মরুভূমির জলদস্যু

৪ বছর আগে লিখেছেন

নবী দুলালী হযরত জয়নব (রাঃ) – ১ম পর্ব

হযরত মোহাম্মাদ (সাঃ) এর ঔরসে সর্বমোট সন্তান ছিল ৭ জন। এদের মধ্যে ৬ জন জন্ম নিয়ে ছিলেন হযরত খাদিজা (রাঃ) এর গর্ভে আর বাকি একজন জন্মে ছিল হযরত মারিয়া কিবতিয়্যা এর গর্ভে। হযরত মোহাম্মাদ (সাঃ) এর ৭ সন্তানের মধ্যে ৩ জন ছিল পুত্র যারা শৈশবেই ইন্তেকাল করেন। এই ৩ পুত্র হচ্ছেন –
১ম পুত্র : আবুল কাসেম। যখন সবেমাত্র হাঁটতে শিখেছেন তখনই তাঁর ইন্তেকাল হয়।
২য় পুত্র : আব্দুল্লাহ। আব্দুল্লাহকে তৈয়াব ও তাহের নামেও ডাকা হতো। কথা বলতে শুরু করেছেন এমনি সময়ে তিনি ইন্তেকাল করেন।
৩য় পুত্র : ইব্রাহীম। মাত্র ১৮ মাস বয়সে ইব্রাহীম ইন্তেকাল করেন।

কন্যা:
১ম কন্যা : হযরত জয়নব (রাঃ)।
২য় কন্যা : হযরত রুকাইয়া (রাঃ)।
৩য় কন্যা : হযরত উম্মে কুলসুম (রাঃ)।
৪র্থ কন্যা : হযরত ফাতেমা (রাঃ)।
আজকে আমরা আলোচনা করার চেষ্টা করব হযরত মোহাম্মাদ (সাঃ) এর বড় কন্যা হযরত জয়নব (রাঃ) সম্পর্কে।

হযরত জয়নব (রাঃ)
হযরত মোহাম্মাদ (সাঃ) ও হযরত খাদিজা (রাঃ) এর সন্তানদের মধ্যে হযরত মোহাম্মাদ (সাঃ) এর সবচেয়ে বড় কন্যা ছিলেন হযরত জয়নব (রাঃ)। হযরত মোহাম্মাদ (সাঃ) এর নবুয়ত লাভের মোটামুটি ১০ বছর আগে হযরত জয়নব (রাঃ) জন্মগ্রহণ করেন। তখন হযরত মোহাম্মাদ (সাঃ) এর বয়স ৩০ বছর আর হযরত খাদিজা (রাঃ) এর বয়স ৪৫ বছর। অবশ্য হযরত মোহাম্মাদ (সাঃ) এর  ঔরসে হযরত খাদিজা (রাঃ) এর গর্ভে জয়নব আগে জন্ম নিয়েছে, না তার ভাই আবুল কাসেম আগে জন্ম নিয়েছে সেটা এখনো স্পষ্ট নয়। তেমনি ভাবে হযরত জয়নব (রাঃ) এর শৈশব কিভাবে কেটেছে সেই সম্পর্কেও কোন সঠিক তথ্য পাওয়া যায় না।
হযরত মোহাম্মাদ (সাঃ) এর  নবুয়াত লাভের আগেই অল্প বয়সে হযরত জয়নব (রাঃ) এর বিয়ে... continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (0)

  • - পিয়ালী দত্ত

    valo laga roilo

মরুভূমির জলদস্যু

৪ বছর আগে লিখেছেন

অশ্বডিম্ব - ১

সামান্য বেড়াবার রোগ আছে আমার। অল্প যা বেড়িয়েছি তার কিছু ছবি তুলে রেখেছি। ফটোগ্রাফাররা ক্যামেরায় চোখ রেখে ছবির সমুদ্রে ডুব দিয়ে মুক্ত তুলে আনার মত অসাধারণ সব ছবি তুলে নিয়ে আসেন তাদের ছবিতে। আমি কিন্তু তা নাই। আমি যা তুলি তা শুধুই ছবি, ক্লিক-বাজী, ফটোগ্রাফি কখনোই না। সেই সব ক্লিক-বাজী থেকে ১০টি ছবি আপনাদের সামনে এখন উপস্থিত।

