ফারজানা মৌরি

৪ বছর আগে লিখেছেন

তেলাপকার উপদ্রব

অনেক বাড়িতেই দৈনন্দিন জীবনের বড় একটি উৎপাতের নাম হল তেলাপকার উপদ্রব ।
আমাদের মাঝে অনেকের জীবন তেলাপকার কারনে অতিষ্ঠ ।
এই তেলাপোকা আবার সাইজ এর দিক থেকে দুই ধরনের । একটা দামড়া (বড়) সাইজ, আরেকটা হল ছোট সাইজ । বাজারে প্রচলিত কিছু ওষুধ  দিয়ে বড় সাইজ এর তেলাপকা মারা গেলেও ছোট সাইজের টা মারা খুবই মুশকিল ।
কোন ওষুধ দিয়ে কাজ হয় না, চক বা পাউডার দিলে ওগুলা খেয়ে আর দ্রুত বংশ বিস্তার করে । আমাদের রান্না ঘরের তেলাপকা মারার জন্য অনেক অনেক রকমের ওষুধ (চক থেকে শুরু করে বেগন স্প্রে ) ব্যবহার করছি, কিন্তু আশানুরুপ ফল পাই নাই।
এইবার একটা মহা-কার্যকর ওষুধ পাইছি । ওষুধটা খুবই সহজে ফার্মেসিতে পাওয়া যায় । দামও কম, ২০-৪০ টাকা ।  ওষুধটার নাম বরিক এসিড পাউডার ( Boric Acid Powder).  বরিক এসিড পাউডারের সাথে কিছু চিনি মিশিয়েও দিতে পারেন। তেলাপোকার আবাসস্থলে রাতের বেলা এটা ব্যাবহার করুন । এক সপ্তাহ পর নাগাদ ফল পাবেন । আমাদের রান্নাঘর এখন তেলাপোকা মুক্ত । 
আপনি যদি ভাল ফল পান, তাহলে আপনার আশেপাশের মানুষকেও এই ওষুধতার কথা বলুন । এই ওষুধটি ব্যাবহার করে কেউ যদি এতটুকুও উপকৃত হন তবেই আমি সার্থক । 
ধন্যবাদ সবাইকে ।   
continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (0)

  • - তাহমিদুর রহমান

    আসলে এই সমাজকে পাল্টাতে এ ধরণের কবিতা দরকার।

    • - রুদ্র আমিন

      ধন্যবাদ তাহমিদুর রহমান ভাই।

    - টোকাই

    এসো এগিয়ে যাই মনুষ্যত্বকে করি জাগ্রত,
    ক্ষণিকের ভুবনে কেনো হানাহানি এতো...

