এম রহমান

৩ বছর আগে লিখেছেন

হুমায়ুন আজাদকে নিয়ে চঞ্চল আশরাফের সাক্ষাতকার (কিস্তি-১)

পর্ব-১
১৯৯০ সালের খুব সম্ভবত এপ্রিলে, মাঝামাঝি কোনও এক দিনে হুমায়ুন আজাদেরসামনে নিজের কবিতা নিয়ে হাজির হওয়ার প্রথম সুযোগটি পাই। অনুষ্ঠানটি হয়েছিলটিএসসি ক্যাফেটেরিয়ার দক্ষিণপাশে, রোদ-ঝলমল বিকালে, বেশ অনাড়ম্বরভাবে।উদ্যোক্তা ছিলমঙ্গলসন্ধ্যা। মিহির মুসাকী, সরকার আমিন, লিয়াকতজুয়েল কবিতা পড়েছিলেন। সবার শেষে আমার পালা এলে আমি সে-সময়ের লেখা নিজেরসবচেয়ে ভালো কবিতাটি পড়ি। পড়ার সময় থেকে বুকে যে কাঁপুনি শুরু হয়েছিল, তাঅনুষ্ঠান শেষ-হওয়া পর্যন্ত ছিল। সবার কবিতা পড়া শেষ হলে হুমায়ুন আজাদ সে-সবনিয়ে আলোচনা শুরু করেন। কার কবিতা নিয়ে কী বলছেন সেদিকে আমার খেয়াল নেই।থাকার কথাও নয়। কারণ, (অন্যরা গোল্লায় যাক) আমার কবিতা নিয়ে তিনি কী বলেন, সেই ভাবনায় আচ্ছন্ন ছিলাম তখন। কিন্তু কিছুই বললেন না। শুধু সামান্যতাচ্ছিল্যের হাসি মিশিয়ে আমাকে দেখিয়ে বললেন, ‘ continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (0)

  • - মাসুম বাদল

    অনেক অনেক ভাললাগা জানালাম... !!! 

এম রহমান

৩ বছর আগে লিখেছেন

ছড়াকার জগলুল হায়দারের ছড়া--বিয়ে বিড়ন্বনা

কালো মোটা বেটে খাটো যেমন ছেলেই হোক
বউখানা তার এমনটি চাই জুড়ায় যাতে চোখ।
আদিখ্যেতার ধরণ দেখে মেজাজ বিগরে যায়
ল্যাংড়া পোলাও বিয়া করতে সুন্দরী বউ চায়।
উচ্চবিত্ত মধ্যবিত্ত কিম্বা নিম্নবিত্ত
কন্যাদানের ঝুট ঝামেলায় কেবল হাপায় নিত্য।
এই জাগাতে সাম্য(!) কতো গভীর কতো মিল
পিয়ন থেকে সাহেব-সুবা সবারই এক দিল।
কালো মেয়ে বউ হিসাবে মোটেও চয়েজ নয়
এমন কথা আন্ধা ফকির ফয়েজ মিয়াও কয়।
এই এটা চায় অই সেটা চায়, চাওয়ার সেকি ঢং
দেওয়া-থুয়ার পরেও দিবেন ফর্সা গায়ের রঙ।
কেউবা আবার অত্যাধুনিক বেজায় রকম ধড়ি
চাওয়া টাওয়া কিচ্ছুটি নেই, মেয়েটা চায় গোরি।
যে দেশে ভাই অধিক মেয়েই সচরাচর কালো
সেই দেশেতে এমন কথা নয় তো মোটেও ভালো।
আলো জ্বালাও বন্ধুরা সব আপন আপন মনে
কালো সাদায় কি আসে যায় জীবনের এই রণে।
মনের মতো মন পেলে আর রঙ কিছু নয় মোটে
খুঁজে ফেরো ফর্সা মনের সঙ্গী যাতে জোটে।
continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (0)

  • - মাইদুল আলম সিদ্দিকী

    আপনার ক্লিকবাজী সবসময়ই অসাধারণ!