১। অশ্বারোহী
স্থান : লাবনী পয়েন্ট, কক্সবাজার।
সময় : ১৫/০৬/২০১০ ইং
মোবাইল : Samsung GT-B3310
ছবির গল্প : সেদিন ছিল ৩ নং বিপদ সংকেতের পরের দিন। প্রচণ্ড ঝড় বৃষ্টির কারণে সারা সৈকত ছিল প্রায় জন শূন্য। এই ক্ষুদে অশ্বারোহী কেন বেড়িয়েছে কে জানে!

২। একুশ
স্থান : বাড্ডা, ঢাকা
সময় : ২৮/০২/২০১১ ইং
ক্যামেরা : Sony DSC-W310
ছবির গল্প : বাংলা একাডেমীর একুশে বই মেলায় যাব। বাসা থেকে বেরিয়ে কিছুদূর যেতেই দেখি একুশের এই মুখ।

৩। প্রস্তুতি
স্থান : বড়-বেড়াইদ, ঢাকা।
সময় : ০৪/১০/২০১১ ইং
ক্যামেরা : Nikon D80
ছবির গল্প : জতন নামের একটি হিন্দু ছেলে আছে আমার দোকান ভাড়াটিয়া। ওদের পূজার আয়োজনে নিয়ে গিয়েছিল আমাদের। সেখানে একজন ঠাকুর সব কিছু প্রস্তুত করে নিয়ে বসে ছিল পূজা শুরু করার আগে।

৪। বাধন
স্থান : জৈনা বাজার, গাজীপুর।
সময় : ০২/০৫/২০১১ ইং
ক্যামেরা : Nikon D80

৫। হংস
স্থান : বেরাইদ, ঢাকা।
সময় : ০৯/০৭/২০১১ ইং
ক্যামেরা : Nikon D80
ছবির গল্প : আমরা চারজন বেড়িয়েছিলাম সারা বিকেল নৌকা ভ্রমণে। একটি ইঞ্জিন নৌকা নিয়ে সারা বিকেলে বেড়িয়েছি বালু নদী দিয়ে। ফেরার সময় বেড়াইদের কাছে এই হাসদের দেখা মেলে।

৬। স্নান
স্থান : পানাম, সোনারগাঁ।
সময় : ১৫/০৯/২০১১ ইং
ক্যামেরা : Nikon D80 continue reading
Likes Comments
০ Shares

মরুভূমির জলদস্যু

৪ বছর আগে লিখেছেন

মাওয়া ভ্রমণ

ঢাকার যেকোন স্থান থেকে যাত্রাবাড়ী পৌছে ফুটঅভার ব্রীজের দক্ষিণ দিকের পোস্তাগোলাগামী রাস্তা দিয়ে একটু সামনে এগুলেই পাওয়া যাবে মাওয়া বাসষ্ট্যান্ড। এখান থেকে প্রতি ৫ থেকে ১০ মিনিট অন্তর অন্তর বিভিন্ন পরিবহন কোম্পানির বাস ছেড়ে যায় মাওয়ার উদ্দেশ্যে। আনন্দ, ইঁলিশ, গুন-গুন ইত্যাদি পরিবহনে মাওয়া যেতে বাস ভাড়া লাগবে কম-বেশী ৫০ টাকা । ৫০ টাকার বিনিময়ে প্রায় ৩৫ কি.মি. পারি দিয়ে মাওয়া ফেরী ঘাটে পৌছতে সময় লাগবে ঘন্টাখানেক।

