের
    দ্বিধাকম্পিত বাক্যবাণে।emoticons 

     

    চমত্কার লাগল আপনার কবিতা কাবুল ভাই। অনেক ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা রইল। 

    • - নাসির আহমেদ কাবুল

      শুৃভেচ্ছা তোমার জন্য। ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।

    - পিয়ালী দত্ত

    খুব ভাল লাগল

    • - নাসির আহমেদ কাবুল

      ধন্যবাদ। শুভ সন্ধ্যা।

    Load more comments...
Load more writings...