মাহবুবুন নূর মেহেদী

৪ বছর আগে লিখেছেন

স্বাধীনতা (প্রতিযোগিতা)

স্বাধীনতা
মাহবুবুন নূর মেহেদী
---------------------
 
একদা নীল আকাশে, এক ঝাঁক সাদা বক উড়িতে
দেখিয়া বলিল শিষ্য, “উহারা উড়িতেছে কত স্বাধীনভাবে”?
এমন সময় একখানা বকপক্ষি; কাহারো গুলির আঘাতে
গোৎ খাইতে খাইতে, লুটাইয়া পড়িল ভুমিতে।
শিষ্য বলিল, “কেরে সেই হতভাগা
পাখিটিকে পারিল নির্মমভাবে খুন করিতে।
 
চাহিয়া রহিলাম শিষ্যের দিকে
শিষ্য দৌড়ে গিয়া, ফিরিয়া আসিল বকটিকে
সঙ্গে লইয়া; বলিল, বহুদিন ধরিয়া ভোজনে
মাংস চর্বণ করিবার কথা মনে হইতেছেনা স্মরণে।
 
বলিলাম, “বৎস! আসোতো আগিয়া এদিকে।
তুমি স্বাধীনতা নিয়া কি যেন বলিলে”।
বলিল শিষ্য, “গুরু! বলিলাম, বকগুলো উড়িতেছিল কত স্বাধীনভাবে?
বলিলাম, “তবে কেন তুমি খেতে চাচ্ছ ঐ বক ছানাকে?”
বলিল সে, “গুরু পাইলাম ইহাকে পড়িয়া থাকিতে।
আমি না নিলে নিত হয়ত! কুকুরে বিড়ালে।”
ভাবিলাম, “কি দরকার আর খামোখা কথা বাড়িয়ে
যে বুঝিবে লাভ হবে তাকে বুঝিয়ে।”
 
হায়! সবাই চায় দেখিতে স্বাধীনতাকে আকাশে উড়িতে
কিন্তু সুযোগ পেলে ছাড়েনা অন্যের স্বাধীনতা হরণ করিতে।
 
continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (2)

  • - এই মেঘ এই রোদ্দুর

    ভোট দিলাম দাদা

মাহবুবুন নূর মেহেদী

৫ বছর আগে লিখেছেন

ভোক্তা অধিকার কে ভোগ করে

১৫ মার্চ, ১৯৬৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট কংগ্রেসে ভোক্তাদের নিরাপত্তার অধিকার, তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার, পছন্দের অধিকার এবং অভিযোগ প্রদানের অধিকার বিষয়ে বক্তৃতা দেন। যা পরবর্তী সময় ভোক্তা অধিকার আইন নামে পরিচিতি পায়। এরপর ১৯৮৫ সাল থেকে জাতিসংঘ ১৫ মার্চকে ভোক্তা অধিকার দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। বাংলাদেশেও এই দিবস যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে পালিত হয়।

বাংলাদেশে ২০০৯ সালে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন প্রণয়ন করা হয়। তবে আইন প্রণয়নের চার বছর অতিক্রান্ত হলেও ভোক্তারা এ আইনের সুফল পুরোপুরি ভোগ করতে পারেননি। তাই বন্ধ হয়নি ভেজাল, নকল পণ্য ও ওষুধ বিক্রয়, ওজনে কারচুপি, অতিরিক্ত মূল্য আদায়, মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য বিক্রয়সহ নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি।