নিশ্চিন্তে চড়ে বসুন যে কোন একটা বাসে। ইচ্ছে করলে সকাল কিংবা দুপুরে রওনা হয়ে বিকেলটা মাওয়ার পদ্মা পাড়ে কাটিয়ে সন্ধ্যার পরপরই ফিরে আসা যায় ঢাকাতে। যাত্রাবাড়ি ছাড়া গুলিস্থান থেকেও মাওয়ার সরাসরি বাস পাওয়া যায়। এখান থেকেও ভাড়া একই পরিমান লাগলেও সময় একটু বেশী লাগ।

বাস শহরের কোলাহল পার হয়ে কিছুটা পথ এগিয়ে গেলেই দেখা যাবে রাস্তার দুপাশে দিগন্ত বৃস্তিত ধূঁধূঁ সাদা বালির মাঠ। কিছুদিন আগেই এই বালির মাঠগুলি ছিলো সবুজ ধান খেত। বর্ষায় এই ধান খেত হয়ে যেত স্বচ্ছ জলের বিল। কিন্তু জমিখেঁকো কিছু কোম্পানির আবাসন প্রকল্পের চাপে আজ আর সেই বিলের চিহ্ন মাত্র নেই। আজও এই বালির মাঠের ঠাঁসবুনটের চাঁপ উপ্যো করে কিছু কিছু ফসলের মাঠ টিকে আছে ধুঁকতে ধুঁকতে। এখনো টিকে আছে কিছু গ্রাম বাংলার চিরায়ত প্রাকৃতিক পরিবেশ। বাসের জানলার পাশে বসে এই সব দেখতে দেখতেই পৌছে যাবেন মাওয়া ফেরিঘাট।
বাস থেকে নামতেই রাস্তার পাশে দেখা যাবে অসংখ্য রেস্টুরেন্ট যারা ভাতের হোটেল নামেই বেশি পরিচিত। উপরে টিনের চালা আর তিনদিকে টিনের দেয়াল দেয়া এই সব রেস্টুরেন্ট দেখতে যেমনই মনে হোকনা কেন, এখানকার গরম ভাত আর গরম গরম ভাঁজা পদ্মার টাটকা ইঁলিশের স্বাদই আলাদা। পরিবেশটি যেমন আলাদা... continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (1)

  • - মামুন

    দেখিয়া শুনিয়া বধির হয়েছি, মর্মে মরেছি শরমে,
    জানি আমার অক্ষমতা,
    ক্ষমা করিবেনা ধরমে।
    emoticonsemoticons

    - আলমগীর সরকার লিটন

    নূর দা

    অসাধারণ লাগল

    অনেক অনেক শুভ কামনা

    - সোহেল আহমেদ পরান

    দেখিয়া শুনিয়া বধির হয়েছি, মর্মে মরেছি শরমে, 
    জানি আমার অক্ষমতা, 
    ক্ষমা করিবেনা ধরমে।

     

    সুন্দর emoticons

    Load more comments...

মরুভূমির জলদস্যু

৫ বছর আগে লিখেছেন

এলোমেলো ছবি গুলো - ৫

বিভিন্ন সময়ে তোলা ও বিভিন্ন সময়ে ফেসবুকে শেয়ার করা ছবিগুলি...
১। পাহাড়ি পন্য
২৯ জানুয়ারি ২০১৪, বান্দরবন শৈলপ্রপাতের সামনে

২। সাইয়ারা
বান্দরবন জানুয়ারি ২০১৪

৩। সয্যা
১৮/০৪/২০১৪ পদ্মা পর হচ্ছি ফেরিতে করে। ট্রাকের উপর শুয়ে আছে ....