    emoticons

এম রহমান

৩ বছর আগে লিখেছেন

ছন্দের সহজ পাঠ - আনিসুল হক

ছন্দ শেখার প্রথাগত পদ্ধতিটা একটু কঠিন। খুব সহজ ভাষায় সহজ কথায় ছন্দ শেখার একটা ফন্দি হলো এই সহজ পাঠ।
কবিতায় ছন্দ থাকতে হয়। ছন্দ মানে মিল নয়। মিল ছাড়াও ছন্দ হয়।
(মিলকে অন্ত্যানুপ্রাস বলে)
যেমন: স্বাধীনতা তুমি রবি ঠাকুরের অজর কবিতা অবিনাশী গান–– এই কবিতায় ছন্দ আছে। কিন্তু মিল নাই।
বাংলা কবিতার ছন্দ প্রধানত তিন প্রকার।
১. অক্ষরবৃত্ত
২. মাত্রাবৃত্ত
৩. স্বরবৃত্ত
ছন্দ জানতে হলে প্রথমে জানতে হবে মাত্রা, পর্ব আর চরণ।
মাত্রা: মাত্রা হলো শব্দের সবচেয়ে ছোট একক।
পর্ব: কয়েকটা মাত্রা নিয়ে একটা পর্ব হয়।
চরণ: কয়েকটা পর্ব মিলে একটা চরণ হয়। চরণের শেষের পর্বটা অপূর্ণ থাকতে পারে।
বাংলা কবিতায় মাত্রা তিন ধরনের ছন্দে তিনভাবে মাপা হয়।
অক্ষরবৃত্ত
অক্ষরবৃত্ত ছন্দে একটা অর এক মাত্রা।
যুক্তারও এক মাত্রা।
যেমন: চন্দন, এটায় আছে অক্ষরবৃত্ত তিন মাত্রা। আবির্ভাব, এটায় আছে চার মাত্রা।
অক্ষরবৃত্তে সাধারণত ৪ মাত্রায় একটা পর্ব ধরা হয়। একটা পঙ্ক্তি বা চরণে সাধারণত ৬ মাত্রা (৪+২), ১০ মাত্রা (৪+৪+২), ১৪ (৪+৪+৪+২), ১৮ (৪+৪+৪+৪+২), ২২ (৪+৪+৪+৪+৪+২), ২৬ টি মাত্রা থাকে।
এর মধ্যে বিখ্যাত হলো পয়ার। এক লাইনে ১৪টি মাত্রা বা ১৮ টি মাত্রা থাকে পয়ারে। আরো বেশি, ২২, ২৬ হলে তাকে মহাপয়ার বলে।
১৪ মাত্রার উদাহরণ:
লাখে লাখে সৈন্য মরে হাজারে হাজার।
শুমার করিয়া দেখে, চল্লিশ হাজার।
৮+৬ এই ভাবেই প্রধানত এটা ভাগ করা যায়।
প্রথম ৮ টা ৩+৩+২ করেও করা যায়। (৫+৩ হয়। বেশি ভালো হয় না।)
পয়ারের উদাহরণ:
মানুষ এমন তয় একবার পাইবার পর,
নিতান্ত মাটির মনে হয় তার সোনার মোহর।
পরাজিত নই নারী, পরাজিত... continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (1)

  • - মাসুম বাদল

    emoticonsemoticonsemoticons

এম রহমান

৫ বছর আগে লিখেছেন

আবু সাইদ আহমেদের কলাম

আজ জাফর ইকবাল স্যার 'ইতিহাসের ইতিহাস' লিখেছেন। তিনি লিখেছেন মাত্র ১৩ দিনের যুদ্ধে পাকিস্তান বাহিনী পরাজিত হয়ে গেল। অর্থাত, এই ১৩ দিন বাদে বাকি সাড়ে আট মাস যুদ্ধ হয় নাই, মুক্তিবাহিনী জাফর স্যারের জাবর কাটার ঘাস কেটেছে।
তিনি প্রথমা প্রকাশনীকে ধুয়েছেন। ভুলে গেছেন নিজের ইতিহাসের ইতিহাস। প্রথম আলো যখন ইসলামী ব্যাঙ্কের মিডিয়া পার্টনার ছিলো তাতে নিয়মিত কলাম লিখতে উনি বিবেকের দংশন বোধ করেন নাই। উনি যখন নিজ স্বার্থগত কারনে প্রথম আলো ত্যাগের নাটক করেছিলেন তখন প্রথম আলো তাকে পাত্তা দেয় নাই। অথচ, পরবর্তীতে তিনি প্রথম আলোর কিশোর প্রকাশনা 'কিশোর আলো'-তে নিয়মিত লিখেছেন, লিখছেন। ব্যাপারটা এরকম যে তরকারিতে মাংসের টুকরা হালাল কিন্তু ঝোল হারাম।
জাফর স্যার প্রথম আলোর বানানো এক কর্পোরেট প্রোডাক্ট। প্রথম আলো ছাড়ার পর তার কাছে দুটো পথ খোলা ছিলো- এক। পুনরায় প্রথম আলোতে ফিরে যাওয়া অথবা বুদ্ধি বেশ্যা হিসাবে নিজেকে বারোয়ারি প্রোডাক্টে রুপান্তর করা। ফিকশনের প্রচারের স্বার্থে টার্গেট গ্রুপ ঠিক করে তিনি কিশোর আলোতে ফিরে গেছেন আর বুদ্ধি বেশ্যা হিসাবে নিজেকে বারোয়ারী পণ্যে পরিনত করেছেন।
ভালো করে অনুসন্ধান করলে বেরিয়ে আসবে জাফর স্যার স্পন্‌সর বাই জামাত। কারন তার অন্তঃসারশুন্য আবেগ নির্ভর বালখিল্য লেখাগুলো দীর্ঘমেয়াদে জামাত এবং স্বাধীনতা বিরোধীদের স্বার্থই রক্ষা করবে। জাফার স্যারের লেখাকে রেফারেন্‌স হিসাবে ব্যাবহার করলে মুক্তিযুদ্ধ, চেতনা কিশোর বয়সের আবেগী ক্রিয়ার বেশী কিছু নয়।
continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (1)

