Kazi Md. Obaydul Hoq

৩ বছর আগে লিখেছেন

শিশুর জন্মগত ত্রুটির সাথে বাবার বয়স এবং লাইফস্টাইলের সম্পর্ক আছে!!ত বাবারা সাবধান!

সম্প্রতি American Journal of Stem Cells জর্নালে শিশুর জন্মগত ত্রুটির সাথে বাবার বয়স এবং লাইফস্টাইলের সম্পর্ক আছে বলে এক গবেষনা প্রতিবেদন ছাপা হয়। স্বাভাবিকভাবেই মনে করা হয়,বাবামা উভয়ের কর্মকান্ডই শিশুকে প্রভাবিত করে তবে মায়ের সাথে গর্ভাস্থায় শিশুর বিকাশ, আকৃতির সম্পর্ক অনেক আগেই প্রমানিত হলেও এই প্রথম স্পেসিফিক্লি বাবার সাথে সম্পর্ক নির্ণয়ের চেস্টা করেছেন Joanna Kitlinska এবং তার দল যিনি Georgetown University র বায়োকেমেস্ট্রি এন্ড মলিকিউওলার বায়োলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক।
তিনি বলেন,আমরা সবাই জানি, মা গর্ভাবস্থায় শিশুকে প্রয়োজনিয় পুষ্টিগত,হরমোন,এমনকি যাবতীয় মনস্তাত্বিক পরিবেশ বিনির্মানে যাবতিয় সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে সন্তানের দেহ সৌষ্টব্‌,পাশাপাশি তার ভ্রুন কিংবা কোষের গঠন এবং তার নির্দিষ্ট বংশানুক্রমিক বৈশিষ্ট্যকে নিয়ন্ত্রণ করে।
কিন্তু এই গবেষনায় সন্তান জন্মদানের ক্ষেত্রে বাবার প্রভাব সম্পর্কে আলোকপাত করা চেষ্টা করা হয়েছে।কিভাবে বাবার বয়স,তার লাইফস্টাইল ভ্রুনকে প্রভাবিত করছে ,পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে নিজস্ব বংশানুক্রমিক বৈশিষ্ট্যকে বহন করার কলাকৌশল।সবচেয়ে মজার ব্যপার হল,বাবা যে কেবল তার সন্তানকেই প্রভাবিত করে তা নয়,সে তা পরবর্তি প্রজন্মকেই প্রভাবিত করে।
উদাহরন হিসেবে তারা বেশ কিছু কেইস এর কথা উল্লেখ করেছেন,তারা অনেক নবজাতক পেয়েছেন যাদের fetal alcohol spectrum disorder (FASD) আছে,অথচ তাদের মা'রা গর্ভাবস্থা ত দূরের কথা ,কোন সময়ই এলকোহলে আসক্ত ছিল না।fetal alcohol spectrum disorder (FASD) হল এমন একটা রোগ,যা হলে শিশুরে নানা জটিলতা তথা অস্বাভাবিক শারীরিক অবয়ব বা চেহারা দেখা যায়,আকারে ক্ষদ্রাকৃতি,অল্প ওজন,ক্ষুদ্র মাথা এবং অপরিপক্ক মস্তিস্ক, কম বুদ্ধিমত্তা এমনকি তার বিভিন্ন আচরনগত সমস্যাও দেখা দেয়।এছাড়া এই বাচ্ছাগুলো ভবিষ্যতেও স্কুল কলেজে এবং পরবর্তিততে সামাজিক নানা সস্মস্যা জড়িত হবার প্রমানও পাওয়া গেছে।বাচ্ছার এই রোগটি হলে ধরেই নেওয়া হত,গর্ভাস্থায় তার মায়ের আচরনগত ত্রুটির কারনেই বাচ্ছার এমন সর্বনাশ হয়েছে।এটাই এই গবেষনার সবচেয়ে বড় অর্জন... continue reading
Likes Comments
০ Shares