৪। ঘুড়ি-১
২৩শে মে ২০১৪, যমুনার চড়ে তুলেছি ছবিটি

৫। ঘুড়ি-২
২৩শে মে ২০১৪, যমুনার চড়ে তুলেছি ছবিটি।

-------------------
এলোমেলো ছবি গুলো - ১
এলোমেলো ছবি গুলো - ২
এলোমেলো ছবি গুলো - ৩
এলোমেলো ছবি গুলো - ৪
এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের ঝিঁঝি পোকার বাগানে নিমন্ত্রণ। continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (1)

  • - বিষ পিঁপড়ে / <u>তাইবুল ইসলাম</u>

    চমৎকার লাগল 

    • - মুন জারিন আলম

      ধন্যবাদ  ধট্ধারী পাত্র কমেন্টসের জন্যemoticons

    • Load more relies...
    - আসাদ ইসলাম নয়ন

    সুন্দর ।

    • - মুন জারিন আলম

      সুন্দর ।

মরুভূমির জলদস্যু

৫ বছর আগে লিখেছেন

বান্দরবান ভ্রমণ – “মেঘলা”

২৫ জানুয়ারি রওনা হয়ে ২৬ তারিখ সকালে পৌছাই খাগড়াছড়ি। একটি মাহেন্দ্রা গাড়ি রিজার্ভ করে নিয়ে সারা দিনের জন্য বেরিয়ে পড়ি খাগড়াছড়ি ভ্রমণে। একে একে দেখে ফেলি “আলুটিলা গুহা”, “রিছাং ঝর্ণা”, “শতবর্ষী বটবৃক্ষ” আর “ঝুলন্ত সেতু”।
পরদিন ২৭ জানুয়ারি খাগড়াছড়ি থেকে রাঙ্গামাটির দিকে রওনা হই একটি চান্দের গাড়ি রিজার্ভ করে। পথে থেমে দেখে নিই “অপরাজিতা বৌদ্ধ বিহার”। ২৭ তারিখ দুপুরের পরে পৌছাই রাঙ্গামাটি। বিকেল আর সন্ধ্যাটা কাটে বোটে করে কাপ্তাই লেক দিয়ে “সুভলং ঝর্ণা” ঘুরে।
২৮ তারিখ সকাল থেকে একে একে দেখে এলাম ঝুলন্ত সেতু, রাজবাড়ি ও রাজবন বিহার। দুপুরের পরে বাসে করে রওনা হয়ে যাই রাঙ্গামাটি থেকে বান্দারবানের উদ্দেশ্যে। রাতটা কাটে বান্দরবানের “হোটেল ফোরস্টারে”।
পরদিন ২৯ তারিখ সকালে একটি জিপ ভাড়া করে নিয়ে চলে যাই নীলগিরিতে। নীলগিরি থেকে ফেরার পথে দেখে নিলাম শৈলপ্রপাত। বিকেলটা কাটিয়ে দিলাম নীলাচলে সূর্যাস্ত দেখে।

৩০শে জানুয়ারি সকালে সবাই ঘুম থেকে উঠি কিছুটা দেরি করেই, আজকে রাতেই ফিরবো ঢাকা, বাসের টিকেট কেনাই আছে। সকালের নাস্তা সরলাম সেই রি-সং সং রেস্টুরেন্টে। তারপর সেখান থেকে দুটি সি.এন.জি নিয়ে চলে আসলাম মেঘলাতে।
মেঘলা পর্যটন কেন্দ্র বান্দরবান শহর থেকে ৪ কিলোমিটার দূরে পাহাড়ের খাদে বাধ নির্মাণ করে কৃত্রিম হ্রদের সৃষ্টি করে এটি তৈরি করা হয়েছে। প্রবেশের টিকেট মূল্য ১০ টাকা। ঢালু একটা পথ ধরে নামতে হয় প্রথমেই।
{মেঘলার ম্যাপ}

এখানে রয়েছে শিশু পার্ক, নৌকা ভ্রমণের ব্যবস্থা আছে, রয়েছে ২টি ঝুলন্ত সেতু এবং একটি মিনি চিরিয়াখানা, আছে একটি ওয়াচ টাওয়ারও, আর আছে একটা ক্যাবল কার (নাম মাত্র)। বিশ্রাম এর জন্য বেশ কটি বসার যায়গা আছে।



আমরা প্রথম বাম দিকের ঝুলন্ত সেতুটি পার হয়ে একটি ছাউনির... continue reading
Likes Comments
০ Shares
Load more writings...