  • - নুসরাত জাহান আজমী

    emoticonsemoticons ভবিষ্যতে কাজে লাগব। emoticons

    • - মাইদুল আলম সিদ্দিকী

      আপু আস্তে বলেন দেয়ালেরও কান আছে emoticons

    • Load more relies...
    - মোঃসরোয়ার জাহান

    ভালো লাগলো আপনার টিপ্স গুলো।

    • - ফারজানা মৌরি

      আপনার বউকে বলবেন। 

    - মোঃসরোয়ার জাহান

    কেমনআছেন? সাহিত্যপ্রতিযোগিতাবর্ষারগল্পকবিতা২০১৪বিভাগ-- কবিতাআমারকবিতা …..'দুইটিনৈর্ব্যক্তিকনূপুর’ .....নির্বাচিতহয়েছেভোটেরজন্যযদিআমারকবিতাআপনাদেভালোলাগেকিম্বাভোটপাবারযোগ্যহয়তবেআপনারমূল্যবানভোটচাইভালোথাকবেনশুভকামনারইল http://www.nokkhotro.com/post/140379-097653-ac2680-152ca0-.16629-481

    Load more comments...

এম রহমান

৫ বছর আগে লিখেছেন

বিহারি মরার ঘটনায় জাতীয়তাবাদী ইন্ধন নাইঃ সালাউদ্দিন শুভ্রর কলাম

বিহারি মরার ঘটনায় জাতীয়তাবাদী ইন্ধন নাই
 
সালাহ উদ্দিন শুভ্র•
 পল্লবীতেদীর্ঘদিন আমার বাস। কালশি এলাকায় বার কয়েকই যাওয়া হইছে। চুল থেকে মাংসকাটা, নিত্যদিনের বাজার থেকে শুরু করে ঈদের কেনাকাটা পর্যন্ত সে এলাকায়বিহারিদের প্রতি নির্ভরশীলতা আছে বাঙালিদের । গরুর মাংস কাটা কিম্বা রান্ধাঅথবা বেনারশির বুননে বাঙালি তার অপারঙ্গমতা বিহারিদের দিয়া মিটাইত। আমাদেরবাসা থিকা হাঁটতে শুরু করলে ঘাম ঝরানির আগেই বিহারি বস্তি। বাঙালিদেরতুলনায় কম এলাকায় গাদাগাদি করে এরা বেশি লোকজন থাকে। এখানকার কায়কারবারআলাদা। বিয়া, খতনা, ঈদ, রোজা এমনকি সালিশ, সব মিলায়ে বিহারিরা আলাদা আইনভোগ করে। স্ফূর্তি, রঙ আর আতশবাজিতে তারা নিজেদের আলাদা করে। কথাও কয়উর্দূতে। মিরপুর এলাকায় চুল কাটানির বেশ দামি দোকানেও তারা কাঁচি চালায়।উর্দূ ভালো না বুঝলে তাদের হাসি-মশকরায় আপনে অ্যামবারাস ফিল করতে পারেন।কিন্তু এটুকু যদি বুঝেন যে রিজিকের প্রতি তাদের শতভাগ সততা আছে। তাইলে এতেআর আপনার সমস্যা হবে না। মুক্তিযুদ্ধকালীন সেই ভয়াবহতার প্রতি দুই পক্ষেরইএখন আর সমর্থন নাই। বিহারিরাও বাংলাদেশি হিসাবেই থাকে। ক্রিকেট খেলায়মুশফিকুর রহিমদের সাপোর্ট দেয়, বাঙালি লিডারদের হয়ে ভাড়া খাটে। এ দেশে তারাটিকে আছে এমন সব পারদর্শিতা দিয়া। হাতের কাজ, রান্নার কাজ এসব তাদের টিকেথাকার উপায়। নইলে এ দেশে তাদের আছেটা কী?
বিহারিদের বলতে গেলে কিছুই নাই। পায়েরনিচে মাটি নাই। এখানে তারা টিকে আছে বাঙালিদের খেদমতের লাগি। উচ্চ পদেআসীন হওয়া কিম্বা উচ্চ শিক্ষার তরে তাদের তেমন আগ্রহ নাই। অনাধুনিকজীবন-যাপনে অভ্যস্ত। কোথাও কোথাও গরিব বাঙালিদের সঙ্গে তাদের ঘর-সংসার আছে।আল্লার দুনিয়ার এতিম ইনসান হিসাবে তারা এ ভূখণ্ডে টিকে আছে। পলিটিক্যালিপরাজিত, অন্যের দয়ায় টিকে থাকা জনগোষ্ঠি। জাতিসংঘ না-থাকলে কী যে হইততাদের!
বাংলাদেশে জেনেভা ক্যাম্পের তলায় তারাআশ্রয় নিয়েছে। এখনো আছে। লাশের সংখ্যা যতই হোক, তাদের এটা ছেড়ে যাওয়ারউপায়... continue reading
Likes Comments
০ Shares
Load more writings...