Kazi Md. Obaydul Hoq

৩ বছর আগে লিখেছেন

ক্লাইমেট চেঞ্জ, গ্লোবাল ওয়ার্মিং নিয়ে সবাই চিন্তিত! প্রশ্ন হল আপনি কি করছেন??(পর্ব ১)

বর্তমানে ক্লাইমেটচেঞ্জ কিংবা জলবায়ু পরিবর্তন সারা বিশ্বেই আলোচিত একটি বিষয়।বাংলাদেশ দুর্যোগে আক্রান্ত হবার লিস্টে সাবার শীর্ষে।এক গবেষনায় দেখা গেছে,বাংলাদেশের উপকূলে প্রতিবছর ১৪ মিলিমিটার করে সমুদ্রের পানি বাড়ছে। গত ২০ বছরে সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়েছে ২৮ সেন্টিমিটার। ১৯৯০-২০০৯ সালের মধ্যে বিভিন্ন স্থানে,বিশেষ করে সন্দ্বীপ, চট্টগ্রাম,কক্সবাজার ও টেকনাফের সমুদ্র উপকূলের পানি মেপে গবেষকরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন। গবেষকদের ধারণা- ২০২০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে পানির উচ্চতা আরো বেড়ে যাবে এবং বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বড় ধরনের হুমকির মুখে পড়বে। বিশ্বে আগামী ২০৫০ সাল নাগাদ ৪৫ জনের মধ্যে ১ জন জলবায়ু উদ্বাস্তুতে পরিণত হবে। ফলশ্রুতিতে সেখানে প্রতি ৭ জনে ১ জন উদ্বাস্তু হবে। উদ্বেগজনক তথ্য এই যে, ১৭ ভাগ এলাকা সমুদ্রগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। ইতোমধ্যে কুতুবদিয়া এলাকার ২০ হাজার মানুষ মূল ভূখন্ড ত্যাগ করে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন। জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের তথ্যমতে, প্রতিদিনই মানুষ নদী ভাঙ্গন তথা জলবায়ু পরিবর্তনের খারাপ শিকার হয়ে ঢাকায় এসে বস্তি গড়ছে। এখন এই দূর্যোগ যেহেতু বন্ধ করা যাবে না,তার সাথে মানিয়ে চলা ছাড়া আর কোন বিকল্প পথ নেই।আমাদের সরকার জাতীয় ভাবে এবং আন্তর্জাতিক মহল নানা ভাবে দূর্যোগের ক্ষতক্ষতি কমিয়ে আনার জন্য নানা ধরনে গবেষনা এবং দিক নির্দেষনা দিচ্ছে।আজকে আমি এখানে ক্লাইমেট চেঞ্জের এর সমস্যা নিরসনে ব্যক্তিগত পর্যায়ে কি করতে পারি,অথবা কি করা সম্ভব তা নিয়ে কিছু আলোচনা করব।
১.আমাদের বাসায় প্রতিটি রুমেইতো বাতি! কি বাতি ব্যবহার করেন?এখন অবশ্য বেশিরভাগ  বাসাতেই সিএফ এল বাতি ব্যবহার করা হয়,তবে আপনি যদি LED বাতি ব্যবহার করেন ,তাহলে পরিবেশ এবং অর্থ কি পরিমান সাশ্রয় হবে তা নীচের ছবিগুলো দেখলেই অনুমেয়।একটা ব্যক্তিগত উদাহরন দেই,আমি একজন কে চিনি যার তিন রুমের বাসা,কিচেন... continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (0)

  • - পিয়ালী দত্ত

    sundor

    - মাসুম বাদল

    খুব খুব ভাললাগা জানালাম...!!! 