রাজধানীর বাজারগুলোর বেশিরভাগেই নেই মূল্য তালিকা। আর মূল্য তালিকার অবস্থান এমন জায়গায় যে, ভোক্তারা সহজে যেন তা দেখতে না পারেন। আবার অনেক বাজারে তালিকায় জিনিসের নাম থাকলেও দাম নেই অথবা তালিকার দাম অনুযায়ী বিক্রি হচ্ছে না পণ্যগুলো। অনেক বিক্রেতাই ওজনে কম দেন। এক্ষেত্রে ওজন পরিমাপের যন্ত্রটিতে তারা ত্রুটি করে রাখেন যাতে ভোক্তারা ধরতে না পারেন। এছাড়া শাকসবজি ও ফলমূলে রঙ ও কেমিক্যাল ব্যবহার নিত্যনৈমেত্তিক ব্যাপার। বাজারগুলোয় গরুর নামে মহিষ কিংবা ছাগলের নামে ভেড়া এবং ফরমালিনযুক্ত মাছ বিক্রি হচ্ছে। দেশের সব জায়গায় প্রায় একই অবস্থা।

বেকারিগুলোয় খাদ্য উৎপাদন হচ্ছে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে। নষ্ট হওয়া খাবারগুলো বারবার ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়া এসব খাবারের গায়ে মূল্য বা উৎপাদন ও মেয়াদ উত্তীর্ণ তারিখ নেই। শুধু বেকারির ক্ষেত্রে নয় বরং অনেক প্রতিষ্ঠান তাদের প্যাকেটজাত খাবারের ক্ষেত্রেও অনেক নিয়ম মানছে না।

রেস্টুরেন্টের খাবারের মান ও খাদ্য উৎপাদনের পরিবেশ নিয়েও নানা অভিযোগ আছে ভোক্তাদের। অনেক রেস্টুরেন্টে একদিনের খাবার... continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (0)

  • - ইকবাল মাহমুদ ইকু

    অনেক ভালো লাগলো ... সত্য ঘটনা খুব সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন :) 

    - নুসরাত জাহান আজমী

    কি ভাগ্য, একেবারে মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচেছিলেন তিনি।

    - আলমগীর সরকার লিটন

    আজিজ দাদা

    শুভ কামনা জানাই--------

    Load more comments...

মাহবুবুন নূর মেহেদী

৫ বছর আগে লিখেছেন

টি২০ টিকেট রস

আসছে টি টুয়েন্টি বিশ্বকাপে আমার মত অনেকেই টিকেট পাননি। তাই যারা টি টুয়েন্টি স্টেডিয়ামে বসে দেখতে চান কিন্তু টিকেট কাটতে পারেন নি তাদের জন্য কিছু টিপস-

১. বিশাল বড় দুটি বাঁশ নিজের পায়ের সাথে বাঁধুন এরপর স্টেডিয়ামের পাশে কাউকে বলুন বাঁশ দুটি পুতে দিতে; ব্যস খেলা দেখতে থাকুন।

২. কয়েকজন মিলে একটা হেলিকপ্টার ভাড়া নিয়ে খেলা দেখতে পারেন।

৩. পুলিশের ড্রেস বানিয়ে নিজে পুলিশ হয়ে ঢুকে পড়ুন।

৪. আপনার বয়ফ্রেন্ডকে টিকেট যোগাড় করতে বলুন।

৫. খবর ছড়ান চিড়িয়াখানা থেকে বাঘ পালিয়েছে। দেখবেন স্টেডিয়ামে আপনি ছাড়া আর কেউ নেই।

৬. একটা স্টেডিয়াম ভাড়া করে বিশাল টিভি স্কিনে খেলা দেখুন আর ভাবুন স্টেডিয়ামে আছেন।

৭. স্টেডিয়ামে ঝাল মুড়ির ব্যবসা খুলতে পারেন।

৮. সাংবাদিক কার্ড করতে পারেন।

উপরের কোনটাই যদি না পারেন তবে স্টেডিয়ামে ব্ল্যাক টিকেট কিনে খেলা দেখুন।
continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (2)

  • - মাঈনউদ্দিন মইনুল

    একদিন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার খবর দিন, কামাল ভাই।

    দেখলাম এবং তৃপ্ত হলাম। রেল লাইনের নিচে গরু রেখে ছবি তুলে অট্টহাসি হেসেছেন 

    • - কামাল উদ্দিন

    - কামাল উদ্দিন

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার খবর বলতে কি বুঝাতে চাচ্ছেন মইনুল ভাই ?

