মেঘ বলেছে যাব যাব

৩ বছর আগে লিখেছেন

নামাজ সম্বন্ধে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়গুলি আপনি জানতেন না

মুসলিম মাত্রই আমরা জানি যে ইসলাম ধর্মের অন্যতম গুরুত্বপূর্ন স্তম্ভ হলো নামাজ পড়া ও কায়েম করা। কিন্তু, দুঃখজনক হলেও সত্য যে, নিজেদের মুসলিম বলে দাবী করলেও এই গুরুত্বপূর্ন স্তম্ভটি সম্বন্ধে আমরা অনেক মুসলিমই আজ উদাসীন। এই উদাসীনতার অন্যতম কারণ হলো নামাজের গুরুত্ব অনুধাবনের ব্যর্থতা। যেমন, বেশীরভাগ মুসলিমেরই জানা নাই যেইমাম আহমাদ(রহিমাহুল্লাহ) সহ অন্যান্য আলেমদের মতামত হলো আপনি নিয়মিত ৫ ওয়াক্ত নামাজ না পড়লে মুসলমান থাকবেন না। নামাজ সম্বন্ধে ইসলামের এই কঠোর অবস্থান জানা থাকলে অনেক বেনামাজীই হয়ত সেদিন থেকেই নিয়মিত নামাজ পড়া শুরু করে দিবে (বলে রাখা ভালো, আমি নিজে এক সময় ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়তাম না, যেদিন জেনেছি নামাজ ত্যাগকারী কাফের সেদিন থেকে আমি ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়া শুরু করেছি। অনন্তকাল জাহান্নামের আগুনে কে জ্বলতে চায় বলুন?)   নামাজ সম্বন্ধে মুসলমানদের উদাসীনতার আরেকটি অন্যতম কারণ হলো নামাজ নিয়ে প্রচলিত অসংখ্য ভুল ধারণা, যেগুলো নামাজের সহজ নিয়মগুলোকে কঠিন করে ফেলে। যেমন, আমি এরকম মানুষ দেখেছি যে কিনা ‘ইশার নামাজ পড়ছে না শুধু এই কারণে যে সে দু’আ কুনুত জানে না। অথচ, দু’আ কুনুত বিতর নামাজের অপরিহার্য অংশ নয়, এমনকি বিতর নামাজ ‘ইশার নামাজের অংশ নয়!   বাস্তব হলো, নিয়মিত ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়া খুব কঠিন কোনো কাজ না। কিন্তু, আমরা অনেকেই ছোটবেলায় হুজুরের কাছ থেকে যখন নামাজ পড়া শিখেছিলাম, তখন হয়তো অনেক কিছু ভুল শিখেছিলাম, আর এখনো সেই ভুল নিয়মগুলোকেই শুদ্ধ ধরে নিয়ে নামাজ পড়ে যাচ্ছি। অথচ, ইসলামী জ্ঞান অর্জন করা আল্লাহ্‌ আমাদের জন্য ফরজ করেছেন, কাজেই আমাদের সকলেরই উচিত ইসলাম সম্বন্ধে, বিশেষ করে নামাজ সম্বন্ধে সঠিক জ্ঞান অর্জন করা এবং নামাজ কায়েম করা।   এটা খুবই খারাপ একটা ব্যাপার যে, বাংলাদেশের... continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (0)

  • - মাসুম বাদল

    emoticonsemoticonsemoticons

মেঘ বলেছে যাব যাব

৩ বছর আগে লিখেছেন

কাফনের কাপড়ের রং যে কারণে সাদা হয়

প্রত্যেক প্রাণীকেই একদিন মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। মহান আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে
স্পষ্ট করে উল্লেখ করেছেন, ‘কুল্লুন নাফসিন জায়্যিকাতুল মাউন’। অর্থ্যাৎ প্রতিটি প্রাণীই একদিন
মৃত্যুর শরাব পান করবে। মুত্যুর পর মুসলমানেরা ইসলামের ব্যাখ্যা অনুযায়ি গোসলের পর
মৃতদেহকে কাফনের কাপড় পরিধান করানো হয়। এরপর জানাজা করে দাফন করা হয়। কিন্তু
আপনি জানেন কি, অন্য রঙের কোন কাপড়কে কাফনের কাপড় হিসেবে কেন ব্যবহার করা হয়
না? এ প্রসঙ্গে ইবনে আব্বাস [রা] থেকে বর্ণিত হাদিসে পাওয়া যায়, তিনি বলেন, রাসুল [সা]
বলেছেন, তোমরা সাদা রঙের কাপড় পরিধান করো। তোমাদের জীবিতরা যেনো সাদা কাপড়
পরিধান করে, আর মৃতদের সাদা কাপড় দিয়ে দাফন দেয়। কেননা, সাদা কাপড় তোমাদের
সর্বোত্তম পোশাক। (নাসায়ি, হাদিস-৫৩২৩) হযরত সামুরা ইবনে জুনদুব [রা] বলেন, রাসুল [সা]
বলেছেন, তোমরা সাদা কাপড় পরিধান করো। কেননা, তা সর্বাধিক পবিত্র ও উত্তম। আর তা
দিয়েই তোমরা মৃতদের কাফন দাও। (মুজামুল কাবীর, হাদিস-৯৬৪)
continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (2)