    • - গোখরা নাগ

      bhalo legeche, bhai... emoticons

Kazi Md. Obaydul Hoq

৩ বছর আগে লিখেছেন

"বর্তমানে উৎপাদিত প্লাস্টিক দিয়ে রেপিং করা যাবে সারা বিশ্ব"

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে বর্তমান,বিশ্বে যে পরিমান প্লাস্টিক উৎপাদন হয়েছে তা দিয়ে অনায়াশে সমগ্র বিশ্বকে খুব সহজেই রেপিং করা যাবে ...... সাম্প্রতিক এক গবেষনায় এই তথ্য উঠে এসেছে। মানুষের এ অবিবেচক আচরন ভবিষ্যত প্রজন্মকে আরো ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিচ্ছে।আমাদের এই পৃথিবী এমনিতেই নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিতে রয়েছে,উপরন্তু মানব সৃষ্ট এইসব ধ্বংসাত্বক কার্যক্রম সেইসব ঝুঁকি আরো বাড়িয়ে দিচ্ছে।এই কারনেই ক্লাইমেট চেঞ্জ ,ক্লাইমেট রিফিউজি সাড়া পৃথিবীব্যপি খুবি পরিচিতি  টার্ম।দুর্যোগে আক্ক্রান্ত হবার ঝুঁকিতে বাংলাদেশ রয়েছে প্রথম সারিতেই।তাই প্লাস্টিক ব্যবহারে আমাদের আরো সচেতন হতে হবে। আম্রা যদি এখনই এইসব ঝুঁকি মোকাবেলায় কার্যকরী ভুমিকা না রাখি,তাইলে পৃথিবীর সাথে আমাদের এই প্রিয় মাতৃভুমিও ধংসের মধে পড়বে,পড়েছেও।
গবেষনাটি প্রকাশ করেছে Anthropoceneনামের একটি আন্তর্জাতিক জর্নাল।গবেষনায় দেখা যায়,পৃথিবীর এমন কোন প্রান্ত নাই যেখানে এই প্লাস্টিক দ্রব্যর দুষন হয় নাই।আমাদের বাংলাদেশ চারিপাশ তথা পরিবেশের কথা চিন্তা করলেই বিষয়টা খুব সহজেই অনুধাবন করা যায়।বর্তমানে অতীতের যে কোন সময়ের তুলনায় প্লাস্টিকের ব্যবহার অতিমাত্রায় বৃদ্ধি পেয়েছে।আমাদের বাসা বাড়ির প্রতিটি রুমেই এখন প্লাস্টিকের তৈরি নানা জিনিষপত্র শোভা বর্ধন করে ।টিবির বিজ্ঞাপনের দিকে তাকালেও প্লাস্টিক পন্যর আধিক্য অতিমাত্রায় চোখে পড়ে।আর এই সব পন্য ব্যবহারের পর তা আমাদের চারপাশেই ফেলি।পানির ঝার,প্লাস্টিকের ব্যগ,বাটি,অব্যবহ্রত সিডি,ডিভিডি,নাইলনের দড়ি,কম্পিউটারের যন্ত্রাংশ,থালা বাসন এমন কি কিছু ক্ষেত্রে প্লাস্টিকের মাইক্রো উপাদান সহ নানা পন্যর মাধ্যমেই আমরা আমাদের চারপাশকে দূষিত করছি,যা আমাদের জীবন তথা সামগ্রিক ব্যবস্থাকেই বিপদসংকুল করে তুলছে।

ইংল্যান্ড এর Leicester University -র Professor Jan Zalasiewicz ছিলেন এই গবেষনা কর্মটির প্রধান।তিনি বলেন," আমরা জানি বর্তমানে মানুষ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিভিন্ন ভাবে প্লাস্টিক পন্য ব্যবহার করে থাকে এবং গত ৭০ বছরে তা নানা ভাবে প্রয়োজনের তাগিদেই বৃদ্ধি পেয়েছে।মজার বিষয় হলো,এই প্লাস্টিকের ব্যবহার-পরবর্তী... continue reading
Likes Comments
০ Shares