    - নুসরাত জাহান আজমী

    ৩ আর ৪ নম্বর ছবিটা হেব্বি হইসে। গরুর ছবি তুইল্লা খুশী হইয়া গেলেন, কাহিনী কি?

    • - কামাল উদ্দিন

      যে কোন ছবি তুলতে পারলেই আমার খুশি লাগে আপু

    Load more comments...

মাহবুবুন নূর মেহেদী

৫ বছর আগে লিখেছেন

অবহেলায় শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম

বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম ৮ বছর ধরে কোন আন্তর্জাতিক খেলা না হওয়ায় অবহেলায় পড়ে আছে। সংস্কার ও খেলার অভাবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হারানোর ভয়ও বাড়ছে। তবে এ ব্যাপারে কতপক্ষের কোন নজর নেই।
প্রায় ২০ কোটি টাকা দিয়ে নির্মিত এই স্টেডিয়ামটি ২০০৪ সালে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পায়। বাংলাদেশের প্রায় সব খেলোয়াড় এই মাঠ ও পিচের প্রশংসা করেন। এমনকি ধারাভাষ্য দিতে এসে ক্লাইভ লয়েড ও ওয়াসিম আকরাম এই মাঠের পিচের প্রশংসা করেন। উদ্বোধনের পর এখানে ১ টি টেস্ট ও ৫ টি ওয়ানডে ম্যাচ পরিচালনা করা হয়।
২০০৬ সালে প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে হারলেও দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ৪ উইকেটে প্রথম হারায় বাংলাদেশ। এরপর প্রথম ও একমাত্র টেস্টে হারে বাংলাদেশ। এরপর আর হারতে হয়নি বাংলাদেশকে। কেনিয়ার বিরুদ্ধে ১৩১ রানে এবং জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে ২ টি ওয়ানডে ম্যাচে ৬ উইকেট ও ২৬ রানে জেতে বাংলাদেশ। তাই চান্দু স্টেডিয়ামকে লাকি গ্রাউনড মনে করা হয়।
লাকি গ্রাউনড মনে করা হলেও এরপর থেকে আর কোন আন্তর্জাতিক খেলা এখানে অনুষ্ঠিত হয়নি। তাই হয়নি মাঠ সংস্কারের কাজ। মাঠ, গ্যালারী কিংবা ফ্লাড লাইট কোথাও নেই নতুনত্বের ছোঁয়া। কতপক্ষের উদাসীনতাই এর জন্য দায়ী।
টি২০ বিশ্বকাপে ৩৯ টি খেলার একটি খেলাও নেয়া হয়নি শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে। শুধু বগুড়াবাসী নয় উত্তরবঙ্গবাসী এতে হতাশ। টি২০ বিশ্বকাপের ম্যাচ আয়োজনের জন্য প্রস্তুত ছিল বগুড়াবাসী।
মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ বলেন, এই স্টেডিয়ামের মাঠ খেলোয়াড়দের জন্য সহায়ক, মাঠের পিচও অনেক ভাল। এখানে আর্ন্তজাতিক ক্রিকেট খেলা হলে অনেক ভাল হবে বলে জানান তিনি। জাতীয় ক্রিকেট দলের পেসার রুবেল হোসেন বলেন, এই স্টেডিয়ামের মাঠ খেলার জন্য যথেষ্ঠ ভাল এবং এই মাঠে রান পাওয়া যায়।
বাংলাদেশের বর্তমান অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম, পেসার... continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (1)

  • - কামাল উদ্দিন

    আপু কেমন আছেন ?

    • - রোদেলা

      পিপড়া নাই।ভালো আছি

    - রুদ্র আমিন

    অনেকদিন পর পেলাম, ভাল লাগল। গভীরের কথা গুলো।

    • - রোদেলা

      অনেকদিন পর সবার মন্তব্য পড়ছি,অন্যরকম ভালোলাগা।

    - মোঃ আক্তারুজ্জামান আক্তার

    দারুণ হয়েছে।

    • - রোদেলা

    Load more comments...