ফারজানা মৌরি

৪ বছর আগে লিখেছেন

বাথরুম পরিষ্কার রাখতে ছয়টি উপায়

সারাবাড়ি ঝাঁ চকচকে রাখেন সারাক্ষণ। কোথাও জমে নেই এক বিন্দু ময়লা। কিন্তু বাথরুমের অবস্থা যাচ্ছেতাই। কারণ একটাই বাথরুম গোছানোর দিকে মনোযোগ দেওয়া হয় না মোটেও। তাইতো! কিন্তু বাড়ির বাথরুমই কিন্তু আপনার নিজস্বতাকে প্রকাশ করে সবচেয়ে বেশি। জেনে নিন কিভাবে সহজে পরিষ্কার রাখতে পারবেন বাড়ির বাথরুম। মাত্র ছয়টি উপায় অবলম্বন করলেই পরিচ্ছন্ন এবং স্বাস্থ্যকর থাকবে বাথরুম।
১) বাথরুমের শেলফটা নানান জিনিসে ঠাসা। বাথরুম পরিষ্কার রাখতে হলে প্রথমে সেটা পরিস্কার করে ফেলুন। যা কিছু অপ্রয়োজনীয় সেসব একেবারে ডাস্টবিনে ফেলে দিয়ে আসুন। শ্যাম্পুর বোতল, কন্ডিশনার, ফেসওয়াশ বা অন্যান্য জিনিস যেগুলোর মেয়াদের তারিখ পার হয়ে গেছে সেসব ফেলে দিতে দ্বিধা করবেন না মোটেও। সেসব রেখে দিলে যেমন জায়গা নষ্ট হবে তেমন ব্যবহার করলে হবে শরীরের ক্ষতি। দরকার কী?
২) বাথরুমে ব্যবহারের জন্য নতুন টাওয়েল নেবার কথা আমরা প্রায়শই ভুলে যাই। বাড়ির অন্যান্য সদস্যরা এবং অতিথিরা ব্যবহারের পর টাওয়েলটা আবার ধুয়ে ব্যবহার করতেই পারেন। তবে একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত। এরপর সেটা বাদ দিয়ে দিন। নতুন টাওয়েল আনুন বাথরুমের জন্য।
৩) বাথরুমের কেবনেট থেকেও অপ্রয়োজনীয় জিনিস দূরে তাড়ান। এক বছরের বেশি পুরনো জিনিসগুলো ফেলে দিন। আর যেসব হেয়ার ব্যান্ড বা অন্যান্য সাজগোজের জিনিস পরিবর্তনের সময় এসেছে সেসব বদলে নিন। তাহলে বাথরুমে আবর্জনা জমে থাকবে না।
৪) সাবান রাখার পাত্রটাও নিয়মিত পরিষ্কার রাখা জরুরি। সাবান বারবার ব্যবহার করে রাখার ফলে সেটা বেশ
অস্বাস্থ্যকর হয়ে পরে। আবার টুকরো টুকরো সাবান জেঁকে বসে এই সাবানদানির গায়ে। তাই সেটা পরিষ্কার রাখা জরুরি।
৬) ছয় মাসে একবার টয়লেট ব্রাশ বদলে নিন। রোজ রোজ ওটা ব্যবহৃত হয় বলে নষ্টও হয় বেশি।
এই ছয়টি ধাপেই অনেকটা পরিষ্কার লাগবে আপনার বাথরুম। সহজ ছয়টি ধাপ মেনে নিলে... continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (0)

  • - আলমগীর সরকার লিটন

    বাহ সুন্দর অনুভূতি কথা

    শুভ কামনা-----------

    • - অনিক হালদার

      ধন্যবাদ .....ভাইয়া

    - টোকাই

    সুন্দর ।

    • - অনিক হালদার

      ধন্যবাদ........ভাই

ফারজানা মৌরি

৪ বছর আগে লিখেছেন

ঘর গোছানো কি সমস্যা মনে হয়

১। বাড়ির সবাই কাজে চলে যাওয়ার পর পুরো বাড়ির কোথায় কোথায় গোছানো প্রয়োজন দেখে লিস্ট করে নিন।
২। এক একদিন ঘরের এক এক জায়গা বেছে নিন। সব একবারে পরিষ্কার বা গোছাতে যাবেন না। সব কিছু রাখার নির্দিষ্ট জায়গা ঠিক করে দিন যাতে আপনার স্বামী এবং সন্তানরা তাদের প্রয়োজনের সময় হাতের কাছে সবকিছু পায়।
৩। ছেলেমেয়ের আলমারি নিজে না গুছিয়ে দিয়ে ছুটির দিন তাদের দিয়েই গোছান। এতে তাদের গোছানোর অভ্যাস তৈরি হবে। প্রয়োজনে আপনি সাহায্য করুন। আপনি বাড়িতে থাকেন বলেই বাড়ি গুছিয়ে রাখার পুরো দায়টা আপনার, কখনোই এই মনোভাব পোষণ করবেন না। বাড়িতে যারা থাকেন প্রত্যেকেরই দায়িত্ব থাকার জায়গাটি সুন্দর করে গুছিয়ে রাখা। যদি দেখেন যে, ঘর গোছানোর পুরো দায়িত্বটি আপনাকে নিতে হচ্ছে তাহলে এ বিষয়ে পরিবারের সবার সঙ্গে খোলাখুলি কথা বলুন। ঘর গোছানোর সময় খেয়াল রাখবেন যার ঘর গোছাচ্ছেন তার রুচি এবং পছন্দ সম্পর্কে। প্রতিদিন একটু একটু করে গোছানো যদি আপনার পক্ষে সম্ভব না হয় তাহলে পর পর কয়েক দিন ছুটি আছে এমন দিন বেছে নিন। কাজ ভাগ করে নিন। যেমন_ আপনি যদি লিভিং রুম গোছান তাহলে স্বামীকে বলুন বেডরুম গোছাতে আর ছেলেমেয়েকে বলুন তাদের নিজেদের ঘর গোছাতে। বাড়িতে কাজ করার জন্য হেল্পিং হ্যান্ড থাকলে সপ্তাহের কোনো একটি দিন তাদের অন্য কাজ করার পরিবর্তে ঘর পরিষ্কার করিয়ে নিতে পারেন।
৪। অফিসের কাজের মতো ঘর গুছিয়ে রাখা নিয়ে টেনশন করবেন না। ব্যাপারটা এনজয় করুন। অপ্রয়োজনীয় জিনিসগুলো আলমারির একেবারে পেছনে রাখুন। যাতে অফিসে যাওয়ার সময় কাজের জিনিসগুলো হাতের কাছে পান। মনে রাখবেন বাইরে যান বলে ঘর গোছানোর সময় পান না এই অজুহাতটা কিন্তু ঠিক নয়।
৫। ঘর গোছানোর... continue reading
Likes Comments
০ Shares