  • - প্রলয় সাহা

    প্রত্যেকটা ছবি ভালো হয়েছে দিভাই emoticons

    • - এই মেঘ এই রোদ্দুর

      থ্যাংকু

মেঘ বলেছে যাব যাব

৩ বছর আগে লিখেছেন

যে সকল কারনে নামায ভঙ্গ হয়

যে সকল কাজ দ্বারা নামায নষ্ট হয, তাহাকে “মোফছেদাতে নামাজ” বলে । ঐরূপ কাজ করিলে নামায পুনরায় পড়িতে হয় । যে কারণে নামাজ নষ্ট হইয়া যায় । ১) নামাযের মধ্যে আজান্তে, ভ্রমে, ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় কথাবার্তা বলা । ২) কাহাকেও ছালাম করা । ৩) ছালামের উত্তর দেওয়া । ৪) উঃ আঃ শব্দ করা । ৫) বেদনা অথবা শোকে শব্দ করিয়া ক্রন্দন করা । ৬) বিনা ওজরে কান্না । ৭) নামাযের কোন ফরয ত্যাগ করা । ৮) ছতরের একচতুর্থাংশ পর্যন্ত কাপড় আলগা হইয়া যাওয়া । ৯) কোরান শরীফ খুলিয়া পড়া । ১০) নাপাক স্থানে সেজদা করা । ১১) হাচির উত্তরে “ইয়ারহামুকুমুল্লাহ” বলা । ১২) পানাহার করা । ১৩) প্রত্যেক রোকনে দুইবারে অতিরিক্ত চুলকান । ১৪) সুসংবাদে “আলহামদুলি্লল্লাহ” এবং দুঃসংবাদে “ইন্নালিল্লা” পড়া । ১৫) ইমামের পূর্বে মোক্তাদির কোন রোকন্ আদায় করা । ১৬) নামাযের মধ্যে অতিরিক্ত কাজ করা । continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (0)

  • - মাসুম বাদল

    ভাললাগা জানালাম... !!! 

    • - ডাস্টবিনে কাক

      তীরে এসে স্টিমার একদম শান্ত
      অবশেষে জাহাজি -
      নিজেকে চিনে এক ভয়ংকর রূপে ।।

      ভালো লাগলো । 

    • Load more relies...

মেঘ বলেছে যাব যাব

৪ বছর আগে লিখেছেন

নামাজের সময় কিছু সাধারণ ভুল যা আমরা করে থাকি

অনেকেই জামাতের সঙ্গে মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়ে কতগুলো সাধারণ ভুল করে থাকেন। যে ভুলগুলোকে অনেকে আবার ভুলও মনে করেন না। এমনকি দীর্ঘদিন ধরে যারা নিয়মিত নামাজ পড়েন তারাও অবলীলায় এসব ভুল করে থাকেন। ভুল করতে করতে এমন অবস্থা হয়েছে যে, এখন এ ভুলগুলোকেই সঠিক নিয়ম বলে মনে হয়।   যদিও এ ভুলগুলো শোধরানো সংশ্লিষ্ট ইমামের দায়িত্ব। কিন্তু ইমামের কাছে সমস্যাগুলো প্রকাশ না করায় তা থেকেই যাচ্ছে। অভিজ্ঞ আলেমদের অভিমত হলো, এসব ভুলের অনেকগুলোই রাসূলের সুন্নতের খেলাফ। আবার কোনো কোনো ভুল তো নামাজই নষ্ট করে দিতে পারে।   এবার দেখা যাক কোন ধরনের ভুলগুলো হয়ে থাকে-   তাড়াহুড়া করে অজু করা: অজুর ফরজ চারটি। মুখমন্ডল ধৌত করা, উভয় হাত কনুইসহ ধোঁয়া, মাথার এক-চতুর্থাংশ মাসেহ করা এবং উভয় পা টাখনুসহ ধোয়া। এগুলো সঠিকভাবে আদায় করতে হবে। হাত-পা, মুখমন্ডলের নির্দিষ্ট স্থানে পানি পৌঁছাতে হবে। কোনো জায়গা শুকনো থাকলে অজু হবে না। তাই তাড়াহুড়া করে অজু না করা ভালো। অজু শেষে কালেমা শাহাদাত পড়া যেতে পারে। হাদিসে এসেছে, মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি অজু শেষে কালেমা শাহাদাত পাঠ করবে তার জন্য জান্নাতের আটটি দরজা খুলে দেয়া হয়। সে ইচ্ছা করলে এর যে কোনো দরজা দিয়ে (জান্নাতে) প্রবেশ করতে পারবে।’ -মুসলিম শরিফ   নামাজের জন্য দৌঁড়ে যাওয়া: অনেকেই নামাজের জন্য মসজিদে দৌঁড়ে যান। এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে দ্রুত হাঁটা দৌঁড়ের কাছাকাছি বা দৌঁড় দিয়েও অনেকে নামাজে পৌঁছে হাঁপাতে হাঁপাতে কাতারে দাঁড়িয়ে যান। এই হাঁপানো অবস্থাতেই এক রাকাতের মতো চলে যায়। এটা আল্লাহর রাসূল (সা.) পছন্দ করেননি। তিনি নিষেধ করেছেন। আপনি হয় সময় নিয়ে নামাজ পড়তে যাবেন অথবা ধিরস্থির ও শান্তভাবে হেঁটে গিয়ে যতটুকু জামাতে শরিক হতে পারেন... continue reading
Likes Comments
০ Shares

মেঘ বলেছে যাব যাব

৪ বছর আগে লিখেছেন

সর্ববৃহৎ দশটি মসজিদ, নির্মিত সাল, আয়তন ও ধারন ক্ষমতা

মসজিদ মুসলমানদের দলবদ্ধভাবে নামাজ পড়ার জন্য নির্মিত স্থাপনা। শব্দটির উৎপত্তি আরবি “মসজিদ” থেকে, যার আভিধানিক অর্থ শ্রদ্ধাভরে মাথা অবনত করা অর্থৎ সিজদাহ করা। মসজিদের মালিক হলেন স্বয়ং আল্লাহ। গণপ্রতিষ্ঠান হিসেবে মসজিদ মুসলমানদের চিন্তাদর্শ প্রকাশের একটি উত্তম স্থান। নবীজী সামাজিক কোনো স্খলন বা চিন্তার কোনো ত্রুটি দেখলে মসজিদে হাজির হতেন এবং বক্তৃতা প্রদানের মাধ্যমে সেগুলো জনগণের সামনে তুলে ধরতেন।এভাবে রাজনৈতিক, সামাজিক,সাংস্কৃতিক বিষয়ের বাইরেও সার্বিক ক্ষেত্রে মুসলমানদের সঠিক পথে পরিচালিত করার ব্যাপারে মসজিদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মুসলমানদের ধর্ম প্রসারের সাথে সাথে মসজিদ আরব উপদ্বীপের সীমা ছাড়িয়ে বিস্তারলাভ করতে থাকে। ৬৪০ খ্রিস্টাব্দের প্রথমদিকে মিসরে অনেক মুসলমানের সমাগম ঘটে। তখন এই দেশে এতো মসজিদ নির্মিত হয় যে, রাজধানী কায়রোকে ডাকা হত হাজার মিনারের শহর বলে।   আজ আমরা বিশ্বের দশটি বৃহতম মসজিদ নিয়ে আলোচনা করব এই মসজিদ গুলোর তালিকা করা হয়েছে বিশেষ করে মসজিদের আয়তন ও ধারন ক্ষমতার উপর ভিওি করে
10th>শেখ জায়েদ মসজিদ:  “আরব আমীরাত”   শেখ জায়েদ মসজিটটি সংযুক্ত আরব আমীরাতের আবুধাবীতে অবস্হিত।এটি বর্তমানে বিশ্বের দশম বৃহতম মসজিদ এবং আবুধাবীর সবচেয়ে বড় মসজিদ । এই মসজিদটি ২০০৭ সালে নির্মান কাজ সম্পন্ন হয়। মসজিদটির আয়তন ২২,০০০ স্কয়ার মিটার। এখানে এক সাথে ৪০,০০০ জনের নামাজ আদায় করার সুব্যাবস্হা রয়েছে।   বিভিন্ন আকারের ৮২টি গম্বুজ ও ৪টি মিনার রয়েছে এখানে। সবচেয়ে উচু মিনারটির উচ্চতা ১০৭ মিটার (৩৫১ ফুট)। অত্যন্ত দামী ও রেয়ার মার্বেল, গোল্ড প্লেটেড কপার, ক্রিস্টাল ব্যবহার করা হয়েছে মসজিদটির সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে। এই মসজিদের ব্যবহৃত ৫.৬২৭ স্কয়ার মিটার (৬০,৫৭০ স্কয়ারফুট) ক্ষেত্রের কার্পেটটি বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে বড় কার্পেট।
9th> ফয়সাল মসজিদ:  “পাকিস্তান”   ১৯৮৬ সালে নির্মিত ফয়সাল মসজিদটি পাকিস্তানের ইসলামাবাদে অবস্হিত যা দক্ষিন এশিযার বৃহত্তর ও... continue reading
Likes Comments
০ Shares
Load more writings...