ফারজানা মৌরি

৪ বছর আগে লিখেছেন

চৌষট্টি কলা

চৌষট্টি কলা বলতে বাৎসায়নের কামসূত্র গ্রন্থে বর্ণিত ৬৪ প্রকার কার্যক্রমকে বোঝায়। নর-নারীর দাম্পত্য জীবনকে সুখী, তৃপ্তিকর এবং সন্তোষজনক করার জন্য এসব আচার-বিধির ওপর বাৎসায়ন গুরুত্ব আরোপ করেন। এইগুলো নিম্নরূপ:
কণ্ঠ সঙ্গীত। যন্ত্র সঙ্গীতে পারদর্শিতা। নৃত্য-কলা। চিত্রাঙ্কন। কেশ সজ্জা। পুষ্পশয্যা নির্মাণ। নানাবিধ বর্ণে গৃহ সুসজ্জিতকরণ। নিজ পোষাক-পরিচ্ছদ, কেশ, নখ, দন্ত, প্রত্যক্ষ বর্ণের দ্বারা সুসজ্জিতকরণ। বর্ণাঢ্য প্রস্তর এবং ধাতব পদার্থে ঘর ও শয্যা সুশোভিত করা। ভিন্ন ভিন্ন উৎসবে বা আনন্দে শয্যা নানাভাবে আস্তরণ দেওয়া। সাঁতার ও জলকেলি। প্রিয় লোককে আকর্ষণ করার জন্য মন্ত্র-তন্ত্র অনুশীলন। ফুল নিয়ে মালা গাঁথা ও অঙ্গাদি সুশোভিত করা। ফুল নিয়ে মালার মুকুট ও বেষ্টন। নিজের শোভন বেশভুষা করা-এক উৎসবে এক প্রকার, অন্য উৎসবে অন্য প্রকার। চিত্তহারী প্রথায় কানের দুল পরিধান করা। সুগন্ধি দ্রব্য তৈরী করা। তৈজসপত্রাদি তৈরী সম্বন্ধে শিক্ষা করা। নূতন ভূষণ তৈরী বা পুরানো বিভিন্ন ধরনের অলঙ্কার নতুন করে গড়া। অতিথিচর্যা। পরিচ্ছদ রচনার সুচারুতা। হাতের কাজ। রন্ধনকলা। পানীয় দ্রব্য, বিবিধ মিষ্টান্ন, আচার, চাটনি, ইত্যাদি তৈরীতে পারদর্শিতা। সেলাই ও দেহের বস্ত্রাবরণ করতে সুদক্ষতা। বস্ত্রখণ্ড ও সুতা দিয়ে পাখি, পাতা, ফুল ইত্যাদি তৈরী করা। বীণা ও ডমরুর শব্দ অনুকরণ। নানাবিধ হেঁয়ালীপূর্ণ আচরণ। তাৎক্ষণিক কাব্যরচনা ও আবৃত্তি। কঠিন অর্থপূর্ণ দুরূহ শব্দের অর্থ নিরূপণ করা। সুমধুর কণ্ঠে শাস্ত্রীয় শ্লোক আবৃত্তি। নাটক, অভিনয়, দর্শন ও নাটকের বিভিন্ন চরিত্রের প্রকৃত সমালোচনা। কোনও কবিতার হারানো পংক্তির পুণরুদ্ধার করা বা তা পুণরায় নতুন করে লেখা। বেত বা তৃণ থেকে নানাবিধ নতুন নতুন আসবাবপত্র রচনা বা বোনা। কাঠ থেকে কুঁদে ছবি বা দৃশ্য রচনা। কাঠমিস্ত্রীর কাজ, এবং বাড়ি-ঘর নির্মাণ। সোনা, রূপা ও দামী পাথর বসিয়ে নানা কাজ করা। রসায়ন বা ধাতব শাস্ত্র অধ্যয়ন। উজ্জ্বল পাথর ও দামী ধাতুর বস্তু রচনা। কানন রচনা ও পুষ্পবিন্যাস। ভেড়া, মোরগ এবং পায়রাদের নিয়ে কৌতুকপূর্ণ খেলা করার উৎসাহ দান। শুক, ময়না প্রভৃতি পাখিকে কথা শেখানো... continue reading
Likes Comments
০ Shares

ফারজানা মৌরি

৪ বছর আগে লিখেছেন

আভিজাত্যের প্রতীক ইন্টেরিয়র ডেকোরেশন

একটা সময় ছিল বাসা-বাড়ির সৌন্দর্য্য বলতেই মানুষ বাইরের চাকচিক্যটাই বুঝত। বাইরের দৃষ্টিনন্দন ডিজাইনকেই আভিজাত্যের প্রতীক হিসেবেই বিবেচিত হতো। সময়ের সাথে মানুষের সেই ধারণা পাল্টেছে। এখন মানুষ তার আবাসস্থলের ভেতর-বাহির সমানভাবে পরিপাটি করতে চায়। এক্ষেত্রে বাইরের চেয়ে ভেতরের সজ্জাকেই বেশি প্রাধান্য দেয়া হয়ে থাকে। ফলে আমাদের দেশেও দিন দিন কদর বেড়েই চলছে ইন্টেরিয়র ডেকোরেশন বা অন্দর সজ্জার।
আধুনিক জনজীবনে ইন্টেরিয়র একটি নতুন মাত্রা। সামর্থ্যরে মধ্যে সবাই চায় তার নিবাসটি সাজিয়ে গুছিয়ে রাখতে। এজন্য তারা বাসার ভেতরের রঙ থেকে শুরু করে আসবাবপত্র সবকিছুতেই রুচির পরিচয় রাখতে চায়। আগে যেখানে মানুষ আসবাবপত্র হিসেবে ব্যবহার করত কাঠ বা স্টিলের তৈরির জিনিস সেখানে এখন ঠাঁই করে নিয়েছে আধুনিক শৈল্পিক জিনিসপত্র। আর  এটা সম্ভব হচ্ছে ইন্টেরিয়র ডেকোরেশন বা ডিজাইন শিল্পের বিকাশের ফলে। সজ্জিত গৃহ দিয়েই গৃহকর্তা বা গৃহকর্ত্রী আগন্তুকদের তাদের রুচি ও শৈল্পিক মনের পরিচয় বুঝিয়ে দিতে চান।
অন্দর সজ্জা বা ইন্টেরিয়র এর প্রধান উপকরণ ফার্নিচার, লাইটিং, রং, কার্পেট ও বিভিন্ন ধরনের শিল্পকর্ম। এগুলো হল প্রধান অংশ। এর সঙ্গে সাজানর জন ব্যবহৃত হয় নানা ধরনের অনুষঙ্গ। যেমন-লাইটের শেড, সোফার কুশন, ছবির জন্য ফ্রেম, ফ্লাওয়ার ভাস ইত্যাদি। 
continue reading
Likes Comments
০ Shares
Load more writings...